Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

গল্প

বালিশ (প্রথম পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১৯/০৯/২০২০ - ১০:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]ডিসেম্বরের শেষ, শীতের বিকেল। অফিস থেকে একটু আগেই বেরিয়ে পরলেন আকরাম সাহেব। রাস্তায় নেমে হাত ঘড়িতে দেখলেন চারটা বেজে পঞ্চাশ মিনিট। কালো প্লাস্টিকের বেল্টের ক্যাসিও ঘড়ি, ডিজিটাল ডায়াল। কই মাছের প্রান টাইপের জিনিস। আকরাম সাহেবের ছেলেবেলায় এই ধরনের ঘড়ি সাধারণত ক্লাস ফাইভ বা এইটে বৃত্তি পেলে কিংবা বার্ষিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলে বাবারা ছেলেদের পড়াশোনায় আরও উৎসাহ দেয়ার জন্য কিনে দিতেন। আকরাম স


কথামালা

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বুধ, ২৬/০৮/২০২০ - ৮:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কথামালা....
কখনও তা দুটো চিন্তার। দুটো অনুভবের। দুটো হৃদয়ের।
কথামালা মানে, সবসময় কাছে আসার জন্য তা কিন্তু নয়।
কখনও অনেক কথা বলি আমরা, দূরে যাওয়ার জন্যও।
দূরে গিয়ে কাছে আসার জন্য।
এই কথামালাটা ধরা পড়েছিলো কানের রাডারে।
একটা পার্কে, তখন সন্ধ্যা নামছে।
আকাশে অনেক পাখি। বাড়ি ফেরার আগে শেষ আলোয় গোসল করে নিচ্ছে।
একটা ছাতিম গাছ, তার তলায় আমি হেলান দিয়ে ছিলাম।


আসসালাতু খাইরুম...

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: সোম, ২৪/০৮/২০২০ - ৪:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.

চৌকির সাথে খাটের যে সম্পর্ক কিংবা কাঁথার সাথে লেপের যে সম্বন্ধ- আলামিনের সাথে ইদ্রিস মওলানার সম্পর্কটা ঠিক সেরকম না হলেও খাট চৌকির বিরোধের কারণে দুজনের সুসম্পর্কটা ভেস্তে গেল দুদিনের মাথাতেই। আলামিন যে মসজিদে আজান দেয়, ইদ্রিস মওলানা সেই মসজিদের ইমাম। ঘটনার সুত্রপাত গত বছরের প্রথম দিকে হলেও আমাদেরকে আরো ছমাস পেছনে যেতে হবে।


বুলগেরিয়ার গল্প-০৬

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ২৫/০৭/২০২০ - ১১:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইব্রিয়াম-আলী


তক্ষক

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৭/২০২০ - ১২:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তক্ষকটা প্রত্যেক বিকেলে আসে। পাঁচটা কিংবা তার আশেপাশে। আগেও হয়তো আসতো। কিন্তু খেয়াল করার সময় পাইনি। অতিমারীর কারণে, এই তিন মাসের ক্রমপ্রসারমান ঘরবন্দী জীবন। আশেপাশের আসবাব, দেয়ালের রং, পাখার গতি, সবকিছু খুব আপন । সেই সাথে তক্ষক। সময়ের বুদবুদে ডুবে সময় হারিয়ে ফেলা আমাকে, প্রতিদিন মনে করিয়ে দেয় বিকেল পাঁচটা বেজে গেছে। এমন না যে, তাকে ভয় লাগে না আমার। প্রথম প্রথম গা গুলিয়ে আসতো তাকাতে। কী বি


"রমজান মিয়া নিজেও পজিটিভ ছিলেন!"

