Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

গল্প

গল্পের গরু

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৮/০১/২০১৭ - ২:০৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পথ যে এমন জটিল হতে পারে সেটা তার জানা ছিলো না। বেশ চলছিলো তরতর করে, হঠাৎ করেই ডাল পালা সব উধাও, এমন মসৃণ পথে এগুনো মুশকিল। ঠিক মসৃণ বললে অবশ্য ভুল হবে, এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বেশ কিছু খোড়ল, কাঠ ঠোকরাদের কীর্তি। তিনটে খোড়লে খুর ঠেকিয়ে চতুর্থটির খোঁজে পা বাড়ায় ঘৃতকুমারী। কানের পাশে ভনভন করতে থাকা নীল ডুমো মাছিটাকে লেজের ঝাঁপটায় ছিন্নভিন্ন করে দেওয়ার ভাবনা অনেক কষ্টে দমন করেছে সে। কল


অণুগল্প: বিধি ও বাম

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৯/০১/২০১৭ - ৪:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছেলেটি ছিলো চাবুক, মেয়েটি মেঘ। ছেলেটির চোখে জ্বলতো মস্কো থেকে হাভানা, মেয়েটি বেলতো ফুলকো লুচি। ছেলেটি শ্লোগানে কাঁপাতো জারুল-শিরীষ-হাবিলদার-বর্ষায়টানারিকশারপর্দা, মেয়েটি খন্দকার ফারুক আহমেদের কণ্ঠের সন্ধানে রেডিওর নব ঘোরাতো আলগোছে। ছেলেটি আউরেলিয়ানো বুয়েনদিয়ার স্পর্ধা আড়চোখে নিয়ে চাইতো মেয়েটির দিকে, মেয়েটি সরল চোখ তুলে বলতো, পিষে ফ্যালো মনজুরুল।


ঠিক দুক্কুর বেলা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১১/০১/২০১৭ - ২:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার তখন দশ বছর বয়স। গ্রীষ্মকাল- স্কুল বন্ধ, বন্ধুরা সব যে যার দেশের বাড়ি। দুপুর বেলায় খা খা করে আমাদের পাড়া। আমি তিন নম্বর সাইজের একটা ফুটবল নিয়ে গলির ভেতর একা একা ঘুরে বেড়াই, লাথি মেরে পাঠিয়ে দেই গলির মাথায়, তারপর দৌড়ে গিয়ে আবার উল্টো লাথি। একা একা আর কত খেলা যায়!


জীবনের বিছিন্নতাবোধ, হরিপূর্ণ ত্রিপুরা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৮/০১/২০১৭ - ৪:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম দিককার ঢাকা শহরের এক বৃষ্টিস্নাত সকাল ৷ আমি বসে আসি রাস্তার পাশের এক খুপড়ি চায়ের দোকানে ৷ কিন্তু চায়ের দোকানে চা ও সিগারেটের তেষ্টা মেটাবো এরকম উদেশ্যে আমার বসা নয় ৷ আসল কারণ হচ্ছে নিজেকে একটু ভদ্রস্থ করার চেষ্টা ৷ দোকান হতে টিস্যু পেপার কিনে তা একটু পানিতে ভিজিয়ে তাই আমার কাদা মাখা জুতা জোড়া পরিষ্কার করার কাজে লেগে গেলাম ৷ টিস্যু প্যাকেটটা প্রায় শেষ হয়ে আসছে তবু


জুয়াড়ি

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: সোম, ১৯/১২/২০১৬ - ১২:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লাল পাগড়ি সোজা করতে করতে মুসাফির বলল, কথা সত্য কাশেম। হিরাত নগরী বড় ঠাণ্ডা। বরফ পড়ে টুপটাপ শীতের সময়। তবে মোটা জামা পরনে থাকলে আরামই লাগে।

মাথা চুল্কে কাশেম বলল, ও আচ্ছা। আপনের মুর্গাও কি মুটা জামা গায়ে দিত হিরাতে?


নূপুর

দেবদ্যুতি এর ছবি
লিখেছেন দেবদ্যুতি [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৯/১১/২০১৬ - ৪:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


আমি একটা টিয়া পাখি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২০/১১/২০১৬ - ৬:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি একটা টিয়া পাখি
আকাশলীনা নিধি

টেবিলে বসে আমরা সবাই খাচ্ছি। এমন সময় আপু বলল 'কার কী হতে ইচ্ছে করে'। ভাইয়া বলল ডাক্তার। মা বলল টিচার। বাবা বলল লেখক, আপু বলল নায়িকা। আমি বললাম পাখি। সবাই আমার দিকে তাকাল। ভাইয়া বলল তুই পাখি হবি। আমি বললাম হ্যাঁ। আর কেউ কিছু বলল না।

দ্বিতীয় দিন


গোল-গোলমাল-পাভলভের কুকুর

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২১/১০/২০১৬ - ১১:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ওহাব ভাই জ্ঞানী লোক এবং ওজনদার লোক। আমাদের আড্ডার দু’টো বেঞ্চের একটা সম্পূর্ণ তার জন্যই বরাদ্দ থাকে। কারণ ঐ যে বললাম ওজনদার লোক, তার বিশাল বপুর জন্য একটা গোটা বেঞ্চিও কম পড়ে যায়। তার ওজন যে কত সেটা বলা মুশকিল। একবার একটা ছোটখাটো ওজন মাপার মেশিনে দাঁড়িয়ে বললেন “দেখতো দেখি কত বলছে?” ঢাউস ভুঁড়িটার জন্য নিজে যে ঝুঁকে দেখবেন সে উপায় নেই। আমরাই ঘাড় নিচু করে দেখতে চেষ্টা করি, কিন্তু কাঁটাটা একেবারে শেষ


আয় তবে সহচরী

ইয়ামেন এর ছবি
লিখেছেন ইয়ামেন [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৪/১০/২০১৬ - ৭:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“কাল রাতে না খুব বাজে একটা দুঃস্বপ্ন দেখেছিলাম।“

বিছানায় চোখ আধবোজা অবস্থায় শুয়েছিল শাহেদ। অফিসে থেকে ফিরেছে কিছুক্ষন আগে। শুনে ড্রেসিং টেবিলের দিকে তাকালো, যেখানে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মীরা চুল আঁচড়াচ্ছে। আজ তার অফিসে বিকেলে ডিউটি পড়েছে, একটু পরে বেরোবে, তারই প্রস্তুতি নিচ্ছে।

“তাই?”


হার্ট

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১৯/০৯/২০১৬ - ২:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের মায়ের মাঝে কোনো রহস্য ছিল না। মা ছিলেন সাদামাটা চেহারার বৈচিত্র্যহীন একজন মানুষ। মায়ের পরনে বরাবরই আটপৌড়ে পোশাক। ঘরে বা বাইরে বেরোলেও মায়ের পরনে মাড়হীন জংলি ফুলের নরম শাড়ি থাকতো। সাথে থাকতো কালো রঙের কুঁচি দেয়া বোরকা। সুতি শাড়ির বদলে কখনো জর্জেট বা সিল্ক নতুবা শাড়ির বদলে কামিজ বা ম্যাক্সি পরাও দেখিনি মাকে। মায়ের তোলা শাড়িগুলো আলমারি থেকে বের হতো কদাচিত। কোথায়ই বা যাবে মা?