চিন্তাভাবনা

ফিরে দেখা 'দ্য সেলফিশ জিন': প্রকাশের ৪০ বছর পূর্তিতে ম্যাট রিডলির আলোচনা

সজীব ওসমান এর ছবি
লিখেছেন সজীব ওসমান [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৮/০২/২০১৬ - ৩:০৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


১৯৭৬ সালের রিচার্ড ডকিন্স, প্রায় যেসময়ে তার প্রথম বেস্ট সেলিং বইটি প্রকাশিত হয়েছিল।

ভূমিকা


যুক্তরাষ্ট্রঃ নির্বাচন ২০১৬ ও একজন বার্নি স্যান্ডার্স

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৮/০২/২০১৬ - ২:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২০১৬ যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বছর। এবছরের শেষ নাগাদ বারাক ওবামা পূর্ণ করবেন তার আট বছরের দায়িত্বকাল। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সাধারণত রিপাবলিকান ও ডেমক্র্যাট এই দুই দলের দুজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে মূল নির্বাচনের বছর খানেক আগেই শুরু হয়ে যায় প্রার্থী নির্বাচনের লড়াই। প্রতি দল থেকেই সচরাচর আট-দশজন প্রার্থী হতে চান। এদের অধিকাংশই দেখা যায় নানান রাজ্যের সিনেটর কিংবা গভর্নর। এছাড়া


শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের কৌশল: খসড়া বনাম আনুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি (দ্বিতীয় পর্ব)

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: রবি, ০৭/০২/২০১৬ - ৪:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সিনেমার জন্ম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০২/০২/২০১৬ - ১১:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটি সিনেমা কখন জন্ম নেয়?


মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীর জামদানী পরিধান এবং জামদানী নিয়ে কিছু ছুটকা কথা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০১/২০১৬ - ৯:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জামদানী শাড়ি ব্যবহার করতে পছন্দ করেন- এটা নতুন কোন তথ্য নয়। আবার আমাদের ভূতপূর্ব ফাস্র্টলেডি এবং বর্তমানের বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশান এরশাদ এরও জামদানী, বেনারসী শাড়ির প্রতি আলাদা টান ছিলো বলে শোনা যায়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া জামদানী না বেনারশী নাকি টাঙ্গাইল শাড়ি পছন্দ করতেন বা করেন সেরকম কোন সংবাদ শোনা যায় না। তবে তাঁর পরিধানে বরাবর


আন্ডার কনস্ট্রাকশন, দ্যা রিটার্ন অফ দ্যা faux

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০১/২০১৬ - ২:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‘আমাদের গল্প’ বলতে গিয়ে আমাদেরকে স্রেফ প্লটে ফেলে দেখিয়ে সেরে ফেলবেন না, আমাদের গল্পটিও বলুন।


