Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

যুবা (১৮ বছর বা তদুর্দ্ধ)

নৈরঞ্জনা(৮)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: সোম, ০৮/১০/২০১৮ - ৩:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৮।

দীর্ঘ যাত্রার শেষপ্রান্তে পৌঁছলাম অবশেষে। এসে গেল আমাদের গন্তব্য। ট্রেন থামলে ধীরেসুস্থে সব গুছিয়ে যখন প্ল্যাটফর্মে নেমে এলাম, তখন চারিদিকে শেষ বিকেলের মায়াবী আলো।


প্রতিনায়কঃ একটি বিকল্পধারার পোস্টমর্টেম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২২/০৮/২০১৮ - ৬:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রতিনায়ক; আমাদের রক্তমাংসের জীবনে সমাজ নির্ধারিত বাঁধাধরা নিয়ম-নৈতিকতা ও ঔচিত্যবোধের বাইরে এদের অবস্থান। একক শব্দে ধারণাটাকে ধরতে এর চাইতে সুন্দর বাংলায়ন আর হয়না। সৃজনশীল শিল্পমাধ্যমে এদের আনাগোনা অবশ্যম্ভাবী না হলেও, দুর্লভ নয়।স্বাভাবিকভাবেই সমাজের দৃষ্টিতে তাদের ভাবমূর্তি ইতিবাচক নয়। ‘স্বাভাবিকতা’টাই যেখানে সমাজ নির্ধারিত, সেখানে এই নেতিবাচক সীদ্ধান্তটা ধ্রুব ভেবে নেবারও কারণ নেই। সাদাচোখে এরা


চোর (একটি মিথ্যা ঘটনা অবলম্বনে রচিত সত্য গল্প)

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৮/২০১৮ - ১০:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আলম বিশিষ্ট লেখক। তার কারবার অণুগল্প নিয়ে। হাজার তিনেক গল্পের জন্ম সে ইতিমধ্যে দিয়েছে। ফেসবুকের দেয়ালে এগুলো নিয়মিত পোষ্ট হয়। লাইক তেমন একটা পড়ে না। বরঞ্চ উল্টো ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে তার বন্ধুর সংখ্যা কমে যায়। ফ্রেন্ডলিস্টে আগে ছিল বত্রিশ জন। আজকে দেখা গেল উনত্রিশ। তিনজন সম্ভবত বিরক্ত হয়ে আনফ্রেন্ড করেছে। আলম দমে যাবার পাত্র নয়। তার সাধনা নিরলস।

কোন ব্লগেই তার লেখা ছাপা হয় না। ব্লগের সঞ্চালকদের মেসেজ পাঠাতে পাঠাতে তার আঙ্গুলের ছাল উঠে গেছে। সেখানে জ্বালা পোড়া করে। ভেসলিন লাগিয়ে রাখতে হয়। আলম বুঝে না তার “আলোকিত বিভীষিকা” কিংবা “দানবের ভালবাসা” এর মত তুখোড় অণুগল্প কি করে সাহিত্য ব্লগ গুলতে স্থান পায় না। জীবদ্দশায় সত্যিকারের জিনিয়াসরা কখনই মূল্য পান না। আলমের আফসোস।


একটি ইঁটের আত্মজীবনী

মৃদুল আহমেদ এর ছবি
লিখেছেন মৃদুল আহমেদ (তারিখ: বুধ, ১৮/০৭/২০১৮ - ১১:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুশো সতের তলা বাণিজ্যিক ভবন থেকে পড়তে পড়তে ইঁটটি ভাবছিল, আজ কেউ মারা না যাক।

কিন্তু একশো আটানব্বই তলায় প্রিয়তম স্বামীটি তখন প্রাইভেট সেক্রেটারির অন্তর্বাসের ফিতের জট খুলছিল।

আর একশো বিয়াল্লিশ তলায় প্রবল আশাবাদি তরুণটি সিলিংফ্যানে বাঁধছিল গলার দড়ির অপর প্রান্ত।

ওদিকে বিরাশি তলায় কমিটির নির্বাচনী মিটিংয়ে মারামারি। ভাঙা কাঁচের গ্লাস। তোবড়ানো এজেন্ডা। থুতনিতে কালশিটে।


প্রাণঘাতী ভূগোল প্রেম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৫/০৬/২০১৮ - ৭:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কবি হিসাবে আমার অপরাধ আমি জুনের সতারো তারিখে
আনমনে লিখেছিলাম একটি কবিতা। তাতে
ছিল না কুন পরনারীর প্রতি লালসা
ছিল না কুন নাইকা-মডেলের প্রতি মিষ্টি বচন
আমি শুধু হৃদয়ের সকল মধু ঢালিয়া খাতার পাতে রচেছিনু সুদুর আগ্নেয় দ্বীপ আইসলেন্ডের
প্রশস্তি। লিখেছিনু, হে বরফের মাঝে আগ্নেয়গিরি খচিত কাচা মাছের গন্ধে ভরা আইসলেন্ড
তুমি কি খাও?
কেন তুমার সন্তানদের পায়ে এমন মধুর জোর


