পায়ের ড্রেসিং করা হয়েছে। ডাক্তার এখন পা সম্পূর্ণ রাখতে পারার ব্যাপারে আশাবাদী।
আজকে পিঠের সাপোর্ট ছাড়া খাটে পা ঝুলিয়ে বসতে পেরেছে।
সিমন ভাই, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।
'পিঙ্ক ফ্লয়েড' নিয়ে কিছু লেখা আমার জন্য একটা দু:সাহসিক ব্যাপার! আমার মত স্থুল মস্তিষ্কের একজনের জন্য সুপার ট্যালেন্টেড কিছু ব্যাক্তির সম্পর্কে কিছু লেখা অনেকটা আস্পর্ধাও বৈকি!
খবরের কাগজ পড়লে রক্তচাপ বেড়ে যায়। কয়েক মাস ধরেই কোনো সুসংবাদ নেই চারদিকে। নানা ফ্যাকড়ায় পড়ে যখন মেজাজ নষ্ট হতে থাকে, তখন স্ট্রেস কাটানোর জন্যে গান গাওয়ার চেষ্টা করি। ব্যাপারটা আরো ভালো কাটে যখন লোকজনকে জোর করে ধরে সে গান শোনানো যায়। কারণ পৃথিবীতে স্ট্রেসের পরিমাণ একটি ধ্রুবক, একজনের স্ট্রেস কমলে আরেকজনের বাড়বে।
বইটা যে ঠিক কীভাবে হাতে এসেছিল, আজ আর মনে নেই। বন্ধুর বড় বোনের বিয়েতে উপহার দেবার জন্য বোধহয় ‘তক্ষশিলা’ থেকে কিনেছিলাম বইটা, থার্ড ইয়ারে থাকতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী থেকে লেখকের “দিশি গান-বিলিতি খেলা” পড়ে বিষয়গুণে ও বিদগ্ধ বিটলেমিতে মুগ্ধ হয়েছিলাম। এবার বইয়ের নামটা আমার খামখেয়ালী মনে বেশ ভালো লাগায় কিনে ফেললাম। রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম বাসে কৌতুহলের বশে আর সময় কাটানোর জন্য বইটা খুল
"এ্যাঁলো--আজিজ সা'ব আছোইন নি?"
বশর চাচা আমাদের বাসায় ফোন করে সব সময়ে এই কথাটা বলতেন।
ফেব্রুয়ারির পাঁচ থেকে উত্তাল স্বদেশ আমার।
খুব অন্যরকম সময় এটা।
গত পরশু দেখলাম ‘লা মিজারেবল’, অনেকটা দেরি-ই হয়ে গ্যালো দেখতে তারপরেও তো দ্যাখা হয়েছে এটাই মূল ব্যাপার।

নতুন বাংলা বছর জেগে উঠুক সকল মৌলবাদী ঘোঁৎকারকে চাপা দিয়ে নারীর গর্জনে।
যে বাংলাদেশের কৃষি অচল নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া, যে বাংলাদেশের শিল্প অচল নারীর শ্রম ছাড়া, যে বাংলাদেশের পরিবার অচল নারীর নিঃশব্দ আত্মবিসর্জন ছাড়া, সে বাংলাদেশে মাথায় ফেট্টি বাঁধা কতগুলি উন্মাদের কথায় নারীরা অন্তরীণ হয়ে থাকবে?
কখনোই না।
জেমস,নগর বাউল, গুরু, দ্য লিভিং লিজেন্ড,গড অফ বেঙ্গলি সাইকাডেলিক, তিনি অনেক নামেই খ্যাত। এই মানুষটা এবং তার সঙ্গীত আমার জীবনে আত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বলা যায় তিনি আমার সঙ্গীত ভুবনের প্রবেশের সিঁড়ি, যে সাইকাডেলিক, পিঙ্কফ্লয়েড, লেড জেপলিন পান করে বেঁচে আছি গুরু ছিলেন সেই সাইকাডেলিক এর প্রথম ধাপ। তার অর্থ এই নয় যে তিনি কেবল সাইকাডেলিক ই গেয়েছেন, বরং তিনি বিচরন করেছেন আধুনিক সঙ্গিতের প্রায় সকল শাখা
শাহবাগ আন্দোলনের একেবারের শুরুর দিকের কথা। কুখ্যাত রাজাকার কসাই কাদের ওরফে কাদের মোল্লার প্রত্যাশিত ফাঁসির রায় না পাওয়ায় সমগ্র বাংলাদেশ তখন জ্বলে উঠেছে। সেই আগুনের সবচেয়ে বড় শিখাটি জ্বলজ্বল করে জ্বলছে শাহবাগে। শিখার আগুন শুধু শাহবাগে স্থির থাকে না, আমরা জানি সেই আগুন বাংলার প্রতিটি মানুষের বুকে, সেই আগুন বাংলার প্রতিটি অলিতে গলিতে। আমরা যেইসব দুর্ভাগা স্বার্থপর, যারা সবকিছু ছেড়েছুড়ে দেশের ব
হঠাৎ মনে হলো, সবাই মিলে কোরাসে জাতীয় সঙ্গীত গাইলে কেমন হয়?