অনুবাদ

হাবুলের জলদস্যু জাহাজ

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৩/০২/২০১৫ - ৪:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লেখক মাহবুব আজাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিচয় নেই। তাঁকে চিনি হিমুদা হিসেবে। সচলের মাধ্যমে। তাঁর প্রায় সব লেখাই আমার পড়া। আসলে পড়তে বাধ্য হই। লেখার যেমন ধার-ভার, তেমনি ঠোঁটকাটা স্বভাবের মানুষ, তাঁর ব্যক্তিত্বের কাছে মনে মনে সবসময় আমি কুঁকড়ে থাকি। তবে তাঁর লেখা পড়ে নাড়া খাই, গোয়েন্দা ঝাকানাকা হাসিয়ে কাঁদিয়ে মারে। তাঁর গল্পের কথাও জানি। আমি যখন সেবাতে ছিলাম সেসময় তাঁর এক অতিপ্রকৃতিক উপন্যাসিকা ছাপা হয়েছিল। কী বলব, সবগুলোই মুগ্ধ করার মতো। কিন্তু তাঁর ছোটদের গল্পের কথা একেবারে অজানা ছিল আমার। অণুদার মুখে প্রথম শুনলাম “হাবুলের জলদস্যু জাহাজ” এর কথা।


ঈশপের গল্প (১১৬ - ১২০)

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৩/০২/২০১৫ - ৪:৩৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে রচিত ভিনদেশী এই গল্পগুলি স্থান-কালের সীমানা পেরিয়ে আজো আমাদের চেনা জগতের কথা বলে যায়।


মহাবিশ্বের ঊষালগ্ন

শিক্ষানবিস এর ছবি
লিখেছেন শিক্ষানবিস (তারিখ: শুক্র, ২০/০২/২০১৫ - ৭:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"তিমির কাঁপিবে গভীর আলোর রবে"
— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আজ থেকে প্রায় ১৩৭৪.৯ কোটি বছর আগে, মহাবিস্ফোরণের (big bang) মাত্র ৪ লক্ষ বছর পরে মহাবিশ্বের সব বাতি প্রায় ধপ করেই নিভে গিয়েছিল। এর আগে মহাবিশ্ব ছিল একটা ভয়ানক গরম, ফুটন্ত, ছুটন্ত প্লাজমা—প্রোটন, নিউট্রন আর ইলেকট্রনের এক চঞ্চল, ঘন মেঘ। সেইখানে কেউ থাকলে চারিদিকে দেখত শুধু ধোঁয়াশা আর ধোঁয়াশা, তবে একইসাথে সেটা হতো অন্ধ করে দেয়ার মতো উজ্জ্বল।


মহাগর্জনের মহাকর্ষণ

শিক্ষানবিস এর ছবি
লিখেছেন শিক্ষানবিস (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০২/২০১৫ - ৬:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

... অকস্মাৎ
পরিপূর্ণ স্ফীতি-মাঝে দারুণ আঘাত
বিদীর্ণ বিকীর্ণ করি চূর্ণ করে তারে
কালঝঞ্ঝাঝংকারিত দুর্যোগ-আঁধারে।
— নৈবেদ্য (৬৫), রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

স্ফীতি একটা বুনো আগুন—একবার শুরু হলেই হলো, পুরো বন না জ্বালিয়ে থামবে না। আর বনটার যদি কোনো শেষ না থাকে? গুথ, স্তারোবিনস্কি এবং লিন্দে কহেন, মহাস্ফীতি'র (cosmic inflation) কারণেই নাকি আমাদের মহাবিশ্বকে অনস্তিত্বের বদলে অস্তিত্ব বেছে নিতে হয়েছে।


কৃষ্ণবিবর খোঁড়াখুঁড়ি

শিক্ষানবিস এর ছবি
লিখেছেন শিক্ষানবিস (তারিখ: রবি, ০১/০২/২০১৫ - ৯:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজি যত তারা তব আকাশে
সবে মোর প্রাণ ভরি প্রকাশে।।

— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

একদিন সূর্য মারা যাবে। তার নিউক্লীয় সংযোজন বিক্রিয়ার জ্বালানি শেষ হয়ে যাবে। তখন পৃথিবী যদি আদৌ টিকে থাকে তবে তার আকাশে আলোর খরা নেমে আসবে আর মানুষ সব এক চিরশীতের দেশে বন্দি হবে।


Shooting an Elephant : একটি হাতির মৃত্যু

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০১/০২/২০১৫ - ৯:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মূল - জর্জ ওরওয়েল
অনুবাদ - পদব্রজী


মহাপৃথিবী

শিক্ষানবিস এর ছবি
লিখেছেন শিক্ষানবিস (তারিখ: বুধ, ২৮/০১/২০১৫ - ৯:৫২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ধানের রসের গল্প পৃথিবীর—পৃথিবীর নরম অঘ্রান
পৃথিবীর শঙ্খমালা নারী সেই—আর তার প্রেমিকের ম্লান
নিঃসঙ্গ মুখের রূপ, বিশুষ্ক তৃণের মতো প্রাণ,
জানিবে না, কোনোদিন জানিবে না; কলরব করে উড়ে যায়
শত স্নিগ্ধ সূর্য ওরা শাশ্বত সূর্যের তীব্রতায়।
— জীবনানন্দ দাশ, সিন্ধুসারস (মহাপৃথিবী)


নটে গাছটি মুড়োল: রাজপুত্র কোটালপুত্র

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: রবি, ১৯/১০/২০১৪ - ৩:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক দেশে থাকত এক রাজপুত্র আর এক কোটালপুত্র। দুইজনে ছিল বিরাট দোস্ত। তারা একত্রে থাকত, খেত, ঘুরত ফিরত। একদিন কোটালপুত্র এসে রাজপুত্রকে বলল, হে পিয়ারা ভাই আমার। এক কাজ করি চল। আমাদের নিজ নিজ শ্বশুরবাড়ি একটা ঘুরান দিয়ে আসা যাক। প্রথমে আমার শ্বশুর বাড়ি চল, আমি আমার শ্বশুরের সাথে তোমার পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি। পরে তুমিও না হয় তাই করলে তোমার শ্বশুরবাড়িতে।

রাজপুত্র ভারি খুশি হয়ে বলল, উত্তম প্রস্তাব! কেন নয়?


পাবলো নেরুদার ভালবাসার সনেট - ১৯

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৪/১০/২০১৪ - ৩:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সমুদ্রের নীলাভ লবণ, বিপুল ফেনীল ঢেউ
আর সূর্যকিরণ, যখন তোমার ওপর ঝাপটে পড়ে
ইসলানেগ্রায়, তখন আমি চেয়ে দেখি কর্মব্যস্ত বোলতাটিকে,
স্বকীয় পৃথিবীর মধুর কাছে ওর আত্মসমর্পণ।

দেখি ওর নিয়ত আসা-যাওয়া; নিয়ন্ত্রিত, সোনালী উড়ান।
যেন কোনো অদৃশ্য, সরল তারে ও পিছলে যায়,
দৃপ্ত নাচে, নিপুণ ভঙ্গিমায়। দেখি ওর পিয়াসী কোমর,
একটি একটি করে ওর সূক্ষ্ম সুঁচ নিঃশেষিত হওয়া।

একটি অনচ্ছ কমলা রংধনুর ভেতর


লা সিয়েতার সৈনিক

তাহসিন রেজা এর ছবি
লিখেছেন তাহসিন রেজা [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৯/০৯/২০১৪ - ২:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরের ঘটনা । বেড়াতে গিয়েছিলাম দক্ষিণ ফ্রান্সের ছোট্ট বন্দর লা সিয়েতায় । সমুদ্রের ধারে একটা নতুন জাহাজ ভেড়ানো ছিল, তার পাশেই চলছিল একটা মেলা । মেলার ভেতর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে একটা বেশ উন্মুক্ত স্থানে এসে পড়লাম । ওখানেই দেখতে পেলাম একটা মূর্তি। একজন ফরাসী সৈনিকের ব্রোঞ্জের মূর্তি । মূর্তিটির চারপাশে অনেক মানুষ । আগ্রহী হয়ে সামনে এগিয়ে গেলাম । এবং সামনে গিয়ে চমৎকৃত হলাম । ও