Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

অনুবাদ

দ্য অ্যালকেমিস্ট/ পর্ব-১ অণুকাহিনী ৩

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৫/০৯/২০২০ - ১২:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মানুষের কাজই উদ্ভট সব কথা বলা, ভাবে সান্টিয়াগো। মাঝে মাঝে মনে হয়, ভেড়ারাই ভালো, কোনো কথাবার্তা বলেনা, চুপচাপ থাকে। আর না হলে বইতো আছেই। যখন যেমন ইচ্ছা, বই থেকে কত অবিশ্বাস্য সব কাহিনী জেনে নেওয়া যায়! অথচ মানুষের সাথে কথা বলতে গেলেই যত সমস্যা, কেউ কেউ এমন কথা বলে, এমন আজব সব কথা যে আর আলাপ চালিয়ে যাওয়ার উপায় থাকেনা।

“আমার নাম মেলখিযেডেক,” বলল বুড়ো। “কতগুলো ভেড়া আছে তোমার?”


ক্ষুধার্ত অণুজীব

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১০/০৮/২০২০ - ৫:২০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

করোনার প্রার্দুভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো সমগ্র বাংলাদেশও যখন ঘরের মধ্যে বন্দি জীবন যাপিত করেছিল, এদেশের হতদ্ররিদ্র মানুষের মুখে শুধু একটাই কথা ছিল- "করোনায় মরতে রাজি, কিন্তু ক্ষুধার জ্বালায় নয়"। হয়ত তাই কবি সুকান্ত ভট্রাচার্য তাঁর "হে মহাজীবন" কবিতায় লিখেছিলেন –

"ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়;


দ্য অ্যালকেমিস্ট/ পর্ব-১ অণুকাহিনী ২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৭/০৮/২০২০ - ৬:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অণুকাহিনী ২

দিগন্ত জুড়ে লালচে আভা ছড়িয়ে পড়ছিল, সূর্যটা হঠাৎই উঠল। বাবার সাথে ওইদিনের আলাপের কথা ভাবল সান্টিয়াগো, খুশি খুশি লাগল। কত প্রাসাদ প্রতিম দালান দেখলো, কত মেয়ে দেখলো, কিন্তু যে মেয়েটার জন্য গত কয়দিন থেকে ও অধীর হয়ে আছে, তার সাথে কোনোকিছুরই তুলনা চলেনা।


The Wings That Fly Us Home জন ডেনভার আর একটা সাদা পাতার গল্প

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: রবি, ০২/০৮/২০২০ - ২:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই জীবনে কতভাবেই না আমরা ‘আমি’ হয়ে উঠতে পারি
ভাবুক মানুষটা তার উত্তর খুঁজে বেড়ায়,
আর রাতভর মোমবাতিটা কেবল জ্বলে যায়।
হীরে তো আসলে একটুকরো পাথরই শুধু, তাই না
যে জেনে গিয়েছিল কীভাবে উজ্বল হয়ে উঠতে হয়?
শহীদের রক্ত কি ভবঘুরের মাতাল গ্লাসের
এক চুমুক মদিরার চেয়েও বেশি পবিত্র?
দূর পৃথিবীর পথে কোন এক অমল ভোরে
কখনও কি কথা হয়েছিল তোমার সাথে আমার?
তিরের আঘাত থেকে কি বাঁচিয়েছিলে আমায় কখনও


বুলগেরিয়ার গল্প-০৬

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ২৫/০৭/২০২০ - ১১:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইব্রিয়াম-আলী


দ্য অ্যালকেমিস্ট/ পর্ব-১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১৪/০৭/২০২০ - ১০:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অণুকাহিনী ১

যুবকের নাম সান্টিয়াগো। পশুপাল নিয়ে ও যখন পরিত্যক্ত গির্জাটায় পৌঁছল, তখন চরাচরে ঘনিয়ে আসছিল সান্ধ্য আঁধার। গির্জার এদিকটার ছাদ ধ্বসে পড়েছে বহু আগেই। কোনো এক কালে যেখানে সাজঘরটা ছিল, ধ্বসে পড়া ছাদ ফুঁড়ে আজ সেখানে সগর্বে দাঁড়িয়ে আছে বিশাল একটা ডুমুর গাছ।


জর্জ শ্যলারের খোলা বার্তা – ১

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: রবি, ২১/০৬/২০২০ - ১:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বলা হয়ে থাকে যে নিসর্গীরা যখন অবসর জীবন শুরু করেন, তখন তারা নানা কিছুর ভূমিকা ও স্মৃতিকথা লেখা শুরু করেন। এই লেখার মাধ্যমে আমি এটুকুই বলতে পারি যে আমি স্মৃতির সন্ধানে নেই, আমার মূল উৎসাহ ভবিষ্যতেই। যদিও উত্তর আফগানিস্তানের পাহাড়ে বসে আমি এই বইয়ের ভূমিকা লিখেছিলাম,যেখানে মার্কো পোলো-ভেড়ার গবেষণা ও সংরক্ষণ সচেতনতা নিয়ে কাজ করছিলাম। ১৯৫২ সালে থেকেই নানা দেশে বুনো প্রাণীদের দেখার আনন্দ নিয়ে এবং মানুষে


When I Bring to You Coloured Toys, My Child: Rabindranath Tagore / বাংলা অনুবাদ - ২

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: সোম, ১৫/০৬/২০২০ - ৯:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রঙীন খেলনাগুলো যখন তোমার জন্য নিয়ে আসি খোকা
তখন বুঝতে পারি; চারদিকে কেন এত রঙের খেলা
ঐ মেঘে, ঐ জলে। আর কেনই বা ফুলেরা এত রঙে রঙ করা
বুঝি খোকা, রঙীন খেলনাগুলো যখন তোমার হাতে তুলে দেই।

যখন তুমি নাচবে বলে গান গেয়ে উঠি
তখন আমি সত্যি জেনে যাই; কেন গাছের পাতায় সুর ওঠে, আর কেনই বা
সমুদ্রের ঢেউগুলো একসাথে কল্লোল করে ওঠে পৃথিবী শুনবে বলে
বুঝতে পারি আমি, যখন গান গেয়ে উঠি তুমি নাচবে বলে।


দি বডি

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২৩/০৫/২০২০ - ৮:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বৈরী পরিবেশ আমাদের বেঁচে থাকার সক্ষমতা সম্পর্কে আমাদের জানার বড় একটা অংশ এসেছে এক অসস্তিজনক সূত্রে।


তাক থেকে নামিয়ে - ০৪

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০২/০৫/২০২০ - ১:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিব ঠাকুরের আপন দেশে, আইন কানুন সর্বনেশে! কেউ যদি যায় পিছ্‌লে প'ড়ে, প্যায়দা এসে পাক্‌ড়ে ধরে, কাজির কাছে হয় বিচার- একুশ টাকা দণ্ড তার ৷৷ চলতে গিয়ে কেউ যদি চায়, এদিক ওদিক ডাইনে বাঁয়, রাজার কাছে খবর ছোটে, পল্টনেরা লাফিয়ে ওঠে, দুপুর রোদে ঘামিয়ে তায়- একুশ হাতা জল গেলায় ৷৷

তথ্যসূত্রঃ রায়, এস. (১৯২৩) আবোল তাবোল, ১ম সংস্করণ, কলকাতাঃ ইউ রায় এন্ড সন্স

কেন? জানতে হারারি পড়ুন!