Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

যুবা (১৮ বছর বা তদুর্দ্ধ)

ভর দুপুরের অনুভূতি

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৯/০২/২০১৮ - ৮:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাছের মাথাটা শফিকের প্লেটে তুলে দিয়ে ময়না বলল,” আরেক টুকরা মাছ দেই?”

খাওয়া থামিয়ে বিরক্ত হয়ে শফিক বলল,” মাছতো আলরেডি প্লেটে ঢাইল্লা দিছ। দেওয়ার পর পারমিশন চাও এইটা কেমন স্বভাব?”

ময়না খিলখিল করে হাসে। বিরক্ত হয়ে শফিক মাছের মাথা চিবাতে চিবাতে বলল,” কথায় কথায় এত হাস কেন? সমস্যা কি তোমার?”

ময়না আরো জোরে জোরে হাসে। খিলখিল। খিলখিল।

“আরে কি সমস্যা! আবার মাথায় ঘোমটা দিছ? বলছি না আমার সামনে ঘোমটা দেওনের দরকার নাই?”

খিলখিল। খিলখিল। খিলখিল। খিলখিল।

“ধুর বাল খামুই না।”


মায়াগহ্বর

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১২/০১/২০১৮ - ১:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সে দেশে শুধু পুরুষ। কোন নারী নেই। বংশবৃদ্ধি কি করে হয় সে এক রহস্য। নারী বলে যে আলাদা এক জাতের মানুষ আছে তাই তারা জানে না।

সে দেশের শেষ মাথায়, যেখান থেকে গহীন বনের শুরু, এক অদ্ভুত গহ্বর ছিলো। লোকে বলা মায়া গহ্বর। ভরা পূর্ণিমার রাতে গহ্বর থেকে ভেসে আসে মায়াবী ডাক- আয়...আয়...আয়। ভয়ে ওদিকে কেউ যায় না। মায়া গহ্বরের ডাকে সাড়া দিয়ে ফেরেনি কোন পুরুষ।

তারপরও মন্ত্রমুগ্ধের মত কত পুরুষ ওদিকে গিয়ে হারিয়ে গেছে। মায়া গহ্বরের ডাকে সব ভুলিয়ে দেয়া সে এক আশ্চর্য মায়া। পূর্ণিমা এলেই কানে গামছা বেঁধে রাখে মানুষ।


এক এগারো - ফিরে দেখা (২)

নৈষাদ এর ছবি
লিখেছেন নৈষাদ (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/০১/২০১৮ - ৫:৩৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত গণমাধ্যম সংক্রান্ত একটা খবর দৃষ্টি কাড়ে। উইকিলিক্সে ফাঁস হওয়া মার্কিন ‘ক্যাবলের’ বরাতে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার ২০১১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বরে আমাদের জানায়, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই অন্তত দুইটি টেলিভিশন চ্যানেলের মালিকানার অংশিদারিত্ব কেনার ব্যাপারে কাজ করেছিল সেই সময়ে। খবরে বলা হয়, ডিজিএফআই কথিত বাংলাদেশ পারস্পেক্টিভ রিসার্চ ফাউন্ডেসন নামে একটা প্রতিষ্ঠান তৈরী করে ইটিভির ২০% অংশীদারীত্ব কিনেছিল এবং চ্যানেল ওয়ানের এক-তৃতীয়াংশ অংশীদারিত্ব কেনার ব্যাপারটা প্রক্রিয়াধীন ছিল।


শব্দগল্পদ্রুম ০৬

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: মঙ্গল, ০২/০১/২০১৮ - ৪:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
অশেষ স্বলেহনের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি সহজে যূথচিন্তনের সুযোগও ফেসবুক খোলা রেখেছে। পরিভাষা নিয়ে চিন্তার জন্যে আগ্রহী কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে গড়া এমনই এক যূথচিন্তনের জায়গায় সেদিন একটি প্রশ্ন দেখে থমকে গেলাম: "জেলিফিশের বাংলা কী হতে পারে?"