মেট্রোরেল ইস্যুঃ যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যর্থ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৫/০১/২০১৬ - ৯:০৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর দিয়ে মেট্রোরেল যাবে কি না কিংবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মেট্রোরেলের স্টেশন হবে কি না সেটার পক্ষে-বিপক্ষে নানা বিতর্ক চোখে পড়ল। যেহেতু আমি সে ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ নই, আমার পক্ষে ব্যক্তিগত মতামত জানানো ছাড়া আর কিছু বলার অধিকার নেই বলেই আমি মনে করি। আমি যেটা করতে পারি দুই পক্ষের অভিমত নিয়ে আমি একটা পক্ষ নিতে পারি শুধু। এছাড়া মেট্রোরেল ইস্যু নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষের এইসব আলোচনায় একটি বড় পয়েন্ট মিসিং (missing) বলে মনে হয়েছে। সেটি নিয়ে আলোচনা করাটাই এ লেখার উদ্দেশ্য।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও সময়ের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সে চরিত্র থেকে বেরিয়ে এসেছে। সেট যতটুকু না বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের নীতির পরিবর্তনের কারণে হয়েছে তার চাইতে হয়েছে রাজনৈতিক কারণে। সবসময় আবাসন সংকট তৈরী করে রাখলে সেটার সুফল ক্ষমতাসীন দলের ভাগে যায় যেটি সর্বজনবিদিত। সম্প্রতি বেশ কিছু হল খোলা হয়েছে যেটি বেশ ভাল উদ্যোগ। কিন্তু এর মাঝে আমরা যেটি ভুলে যাই সেটি হচ্ছে একটি নতুন হল তৈরী করা বেশ কয়েক বছরের উদ্যোগ। সেটি যখন হতে থাকে, তখন কিন্তু বর্তমান ছাত্রদের সমস্যা সমাধান হয়ে যায় না। তাদের ভোগান্তি রয়েই যায়। আমি যখন ক্লাস শুরু করি তখন আমার হলে ১০তলা একটি ভবনের কাজ শুরু হয়, ১৬ জনের রুমে থাকা অবস্থায় আশা ছিল খুব দ্রুত ভবনের কাজ শেষ হয়ে গেলে আবাসন পেয়ে যাব। সেই ভবনের কাজ যখন শেষ হয় তখন আমি ব্যাচেলরের রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা করছি। এমনটি হয় অনেক ছাত্রের ক্ষেত্রেই। প্রতিটি বিভাগেই প্রতিবছর মেধাবী কিছু ছাত্র পাওয়া যায়, মেরিট লিস্ট করলে তেমনটি পাওয়া স্বাভাবিকও। কিন্তু বাস্তবতা বলে প্রতি বিভাগের, প্রতি ব্যাচের ছাত্রদের বড় অংশ এই সমস্যার ভুক্তভোগী। এখন এসব আবাসন সংকটের ভুক্তভুগী যারা তারা সংখ্যায় অনেক হলেও তারা কিভাবে ভোগে সেটা কোন আলোচনায় আসে না, তাদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় না। শিক্ষক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবাই এগুলো নিয়ে চোখ বন্ধ করে রাখে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি মেট্রোরেল হলে ছাত্ররা কিভাবে লাভবান হবে সেটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজের উদ্যোগে একটি বিস্তারিত স্টাডি (study) হওয়া প্রয়োজন। সেটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শুধু নয়, ছাত্রদেরও বুঝতে সাহায্য করবে মেট্রোরেলের স্টেশন কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ।


“ঢাকা এ্যাটাক” প্রসঙ্গে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১৫/০১/২০১৬ - ৪:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নাটক নির্মাতা দীপঙ্কর দীপনের প্রথম চলচ্চিত্র ‘ঢাকা এ্যাটাক’ বছরের শুরু থেকেই অনলাইন প্রকাশনাগুলোতে বেশ ‘বাজ্’ সৃষ্টি করছে। গত ২৯শে ডিসেম্বর মহরত হয়ে গেল- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, র‍্যাবের মহাপরিচালক, পুলিশের আইজিপি, ডিমপি কমিশনারের উপস্থিতিতে। জানানো প্রয়োজন- সিনেমাটির নির্মাণের সাথে ‘পুলিশ পরিবার কল্যাণ সমিতি’ জড়িত আছে, এর গল্পটি লিখেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ


ফুটন্ত গোলাপ

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৪/০১/২০১৬ - ১১:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সাহিত্যের রূপ ঠিক কিরকম হতে পারে সে নিয়ে হয়তো আলোচনা পর্যালোচনা চলতে পারে। তবে আমাদের দেশের বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে বলা যায় সাহিত্য শুধু একরূপই হতে পারে। যার শুরুতে থাকবে সুভানাল্লা আর শেষে আলহামদুলিল্লাহ। আর মাঝখানের পুরোটা বাঁধা থাকবে একটা লাইনের মাঝে। লাইনের বাইরে গেলেই কোপ। দেশের বখে যাওয়া নাস্তিক মুরতাদ সাহিত্যিকরা হয়তো ভেবে ভেবে মাথার চুল ছিঁড়ে ফেলছেন, কিভাবে লাইনে থেকে জান বাঁচানো যায় এই


উচ্চমানের বিজ্ঞান গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থা এবং অর্থনৈতিক প্রভাব

সজীব ওসমান এর ছবি
লিখেছেন সজীব ওসমান [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৪/০১/২০১৬ - ৯:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যেকোন দেশের জন্য বিজ্ঞান গবেষণার উৎকর্ষ কেন প্রয়োজন সেটা বোধকরি খুব ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নাই। দেশের অর্থনৈতিক সাফল্যে, স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত উন্নতিতে, নিজস্ব পণ্য উৎপাদনে, দেশের সমস্যা সমাধানে নিজেদেরই অবদান রাখার জন্য, সর্বোপরি সার্বিক উন্নতি সাধন এবং বিশ্বে মর্যাদাবান অবস্থান প্রাপ্তির জন্য উন্নত মানের বিজ্ঞান গবেষণার উৎকর্ষের প্রয়োজন আছে। এই উন্নতি না ঘটিয়ে একটি দেশের সার্বিক