তারেক অণু এর ব্লগ

জরায়ু যার, সিদ্ধান্ত তার

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: শুক্র, ১০/০৬/২০১৬ - ১২:২০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কোনখানে এক নারী ছিলেন, বয়স ৩০ ঘেঁষা। মানুষ তাকে প্রশ্ন করে- এখনো সন্তান হল না? তার একেকদিনের উত্তর একেক রকম হয়, কিন্তু তাদের সবসময়ের সাথী হয় জোর করে আনা হাসি।

“না, এখনো নয়”- মৃদু হাসতে হাসতে হতাশা ঢেকে বলা তার উত্তর!

যাবার আগে মানুষেরা বলা যায় “সারা জীবনের জন্য অপেক্ষা কর না। সময় এগিয়ে আসছে, জানো তো?”

তারা বিদায় নেয়। মহিলা তাঁর হাসি ধরে রাখেন। আর একাকী, সে কাঁদে।


গত দেড়শ বছরে রংপুরের বন্যপ্রাণী

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: শনি, ০৪/০৬/২০১৬ - ৫:৪৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৮৭৬ সালে প্রকাশিত W W Hunter-এর A Statistical Account of Bengal এর মালদহ, রংপুর এবং দিনাজপুরের ভলিউম থেকে রংপুরের বন্যপ্রাণী অংশটি অনুবাদ করা হল।

স্তন্যপায়ী প্রাণী-


ধোপাছড়ির অবাক ক্যানিয়ন

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ১১/০৪/২০১৬ - ৪:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

IMG_6822


‘and the end cannot be far,’- স্কটের মৃত্যু দিনে

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: মঙ্গল, ২৯/০৩/২০১৬ - ৩:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চারিদিকে মৃত্যুর চেয়েও হিম এক নীরবতা। বিশাল বিস্তীর্ণ ধবধবে সাদা করাল এক জগতে ডানা মেলে আছে যে শূন্যতা তাকে ভেদ করার সাহস কারো নেই, এমনকি সূর্যের আলোও তা পারে না বছরের অর্ধেক সময় জুড়ে, সেখানে টিমটিমে জীবন এবং প্রদীপ্ত আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে রোজনামচা লিখে চলেছেন এক সিংহপুরুষ। এক যুগ ধরে চালিয়ে আসা অভিযানের পর অভিযানের লক্ষ্য অবশেষে পূরণ হয়েছে তাই, কিছুদিন আগেই সঙ্গীদের নিয়ে এক ভয়ংকর বরফ মহাদেশের বিশে


চন্দ্রালোকে চন্দ্রাহত

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৩/২০১৬ - ১০:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভোর চারটা, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬- সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওড়ের গোলাবাড়িতে নোঙর করা মাদারশিপ থেকে আমাদের ছোট্ট নৌকা খাল দিয়ে ঢুঁকে পড়েছে লেচুয়ামারা বিলে, পশ্চিম দিগন্তে বিশাল এক মরচেরঙা চাঁদ, তার ভুতুড়ে কম্পমান ছায়া পড়েছে হাওড়ের আঁধার জলে। তখন কাকচক্ষু জল এতই কালো যে মনে হচ্ছে আমরা যেন শূন্যে ভেসে পাড়ি দিচ্ছি কাঠের নৌকায়, আমাদের গন্তব্য বুঝি ঐ দূরের চাঁদ, যা আজ নেমে এসেছে হাওড়ের কাছাকাছি। দূরে যেখান


‘প্যাঁচা’র পাঁচালী

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ০৭/০৩/২০১৬ - ১১:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‘প্যাঁচা হচ্ছে একই সঙ্গে মানুষের সবচেয়ে পরিচিত এবং অপরিচিত পাখি। যে কোন মানুষকে এমনকি শিশুকে বললেও কোনরকম দ্বিধা ছাড়া একটি প্যাঁচা এঁকে দিতে পারবে কিন্তু যদি বলা হয় শেষ কবে বুনো প্যাঁচা দেখেছে তখন সেটি মনে করতে পারবে না, কারণ হয়ত সে কোনদিনই প্রকৃতিতে প্যাঁচা দেখেই নি।’ – এইই ছিল ‘দ্য ন্যাকেড এপ’ খ্যাত বিখ্যাত জীবতত্ত্ববিদ ডেসমণ্ড মরিস রচিত ‘প্যাঁচা’ বইটির প্রথম লাইন।


বনপলাশীর পদাবলী-১, বারৈইয়ারঢালা

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৩/০৩/২০১৬ - ১১:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

2
৩ মার্চ, ২০১৬, বিকেল ৪টা-


২৯ ফেব্রুয়ারির সকাল

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বুধ, ০২/০৩/২০১৬ - ১১:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লাওয়াছড়ার বনের এক সরু ঝিরির দুই ধারে নিরব বসে আছি আমরা, আমরা বলতে মানবসঙ্গী কেবল বন্ধু সায়েম চৌধুরী যে ৪০ গজ দূরে ঝিরিটি যেখানে বাক নিয়ে বনের গহনে সেধিয়ে গেছে সেই কোণে বসে অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করছে এক বিরল পাখির, যার নাম লম্বাঠোঁট-দামা। অত্যন্ত লাজুক আমাদের এই পালকওয়ালা বন্ধুটি, টানা কয়েক ঘণ্টা মূর্তির মত নট নড়নচড়ন অবস্থা থাকলে হয়ত আমাদের কৃপা করে সে বেরোতেও পারে ঝিরির জলের আশেপাশে খাবারের সন্ধান


জসীম উদদীনের ভ্রমণকাহিনী ‘চলে মুসাফির’

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৯/১০/২০১৫ - ১:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পল্লী কবি জসীম উদদীন ১৯৫০ সালে মার্কিন দেশে গেছিলেন সরকারি সহায়তায়, পথিমধ্যে থেমেছিলেন বাহরাইন, লন্ডনে এবং আইসল্যান্ডে অল্প সময়ের জন্য, আবার আমেরিকার থেকে ফিরে গিয়েছিলেন তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানে। সেই সময়ের অধিবাসীদের গল্প লিখেছিলেন সরল ভাষায় ‘চলে মুসাফির’ বইতে। গতকাল সন্ধ্যায় হাচল সৈয়দ আখতারুজ্জামানের সংগ্রহে বইটি দেখা মাত্রই ধার নিয়ে একটানা পড়ে শেষ করে ফেললাম, ১২৮ পাতার কলেবরকে খুব একটা বড় বলা য


শতবর্ষ আগে বরিশালের (বাকেরগঞ্জ) বন্যপ্রাণী

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বুধ, ১৬/০৯/২০১৫ - ১০:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জেমস চার্লস জ্যাক ১৯১৮ সালে তৎকালীন বাকেরগঞ্জ (বর্তমান বরিশাল) জেলার বিস্তারিত বর্ননা BENGAL DISTRICT GAZETTEERS, BAKARGANJ এ লিপিবদ্ধ করেন। বাকেরগঞ্জ জেলার তৎকালীন আয়তন ছিল ৪৮৯১ বর্গমাইল। বর্তমান পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালি এবং বরিশাল জেলা তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার অংশ ছিল। এই অংশে সেই সময়কালীন বাকেরগঞ্জ জেলার যেসব প্রাণী পাওয়া যেত তার বর্ণনা অনুবাদ করা হয়েছে। -