যুবা (১৮ বছর বা তদুর্দ্ধ)

| ঘড়ায়-ভরা উৎবচন…|৩০১-৩১০|

রণদীপম বসু এর ছবি
লিখেছেন রণদীপম বসু (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৩/১১/২০১৪ - ৭:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:



নিমতলি ফটক, ঢাকা।
এবং আমিও হাজির ! কিন্তু এইটা আসল পোস্ট নয়, পোস্ট যথারীতি ভেতরে।
।।।


জাসদঃ অসংলগ্ন ভাবনা -১

নৈষাদ এর ছবি
লিখেছেন নৈষাদ (তারিখ: মঙ্গল, ১১/১১/২০১৪ - ৫:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আলসেমি এবং ইন্টারনেট-টিভি আসক্তিতে আয়েশ করে ‘বই পড়া’ খুব একটা হয়ে উঠে না ইদানিং। তবে আমার জন্য সুখের সংবাদ যে সংবাদপত্রে ‘পড়ার মত’ তেমন কিছু পাইনা এখন আর।


পরজীবী

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৬/১১/২০১৪ - ৬:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পর্দা করা ফাতেমার ধাঁতে নেই। নদীতে অর্ধউলঙ্গ হয়ে গোসল করে। ঘাটেই কাপড় পাল্টায়। পরপুরুষ হলে কী হবে, বাপের বাড়ির লোক বলে কথা। কেউ বেগানা নয়। কিন্তু এখন থেকে ওসব আর চলবে না।
অবশেষে মৌলভি রাজি হয়। বাদ-যোহর পড়াবে। তবে সম্মানীটা একটু বেশি দিতে হবে। জনপ্রতি মাসিক দুশো টাকা। মেয়েছেলেরা রাজি হয়। এ যুগে দুশো টাকা খুব বেশি নয়।

পরদিন থেকেই মৌলভির ক্লাস বসে। ফাতেমার ঘরের দাওয়ায় চাটাই পেতে। মৌলভি সুর করে, ‘পড়ে আলিফ জবর আ, বে জবর বা...’। পড়াশেষে আধঘন্টা দীন ইসলামের বয়ান। ফাউ। শ্বশুর-শাশুড়ি, স্বামী, বাবা-মার সাথে কী আচরণ করতে হবে তার তালিম দেয় মৌলভি। স্বামীর পায়ের নীচে স্ত্রীর বেহেস্ত--এ কথাটা বার বার মনে করিয়ে দেয়।


ইস্পাম মেইল

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: বুধ, ০৫/১১/২০১৪ - ১০:৩৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজকের সকালটাই কেমন যেন অন্যরকম। আযম সাহেব আইফোনের ক্যামেরায় সেলফি মোডে নিজের চেহারা দেখে আঁতকে উঠেন। প্রতিদিন বাইশ পদ দিয়ে খাওয়ার পরেও একি হাল হয়েছে চেহারার!মাত্র কিছুদিন আগে নব্বই অতিক্রম করলেন। এত অল্প বয়সেই মুখ থেকে লাবণ্য হারানো শুরু হয়েছে।আচারটা কি একটু কম খাওয়া হচ্ছে আজকাল? দই আর আচার এই দুই জিনিশ চেহারার লাবণ্য ধরে রাখে। ডিম আর দুধ যোগায় শক্তি, দই আর আচার সৌন্দর্য। এর সবকয়টাই তো খাচ্ছেন প্রতিদিন। নাহ, কাল থেকে পরিমাণ আরেকটু বাড়িয়ে দিতে হবে। মাথা থেকে ঝাঁকিয়ে দুশ্চিন্তা দূর করার চেষ্টা করেন। উঠে হাসপাতালের খাট থেকে নামতে গিয়ে মাথাটা একটু ঘুরে যায়। খাটের কোনা ধরে টাল সামলিয়ে বসে পড়েন। লক্ষণ খারাপ, লক্ষণ খারাপ বলে বিড়বিড় করেন। দিন কি তবে শেষ হয়ে আসছে?


‘আঁতাতো ভাই’ এবং ধামাচাপা তত্ত্ব

আনু-আল হক এর ছবি
লিখেছেন আনু-আল হক [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৩/১১/২০১৪ - ১:৫১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আঁতাত বিষয়টা স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে (খুব রোমান্টিক কল্পনাপিয়াসী হইয়া পইড়েন না আবার) জড়িত। এবং নিখিল বাংলায় এই বস্তুটির ‘ছোল ডিস্ট্রিবিউটর’ ছিলো বাংলার বামায়াতী (ঠিকই ধরসেন, জামায়াত এবং বাম-এর অভূতপূর্ব শংকর) মহল। ‘দি নিউ জামায়াত এন্ড সন্স (অব দ্য বিচেস?)’ নাম নিয়ে বিম্পি নামের নতুন দল যাত্রা (পালা) শুরু করার পর, ইনারাও বংশানুক্রমে এই তত্ত্বের সম্যক অংশীদার হইলেন।


ও ময়ূর, পাখা মেলে দাও (২য় পর্ব)

