যুবা (১৮ বছর বা তদুর্দ্ধ)

একটি নিরীহ কৌতুক (অনুভূতিতে আঘাত লাগার কুনু চান্স নাই!!!)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৮/০৪/২০১৩ - ১২:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজকাল কৌতুক করতেও ভয় ভয় লাগে কেমন যেন! সবার যে অনুভুতি প্রবণ মন,কে কোন্‌ দিক দিয়ে আঘাত পেয়ে বসে বোঝা মুশকিল। তারপরও ভাবলাম বলে ফেলি একটা নিরীহ গোছের কৌতুক,কিই আর হবে! আসলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবীতে শুরু হওয়া আন্দোলনের বর্তমান অবস্থা দেখে কয়েকদিন ধরেই এই গল্পটা মাথায় ঘুরছিল-


'তুমি কেনো ঘষো, আমি তাহা জানি......'

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৭/০৪/২০১৩ - ৩:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২০০৭ সালে, বায়তুল মোকাররমের খতিবের কাছে গিয়ে ‘’তওবা’’ করে এসেছিলেন মতিউর রহমান, এককালের চীনপন্থি কমিউনিস্ট।

ধর্মানুভূতিতে আঘাতকারি একটি ব্যঙ্গচিত্র, প্রথম আলোর ‘’আলপিন’’ ক্রোড়পত্রে প্রকাশের দায়ে সে সময়ের আলপিন-সম্পাদককে চাকরিচ্যুত ও তাঁর সহকারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।


ছেঞ্ছেতিব

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: মঙ্গল, ১৬/০৪/২০১৩ - ৮:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছোকরা দাঁত মুখ খিঁচিয়ে বলে, উ উ উ উ ডাক্তার সাব ব্যথা।
আমার প্রচণ্ড মেজাজ খারাপ হয়ে গেল এবার। এইরকম আজব পেশেন্ট আমার বিশ বছরের জীবনে দেখিনি। আর কসম খোদার আমি বিশ বছরের ডাক্তারি জীবনে নিতান্ত কম দেখিনি। একবার এক রোগী এসে কাঁচুমাচু হয়ে আধা ঘণ্টা বসে ছিল। বারবার জিজ্ঞেস করি সমস্যা কি। মিনমিন করে লাজুক গলায় কি যেন বলে। অবশেষে একটা ধমক খেয়ে একটু জোর গলায় বলে,
- ডাক্তার সাহেব আমার হিট হয়না।


কী মতি, ডরাইলা?

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: মঙ্গল, ১৬/০৪/২০১৩ - ৫:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

Happy families are all alike; every unhappy family is unhappy in its own way. Leo Tolstoy, Anna Karenina, Chapter 1, first line.

শাহবাগ আন্দোলন নিয়ে গণমাধ্যমের একাংশের প্রতিক্রিয়া ও আচরণ বুঝতে গেলে আরেকটু পেছনে যেতে হবে আমাদের। একাধিক বিবেচনায় দেশ পেছন দিকে হাঁটছে, সে যাত্রায় ক্ষণিকের জন্যে সঙ্গী হলাম নাহয় আমরাও।


মতি সমাচার

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১৬/০৪/২০১৩ - ৩:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মতি সাহেব বড়ই ফাঁপড়ে আছেন! দুই পক্ষের চাপাচাপিতে একেবারে চিড়েচেপ্টা অবস্থা। তার বিশাল বক্ষও শুকিয়ে চিমসে মেরে গেছে। আগে তিনি বক্ষ যেন না বুঝা যায় সেজন্য শার্টের নিচে টাইট স্যান্ডু পড়তেন। অথচ এখন টি-শার্ট পড়েই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কেউ তাকাচ্ছেও না। এটা অবশ্য একটা ভাল ব্যাপার। কিন্ত ঝামেলা লেগেছে অন্যখানে! গতকাল রাতে এক সুললিত কন্ঠের নারী ফোন করে বলল-“মতি ভাই,ভাল আছেন?”


‘’বৃদ্ধকে দিয়ো না দায়িত্ব...’’

