যুবা (১৮ বছর বা তদুর্দ্ধ)

প্রতিভুভুজেলা

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৪/২০১৫ - ২:৪৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিছু লোক ওঁত পেতে থেকে আচমকা শেয়ালের পালের মতো চড়াও হয়েছে সন্তানবাহী মায়ের ওপর, উপস্থিত যুগলের ওপর। কয়েকজন ঘিরে রেখেছে শিকারকে, কয়েকজন তাদের জামা টেনে ধরেছে। সাহায্যের জন্য করা আর্তচিৎকার শুনে যাতে কেউ এগিয়ে না আসে, সেজন্য ভুভুজেলা বাজিয়ে আর্তনাদ চাপা দেওয়া হয়েছে।


সাবধানে থাকিও নারী পর্দারও আড়ালে

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: শুক্র, ১৭/০৪/২০১৫ - ২:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগের লেখা 'উগ্রতা পরিহার করুন' পড়ে অনেকেই আমার উপর কুপিত হয়ে কুপানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন অনলাইনে অফলাইনে। আমি যাই বঙ্গে, কপাল যায় সঙ্গে। ভালো ভালো উপদেশমূলক লেখা লিখলেও লোকে সেটাকে স্যাটায়ার ভেবে কুপিত হয়। এককালে স্যাটায়ার লেখক ছিলাম বটে কিন্তু চারিদিকের পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করে লাইনে এসে গেছি সময়মত। তাই লেখার উপরে স্যাটায়ার সিল না দেয়া থাকলে সেটিকে স্যাটায়ার ভেবে লেখককে কোপানো জায়েজ বলে ফতো


মাকড়শা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৪/২০১৫ - ১০:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিকেল ৫টা বাজতে না বাজতেই আজ আড্ডা ছেড়ে উঠে পরলো রাফি। অনেকদিন ধরেই যাব যাব করে যাওয়াই হচ্ছে না। মা’র জন্য একটা শাড়ি কিনতে হবে। পহেলা বৈশাখের আগে আর মাত্র একটা দিনই আছে হাতে! মা নিজেই যদিও শপিং করবে তবুও সবসময়ই রাফি নিজে থেকেও কিছু একটা কিনে দেয়। আড়ংএ গেলেই মনে হয় তাড়াতাড়ি হবে - দামাদামির ঝামেলা নেই।


দায়িত্বশীল বাঙ্গালী

পৃথ্বী এর ছবি
লিখেছেন পৃথ্বী [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৪/২০১৫ - ৮:৫৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুর্যোগের বিরাশি সিক্কার থাপ্পড়ে মানুষের মুখোশ খুলে পড়ে। শুধু দুর্যোগ নয়, শাহবাগ আন্দোলনের মত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সময়ও প্রয়োজনীয় মেরুগুলো প্রস্ফুটিত হয়। একেকটা ঘটনার(Event) প্রসবযন্ত্রনার মধ্য দিয়েই মানুষের জন্ম হয়, মানুষের অন্তরাত্মা পরিপূর্ণ নগ্নতায় অবভাসিত হয়। স্থবির সময়ে আমরা মানুষের যে রুপটা দেখি, তা শুধুই মরীচিকা।



সাঁঝবাতির রূপকথারা..

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: রবি, ১২/০৪/২০১৫ - ১০:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

I'd trade all my tomorrows for one single yesterday...
― Kris Kristofferson
_________________________

উইকেন্ড, ইয়েএএ।
এ‌ত খুশি হবার কিছু নেই, ছুটির দিন মানেই ছুটি নয়। অন্তত এ সপ্তাহে তো নয়ই। আজকে রাত ১১.৫৯, কালকে রাত ১১.৫৯... এরকম আগামি টানা সাতদিন রোজ একটা করে মৃতরেখা, মানে ডেডলাইন আছে আমার। 'বোলগ' লিখতে বসে গেছি দুঃখে, দেখেন না।


ও ময়ূর, পাখা মেলে দাও (শেষ পর্ব)

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৯/০৪/২০১৫ - ৬:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি যদি ভুল করেও কখনো বলি, আজ আমার ভাল লাগছে না, তবে সবাই আমার ভাল না লাগার একটাই কারণ ধরে নিয়ে আমাকে স্বান্ত্বনা দিতে থাকে। খুব শুভাকাঙ্খীর মতো আমাকে বোঝাতে থাকে, এসব কষ্টের গল্প সব মায়েরই কম বেশি থাকে আর সময়ের সাথে সাথে পুরনো ক্ষত সেরে যায়। আমাকে নিরুত্তর দেখে তারা নিজের দায়িত্বে গাফিলতি হচ্ছে ভেবে শেষ পর্যন্ত শেষ বুদ্ধি বাৎলে দেয়, সুরভি তুমি ব্যস্ত থাকো। কেন যেনো সব কিছুর পরও এই একটা উপদেশ আমার