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০২/১১/২০১৪ - ৪:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুই.একটা সুইসাইড নোট লিখতে হবে। এতে যেমন দায় চাপানো যায়, তেমন এড়ানোও যায়। আইনের ছাত্রী হিসেবে আমি জানি, আমার ইচ্ছামৃত্যুতে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী হাসানকেই প্রথমে সব জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হতে হবে। যদিও আমার পরিণতি বেছে নেয়ার সিদ্ধান্তহীনতায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল হাসানেরই। এই তো পরশু রাতে যখন স্টাডি রুমে এসে চেয়ারে বসে আছি আর জেল পেনে ডায়েরির ভাঁজে আঁকিবুকি করছি, হাসান পিছনে এসে দাঁড়িয়েছিল। আমা


বুদবুদ -১

শিশিরকণা এর ছবি
লিখেছেন শিশিরকণা (তারিখ: শনি, ০১/১১/২০১৪ - ১২:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেকদিন কিছু লিখি নাই। মাথায় ছুটে বেড়ানো এলোমেলোচিন্তাগুলিকে গুছিয়ে একটা প্যারাগ্রাফে বঁধার মতো স্থবিরতাও যদি মস্তিষ্ক আমায় অনুকম্পা করতো, হয়তো খসড়া অন্তত করতে পারতাম। কিন্তু সে আশা বৃথা। টুকিটাকি ভাবনা গুলো যেন বুদবুদ। বড় করতে গেলেই ঠুস ঠাস ফেটে যায়। নেহায়েত দু তিনটাকে যদি ব্লগের পাতায় এনে ফেলতে পারি, মন্তব্যে আলোচনায় হয়ত আরেকটু সমৃদ্ধ হতে পারে। এইসব আলগা ভাবনা অবজার্ভেশন কে এক সুতোয় বাঁধতে সিরি


ইতিহাসের পায়জামা: দিমু নাকি টান?

আনু-আল হক এর ছবি
লিখেছেন আনু-আল হক [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২৫/১০/২০১৪ - ৫:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফেসবুকের কল্যাণে যত বালছাল সব ছেলিব্রেটি; মুশকিল হইতেসে অ-বালছাল ছেলিব্রেটিও আছেন। ফলে, ছেলিব্রেটি মাত্রই বালছাল এইটা নিশ্চয় করে বলা যাইতেসে না। সম্ভবত, এই বিষয়টারে অত্যন্ত নাজুক করে ছাড়বে প্রকৃত বালছালগুলা। পরে, ভালো লুকজন এইটা ছাইড়া যাবে, এবং প্রকৃত বালছালগুলার জয় হইবে, যেমন হইছে আমাদের দেশের রাজনীতি, সিনেমা, সাহিত্যসহ প্রায় সকল মাধ্যমে।


বামাতির ছড়া ০০১

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শুক্র, ২৪/১০/২০১৪ - ৬:০৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফেসবুকে কিছু পড়শী
সদাই অনলবর্ষী
স্ট্যাটাসে আগুন জ্বলে শতগুণ "আমি বিপ্লব করসি!"

যখনই জামাত ধকলে,
তারা থেমে যান সকলে,
স্ট্যাটাসের খাতা ফুল-পাখি-পাতা-লতা নিয়ে যায় দখলে।

কভু ফুকো কভু গ্রামশি
তুলো ধুনে হলো আমসি
নামজাদা যতো বামজাদা কন, "শুরু হলে নাহি থামসি!"

মারা যায় যদি গোআ রে
বিপ্লবীদের খোঁয়াড়ে
দ্রোহের অনল নিভে গিয়ে ছোটে আগরবাতির ধোঁয়া রে।

ছাইভস্মতে ফুঁ দি না,


বাম ডান

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৩/১০/২০১৪ - ১:৩০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

- দুনিয়াতে যতদিন ধরে উপর থাকবে ততদিন নিচ থাকবে, শাসক থাকলে শোষিত থাকবে, শ্রেণী থাকলে শ্রেণীবিভাগ থাকবে, বুর্জুয়া থাকলে প্রতিবাদী থাকবে, ডান থাকলে বাম থাকবে।
এক দমে বলে যেতেন কমরেড কামরুল ভাই। কামরুল ভাই আমাদের পাড়ার বাম নেতা। তিনি জন্ম থেকেই বাম। ভাত খান বাম হাত দিয়ে, লেখেন বাম হাত দিয়ে, ব্যাডমিন্টন খেলেন বাম হাত দিয়ে, মেজাজ খারাপ হলে আমাদের থাপ্পড়ও দেন বাম হাত দিয়ে। মাঝে মাঝে পারুল আপার বাম হাত ধরার চেষ্টা করেন নিজের বাম হাত দিয়ে। বাম হাত দিয়ে বাম হাত ধরা মোটেও সহজ কাজ নয়। সেটা হাত ধরা কম, হ্যান্ডশেক বেশী হয়। কামরুল ভাই শুধু বাথরুমের কাজকর্ম করেন ডান হাত দিয়ে। বাকি সবকিছুতে বাম। এমনকি শহরের মূল অংশ থেকে বড় রাস্তা দিয়ে আমাদের পাড়ায় ঢুকতে হলে ডানের গলিতে ঢুকতে হয়। কামরুল ভাই সেটা না করে একটু এগিয়ে গিয়ে পরের গলিতে বামে মোড় নেন। তারপর আবার বাম, তারপর আবারও বামে মোড় নিয়ে সোজা এসে পাড়ায় ঢুকেন। আড়ালে সবাই তাকে কামরুল না বলে তাই বামরুল বলে ডাকে। তিনি পাত্তা দেন না। এটাকেও পশ্চিমা ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন।