Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

জীববিজ্ঞান

মোক্ষ, নির্বাণ ও মাতৃগর্ভ : তৃতীয় পর্ব

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৬/০৮/২০১৬ - ৮:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনগ্রসর আদিম ধরনের সমাজের সংস্কৃতিতে আধ্যাত্মিকতার ধারক, বাহক, অভিভাবক থাকতো শামানরা। এদের কখনও ওঝা, মেডিসিন ম্যান বা শামান বলে অভিহিত করা হয়। কেননা এইসব সমাজে বিশ্বাস করা হয় এদের অলৌকিক যাদু শক্তি রয়েছে এবং এই শক্তি দিয়েই এরা যেমন মানুষের রোগ-বালাই দূর করতে পারে তেমনি গুন-যাদু বা বাণ ছুড়ে যে কারো অনিষ্ট এমনকি মৃত্যুও ঘটানোর ক্ষমতা রাখে। এদের ঠিক পুরোহিত গোত্রে ফেলা যাবেনা, এদের সাথে বরং অনেকটা সা


মোক্ষ, নির্বাণ ও মাতৃগর্ভ : দ্বিতীয় পর্ব

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৫/০৮/২০১৬ - ১১:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কঠোর কৃচ্ছ্র সাধনা দিয়েই আরম্ভ হয়েছিল গৌতমবুদ্ধের আধ্যাত্মিক লক্ষ্য অর্জনের পথ চলা। রাজকুমারের জীবনের বিত্ত-সম্পদ আর আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে মাত্র ২৯ বছর বয়সেই সংসার ছেড়ে সন্ন্যাস নেন তিনি। কঠোর কৃচ্ছ্র সাধনার সময় গৌতমবুদ্ধ সাত দিন পর একদিন, পরে পনেরদিন পর একদিন এভাবে খাদ্য গ্রহন করতেন। যা খেতেন তাও এমন কিছু নয়। কখনও ফেলে দেওয়া পশুর চামড়ায় লেগে থাকা মাংস, হাঁড়ির তলার পোড়া ভাত, কিছুই না পেলে গোবর। কখনও


মোক্ষ, নির্বাণ ও মাতৃগর্ভ : প্রথম পর্ব

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৭/২০১৬ - ১২:৪৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের আধ্যাত্মিক সাধনার ইতিহাস বলে মানুষ মাত্রই আধ্যাত্মিকতার বীজ নিয়েই এ পৃথিবীতে আসে। তাই হয়তো আমরা বারবার ঈশ্বরের দিকে ঘুরে যাই, ঈশ্বরকেই খুঁজি। প্রবলভাবে ঈশ্বরের অসীম সত্ত্বার মধ্যেই নিজের অস্তিত্ব মিলিয়ে দিতে চাই। ভাবা হয় যার মধ্যে এই বীজ অঙ্কুরিত হতে পেলোনা, পুষ্টি পেলোনা তার জীবন অর্থহীনতায় তলিয়ে যাবেই। কখনও আবার ঈশ্বর নয় আধ্যাত্মিক সাধনার সর্বোচ্চ স্তরটিকে মোক্ষ বা নির্বাণ বলে অভিহিত করা


বিজ্ঞানময় কিতাব-২ (কাজী নজরুল ইসলাম)

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৫/২০১৬ - ৩:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:
[h1]শুভ জন্মদিন, জাতীয় কবি![/h1] [b][সতর্কীকরণঃ কারো নজরুলানুভূতি আহত হলে লেখক দায়ী নন][/b]

একজন জেনেটিক-পরিবেশ বিজ্ঞানী আর ম্যামথের ক্লোন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৮/০৩/২০১৬ - ১১:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাঝে মাঝে ভাবি- আমাদের সন্তানেরা যখন পেশাজীবি হবে, আজ থেকে বিশ-ত্রিশ বছর পর, তখন তাদের কর্মক্ষেত্রটা কেমন হতে পারে; কেমন হতে পারে তাদের পদবীগুলো। হলফ করে বলতে পারি যে ত্রিশ বছর আগে আমাদের বাপ-মা’রা কখোনো ভাবতে পারেননি তাদের ছেলেমেয়েরা কেউ কেউ হবে সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার, আইটি (IT) স্পেশালিষ্ট, মেমস (Microelectromechanical systems) প্রসেস ইন্টিগ্রেসন ইঞ্জিনিয়ার, মাইক্রোবায়োলজিষ্ট, গ্রাফিক র


‘প্যাঁচা’র পাঁচালী

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ০৭/০৩/২০১৬ - ১১:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‘প্যাঁচা হচ্ছে একই সঙ্গে মানুষের সবচেয়ে পরিচিত এবং অপরিচিত পাখি। যে কোন মানুষকে এমনকি শিশুকে বললেও কোনরকম দ্বিধা ছাড়া একটি প্যাঁচা এঁকে দিতে পারবে কিন্তু যদি বলা হয় শেষ কবে বুনো প্যাঁচা দেখেছে তখন সেটি মনে করতে পারবে না, কারণ হয়ত সে কোনদিনই প্রকৃতিতে প্যাঁচা দেখেই নি।’ – এইই ছিল ‘দ্য ন্যাকেড এপ’ খ্যাত বিখ্যাত জীবতত্ত্ববিদ ডেসমণ্ড মরিস রচিত ‘প্যাঁচা’ বইটির প্রথম লাইন।


শামখোলের আস্তানায়

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৯/১১/২০১৫ - ৪:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

IMG_2010
শীতের সকালের জমাট কুয়াশা ভেদ করে রোদ ঝলমল করতে দশটা বেজে যায়। সুতরাং আমাদেরও বেরুতে হলো বেশ বেলা করেই। ইছামতীর আঁকাবাঁকা গতিপথকে অনুসরণ করে বয়ে গেছে প্রশস্ত মেঠোপথ। খালাতো ভাইকে সাথে নিয়ে চলেছি মাঠপানে, পাখির খোঁজে। মাঝপথে এক চাষি ভাই শামখোলের খবর দিলেন। শামুকভাঙার দলটি নাকি আস্তানা গেঁড়েছে ইছামতীর তীরে। আমাদের এলাকায় শামখোলকে মানুষ শামুকভাঙা বলে। ছোটবেলায় দূর আকাশে উড়ন্ত শামুকভাঙা দেখেছি বহুবার। গ্রামের বিলে নাকি শামুকভাঙা থাকে। অতদূরের রাস্তা ভেঙে দেখতে যাওয়া আর হয়ে ওঠেনি। তাই সামন-সামনি দেখার সুযোগ পাইনি। এতদিনে পেলাম।। এসময় ইছামতীর পানি হাঁটুর নিচে নেমে যায়। তাই ওদের পর্যপ্ত খাবার মিলবে।


শিশুদের যৌনশিক্ষা : কিভাবে? এখন নয়তো, কখন?

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৭/০৮/২০১৫ - ৮:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

The most dramatic of Mom’s lessons, came one Sunday afternoon. One of our cats was behaving in an odd way. Mom had us all sit down by the cat while she explained the process of birth. After all the kittens has slipped safely out of the mother cat, Mom explained in great detail the wonder of life.

from A Child Called 'It'


বাংলার তরু-লতা-গুল্ম-৪৭ : দাঁতরাঙা

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৭/০৮/২০১৫ - ১২:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

DSC00458
ফুলটা, গাছটা ছোট বেলায় হঠাৎ হঠাৎ দেখেছি পতিত ঘেসো জমিতে। তবে খুব বেশি দেখিনি। যেখানে সেখানে এখন আর দেখা মেলে না। খুব ভালো করে দেখার সুযোগ পেলাম ২০১৪ সালে । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রজাপতি আর পাখির পেছনে ছুটতে ছুটতে পুকুর পাড়ে পেয়ে গেলাম তেজপাতার মতো দেখতে এই উদ্ভিদকে। পটাপট বেশকিছু ছবিও তুলে নিলাম।
তারপর আবার প্রজাপতি-ফড়িংয়ের পেছনে ছোটা। হঠাৎ দেখতে পেলাম ত্যাজপাতার মতো পাতাওয়ালা ওই ছোট ছোট গাছগুলোতে দারুণ সুন্দর একটা ফুল। এত সুন্দর ফুল বনে-জঙ্গলে বাসই দেখা যায়। সুতরাং আবারও ক্যামেরা তাক করতে হলো দাঁতরাঙ্গা নামের এই বুনোফুলের দিকে। দাঁতরাঙ্গা নামটা জানলাম বৃক্ষকথা গ্রুপে ফুলের একটা ছবি পোস্ট করে। পরে অবশ্য নওয়াজেশ আহমদ-এর ‘বাংলার বনফুল’ নামের বইটিতেও পেলাম ফুলটির বর্ণনা।