কর্ণজয় এর ব্লগ

নভেরার সন্ধানে : ১- শৈশব দর্শন

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: সোম, ০৭/১১/২০১৬ - ১১:৫৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একজনের শৈশবকে বোঝা গেলে, মানুষটির মনের ভেতর বাহির ধরা যায়। কেননা বলা হয়ে থাকে, মানুষ মৃত্যু পর্যন্ত শৈশবকে বহন করে চলে। তাই নভেরাকে আমরা বুঝতে গেলে, তার শৈশবের ছবি সম্পর্কে একটা ধারণা থাকা প্রয়োজন। নভেরা আহমেদকে নিয়ে আলোচনার এটি একটি সীমাবদ্ধতা, আমরা তার কাছ থেকে কোন কথা শুনিনি। অন্যদের কাছ থেকে তার সম্পর্কে যতটুকু পাওয়া যায় তা খুবই খন্ডিত এবং সীমাবদ্ধ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাজাত ধারণা প্রসূত। সমস্ত কিছ


Tiger জাতি Supply জাতি

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: মঙ্গল, ২৩/০৮/২০১৬ - ৯:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তিনি কহিলেন, ‘যখন সমাজের একটা অংশ এমন কিছু order করতে থাকে যা সে নিজেই জানে না এবং সমাজের বাকী অংশ যখন সেই order মানার জন্য নিজেকে supply করে তখন গোটা systemটাই একটা supply এর ফেরে পড়ে। একটা society তখন তার developing গুণাবলী হারিয়ে developing জাতি থেকে supplier বা supply জাতিতে পরিণত হয়।’


নায়িকা : ছো্ট্ট গল্প

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বুধ, ১০/০৮/২০১৬ - ৩:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একলা। কিছুক্ষনের জন্য কেউ তাকে খুঁজে পাবে না। শুধু একলা। ভাবতেই খুব ভাল লাগে তার। সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে এটুকু সময় বের করতে কম ঝক্কি পোহাতে হয়নি। শেষ পরযন্ত অবশ্য সব ভালোয় ভালোয় মিটেছে। এখন- এখানে এই নির্জনে এসে তার মনে হলো, অনেক বছর পর একটু নিঃশ্বাস নিতে পারছে।


খন্দকার মোশতাক আহমেদের আয়নায়

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: মঙ্গল, ০৩/১১/২০১৫ - ৭:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খন্দকার মোশতাক আহমেদের চোখে ঘুম নেই।


অণুগল্পের ডায়েরী : ০২ - দর্শন (তৃতীয় চোখ)

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: রবি, ১১/১০/২০১৫ - ১১:২৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অণুর নামের মধ্যেই আছে, ও কেমন। ছোট্ট, অতি ছোট্ট। কণার চেয়েও ছোট্ট। এত ছোট্ট যে চোখেই দেখা যায় না। অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখতে হয়। আমাদের ছোটবেলায় সাধারণ বিজ্ঞান বইয়ের পাতা থেকে অণুর সংজ্ঞা শিখেছিলাম। অণু হলো -কোন বস্তুর সেই ক্ষুদ্রতম একক, যার মধ্যে বস্তুর ধর্ম রয়েছে। যা ভাঙলে তখন সে আর ঐ বস্তু থাকে না। তার ভেতরকার বস্তু ধর্মটা লোপ পায়। গল্পও একটা বস্তু বটে। গল্পের শরীর আছে। গল্পের একটা গুণাগুণ আছ


অণুগল্পের ডায়েরী ১: সংজ্ঞার খোঁজে

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বুধ, ০৭/১০/২০১৫ - ১১:৪৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
আসি।

ভাল? চুপ। তুমি?
৩.
চলো, সময়টাকে নিজের মতো করে সাজাই।


অণুগল্প তিনটের সাথে এক

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বুধ, ৩০/০৯/২০১৫ - ১২:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৪।।
সবাই সবার হরিণ।সবাই সবার বাঘ। কোন পাখি ডালে বসে ছিল না।

১।।
ওরা একে অন্যের ছায়ার মত, আঠারো বছর ধরে- একসাথে হেঁটে চলেছে। চোখে স্বপ্ন, মনে প্রেরণা, হৃদয়ে জিদ। এই এদিন অবশ্যই থাকবে না। অবশেষে সেদিন এলো, ওরা দুজনে দেখলো- চোখের সামনে দুঃখের মেঘ কেটে গেছে। পায়ের নিচে টের পেল- শক্ত মাটি। ওরা নিজের পায়ে দাঁড়ালো, তারপর হেঁটে গেল দুই পথে।

২।।
অন্ধরা হাতি দেখলো।


উৎসর্গযাত্রা : প্রভুর জন্য

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: মঙ্গল, ১৮/০৮/২০১৫ - ৮:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রভু নামেই তাকে সবাই চেনেন। জানেন। পরিচয়ের প্রথম ক্ষণ থেকেই আমরা দেখেছি- ছোট বড়, প্রখ্যাত-অখ্যাত, জ্ঞানী-মূর্খ, রাজা-ভিখিরী সবাই তার সমান সঙ্গী। প্রভুকেও সবসময় কোলের শিশু থেকে বৃদ্ধ নির্বিশেষে সবাইকে ‘প্রভু’ আর ‘আপনি’- বলে সম্মোধন করে সমান সম্মান করতে দেখেছি। তার সঙ্গ আমাদের কাছে ছিল চোখের ওপর থেকে একটা পর্দা সরে যাওয়ার অভিজ্ঞতার মতন। এর ফলে জীবন এবং প্রকৃতির রূপ রস গন্ধ আরও স্পষ্ট হয়ে দেখা দেয়।


শহর, পাখি আর একটি মেয়ের গল্প

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: মঙ্গল, ১১/০৮/২০১৫ - ১১:৫৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“টুকু... টুকুটু... এই কুটু...”
দুষ্টু পাখিটা আবার ডেকে উঠলো।
এবার মনে হলো মাথার ঠিক উপরে। ছেলেটা পাখিটাকে খোঁজে।
ঝিরি ঝিরি বাতাসে পাতাগুলো দুলছে। পাখিটার দেখা নেই। “টুটুটুটুটু কুকুকুকু।” আবার ডাক। এবার আরেক জায়গা থেকে। একটু দুরে। সেই প্রথম দিন থেকে পাখিটা ওর সাথে লুকোচুরি খেলছে। সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা। ওর নাম ধরে ডেকেই যাচ্ছে, কিন্তু দেখা দিচ্ছে না।
“হতচ্ছাড়া!” বকে ওঠে ছেলেটা।


সাধুজন । সাধুকথার সন্ধানে - ২

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: মঙ্গল, ১৯/০৫/২০১৫ - ৫:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তিনি কহিলেন-
ওর বৈশিষ্ট্য ওর একাকীত্ব।
সকল কিছুর ভেতরে সে একা দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।
ও যদি কারও সামনে দাঁড়িয়েও থাকে- তাকে কেউ দেখতে পায় না।
জীবনে ওর বিচলিতভাব প্রকাশ পায় না।
ও জ্ঞানহারা হয় না। সজ্ঞানে থাকে। এই কারণে তাকে আলাদা মনে হয়।
যেমন ধরেন ও আসবে বলে কত কথা হচ্ছে।
ওর বসার জায়গা আছে।
ও আসলো ঠিকই কিন্তু ওর জায়গায় ও বসলো না। ওর স্বভাবই ওরকম।