চিন্তাভাবনা

ভাষা নিয়ে ভাসাভাসা ভাবনাঃ ভাষার জাতিভেদ প্রথা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০২/০৯/২০১৪ - ৯:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইহুদীদের পবিত্র গ্রন্থ তালমুদে বলা আছে, দুনিয়ার মাত্র চারটি ভাষা সত্যিকারের গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহারের উপযুক্ত - গান গাওয়ার জন্য গ্রীক, যুদ্ধের জন্য ল্যাটিন, কান্না ও শোক প্রকাশের জন্য সিরিয়াক ভাষা (সিরিয়াক/Syriac ছিল প্রাচীনযুগে উত্তর মেসোপটেমিয়ার ভাষা, যা একটি প্রধান সাহিত্যিক ভাষা হয়ে উঠেছিল খ্রীষ্টীয় প্রথম থেকে পঞ্চম শতাব্দী পর্যন্ত) এবং দৈনন্দিন জীবনের অন্যান্য কাজের জন্য হিব্রু ভাষা। কোন ভা


প্রগতিশীলতার আড়ালে ছফার সু-কৌশল মিথ্যাচার এবং অন্ধ গুরু ভক্তি

মাসুদ সজীব এর ছবি
লিখেছেন মাসুদ সজীব [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০১/০৯/২০১৪ - ৩:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একজন জনপ্রিয় সাহিত্যিক (খুব সম্ভব হুমায়ুন আহমেদ) বলেছিলেন সাক্ষাৎকারে অর্থাৎ প্রশ্ন আর তার উত্তরের মাঝে কাউকে খুঁজতে যাওয়া অনেকটাই বোকামি। কারণ সাক্ষাৎকার প্রদানকারী যদি নিজেকে লুকিয়ে রাখেন তাহলে শত প্রশ্ন করেও তাকে বের করা সম্ভব নয়। তারপরও লেখকের সততার উপর আমরা আস্থা রাখি বলে সাক্ষাৎকার গ্রন্থগুলো আমাদের প্রিয় পাঠ্য হয়ে ওঠে। একজন লেখককে অামরা সাধারণত দুভাবে চিনতে কিংবা জানতে পারি। এক তার লেখা আর


যারা গোল্ডেন এ-প্লাস/ জিপিএ-৫ পায়নি, অথবা যারা বুয়েটে বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে পারবে না

ধ্রুব আলম এর ছবি
লিখেছেন ধ্রুব আলম [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০১/০৯/২০১৪ - ৩:২২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এককালে এসএসসি, এইচএসসি দিয়েছিলাম। গোল্ডেন কোনটাতেই পাইনি, দুক্ষেত্রেই দুটো করে মিস গিয়েছিলো। ইন্টারে আবার ইংরেজিতে এ-প্লাস তো অনেকদূর, এ মাইনাস পেয়েছিলাম। এখনকার কথা ভাবলে গা শিউরে ওঠে! পরে কিন্তু জিআরই ভার্বাল আর আইএলটিএসে খারাপ করিনি (আর আমার এ-প্লাস পাওয়া বন্ধুগণ কি করেছে, সে নাহয় নাই বললাম)

কোনমতে বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পেরেছিলাম, ১৮ দরকার ছিল, পরীক্ষা দিতে বসতে, আমার ছিলো সাড়ে আঠারো। আজকাল ভাবলেই মনে হয়, বিরাট বাঁচা বেচে গেছি! এখন যে পরিমাণ এ-প্লাসের ছড়াছড়ি, তাও আবার গোল্ডেন!

আমার সময়ের গোল্ডেন-ওয়ালারা কোথায়? আমি বলতে পারি, ৫০% বুয়েট-মেডিকেলে পড়ে, খেয়ে-পরে ভালই আছে। আর বাকি ৫০%? আমার কোন ধারণা নেই, তারা কই গেছে কে জানে। সেই ১০-১২ বছর আগের সেই নাক-উঁচু গোল্ডেন এ-প্লাসরাই যদি হারিয়ে যেতে পারে, তাহলে আজকের কাঁচকি মাছের ঝাঁকে ঝাঁকে মত এ-প্লাসেরা কই যাবে?


বাংলা ভাষায় ধ্বনির পুনরাবৃত্তি হার

এনকিদু এর ছবি
লিখেছেন এনকিদু (তারিখ: সোম, ০১/০৯/২০১৪ - ১১:০২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কোন ভাষায় বর্ণমালার সবগুলো বর্ণ সমান হারে ব্যবহার হয়না। যারা একটু খোঁজ-খবর রাখে তার চট করে বলে দিতে পারবে ইংরেজি ভাষায় সর্বাধিক ব্যবহৃত বর্ণ হল E, তার পর পুনরাবৃত্তির ক্রম ধরে একে একে আসে T, A, O, I ইত্যাদি। যারা বিস্তারিত জানতে আগ্রহী তারা Letter Frequency নিয়ে অন্তর্জালে সন্ধান করতে পারেন।


বাঙ্গালির বিদেশ-ফেটিস ও ভণ্ডামি!