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৫/০৪/২০১৩ - ১০:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৫ বছর ধরে আমার মা ঢাকার একটি পরিচিত দৈনিক কাজ করতেন। ওই দৈনিকের প্রাসাদে প্রায়ই লেখা নিয়ে আড্ডা দিতে আসতেন একজন বয়স্ক মানুষ। হাতে একটা ছড়ি থাকতো, তাতে নিজেকে বেশ ভারি ও সম্ভ্রান্ত লাগতো মনে করে তিনি আত্মতৃপ্তি বোধ করতেন। পত্রিকার সাহিত্য-সাময়িকী বিভাগের লোকজন ও সম্পাদক তাঁকে খুব পছন্দ করতেন, তা নয়। কিন্তু তিনি একজন সাবেক আমলা, প্রাক্তন সিএসপি (এই তিনটি অক্ষরের প্রতি কোনো কিম্ভুত কারণে বাঙাল


নরমাংসখোর

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি
লিখেছেন অনার্য সঙ্গীত (তারিখ: রবি, ১৪/০৪/২০১৩ - ১০:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জিরাফের ভেতরে যত যৌনতা দেখা যায় তার ৯০ ভাগই দেখা যায় পুরুষ এবং পুরুষ জিরাফের ভেতরে। বনোবোরা তো শতকারা ৬০ ভাগই সমকামী। চালের পোকার মতো কয়েকরকমের পোকার ভেতরেও এরকম দেখায় যায়। মেয়ে গ্যালাপাগোস অ্যালবাট্রসেরা (Phoebastria irrorata) বছরের পর বছর জুটি বেঁধে সংসার করে। নারী জুটির সেই সংসারে পুরুষের ঠাঁই নেই।


সম্ভবত শুধুই অবিশ্বাস

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি
লিখেছেন ত্রিমাত্রিক কবি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৪/০৪/২০১৩ - ২:৫২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কথা ছিলো ‌সুবিনয়, ’আমাদের ধর্ম হবে ফসলের সুষম বন্টন’,
কথা ছিলো, আমি তুমি আর সে; রহিম, রাম আর রহিমার মেয়ে,
বিশুদ্ধ সবুজে সাজাব, মৃগ আর বাঘে, সুন্দরবন।

কিন্তু কী দুঃসহ বোধ! রহিমার মেয়ে কী দেবে প্রবোধ?
চেয়ে দেখ, রামচন্দ্র ঘোষ, আমাদের ধর্ম শুধু হয়ে যায় 'মদীনা সনদ'।


আঁধারের আধার

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/০৪/২০১৩ - ১২:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

- আপনের ঘটনা কি? গদ্য না পদ্য?
কাদের তার পাশে বসা বাবরী চুলের দুখী দুখী চেহারার লোকটিকে জিজ্ঞেস করলো।
- পদ্য
- এহহে , তাইলে গেঞ্জাম বেশি। গদ্য হইলে আমি ওসি সাবরে বলে অল্পের উপর ঝামেলা শেষ করতে পারতাম। পদ্যের উপর মনে করেন রাগটা বেশি। পদ্য একটু হিন্দুয়ানী ব্যাপার না। বুঝেনই তো।

বাবরী চুল কিছুক্ষণ চুপ থেকে কাদেরকে জিজ্ঞেস করে,
- আপনার কি গদ্য?


শঙ্খনীল কারাগারে..

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: বুধ, ১০/০৪/২০১৩ - ১০:০৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
তেতলার চিলেকোঠা বরাবর জানালা, মুখোমুখি ছাদ।
ছাদের এক কোনে ভাঙা বালতিতে গজানো আমের চারাগাছ, জোরালো সবুজ পাতা।

গোড়ায় দু-চারটে ঘাস, রোদে পোড়া, লালচে। একটা নোংরা টিস্যুপেপার, বাতাসে উড়ে এসেছে হয়তো।
নিরিবিলি চিলেকোঠাটা আসলে রিডিংরুম।
ছেলেটার সামনে ফাইনাল, তাই রাতজাগা।
আবার সাতসকালে ওঠা।

গীতবিতান, পাড়ার গানের ইশকুল।
বাবার শখে মেয়ের শেখা, ছোটবেলা থেকেই।