Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

গল্প

আমার আটপৌরে স্ত্রী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৭/০৭/২০১৮ - ১:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আমার প্রবাস জীবন মোটামুটি আনন্দময়। আর এই আনন্দময় জীবনের বেশীরভাগই আমার স্ত্রীর অবদান। সে একেবারে খাঁটি বাঙালী বধু, গৃহকর্মে অতি নিপুণা। বিদেশে এসে বেশীরভাগ অবলা বাঙালী নারীরাই বেশ সবলা হয়ে উঠে। আমার স্ত্রীটি এখনও সেরকমটি হয়ে উঠতে পারেনি। ঘরের বাইরে একা বের হওয়া তার সাধ্যের বাইরে। রাস্তা পার হতে গেলে আমার হাত চেপে ধরে পার হয়। আমাদের বাসার পাশের গ্রোসারি শপ। সেখানেও সে একা যাওয়ার সাহস করে উ


গ্রীষ্মের কয়েকটি দিন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৪/০৭/২০১৮ - ৩:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের বাগানের পশ্চিম পাশটায় সূর্যের আলো খুব একটা আসেনা। রোদ না পেয়ে একেবারে যা তা অবস্থা ঘাসের। হামবার নার্সারির ম্যানেজার আলফান্সোর কথামতো গতো দু-মাসে চার বার সার দিয়েছি। সার মানে কম্পোস্ট, যেমন তেমন নয়, পাহাড়ি ভেড়ার নাদি মেশানো কালো কালো মাটির দলা। সেই দলা রোদে শুকিয়ে, হাত দিয়ে ভেঙে, গুঁড়ো গুঁড়ো করে মেশাতে হয় ঘাসের গোড়ায়। কাজের কাজ কিছুই হয়নি, বরং উৎকট গন্ধে এদিকে আসাই দায়। একগাল হেঁসে আলফান্সো বললো, সারে কাজ হবে না।


ফুটবল

আয়নামতি এর ছবি
লিখেছেন আয়নামতি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০৮/০৭/২০১৮ - ১১:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।

- তুরা না ইণ্ডিয়া য্যাসছিসগে, ঢাকা কলেজ ক্যান যে ত্যালি ভর্তি হতি গেলি রঞ্জু!
এহেবারে ইণ্ডিয়া গিয়ে ভর্তি হলি তো ঝঞ্জাট কম হত তুগের, তাইনে?


হুদাহুদি ০২

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: রবি, ১০/০৬/২০১৮ - ১২:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"দইবড়াটা একটু চেখে দেখবেন কি, মাই লর্ড?" নার্সিসা ম্যালফয় একেবারে নতজানু হয়ে দইবড়ার বাটি রাখেন ভল্ডেমর্টের সামনে।

ভল্ডেমর্ট চোখ বন্ধ করে চুপচাপ গরুর গোস্তো দিয়ে পোলাও খায় চপচপ করে।


গন্তব্য

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: শুক্র, ০৮/০৬/২০১৮ - ৩:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেই কবে তুমি
দুঃখের সূতোয় বোনা
সুখের চাঁদরটা হাতে দিয়ে বলেছিলে-
‘গায়ে জড়িয়ে নাও, যে শীত পড়েছে
ঠাণ্ডা লেগে যাবে।’
সে চাঁদর শরীরে মেখে আমি হাঁটতে হাঁটতে
পেরিয়ে এলাম অনেকটা পথ।
উঁচু নিচু আাঁকা বাকা পথগুলো
আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিলো
আমি কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না।
আমি থামতে পারতাম, কিন্তু থামি নি।
পথের মধ্যে অনেকেই ছিল, যাদের জিজ্ঞাসা করা যেত
কিন্তু করি নি।


মোহন মিয়ার অসুখ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৩/০৬/২০১৮ - ৮:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক।।

রাত একটা বাজতেই মোহন মিয়ার চায়ের তেষ্টা পায়। তবে তেষ্টা পেলেই তো আর উঠে যাওয়া যায় না, সব কিছুরই একটা নিয়ম রয়েছে। বিরক্ত মুখে কী বোর্ডের দিকে হাত বাড়ালেন তিনি। টেবিলের উপর একগাদা বই, কিছু খবরের কাগজ, একটি কালির দোয়াত, আর দোয়াতের পাশেই রুপোর মতো ঝকঝকে একটা পার্কার কলম পড়ে। মোহন মিয়া পুরনো দিনের মানুষ, টাইপ করার আগে একবার কাগজে না লিখলে তাঁর চলে না।


লক্ষ্মী সরস্বতী দীপাবলী

নজমুল আলবাব এর ছবি
লিখেছেন নজমুল আলবাব (তারিখ: শুক্র, ০১/০৬/২০১৮ - ৫:৪৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]দক্ষিণের জানালায় দাঁড়ালে হিমেল হাওয়ার ঝাপটা লাগে। শীত এলো বলে। আগে এমন সময় শীত প্রায় চলেই আসতো। দূর্গা পূজার সময় থেকেই হালকা কুয়াশা আর শেষরাতে ঠান্ডা ভাবটা শুরু হতো। রাতে পূজো দেখার কিংবা পাড়া ঘুরার সময় সেটা টের পাওয়া যেতো। এখন আর সেরকম হয় না। মাঘ মাসেই শীত আসে কী আসে না।


চুকচুকি

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: বিষ্যুদ, ৩১/০৫/২০১৮ - ৬:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“তোমাদের তুমি করেই বলি, নাকি?” করমর্দনের সময় টের পেয়েছি, ভদ্রলোকের কব্জিতে সেরকম জোর, কিন্তু তাঁর কণ্ঠটি বড় মোলায়েম আর সুরেলা। জমিদার বংশের লোক, আলিশান প্রাসাদের মতো বাড়ি হাঁকিয়ে থাকেন এই ধুধু পারাবারের মাঝে, হয়তো অবসরে মুগুর আর তানপুরা দুটোই কষে ভাঁজেন। গদোগদো গলায় প্রায় সায় দিয়ে ফেলছিলাম, কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগী দুলালটা সব সৌজন্যের দফা রফা করে দিয়ে ফোঁস করে উঠে বললো, “ক্যান, তুমি কৈরা কৈবেন ক


বারান্দায় একটি বিড়াল

রংতুলি এর ছবি
লিখেছেন রংতুলি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৭/০৫/২০১৮ - ৭:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নতুন বাসা এবং নতুন অতিথি


জ্বলন

ইয়ামেন এর ছবি
লিখেছেন ইয়ামেন [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৩/০৫/২০১৮ - ১২:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সকাল আটটা হবে। ফার্মেসির শাটার তুলে দোকানে সবে বসেছে মুনির। গামছাটা দিয়ে স্বযত্নে কাউন্টারের ধুলো মুছছে, এমন সময় রহমান সাহেব এসে হাজির। কাছে থাকেন, রিটায়ার্ড মানুষ। হাতে কাজটাজ তাই নেই তেমন। প্রতিদিন সকালে মর্নিং ওয়াক করে ফিরার পথে এসে মুনিরের সাথে একটু গল্পগুজব করেন। আজও ব্যাতিক্রম হলো না।

"কি মুনির, কেমন আছিস রে?"

"স্যার এই যে আছি আর কি। কি খবর কন।"