প্রযুক্তি

নয়া দিগন্ত (New Horizons)-এর ডায়েরি ও বামন গ্রহের রহস্য

ছায়াপথের পথচারী এর ছবি
লিখেছেন ছায়াপথের পথচারী [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৯/০৭/২০১৫ - ২:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৪ জুলাই ২০১৫
প্লুটোগামী মহাকাশযান ‘নিউ হরাইজন্স’ এর পৃথিবীর কন্ট্রোল রুমে টানটান উত্তেজনা। মিশন প্রধান এলান স্টার্ন পায়চারী করছেন চিন্তিত মুখে – বেশ ক’ মিনিট হয় মহাকাশযান থেকে কোন সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছেনা। তবে কি সাড়ে নয় বছর ধরে তিন বিলিয়ন মাইল পাড়ি দিয়ে এই ছিলো কপালে? আর সাড়ে ছয়শ’ মিলিয়ন ডলার অনুদান? তার শেষমেষ এই পরিণতি? তীরে এসে তরী ডোবার কি এর চেয়ে ভালো কোন উদাহরণ হতে পারে?


২০১৫ সালের কলেজ ভর্তির ডিজিটাল সিস্টেম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৭/০৬/২০১৫ - ২:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এবার কলেজ ভর্তি প্রক্রিয়া আগের চেয়ে সহজে করানোর জন্যে অনলাইনে আবেদন ও টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে ফি প্রদান ব্যাবস্থা করে হয়েছিল। সেই জন্যে আলাদা একটি ওয়েবসাইট ( http://www.xiclassadmission.gov.bd/ ) বানানো হয়েছে। কিন্তু শুরু থেকেই নানা রকম সমস্যায় জর্জরিত ছিল এই ওয়েবসাইট। হয়ত সময় স্বল্পতার কারণে এভাবে কোন পরিকল্পনা ছাড়াই ওয়েবসাইটটি পাবলিশ করা হয়েছে। কিন্তু এভাবে তাড়াহুড়া করতে গিয়ে সারাদেশের এতো ভর্তি


বাক্সে ভরা কল্পবিজ্ঞান

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: সোম, ১৮/০৫/২০১৫ - ১:০৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাস্তব আর ভার্চুয়াল জগৎ
ধরা যাক, দুর্ঘটনাগ্রস্থ এলাকায় পাঠানো রোবটের সাথে যোগাযোগ করে তাকে প্রতিনিয়ত নির্দেশ দিতে হবে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে। এখানে সমস্যা বেশ কয়েকটি। রোবট আর তার মানুষ চালকের মাঝের যোগাযোগের মাধ্যমটি খুবই অনির্ভরযোগ্য, কিছু ডাটা হারিয়ে যাবে, কিছু আসবে বিকৃত হয়ে। ধরা যাক রোবটটি মেল্টডাউনের সম্মুখীন হওয়া কোন পারমাণবিক কেন্দ্রের কোন কক্ষে গিয়ে কিছু একটা মেরামত করার চেষ্টা করছে। যেহেতু দুর্ঘটনার সম্মুখীন, কক্ষের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আগে থেকে কিছু জানার উপায় নেই যে রোবটটিকে আগে থেকে শিখিয়ে পড়িয়ে দেয়া যাবে। রোবট ধীরে ধীরে যখন চলাফেরা করতে থাকবে সে আশেপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে তার নানা সেন্সর দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে সেটা মাস্টারকে পাঠাবে। চালকের কাজ সেই ডাটাকে বিশ্লেষণ করে রোবটের চারপাশকে বুঝে নিয়ে তাকে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে কমান্ড পাঠানো। সেটা হতে পারে ডানে যাও, বামে যাও, স্ক্রুটা ঘুরাও এর মত সাধারণ কিছু কমান্ড।


কার জন্য চার লাখ?

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: রবি, ২৯/০৩/২০১৫ - ১০:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত ২৬শে মার্চ ২০১৫ একটা বড় সড় উদ্যোগ আয়োজিত হলো বাংলা নিয়ে। নাম ’বাংলার জন্য চার লাখ’। উদ্দেশ্য ছিলো এদিনে দেশ ও বিদেশের আপামর জনসাধারন গুগলের ইংরেজী-বাংলা ট্রান্সলেটরের জন্য অন্তত চার লাখ শব্দ বা বাক্যাংশ অনুবাদ করবে। এভাবে ক্রাউড সোর্স করে প্রাপ্ত করপাসকে বিশ্লেষণ করে এই যান্ত্রিক অনুবাদকটি আরো কার্যকরভাবে বাংলা রচনাকে অনুবাদ ও বিশ্লেষণ করতে পারবে। এই আয়োজন চূড়ান্তভাবে সফল। চার এর জায়


গুগলে বাংলা অনুবাদপ্রক্রিয়া সমৃদ্ধকরণঃ একটি চমৎকার উদ্যোগ

ধ্রুব আলম এর ছবি
লিখেছেন ধ্রুব আলম [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৪/০৩/২০১৫ - ২:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ক'জন তাদের একাডেমিক পেপার বা থিসিস ইংরেজি থেকে বাংলা করার চেষ্টা করেছেন, অথবা বিজ্ঞানচর্চার চেষ্টাই বা করেছেন বাংলায়? সংখ্যাটি অত্যন্ত কম বলেই আমার ধারণা। একবার মনের খেয়ালেই চেষ্টা করেছিলাম আমার এক কনফারেন্স পেপার বাংলা করার, দুই প্যারা করেই ক্ষান্ত দিয়েছিলাম। আমার মতে বাংলায় বিজ্ঞানচর্চার অভাবের প্রধান না হোক, অন্যতম কারণ হচ্ছে বাংলায় বিজ্ঞান-বিষয়ক লেখার অভাব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে না হয় কিছু বাংলায় বিজ্ঞানচর্চা হলেও হতে পারে, প্রকৌশল বা চিকিৎসা বিদ্যালয়গুলোতে বাংলার ব্যবহার নিষিদ্ধই বলা চলে!

এ অবস্থার পরিবর্তন আনার জন্যে কঠিন কাজটি হলো বাংলায় সব বিষয়ে ভাল ভাল বই লিখে ফেলা। সে সুযোগ আমাদের তেমন নেই, কারন দেশের বিদ্যালয়ে জ্ঞানচর্চা হয় না, শেখানো কিভাবে চাকুরি পাওয়া যায়। বুয়েট আমাকে প্রস্তুত করেছে বিসিএসের জন্যে, গবেষণা করতে শেখায়নি, শিখিয়েছে অসংখ্য গাণিতিক বিশ্লেষণ, শিখায়নি গণিত, পদার্থবিদ্যা বা রসায়নকে ভালোবাসা যায়। বিচ্ছিরি সব ডিজাইন ঘাড় ধরে শিখিয়েছে, বোঝায়নি মূলনীতি (যা শিখে আমি খাতা-কলম-ক্যালকুলেটর না পিষে ছোট্ট একটা প্রোগ্রাম লিখেই সমাধান করে ফেলতে পারতাম)। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থায় অবশ্য আমি নীতি-নির্ধারকদের খুব বেশি দোষ দিতে পারি না, আগে মাথার উপরে ছাদ আর পায়ে চলার পথ দরকার, আপাতদৃষ্টিতে 'অর্থহীন' গবেষণার থেকে।


বিজয়, ইউনিজয় ও জব্বার - আমার কিছু ভাবনা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০৩/২০১৫ - ৭:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিজয় কি বোর্ড নিয়ে সম্প্রতি ইন্টারনেট এ ঝড় উঠেছে। বিজয় কিবোর্ড এর মালিক মোস্তাফ জব্বার এর পক্ষ থেকে খুব সম্ভবত Google এর কাছে অভিযোগ করা হয়েছে Copyright Infringement এর। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গুগল জনপ্রিয় Ridmik কিবোর্ড কে গুগল প্লেষ্টোর থেকে সরিয়ে ফেলেছে। এই লেখাটি অনেক দিন ধরে লিখবার ইচ্ছে ছিল, আজ লিখেই ফেললাম।


রিমোট সেনসিং গবেষকদের কাছে অনুরোধ - প্রসংগ: সুন্দরবনে তেল নি:সরণ

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: রবি, ২১/১২/২০১৪ - ৮:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই লেখাটি মূলত: সুন্দরবনের তেল নি:সরণ নিয়ে আমার এক তরুণ রিমোট সেনসিং গবেষক বন্ধুর সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে প্রায় নিস্ফল ধাক্কাধাক্কির বর্ণনা। আমরা দেখতে চাই যারা আমাদের চেয়ে ভাল মানের স্যাটেলাইট ডেটা নিয়ে কাজ করেন তাদের এ ব্যাপারে উৎসাহী করে তোলা যায় কিনা।


জ্বালানী ছাড়া বিদ্যুৎ এবং আমার অভিজ্ঞতা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৭/১২/২০১৪ - ৯:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলাদেশে এক ধরনের মানুষ আছে যারা মনে করতে পছন্দ করে বড় বড় আবিস্কার হচ্ছে বাংলাদেশ এ প্রতিনিয়ত। বিদেশি চক্রান্তে এইসব প্রকাশ পাচ্ছে না। আবার অনেকে মনে করে যে আজকে বিজ্ঞানে যা সত্য কালকে সেটা তো মিথ্যা হয়ে যায়। যারা গবেষনা করে অথবা সাধারন বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন যাকোন মানুষ জানে যে, প্রতিটা আবিস্কার কত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমানিত হয়েছে।


কম্পিউটার প্রোগ্রামিং – পথভ্রষ্ট এক কবির স্বপ্ন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৯/১১/২০১৪ - ৭:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাঝে মাঝে যা শুনি, কিংবা যা পড়ি, তাতে মনে হয় কবি প্রজাতিটি বড়ই অদ্ভুত। ছোটবেলাতেও গুরুজনেরা হরহামেশাই কবিদের ব্যাপারে আমাদের সাবধান করে দিতেন। “বাড়ির উঠতি বয়সের ছেলেটা কিংবা মেয়েটা কবিতা লিখা শুরু করেছে”- খবরটা যেমন ভয়াবহ কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মত একটি পরিবারে আছড়ে পড়তে পারতো, তেমনি “কোন এক এলেবেলে কবির সাথে ডানপিটেটা ইদানিং ঘোরাঘুরি করছে”- এ খবরটাও “ইবোলা” আতঙ্কের তীব্রতায় আঘাত হানতে প


আমি মহাকাশ থেকে এসেছি!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২১/০৯/২০১৪ - ৪:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গাগারিনের জার্নাল থেকে অনূদিত]

টি মাইনাস ১৫ মিনিটের ঘোষণা আসতেই সীল করা দস্তানাজোড়া হাতে গলিয়ে নিলাম, পরে নিলাম হেলমেট।

টি মাইনাস ৫ মিনিট! টি মাইনাস ১ মিনিট, তারপর হূশ করে রকেটের ছুটে চলা!