যত সব ফ্যালাসি

পৃথ্বী এর ছবি
লিখেছেন পৃথ্বী [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৪/০৪/২০১৫ - ৮:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যদি নিজের আপন নিভৃত কোণ হতে বাইরে পদার্পণ করেন, তা সেটা মানুষের সাথে আড্ডায় হোক আর সোশ্যাল নেটওয়ার্কের পাবলিক ডিসকাশনই হোক, উত্তপ্ত বাক-বিতন্ডার ক্রসফায়ারে জর্জরিত হওয়া অনিবার্য। এসব আলাপ-আলোচনা অধিকাংশ সময়েই হেত্বাভাসের ঘন অরণ্যে হারিয়ে যায়; পরিণামে, কোন যৌক্তিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে না। পাবলিক ফোরামের আলোচনায় অংশগ্রহণ করা আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে সময়ের বিকট অপচয় মনে হয়, মানুষকে তার প্রত্যেকটা


টিনের চশমা

সুবোধ অবোধ এর ছবি
লিখেছেন সুবোধ অবোধ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৩/২০১৫ - ১:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ধবধবে সাদা দেয়ালের বেশ বড়সড় একটি এয়ার কন্ডিশন‌ড রুম। আসবাব বলতে মাঝে একটি ছোট আকৃতির টি টেবিল, সেটিকে ঘিরে সোফা, একটি তিন আসনের, আর দুটি এক আসনের। একদিকের দেয়ালে বড় একটি এল ই ডি টিভি। তিন আসনের সোফাটির মাঝামাঝি লোকটি বসা। গায়ে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি, সাদা পায়জামা, ক্লিন শেইভ করা ফর্সা চেহারার লোকটির চোখে একটি চশমা। চশমাটি একটু অদ্ভুত ধরনের! দেখতে রোদ চশমার মতো হলেও কাচের রং টা কেমন অদ্ভুত ধাতব!


তত্ত্ব এবং একটি কাল্পনিক ঘটনা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৮/০৩/২০১৫ - ৭:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই মুহূর্তে বেশ স্বস্তি লাগছে তাঁর। ইশ! এই মিডিয়াওয়ালা ছেলেটা যা জ্বালিয়েছে আজ! যাক, বাবা, শেষপর্যন্ত সবকিছু ভালোয় ভালোয় শেষ করতে পারা গেছে। অবশ্য ওই ছোকরার উল্টাপাল্টা প্রশ্ন আর কথার যন্ত্রণায় তাঁর মতো ঠাণ্ডা মানুষেরও মাথা গরম হয়ে গিয়েছিল কয়েকবার, ভিডিও ক্যামেরায় ভিডিও হয়ে গেছে ঐ মুহূর্তগুলো। হঠাৎ তাঁর মনে হয়-আচ্ছা, ছোকরাকে বললে ওই জায়গাগুলো এডিট করে দিত কি?


সীমান্তরেখা-৭

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৫/০৩/২০১৫ - ৭:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সপ্তম অধ্যায়
ফাগুন মাসে প্রকৃতি সাজে সবুজের গয়নায়। আমগাছে থোকা থোকা মুকুল, বাতাবি গাছের শাখায় কচি পাতা আর সাদা ফুলের মেলা। মন পাগল করা গন্ধ সে ফুলের। পিটালি গাছে এসেছে ছোট ছোট গুটি। কুল গাছে টসটসে পাকা কুল। কাঠ বিড়ালি আর পাখিদের আনাগোনা। বসন্তের স্বচ্ছ বাতাস ধোয়া শুভদিনে সবেদ আলির ঘর আলো করে এল ফুটফুটে এক ছেলে সন্তান। বংশের প্রদীপ। বেড়ে গেছে হুরমতির কদর। ছমিরন বিবি ভয়ে ভয়ে থাকে কখন কোন অপরাধ ধরা পড়ে।
সদ্যজাত বংশধরকে নিয়েও আহ্লাদের অন্ত নেই সবেদ আর হুরমতির। ছেলেটা একটু চোখ ফুলিয়ে কাঁদতে আরম্ভ করলে ব্যস্ত হয়ে পড়ে সমিরন। পিঁপড়েয় কামড়াল, মাছিতে জ্বালাতন করছেথ-- ছমিরনকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হয়। পাখা দিয়ে বাতাস করতে হয়। সামান্য শব্দে কেঁপে ওঠে ছোট্ট বুকটা-- সেদিকেও খেয়াল রাখতে হয় ছমিরনকে, ঠোঁট ফোলানোর আগেই বুকে থাবা দিয়ে নিবৃত করতে হয়।