Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

যুবা (১৮ বছর বা তদুর্দ্ধ)

সোনালী স্নান

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২৫/০৫/২০১৬ - ৪:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সোনালী জলধারার নীচে শুয়ে আনিস চোখ মুদল। সুতীব্র উত্তেজনা নিম্নাঙ্গ থেকে তলপেটের উপর দিয়ে পেশীবহুল এক অজগরের মত ধীরালয়ে উপরের দিকে উঠতে লাগল। তার শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত থেকে দ্রুততর হল। শীর্ষ অনুভূতির চরমে পৌঁছাতেই গোঙাতে লাগল সে। একসময় হাত পা এলিয়ে দিয়ে ফোঁসফোঁস করতে লাগল আনিস।


ফেয়ার মাউন্ট স্ট্রিটে ছাত্রজীবন-২

জীবনযুদ্ধ এর ছবি
লিখেছেন জীবনযুদ্ধ [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৩/০৫/২০১৬ - ৬:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফেব্রুয়ারি মাসের এক তারিখেই আমরা উঠে যাই আসলাম ভাইয়ের সেই ছেড়ে যাওয়া বাড়িতে। এই বাড়িটি ফুল ফার্নিস্ড। তবে তাই বলে ভাবার কারণ নেই যে বাড়িটি ভর্তি আধুনিক সব আসবাব। পুরনো আমলের সোফা, রং চটা কার্পেট, খাট, ড্রেসিং টেবিল এই নিয়ে তিন রুমের ফ্ল্যাট। তৃতীয় রুমটি এক চিলতে, সেটিকে ভাড়ার ঘর বিসেবেই সাধারণত ব্যবহার করা হয়। এছাড়া আছে আসলাম ভাইয়ের রেখে যাওয়া বেশ কিছু জিনিশ, যার ভেতরে একখানা ছোট টেলিভিশনও আছে। এই


"জয় বাংলা.."

অরূপ এর ছবি
লিখেছেন অরূপ (তারিখ: মঙ্গল, ১৭/০৫/২০১৬ - ১:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জয় বাংলা..
ভেবেছিলাম ভিডিওটা দেখবো না, উটপাখির জীবন হল স্বাস্থ্যকর আর স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। সোশাল মিডিয়ার যন্ত্রনায় দেখতে হল। কানে শুধু বাজে, "জয় বাংলা, জয় বাংলা.."


লিমেরাজনৈতিক

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি
লিখেছেন ত্রিমাত্রিক কবি (তারিখ: বিষ্যুদ, ১২/০৫/২০১৬ - ৮:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(১)
গোলাম আজমের সংক্ষেপ যা, পৃথিবীর তাই পাকিস্তান,
গোলাম আজমকে সংক্ষেপ করে, নিজেই মারছে নিজের খান,
গোলাম আজমকে নিয়ে টানাটানি -
তুর্কিরা বলে সংক্ষেপ জানি -
আমরাই খাঁটি সংক্ষেপ করা, গোলাম আজমের সুসন্তান।

(২)
পাকিদের ভাই হতে যদি চাও, তাই হয়ে যাও, তুর্কি!
গণহত্যায় তোমাদের মিল, গানে তাই একই সুর কি?
হাতে লেগে আছে আর্মেনিয়ান রক্ত,
তাইতো তোমরা পাকিদের এত ভক্ত।


ফেয়ার মাউন্ট স্ট্রিটে ছাত্রজীবন-১

জীবনযুদ্ধ এর ছবি
লিখেছেন জীবনযুদ্ধ [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১১/০৫/২০১৬ - ১:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বাড়িওয়ালার নাম কেইন, ছ ফুটের উপর লম্বা, টিকালো নাক, মাথার চুলে পাক ধরলেও শরীরের বাঁধন এখনও মজবুত। ষাটোর্ধ এই বৃদ্ধ হলেন মার্কিন মুল্লুকে আমার প্রথম বাড়িওয়ালা। কেইনই সর্বপ্রথম কোন মার্কিনী যার সাথে আমার এ দেশে আসবার পরে পরিচয় হয়। সে অর্থে মার্কিনীদের সম্বন্ধে একটা প্রাথমিক ধারণা গড়ে তুলতেও কেইন আমাকে সাহায্য করে। আমি এদেশে আসবার আগে শুনেছিলাম এ দেশটি নাকি চলে ‘ফেলো কড়ি মাখো তেল’ নিয়মে। কিন


গোলাপের কাঁটা

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৯/০৫/২০১৬ - ৭:১৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিছানায় ছড়িয়ে থাকা গোলাপের পাপড়ির উপর গোলাপি কাতান পরে সদ্য ফোঁটা কোন গোলাপের মতন ঘোমটা টেনে বসে আছে গোলাপি। অতি সাধারণ সাজে কি অসাধারণই না তাকে লাগছে। মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে জহিরুল। ওভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে লজ্জা পেয়ে গোলাপি জিজ্ঞাস করে, "কি দেখ?”

এ যেন রাজ্জাক-শাবানা অভিনীত আশির দশকের কোন সিনেমার দৃশ্য। মুচকি হেসে জহিরুল বলে,”তোমাকে দেখি।”


খাদ্যসংস্কৃতি তেমন নিরিহ কোন বিষয় নয়- ২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৬/০৫/২০১৬ - ২:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দ্বিতীয় পর্বে আসুন, এবার দেখা যাক নিরিহ মশুর ডাল কতটা ধার্মীক এবং প্রতিশোধপরায়ণ হতে পারে। যদিও পুরোটাই ধর্মের জাড়ক রসে জাড়িত, কতটা অতিরঞ্জন আর কতটা সত্যি আছে এই গল্পে তা আমরা জানি না।


খাদ্যসংস্কৃতি তেমন নিরিহ কোন বিষয় নয়- ১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০৪/০৫/২০১৬ - ২:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি ইদানীং খুব বুঝেশুনে সুশীল একটা বিষয় নিয়ে কিংবা বলতে পারেন নিতান্তই ভদ্রগোছের, সহজ একটা বিষয় নিয়ে কাজ করতে আরম্ভ করেছি। সেটা হলো খাদ্যসংস্কৃতি। খাবারের সংস্কৃতি আরকি। যাইহোক আর তাইহোক, রবীন্দ্রনাথেরও ক্ষুধা লাগতো। আইনস্টাইনও খেতেন। হিটলারও বিষয়টা অপছন্দ করতেন না। তাই একটু খোঁজখবর করার চেষ্টা। প্রথমে ভেবেছিলাম এটা নেহাতই সাদামাটা একটা বিষয়!


নিরাপদ আছি, মুক্ত আছি, স্বাধীন আছি, বেঁচে আছি :)

নজরুল ইসলাম এর ছবি
লিখেছেন নজরুল ইসলাম (তারিখ: বুধ, ২৭/০৪/২০১৬ - ১২:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমরা নিরাপত্তার স্বার্থে প্রথমে দেওয়াল তুলে ঘর বাঁধলাম, তাতে দরোজা আটকে দিলাম। সেই দরোজায় দিলাম খিল। খিলে হলো না, ছিটকিনি আর তালা দিলাম। একতালা, দু’তালা, তিনতলা... তালার ওপরে তালা। তবু হলো না, ডোর-হোল, ডোর-স্টপার সাঁটালাম।
ওদিকে জানালা ঢাকলাম প্রথমে কপাট দিয়ে, তারপর গ্রিল। বারান্দাটুকু ছিলো চাঁদ দেখার, সেখান দিয়েও আসতে পারে ভয়, সেখানেও লোহার গারদ দিলাম।