মুস্তাফিজ এর ব্লগ

১০১টা ছবির গল্প - ১৪, রক্তের গলি

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: মঙ্গল, ০৮/০৮/২০১৭ - ৩:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify] ক’দিন যাবৎ আমাকে পুরোনো গলিতে ঘোরার নেশায় পেয়েছে। গলিতে গলিতে ঘুরি। গলির লোকজনের সাথে কথা বলি। ছবি তুলি। গন্ধ নিই। গলিতে মিশে যাই, যেতে যেতে ফিরে যাই পুঁতিগন্ধময়, অন্ধকার, সমাজ থেকে হারিয়ে যাওয়া সেসব বুড়ো গলির যৌবনকালে। তখন জীবন ফিরে পায় সে গলি। গমগম করে ওঠে আমার চারপাশ— মানুষের হাঁকডাক, ঘোড়ায় টানা গাড়ির ক্যাচক্যাচ, দৌড়ে বেড়ানো শিশুদের কোলাহল আর তাদের মায়েদের সতর্ক ডাক। এ এক বিচিত্র ভাব। মৃত্যুশয্যায় শুয়ে থাকা কোনো বৃদ্ধের পেছন ফিরে তাকানোর গল্প। সে গল্পে আবেগ আছে, ইতিহাস আছে, আনন্দ আছে, আছে স্বপ্ন মিলিয়ে যাবার হতাশা। চলুন ঘুরে আসি তেমন এক গলি। যার নাম ‘রক্তের গলি’, ইংরেজিতে Blood Alley. কীভাবে গড়ে উঠলো এ গলি? কেমন করে গড়ে উঠলো এর ইতিহাস? চোখ মুদে চলুন একটু পেছন ফিরে তাকাই।


১০১টা ছবির গল্প - ১৩, বাজারের গলি

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: শুক্র, ২৮/০৭/২০১৭ - ১২:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify] নিচে যে ছবিটি আমরা দেখবো, তার একটা গল্প আছে। শত বছরের পুরোনো সেই গল্প এতদিনে গল্প থেকে ইতিহাস হয়ে গেছে। আমি আজকে সেই গল্পটিই আপনাদের শুনাবো।


১০১টা ছবির গল্প - ১২, ক্যাথিড্রাল গ্রোভ

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: মঙ্গল, ২৩/০৮/২০১৬ - ৯:৩০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify] I urge you to travel, as far and as much as possible. Work ridiculous shifts to save your money. Go without the latest iPhone. Throw yourself out of your comfort zone. Find out how other people live and realize that the world is a much bigger place than the town you live in. And when you come home, home may still be the same, and yes, you may go back to the same old job, but something in your mind will have shifted.
And trust me that change everything.


১০১টা ছবির গল্প - ১১, মেরা গিরিখাত

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: রবি, ১৬/০৮/২০১৫ - ১:৩৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আমার প্রথম বাইক ছিলো এস এস সি পরীক্ষায় প্রাপ্ত বৃত্তির টাকায় কেনা। ষোলশ টাকার ফনিক্স, কেনার সময় চাইনিজ ভাবলেও পরে জেনেছি এই সাইকেল দেশেই তৈরি হয়, তেঁজগায় এদের ফ্যাক্টরি একসময় ল্যান্ডমার্ক ছিলো। নিকেতনে ঢোকার প্রথম গলি আর জিএমজির মোড়ের মাঝামাঝি “বাংলাদেশ সাইকেল ফ্যাক্টরী” রিকশাওয়ালাদের কাছে ঐ সময়ের একমাত্র ল্যান্ডমার্ক।


ভবঘুরের নেপাল

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: সোম, ১০/১২/২০১২ - ৯:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নিধির বাবা, নূপুরের জামাই, আমাদের নজরুল ভায়ের জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে এটা একটা ভিডিয়ো ব্লগ।


১০১টা ছবির গল্প-দশ, সীওয়াশ রক

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: মঙ্গল, ০৯/১০/২০১২ - ১০:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার পেছনে বাইকের আওয়াজ। স্ট্যানলী পার্কের চারদিক ঘুরে আসা ষোল কিলোমিটার এই রাস্তায় মানুষ আর বাইক সমান সমান। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ বাইক নিয়ে পার্কের চারদিক সমুদ্রের পাড় ধরে চক্কর দেয়। আমি এঁদের ব্যতিক্রম, এসেছি হেঁটে হেঁটে ঘুরবো বলে। এরই মাঝে পেছনে থেকে আসা আরো কয়টা বাইক আমাকে পেরিয়ে গেলেও এটা থেমে আছে বুঝতে পারি। আঁড় চোখে তাকিয়ে দেখলাম পাশের পাথুরে পাহাড়ের দেয়ালে তিনি বাইক ঠেস দিয়ে রেখে গুহা মতন একটু জায়গায় ঢুকে পড়েছেন। তার পরই গুহা থেকে ভেসে আসে অদ্ভুত এক সুর, আমি কান লাগিয়ে শুনতে শুনতে মোহাবিষ্ট হয়ে যাই। আমি দাঁড়িয়ে থাকি, শুনতে থাকি পাথুরে দেয়ালে ধ্বাক্কা খেয়ে কেঁপে কেঁপে বেরিয়ে আসা সেই গান।