হুদাহুদি ০২

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: রবি, ১০/০৬/২০১৮ - ১২:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"দইবড়াটা একটু চেখে দেখবেন কি, মাই লর্ড?" নার্সিসা ম্যালফয় একেবারে নতজানু হয়ে দইবড়ার বাটি রাখেন ভল্ডেমর্টের সামনে।

ভল্ডেমর্ট চোখ বন্ধ করে চুপচাপ গরুর গোস্তো দিয়ে পোলাও খায় চপচপ করে।


মঞ্জু সরকারের 'অন্তর্দাহ' : মুক্তিযুদ্ধের কুৎসিততম উপন্যাস

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: রবি, ০৩/০৬/২০১৮ - ১:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিদগ্ধজনের প্রশংসা এবং মলাটের উপর বাংলা একাডেমি পুরস্কারের সিল দেখে এক পাঠক বইটা পড়তে শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা উপন্যাসটির যাত্রা শুরু হয় একাত্তরের মার্চের প্রথম সপ্তাহে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সম্মুখভাগ থেকে। প্রধান চরিত্র মানিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টগবগে তরুণ ছাত্র। পিতা গ্রামের প্রভাবশালী আওয়ামী নেতা। মানিক ভিড় ঠেলে বঙ্গবন্ধুকে এক পলক দেখে উজ্জীবিত হয় কিন্তু ৭ মার্চের ভাষণের পর দেশে গণ্ডগো


প্রতিদ্বন্দ্বী বন্ধু কর্কট রাশির বরকত কবি (অপেঃ)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০১/০৬/২০১৮ - ৫:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেদিন বাড়ির অদুরেই
দেখা হয়ে যায় প্রতিদ্বন্দ্বী বন্ধু কর্কট রাশির
বরকত কবির সাথে, তবে সে
অপেশাদার।
কুশলাদি জানতে চাওয়ার আগেই সে উল্টিয়ে কলার
আমায় বলে, হেরে গেলে ভন্দু।

বিস্ময় ও গোসসায় আমি হয়ে উঠি কাতর
কিন্তু আমায় নিজের পক্ষ সমর্থনের কুন সুযুগই দেয় না নিষ্ঠুর
অপেশাদার কবিটি। বলে, পপিতা এখন আমার ফ্রেন্ড।

হয়ে যাই ভাষাহারা। নায়িকা পপিতা? অস্ফুটে শুধাই


চুকচুকি

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: বিষ্যুদ, ৩১/০৫/২০১৮ - ৬:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“তোমাদের তুমি করেই বলি, নাকি?” করমর্দনের সময় টের পেয়েছি, ভদ্রলোকের কব্জিতে সেরকম জোর, কিন্তু তাঁর কণ্ঠটি বড় মোলায়েম আর সুরেলা। জমিদার বংশের লোক, আলিশান প্রাসাদের মতো বাড়ি হাঁকিয়ে থাকেন এই ধুধু পারাবারের মাঝে, হয়তো অবসরে মুগুর আর তানপুরা দুটোই কষে ভাঁজেন। গদোগদো গলায় প্রায় সায় দিয়ে ফেলছিলাম, কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগী দুলালটা সব সৌজন্যের দফা রফা করে দিয়ে ফোঁস করে উঠে বললো, “ক্যান, তুমি কৈরা কৈবেন ক


মতি চোরা

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৭/০৫/২০১৮ - ৭:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চোরদের বুকের পাটা থাকার কোন নজির নেই। কিন্তু মতি চোরার বুকের পাটার সাইজ বলতে গেলে ইয়া বড়। সে চিঠি পাঠিয়ে চুরি করতে যায়। চিঠির নমুনা দেয়া যাক-

"জনাব,
পর সমাচার এই যে অদ্য রাত বারো ঘটিকায় আপনার আলয়ে পা ফেলিব বলিয়া সিদ্ধান্ত লইয়াছি। মূল্যবান দ্রব্যাদি এবং টাকা-পয়সা সিন্দুকে তালা দিয়া কিংবা মাটিতে পুতিয়া রাখিয়া কোন ফল হইবে না। রাত জাগিয়া পাহারা দিয়াও কোন ফায়দা হইবে না। সমস্ত কিছুই আমার নখদর্পনে এবং আমার গতিবিধি অশরীরির ন্যায়। তাই রাত জাগিয়া কষ্ট না করিয়া আমার কাজ আমাকে নির্বিঘ্নে করিতে দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হইবে। সালাম লইবেন।
ইতি,
অধম মতি চোরা"