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১০/০৬/২০২০ - ১২:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জাল সার্টিফিকেট দালাল রমজান মিয়া নীলক্ষেতের বিরাট ব্যবসায়ী। কম্পিউটার নামক যন্ত্রটি আসার পর আর তথ্য প্রযুক্তির অবাধ বিস্তারে তার ব্যবসা আরো ফুলে ফেঁপে উঠেছে। আগে শুধু জাল সার্টিফিকেট বানাতেন; আজকাল মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি থিসিস, রিপোর্ট, এসাইনমেন্ট নিয়ে কারবার আরো জমজমাট। রমজান মিয়ার সার্টিফিকেটে কত মানুষের যে চাকরি হলো তার কোন পরিসংখ্যান নাই। তাই রমজান মিয়া বেশ খানিকটা আত্মতৃপ্তিতে ভোগেন। তবে স


লকডাউননামা : কদম আলী!

সুমন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুমন চৌধুরী (তারিখ: শুক্র, ১৫/০৫/২০২০ - ১১:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কদম আলী পিৎসা ভালোই বানায়। শুধু পিৎসা না বেশ কয়েক ধরণের ইতালীয় পাস্তাতেও তার হাত পাকা। ফাব্রিৎসিও কাসিয়া রীতিমতো হাতে ধরে ইতালীয় রান্না শিখিয়েছেন। সে অনেক কাল আগের কথা। কদম আলীর তখন জার্মানীতে মোটে মাস ছয়েক।


চিত্ররেখার হীরার আংটি

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: রবি, ২৬/০৪/২০২০ - ৯:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটু চুপ থেকে চিত্ররেখা বলল, আমাকে বিয়ের সময় চেতন সিং ছোট একটা মণ্ডপ করেছিল গড়ের মাঠে। আমার বাবা পবন সিং রান্ধাওয়া আর দাদা পরাগ সিং বিয়ের পুরোটা সময় চোখ মেলে তাকিয়েছিল। একটা কথাও তারা বলেনি, এমনকি চোখের পলক ফেলতেও তারা ভুলে গিয়েছিল। কেন জানেন?

কেন?

চিত্ররেখা মাথা এগিয়ে ফিসফিস করে বলল, কারণ চেতন সিং তাদের মাথা কেটে বল্লমে বসিয়ে মণ্ডপে রেখেছিল। কাটা মাথা কি কথা বলতে পারে?


বিমূর্খদর্পনগরে বিষম বিবাদ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৬/০৪/২০২০ - ১:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভবানন্দ কহিল, তাহা দেখিয়াছি, তাহারে দেখিয়াছি, তিমির কুন্তলিনী নিশীথিনীর ন্যায় ঘোরতর কৃষ্ণবর্ণ।
জীবানন্দ লম্ফ দিয়া দক্ষিণ হস্ত মুষ্টিবিদ্ধ করতঃ, কৃশকায় চৌপায়ায় সশব্দে চাপড় মারিয়া কহিল, অবিশ্বাস করতঃ, এক্ষণে হত্যা দিব, আমি দিবালোকে স্পষ্টতর দর্শন করিয়াছ, উহা উজ্জ্বল নীলাভ শ্যাম বর্ণ।


লকডাউননামা : এখনো পোলাপান

সুমন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুমন চৌধুরী (তারিখ: মঙ্গল, ৩১/০৩/২০২০ - ১১:০৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রহিম বাদশা এখনো পোলাপান। দ্বাদশ শ্রেণী শেষ করে উচ্চমাধ্যমিকের অপেক্ষায়। মোটামুটি গুছিয়ে এনেছে সবকিছু। তার মধ্যে এই লক ডাউন। সঠিকবেঠিক সবসময় সবাই বাড়িতে।

টেস্ট পেপারগুলি টেবিলের উপরেই ভৌগলিক অবস্থান বদলাতে থাকে। কাল থেকে পরীক্ষা শুরু হলেই ফাটিয়ে ফেলবে মেজাজ বাড়িময় ভন্ ভন‌্ করে। ঘরের মধ্যে ষোলগুটির কোর্ট বানিয়ে হাঁটে। হাঁটতে থাকে রহিম বাদশা।