এক লহমা এর ব্লগ

কিছু-মিছু - ৩

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১০/১২/২০১৮ - ১:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফিরে দেখা - বিদায় গুলসারি

লেখক -
চিঙ্গিস আইতমাতভ

বরং বলি, চিঙ্গিস টোরেকুলোভিচ আইতমাতভ, টোরেকুলপুত্র চিঙ্গিস আইতমাতভ।
স্তালিন জমানায় দেশের শত্রুদের নিশ্চিহ্নকরণ প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত রাষ্ট্রীয় খুনীবাহিনী এন কে ভি ডি-র হাতে নিহত সোভিয়েত কর্মী টোরেকুল আইতমাতভের ছেলে চিঙ্গিস আইতমাতভ - যিনি বাবাকে কখনো ভোলেননি।
‘যন্ত্র-বিশারদ’ আইতমাত কিম্বিলদিয়েভ এর ছেলে সমাজতন্ত্রী টোরেকুল -এর ছেলে যাঁর পাহাড় ও স্তেপ-এর আখ্যান নামে গল্প-ত্রয় পেয়েছিল লেনিন পুরস্কার- সেই চিঙ্গিস আইতমাতভ।


জানি

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৩/১১/২০১৮ - ২:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[ বলিনি কখনো?
আমি তো ভেবেছি বলা হয়ে গেছে কবে।
- শূন্যের ভিতরে ঢেঊ / শঙ্খ ঘোষ ]


গল্প ০৫-০৫-২০১৮

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৫/০৫/২০১৮ - ২:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মনে আছে, তোমায় গল্প করেছিলাম - কৈশোরে দেখা সে মায়াবী আলোর খেলা?

রক্তকরবী। মঞ্চে নারী ও পুরুষ, হাতের মুঠোয় হাত। মাত্র কয় পা হেঁটে তারা পার হয়ে গেল – যেন, অনেক দূরের পথ!

আমরাও।

তেত্রিশ বছর। কত দূর, কত-ও দূ-ঊ-র! জীবনের রঙ্গমঞ্চে, চোখের সামনে, সেদিনের তরুণ-তরূণী – আজ প্রায় আবছায়া। রূপালী মায়ার খেলা!

শুধু, তুমি আছ তাই, খেলা চালু আছে। না হলে আউট!


ক্যালিডোস্কোপ – ১৩

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৪/০৪/২০১৮ - ৬:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কাল যতিহীন, তবুও।


কিছু-মিছু - ২

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৩/০১/২০১৮ - ৫:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

- কি করছ?
- কে?
- আমি, এই যে এখানে।
- ও তুমি! কি চাও?
- তোমার আয়নায় ধরো আমায়।
- তারপর?
- আমার স্বপ্ন সফল করবে - সাজিয়ে তুলবে আমায়!
- তাই? অনেক কিন্তু সইতে হবে!
- আচ্ছা!
- হেসো না।
- বলো, শুনছি।


যাই, বাহামা ছুঁয়ে আসি

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০১/০২/২০১৬ - ১২:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অবশেষে বেরিয়ে পড়লাম, পায়ের বেড়ি খসিয়ে বেড়িয়ে আসার জন্য। নরওয়েজিয়ান (আবারও) ক্রুজ লাইনের তরণী ভরসায়, এবার গন্তব্য বাহামা দ্বীপপুঞ্জ। চার রাত, তিন দিন-এর ভ্রমণ, মাত্রই তিনটি দ্বীপ ছুঁয়ে আসা। কিন্তু, সেটাই বা কম কি, একটু ঘুরে আসা ত হবে!


ঈশপের গল্প (১২১ - ১২৫)

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১১/০১/২০১৬ - ১২:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে রচিত ভিনদেশী এই গল্পগুলি স্থান-কালের সীমানা পেরিয়ে আজো আমাদের চেনা জগতের কথা বলে যায়।

বারে বারে পড়ার মত গল্পগুলিকে একালের বাংলা ভাষায় আমার নিজের মত করে ধরে রাখার ইচ্ছের ফসল এই লেখা। অনুবাদ ইংরেজী পাঠের অনুসারী, আক্ষরিক নয়।

সাথে আমার দু-এক কথা, হয়ত মজা করে, হয়ত আরও তীব্রতায়, কিংবা কোন ভিন্ন দেখা থেকে। 


গল্পসূত্রঃ R. Worthington (DUKE Classics)-এর বই এবং আন্তর্জাল-এ লভ্য [url=http://www.aesop-fable.com ]http://www.aesop-fable.com [/url]-এ ইংরেজী অনুবাদের ঈশপের গল্পগুলি। গল্পক্রমঃ R. Worthington-এর বইয়ে যেমন আছে।
****************************************


ক্যালিডোস্কোপ - ১২

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৩/০৬/২০১৫ - ৬:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আরও একবার ঘোরাই ক্যালিডোস্কোপ (বিশুদ্ধ উচ্চারণে ক্যালাইডোস্কোপ। কিন্তু ছোটবেলায় যে নামে চিনেছি তারে সেই নাম-ই রয়ে গেল এই খানে)।


কিছু-মিছু - ১

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৪/০৫/২০১৫ - ৩:০৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নির্দিষ্ট করে কোন কিছু নয়। কিছু একটা নিয়ে - যা হঠাৎ করে জলের অতল থেকে উঠে এসে ঘাই মেরে গেল অথবা নিরন্তর কুট কুট করে কামড়ে যাচ্ছে । সেই খুচরো হাসি-কান্নাগুলো ভাগ করে নেওয়া। প্রধান স্রোতের খবরদারী কি খবর্দারী করা মাধ্যমে হলে বলতাম ভাগ করে দেওয়া। সেখানকার মহাজনেরা দিয়েই খুশী। নিতে হলে তারা লেখার কি অর্থ পড়ুয়া করল তার থেকে লেখার অর্থ প্রকাশক কি করল সেটা যে অর্থ সকল অনর্থের মূল বলে প্রচারিত সেই অর্থে নিতে পছন্দ করেন। ব্লগের লেখা সেই মিনারবাসীর নয়, সাগরতীরের, মিলাবে-মিলিবে, যাবে না ফিরে।


ক্যালিডোস্কোপ -১১

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১০/০৫/২০১৫ - ৪:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নারী দিবস। মাতৃ দিবস। আমার মা-এর কাছে এই দিবসগুলি কোন বিশেষ বার্তা আনে না। তা বলে বার্তাগুলি থেকে তিনি দূরে থাকেন না। নিয়মিত খবরের কাগজ পড়েন। খবরের সাথে নিজেকে সংপৃক্ত রাখেন। বস্তুতঃ সেই পাঠ-ই তাঁকে সচল রেখেছে। কিন্তু তাঁর চারপাশের দুনিয়ায় তিনি অপ্রয়োজনীয় হয়ে গিয়েছেন। তাঁর মানসিক আর শারীরিক সক্ষমতার যতটা অবশিষ্ট আছে, তাতে উন্নত দেশের বাসিন্দা হলে তিনি এখন-ও সক্রিয় জীবনযাপন করতেন। কিন্তু নিজের দেশে, সন্তানের সংসারে শিশুপালনের ভূমিকা পার হয়ে গেলে নিজের জনেদের মধ্যে থেকেও অনেক কাল-ই তিনি তাঁদের চলমান, ঘটমান জীবন প্রবাহ হতে বিচ্ছিন্ন। তাঁর মত, তাঁর বয়সীরা আরও অনেকই। সেখানে সেটাই রীতি।