কর্ণজয় এর ব্লগ

মুস্তফা সারোয়ার ফারকীর “ডুব”: একটি ধারণাগত তাত্ত্বিক অনু-বিশ্লেষণ (Conceptual micro Analysis)

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: শুক্র, ১৬/০২/২০১৮ - ৭:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমরা বই পড়তে পড়তে চিন্তা করতে পারি। কারণ কয়েকটি বর্ণের মধ্যে দিয়ে কল্পনায় ধ্বনি এবং ইমেজ বা চিত্রকল্প তৈরি করতে করতে আমরা বইকে পড়ি। অক্ষরের মধ্যে ছবি ভেসে ওঠে। শব্দরা জেগে ওঠে। তাই বই পড়া মানে মাথার মধ্যে সিনেমা দেখা। নিজের তৈরি সিনেমা।


On the road of Experiences: ০১

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৫/০১/২০১৮ - ২:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

I see them dancing somewhere in the moonlight
চাঁদের আলোয় ওরা নেচে চলেছে।
ছেলেটা বলছিল, এই দৃশ্যটা ও দেখে ফেলেছিল। ‘আপনিই বলেন, আপনি দৃশ্যটা দেখে ফেলেন
Somewhere in Alaska, somewhere in the sun
I hear them singing a song for all lovers
A song for the two hearts beating only as one
আলাস্কার হিম তুষার শুভ্র প্রান্তর


প্রজাপতি তত্ত্ব: এইমাত্র যে নিঃশ্বাসটা ফেললেন, এই ছোট্ট নিঃশ্বাসটার জন্য জগতটা কীভাবেই না পাল্টে গেল।।।

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: শনি, ০৬/০১/২০১৮ - ২:৪৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লর্ড ক্লাইভকে ঘৃণা করলেও আমার নিজের জীবনের জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা বোধ না করে পারি না। সে না থাকলে আমার এই পৃথিবী দেখা হতো না।
লর্ড ক্লাইভ যদি পলাশীর প্রান্তরে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে জয়লাভ না করতেন তাহলে ভারতে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠিত হতো না। আর ভারতে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে ১৯০ বছরের সংগ্রামের প্রয়োজন হতো না।


চিঠির মুখ; মুখের চিঠি

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৪/০১/২০১৮ - ২:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

- তোমার চিঠি আছে।
- আমার চিঠি! কে পাঠালো? কৈ- দাও দেখি।
- এই যে!
- কই?
- এইযে আমার চোখে।
- তোমার চোখে আমার চিঠি!!
- হ্যা চোখ মেলে দেখ, আমার মধ্যেই সে তোমাকে অনেক কথা বলে পাঠিয়েছে।
- কে?
- প্রকৃতি। আমি হলাম তোমার কাছে প্রকৃতির চিঠি। তুমিও তাই। তুমি আমার কাছে প্রকৃতির চিঠি।


হয়তোবা কোন একদিন

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৮/১২/২০১৭ - ৪:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“কামনা হচ্ছে তোমার আত্মার ভেতরের
সেই ক্ষুধার্ত অন্ধ কুকুর
যে জেগে উঠলে তুমি বেহুশ হয়ে যাও।
তখন তুমি মানুষ থাকো না।
মানুষ কাকে বলে?
যার মান আছে আর হুশ আছে।
সেই কুকুরটা জেগে উঠলে
তোমার মান জ্ঞান হারিয়ে যায়।
পাখির মত ফুরুৎ করে উড়ে পালায়।
তুমি যে কী করলে তখন তা তুমি জানতেও পারো না।
...
এরপর কুকুরটা যখন ঘুমিয়ে পড়ে
তোমার হুশ আবার ফিরে আসে
বিবেক জেগে ওঠে
তখন আবার তুমি মানুষ হও


স্বাধীন মানুষ

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: শনি, ০৯/১২/২০১৭ - ১২:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মানুষ সবসময় অবাক করে। যদি মানুষের গল্প পড়া যায়, পৃথিবীটা হয়ে ওঠে শেক্সপিয়রের মঞ্চ। এই মঞ্চটা ছিল থানায়। বিকেলবেলায় সেখানে এক হাসিখুশি চেহারার লোক হাজির হলো।
বললো, সে একটা খুন করবে। এখনও না করা খুনটার জন্য অগ্রীম তাকে গ্রেফতার করা হোক। তাকে যদি গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে খুনটা হয়ে যাবে।
এমন কথা কেউ কখনও শোনে নি।
থানার অফিসার বুঝতে পারলেন না তিনি কী করবেন।


অণু গল্প : দুজনে দেখা হলো

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: সোম, ১৩/১১/২০১৭ - ৪:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পথে দুজনে দেখা হলো। যে দিকে দুচোখ যায় চলে যাবে বলে মাতৃগর্ভ থেকে বেরিয়ে এসেছিল ওরা। দুজনে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে পৃথিবীর দিকে চোখ মেলে তাকিয়ে দেখলো, দুজনের সামনেই একটিই রাস্তা। একটিই পথ। দিনের মত পরিষ্কার পথ। ওরা পাশাপাশি হেঁটে চলে যতক্ষণ না সন্ধ্যের অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। রাত নামলো, ওরা মুখোমুখি দুজনে দুজনকে জড়িয়ে ধরলো। দুজনের চোখের সামনে শুধু দুজনেই। প্রেমময় অন্ধকার আলোর মতো ওদের ভাসিয়ে নিয়ে গেলো। হারিয়ে


প্রতিদিনের রবীন্দ্রনাথ

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: সোম, ১১/০৯/২০১৭ - ১০:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তখন কৈশোর থেকে সদ্য তারুণ্যে পা দিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে খোলা হাওয়ায় দাঁড়িয়ে আছি ঠিকই কিন্তু ঘরের মধ্যে বেড়ে ওঠা কৈশোরের বাল্যভাবটা তখনও কাটেনি। তখনকার আমিকে মনে পড়লো রবীন্দ্রনাথের কবি-কাহিনী কবিতার কয়েকটি চরণের মধ্যে-
“নদীর মনের গান বালক যেমন
বুঝিত, এমন আর কেহ বুঝিত না।
বিহঙ্গ তাহার কাছে গাইতো যেমন
এমন কাহারো কাছে গাইতো না আর।
তর কাছে সমীরণ যেমন বহিত
এমন কাহারো কাছে বহিত না আর। ”


শওকত ওসমানের ‘ছোটদের কথা রচনার কথা’: বাবা, মা ও শিক্ষকদের জন্য খুব জরুরি একটি বই

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বুধ, ০২/০৮/২০১৭ - ৩:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একজন বালক আর তার শিক্ষক বন্ধু হলে সেই বন্ধুত্বটা কেমন হবে?


তোমার

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: রবি, ০৯/০৭/২০১৭ - ৪:৩৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‘আমি তোমার কে?’ চোখে চোখ রেখে ও জিজ্ঞেস করলো। আমি চোখ ফিরিয়ে নিতে চেয়েছিলাম। বরফের মত শান্ত গলায় বললো ও ‘চোখ সরাবা না। চোখে চোখ রেখে বল।’ ওর গলার স্বর এত শান্ত, ছুরির ধারের মতো।