ধ্রুব আলম এর ছবি
লিখেছেন ধ্রুব আলম [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৮/০৮/২০১৪ - ৩:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাঙ্গালি বিদেশ যাওয়ার সুযোগ খুব বেশি পায় না। যারা পায় তাদের বৃহদাংশের (বাঙালি শ্রমিক গোষ্ঠী) মনের জমে থাকা কথাগুলো কেউ শোনে না, শুনতে চায় না, শুনতে ভালোও না। যাদের কথা/ অভিজ্ঞতা আমরা শুনি, তারা সমাজের সৌভাগ্যবান অংশটুকুর প্রতিনিধিত্ব করে। আরেকদলের মুখে বিদেশের ভাল ভাল কথা খুব শুনি, তারা হচ্ছে আদমবেপারি।

এদের দুইদলের কাছেই, বৈদেশ হলো স্বর্গ। সেখানে মানুষের পকেট চুইয়ে চুইয়ে টাকা পরে, রাস্তা দিয়ে দুধের (আর মদের) নহর বহে, আকাশ হতে স্বর্ণমুদ্রা ঝরে! এরা বিদেশের গুণগান গাইতে গাইতে মুখের ফেনা তুলে ফেলে।

তো বিদেশ আসলে কেমন? বেশিদিন হলো আমি আসিনি বাইরে, যা দেখেছি, তা দেখেই এ লেখার চেষ্টা। অবশ্যই বিদেশ ভালো, অনেক অনেক ভালো। কিন্তু বিদেশে কি ট্রেন-বাস লেট করে না, দুর্ঘটনা হয় না, মারামারি হয় না, রাস্তায় জ্যাম পরে না? সবকিছুই কি স্বপ্নের মত?

ভদ্র সমাজের সুশীলেরা বিদেশে আসে, বিদেশীদের কাছে দেশের বদনাম তো করেই, দেশে ফিরে যেয়েও বলতে থাকলাম, বিদেশে কি দেখে আসলাম! আর দেশে কি অবস্থা, ছ্যা ছ্যা ছ্যা ছ্যা! এই দেশে মানুষ থাকতে পারে?


একটি সামান্য পর্যবেক্ষণ ও আমাদের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের প্রতি একটি বিশেষ অনুরোধ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৮/০৮/২০১৪ - ১১:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]একটি সামান্য পর্যবেক্ষণঃ
ভারতীয় বাংলা সিনেমার মধ্যে একটা নতুনত্বের ছোঁয়া লেগেছে, এটা হয়তো অনেকেই লক্ষ্য করেছেন। কিন্তু কাল একটা বিশেষ জিনিস লক্ষ্য করলাম - ওরা ওদের কিংবদন্তীদেরকে সম্মান জানাতে আরম্ভ করেছে।


বৃষ্টিমান যন্ত্র

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শুক্র, ২২/০৮/২০১৪ - ৭:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলাদেশে বৃষ্টিপাতের ধরন নাকি বদলে যাচ্ছে।


গ্রামে গ্রামে জামাতের মহিলা তালিম : অস্তিত্ব সঙ্কটে আওয়ামী লীগও

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৯/০৮/২০১৪ - ২:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একবিংশ শতাব্দীতে পৃথিবী যখন দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে, ঠিক তখনই আমাদের দেশে শুরু হয়েছে উল্টোযাত্রা। কোথায় ছেলেমেয়েরা জ্ঞানের আলোর মুখ দেখবে, সেখানে তাদের হাতছানি দিয়ে পিছু ডাকছে আদিম অন্ধকার। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সবকালেই ধর্ম একটা ফ্যাক্টর। আজও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। কবে ঘটবে তাও কেউ বলতে পারে না। অ্যালেক্স রাদারফোর্ডেও লেখা ‘মুঘল’ সিরিজগুলো পড়ে বোঝা যায়, সেই পঞ্চদশ শতাব্দীতে মানুষ ধর্মটাকে যত সহজভ


কালো কিশোরের শবের মিছিল

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি
লিখেছেন এস এম মাহবুব মুর্শেদ (তারিখ: শনি, ১৬/০৮/২০১৪ - ৩:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত সপ্তাহের ঘটনা। মিজোরি স্টেইটের ফারগুসন শহর। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার দুপুর বারোটা। রাস্তার মাঝখানে দুটো কালো কিশোর বা যুবক হেটে যাচ্ছিলো। তাদের একজনের নাম মাইকেল ব্রাউন, বয়স ১৮। এক পুলিশ, ড্যারেন উইলিয়াম তাদের পাশে গাড়ি থামিয়ে তাদেরকে বলে ফুটপাথে হাঁঠতে। তারা বলে আমরা বাসার দিকেই যাচ্ছি। কিন্তু ড্যারেন ধাম করে দরজা খুলে মাইকেলের গলা চেপে ধরে এবং তার পিস্তলটি বের করার চেষ্টা করে। পিস্তলটি বের


শোক দিবসের আশাবাদঃ (অপঠিত) বঙ্গবন্ধুর পুনর্পাঠ হোক

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৬/০৮/২০১৪ - ১:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[ শোকাবহ ১৫ আগস্ট তারিখটি আরও একবার চলে গেল। দিকে দিকে আজ বারো হাত কাঁকুড়ের তের হাত বিচির মতন বেখাপ্পা নকশার ডিজিটাল ব্যানারে ছেয়ে গেছে রাস্তা আর ভবনগুলো। সেইসঙ্গে ডেকচী ভরা তেহারি-খিচুরি-বিরিয়ানীর মচ্ছব চলেছে কোথাও কোথাও। হতে পারে, আপত্তি নেই। কিন্তু আপত্তি তখনই আসে যখন উপলক্ষ্য ছাড়িয়ে যায় লক্ষ্য কে। সেই বিরক্তি বোধ থেকেই আপাত বিচ্ছিন্ন কিছু চিন্তামালা ভাগ করে নিতে চাই সবার সাথে। ]