তেল-গ্যাস সেক্টর – অসংলগ্ন স্মৃতিচারণ

নৈষাদ এর ছবি
লিখেছেন নৈষাদ (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৮/১২/২০১৭ - ৭:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২০০৭-৮ সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জ্বালানী উপদেষ্টা হিসাবে নিয়োগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ম তামিম। সংবাদ মাধ্যম কিংবা এর দ্বারা প্রভাবিত জনমানসে তিনি কিছুটা বিতর্কিত ব্যাক্তিত্ব, সাধারনত বিদেশি তেল-গ্যাস প্রতিষ্ঠানের স্বার্থরক্ষাকারী হিসাবে উপস্থাপিত হন।


বড় দিনের বিগ-জ্ঞান

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৫/১২/২০১৭ - ৫:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২০১৩ সালে নটিংহ্যাম এবং ডার্বি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই গবেষক জেমস বন্ডের ১৪ টি বই পড়ে, বন্ডের ভদকা মার্টিনি পানের পরিমানের উপর ভিত্তি করে দাবী করে জেমস বন্ড একজন মদ্যপ মাতাল !! হ্যা, ০০৭ , লাইসেন্স টু কিল জেমস বন্ডের কথাই বলছেন দুই লেখক । ১৯৫৩ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত জেমস বন্ডের ১৪ বই পর্যালোচনা করে তারা আবিষ্কার করেন বন্ড প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১লিটারের (৯২ ইউনিট) মদ খেয়ে চলেছে । এই হারে মদ খাওয়া চালাতে থাকলে অল্প বয়সেই পটল তোলার সম্ভবনা আছে । তাছাড়া মাতাল অবস্থায় জেমস বন্ড প্রায় গাড়ি চালায়, গোলাগুলি করে যা জনসাধারনের জন্যও বেশ বিপজ্জনক ।


সময় গেলে সাধন হবে না

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শনি, ১৬/১২/২০১৭ - ১:২৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিডিনিউজ২৪.কমে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদিন বিভিন্ন সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিচারণ ছাপা হচ্ছে। একটিতে সেদিন চোখ আটকে গেলো। একাদশ সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের বর্তমান মহাসচিব হারুন হাবীব বলেছেন,


কুয়া (সম্পূর্ণ)

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: সোম, ০৬/১১/২০১৭ - ১:৫৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(পূর্বের অংশ এখানে সংযুক্ত করা হলো)


দু’টি হত্যাকান্ড, ‘উত্তেজিত সৈনিক’ তত্ত্ব এবং অন্যান্য

নৈষাদ এর ছবি
লিখেছেন নৈষাদ (তারিখ: শনি, ০৪/১১/২০১৭ - ৬:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মুক্তিযুদ্ধাকালীণ দুই নাম্বার সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার এবং 'কে-ফোর্স'-এর সর্বাধিনায়ক মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীরউত্তম, ক্র্যাক প্লাটুনের অন্যতম পরিকল্পনাকারি মেজর এটিএম হায়দার বীরউত্তম এবং আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী কর্ণেল খোন্দকার নাজমুল হুদা বীরউত্তম – এই তিন মুক্তিযুদ্ধাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর। আরেক মুক্তিযুদ্ধা, আট নাম্বার সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর বীরউত্তমকে হত্যা করা হয় ১৯৮১ সালের ২রা জুন।

সরকারি এবং পরবর্তীতে বহল প্রাচারিত ভাষ্যমতে দুটো ঘটনাই ঘটায় ‘উত্তেজিত সৈনিকেরা’। দুটো হত্যাকান্ডের ঘটনায় কিছু মিল আছে।


কুয়া

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: শনি, ২৮/১০/২০১৭ - ১:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রমজান কুয়োর মধ্যে উঁকি দিয়ে দেখে। অনেক আগের থাক থাক করা ইট-গাঁথা নামার সিঁড়ি, চলে গেছে একদম অন্ধকার পর্যন্ত। অনেক আগের কুয়ো।