Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

গল্প

ডিম

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: শুক্র, ০৯/১০/২০১৫ - ৩:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাড়ি ফেরার পথে তোমার মৃত্যু হয়।

এটা ছিলো একটা দুর্ঘটনা। তেমন আহামরি কিছু নয়, তবে প্রাণঘাতী। ভালো ব্যাপার হলো মৃত্যুটা ছিলো যন্ত্রণাহীন। মৃত্যুকালে তুমি রেখে গেছ তোমার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে। ডাক্তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলো তোমাকে বাঁচানোর। কিন্তু লাভ হয়নি কোনো। তোমার শরীর পুরো চুরমার হয়ে গেছিলো। বিশ্বাস করো, মারা গিয়েই ভালো হয়েছে।

আর তার পরেই তোমার সাথে আমার দেখা হয়।


অপুষ্পক ক্যাকটাস

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৯/১০/২০১৫ - ১১:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভদ্রমহিলার সাথে একবার চোখাচোখি হতেই তিনি চোখ ফিরিয়ে নিলেন। আমাদের এই দৃষ্টি বিনিময় হলো খুব স্বল্প সময়ের জন্য। কিন্ত এর মধ্যেই আমার মনে হলো সেই চোখজোড়াতে দহন আছে, জ্বালাও আছে। আমি দিন পনেরো ধরে রোজ ছাদে উঠছি আর তাকে ঠিক একই জায়গায় একইভাবে বসা দেখছি। বসার ভঙ্গিটি স্থির, নিশ্চল। আমি ছাদের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে দাঁড়াই। মেইন গেটের উপরে কায়দা করে বানানো খাঁচার ফাঁকফোকর গলে বাগানবিলাস গাছটা ছড়িয়ে পড়েছে। গ


অণুগল্পের ডায়েরী ১: সংজ্ঞার খোঁজে

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বুধ, ০৭/১০/২০১৫ - ১১:৪৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
আসি।

ভাল? চুপ। তুমি?
৩.
চলো, সময়টাকে নিজের মতো করে সাজাই।


আশ্চর্য কল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৫/১০/২০১৫ - ১০:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"এক দেবদূত একদা এক নগরীর উপর দিয়া উড়িয়া যাইতেছিলেন। সহসা কি কারনে জানি তাহার মনে গভীর দয়ার উদ্রেক হইল। তিনি নামিয়া আসিয়া সেই নগরীর মাথাগণের নিকট জিজ্ঞাসা করিলেন "বাপু, তোমরা আমার নিকট কিছু একটা চাহিতে পারো"। নগরীর মাথাগন গভীর ভাবে ভাবিতে লাগিলেন কি চাওয়া যাইতে পারে, এমন সুযোগ তো আর প্রত্যহ মিলিবে না। অনেক ভাবিয়া তাহারা একটি বিশেষ ধরনের মানুষ তৈরির কল চাহিলেন। সেই মানুষরা হইবেন মেধাবী, জ্ঞান চর্চ


অণুগল্প তিনটের সাথে এক

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: বুধ, ৩০/০৯/২০১৫ - ১২:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৪।।
সবাই সবার হরিণ।সবাই সবার বাঘ। কোন পাখি ডালে বসে ছিল না।

১।।
ওরা একে অন্যের ছায়ার মত, আঠারো বছর ধরে- একসাথে হেঁটে চলেছে। চোখে স্বপ্ন, মনে প্রেরণা, হৃদয়ে জিদ। এই এদিন অবশ্যই থাকবে না। অবশেষে সেদিন এলো, ওরা দুজনে দেখলো- চোখের সামনে দুঃখের মেঘ কেটে গেছে। পায়ের নিচে টের পেল- শক্ত মাটি। ওরা নিজের পায়ে দাঁড়ালো, তারপর হেঁটে গেল দুই পথে।

২।।
অন্ধরা হাতি দেখলো।


নিশুতি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২৭/০৯/২০১৫ - ১০:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মেয়ের ঝলমলে জামাটার দিকে তাকিয়ে মন কেমন করে ওঠে মুকুলের। খুব খুশি হয়ে উঠেছে ওর পাঁচ বছরের মেয়েটা, জামাটার মতোই ঝলমল করছে ওর মুখটা। পিঁড়ির উপর বসে মেলায় কেনা আচারটা চেটেপুটে খাচ্ছে ও। এবার পূজোয় কিছু কিনবে না কিনবে না করেও মেয়ের জন্য এই জামাটা না কিনে পারেনি মুকুল, আর কারও জন্যই কিচ্ছুটি কেনেনি।


ক্ষুদে গল্প -২

শিশিরকণা এর ছবি
লিখেছেন শিশিরকণা (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৪/০৯/২০১৫ - ৬:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এবার চার শব্দের গল্পের অনুবাদ। সবগুলো অনুবাদ নয়, কিছু মূল গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজে পয়দা করলাম।
আর নিচের কয়েকটা ক্ষুদে গল্প অনুবাদের ধাক্কায় নিজের মাথা থেকে বেরলো।


ক্ষুদে গল্প

শিশিরকণা এর ছবি
লিখেছেন শিশিরকণা (তারিখ: বুধ, ১৬/০৯/২০১৫ - ৪:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হেমিংওয়ের লেখা একটা একটা ছয় শব্দের গল্প আছে, যেটাকে তিনি তার সর্বশ্রেষ্ঠ রচনা বলে মনে করতেন। অন্তর্জালে এমন আরও সংগ্রহ খুজতে গিয়ে এই সাইটটা পেলাম। দীর্ঘ অনুবাদের ধৈর্য্য কখনোই হয় না। তাই ক্ষুদ্রতম গুলো বেছে নিলাম অনুবাদের জন্য।


রুপালি মল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০৫/০৯/২০১৫ - ১০:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভোরের আলোয় প্রথম যা নজরে পড়লো তা একটি রুপালি মল। এ নামটি বলাই হয়তো সংগত। মলটি আসলেই রুপার কিনা সে কথাও ভাবনায় এসেছে আনসার সাহেবের। গোড়ালি ছাড়িয়ে মলটি লুটিয়ে ছিল যে পায়ে তার আঙ্গুলগুলো সুন্দর। লাল নেইল পালিশ সরু ফর্সা আঙ্গুলগুলোকে আরো মোহনীয় করেছে। মাঝখানের দুটো আঙ্গুলে রুপালি আংটি। রমনা পার্কের লেক ঘেঁষা সিমেন্টের বেঞ্চে মেয়েটি ঘুমিয়ে ছিল। সাদা ফুঁটি মেশানো লাল কামিজ ও সাদা পাজামা মেয়েটির দেহ ঢেক


নিঃশব্দে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১৫/০৮/২০১৫ - ১১:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ডিভিডি প্লেয়ার এ মৃদু সুরে বেজে উঠল রবীন্দ্রসঙ্গীত। তুমি কি কেবলই ছবি ----। আসাদের জন্য । নাপিত আসাদের চুলে কাঁচি ছোঁয়ানোর সাথে সাথে শুরু হল গানটা । তার পছন্দের দাম আছে । আগে এমনটা হত না। আসাদকে দেখলেই সে মোবাইল ফোনে ডাকত,” নিতাই দা, তোমার কাস্টমর।“