১০১টা ছবির গল্প-নয়, শ্যানন ফলস

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: বুধ, ২৬/০৯/২০১২ - ১১:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার চোখের সামনে ছেলে দুটো তরতর করে পাহাড় বেয়ে উঠতে থাকে। আমি পারি না। নিচে দাঁড়িয়ে ওদের নাম ধরে ডাকি, এই মাতিস এই জহুর, সাবধান, পাথর কিন্তু পিছলা। কিন্তু কে শোনে কার কথা? ওরা উঠতে থাকে হালকা সবুজ রঙের শ্যাওলা পড়া পাথর বেয়ে। সমবয়সি বলে ওদের ভেতর মিল বেশ। কেউ একটা কিছু করতে চাইলে অন্যজনেরও তা করা চাই। সকালে রওনা দেবার সময় গাড়ির পেছনের সিটে মাঝখানে না বসা নিয়ে দুজনের ভেতর একটু ঠেলাঠেলি হলেও মুহূর্ত পরেই আবার গলাগলি ভাব।


১০১টা ছবির গল্প-আট, ‘আল বদর’ চৌধুরি মঈনউদ্দিন

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: মঙ্গল, ১০/০৭/২০১২ - ৮:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চৌধুরি মঈনউদ্দিন। ১৯৭১ সালে জন্ম নেয়া ‘আল বদর’ বাহিনী যার ব্রেনচাইল্ড। মোহাম্মদপুরের ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউটে নির্যাতনকেন্দ্র স্থাপনের পেছনেও মঈনুদ্দিনের পরামর্শ ছিলো অন্যতম। সাংবাদিক সহকর্মী এ এন এম মোস্তফার সাথে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটির তিন রাতের মাথায় তাঁকে রাতের অন্ধকারে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায় মোহাম্মদপুরে। এরপর তার লাশও আর পাওয়া যায়নি। একই রকম ভাবে আরো অনেকের সাথে সাংবাদিক নাজমুল হক, সিরাজুদ্দিন হোসেন, মোফাজ্জল হায়দারদেরও তুলে নিয়ে যায় মঈনুদ্দিন। দেশ স্বাধীনের পর ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের নির্যাতনকেন্দ্রে পাওয়া যায় মঈনুদ্দিনের হাতে লেখা দলিল যার পাতায় পাতায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের নাম আর বাসার ঠিকানা। এমনকি সপ্তাখানেক আগেই আরেক সহকর্মী সাংবাদিক আতিকুর রহমানের বাসার ভুল ঠিকানা যা তিনি কেবলমাত্র মঈনুদ্দিনকেই দিয়েছিলেন।
সে সময় ঢাকা থেকে প্রকাশিত পূর্বদেশ পত্রিকা ছিলো মঈনুদ্দিনের কর্মস্থল। অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি পত্রিকার মূল রচনাও লিখে থাকতো মঈনুদ্দিন। বর্তমানে লন্ডনের সবচাইতে বড় ইস্ট লন্ডন মসজিদের দায়িত্বে থাকা এই যুদ্ধাপরাধী সে সময় পত্রিকার পাতায় কী লিখতো তার ছবি আজকে আমাদের ছবির গল্পে।


ভারত বনধ, মার্চ-১ পোষ্টার

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: বুধ, ২৯/০২/২০১২ - ১২:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

poster


১০১টা ছবির গল্প-সাত, আলহামরা প্রাসাদ

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: মঙ্গল, ২৮/০২/২০১২ - ১২:৩৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লাল ইটের একটা বাড়ির দিকে আঙুল তুলে হান্নান ভাই বলেন, “বুঝলেন্নি মুস্তাফিজ ভাই, ঐগুলান সব মুসলমানরা বানাইছে।” সেদিকে তাকিয়ে জিনিসটা কী ঠিকমতন ঠাহর করার আগেই তা পাহাড়ের আড়ালে চলে গেলো। আমি বললাম, বুঝলাম না, মানে দেখতে পেলাম না। উনি হি হি করে হাসতে হাসতে এক্সিলেটরে আরো জোরে চাপ দেন। দুপাশের পাহাড়, তার মাঝে মাঝে জলপাইয়ের বাগান, একটা দুইটা বাড়ি আরো দ্রুত আমাদের ছেড়ে যেতে থাকে। হান্নান ভাইয়ের ছোট্ট কনভার্টেবল তার সর্বোচ্চ গতিতে ছুটে চলে গ্রানাডার দিকে। বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দের সাথে ভেসে আসে হান্নান ভাইয়ের গলা “আপনি শুধু রাস্তায় স্পিড ক্যামেরা খেয়াল কইরেন।”