Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

চিন্তাভাবনা

শব্দগল্পদ্রুম ০৯

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: রবি, ২১/০৭/২০১৯ - ১১:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]শব্দ সম্পর্কে আমাদের সবার মনের দরজার ভেতরের কপাটে নিজস্ব (অনবশ্য স্বকীয়) একটা রায় পেরেক মারা আছে। যখন আমরা একটা অচেনা শব্দ (যেমন এর আগের বাক্যে অনবশ্য (= not necessarily, অনাবশ্যকের সাথে গুলিয়ে ফেললে চলবে না) পড়ি বা শুনি, মনের দরজা লাগিয়ে ঐ রায়টা আমরা একবার পড়ে নিই। প্রতিটি শব্দ আমাদের প্রতি জনের সে রায়ের জোরে বাঁচে, বন্দী থাকে, সমাহিত হয়, পুনর্জীবন পায়।


বুয়েটের বিস্মৃতপ্রায় এক হত্যাকাণ্ড

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৫/০৬/২০১৯ - ২:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের ’৯৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইমরান হাবিব রুমনের “[url=https://www.prothomalo.com/opinion/article/1598125/%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0...


কে বলল, 'দয়া' ভালো গুণ? —মিথ্যে কথা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৯/০৬/২০১৯ - ১১:৩০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ব্যস্ত রাস্তার চলমান বাস ট্রাক টেম্পু অটো-বাইক সামনে এসে ডাইনে বাঁয়ে চলে যাবার পরপরই, এপার থেকে ওপারে চোখ ফেললেই, আলিশান বাড়িটার বন্ধ গেটের সামনে যে ভিড়টা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে— সেটা মানুষের। মানুষের ভিড়।

মানুষগুলো কি আমাদের ঝাঁ চকচকে সভ্য সমাজের? শরীরে ময়লা কাপড়, তেলছোঁয়াহীন রুক্ষ চুল, কোটরের গর্তে ঢুকে যাওয়া চোখ, ভাঙা বা তোবড়ানো গাল— মানুষগুলোর বেশির ভাগেরই। এপার থেকেই বোঝা যাচ্ছে।


প্রাণ কী ১০: সম্পূর্ণ সংশ্লেষিত জেনোম দিয়ে প্রথমবারের মতো ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি: এ কি কৃত্রিম ব্যাকটেরিয়া তৈরি হলো?

সজীব ওসমান এর ছবি
লিখেছেন সজীব ওসমান (তারিখ: শুক্র, ১৭/০৫/২০১৯ - ১:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অভূতপূর্ব গবেষণার ফলাফল হিসেবে মানুষের দ্বারা সংশ্লেষিত সম্পূর্ণ কৃত্রিম ডিএনএ বা কৌলি দিয়ে ই. কলাই ব্যাকটেরিয়াকে প্রাণ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই ব্যাকটেরিয়াকে আপনি প্রকৃতিতে খুঁজে পাবেন না। কথা হলো এই কৃত্রিমতাকে এখানে নতুন প্রাণ সৃষ্টির উপায় বলবো কিনা।


জামান সাহেবের ধমক

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১২/০৪/২০১৯ - ১২:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


অধ্যাপক লতিফ সাহেব চায়ের দোকানে বসে আছেন। গলির সেলুনে সিরিয়াল দিয়ে এসে বেশ কিছুক্ষণ হল এখানে বসেছেন। শেভ করে বাসায় ফিরবেন। এরই মধ্যে পাশের বাসার জামান সাহেব এশার নামাজ শেষ করে এসে তার সাথে যোগ দিলেন। এক গলিতে থাকলেও তাদের মাঝে যে খুব কথা হয়, তেমন নয়। এটা-সেটা নিয়ে কথা বলতে বলতে একসময় ছেলেমেয়ে নিয়ে কথা উঠল।


মধ্যযুগে চট্টগ্রামের ইতিহাসের বিভ্রান্তিকর সময় ১৫৪০-১৫৮৬

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: রবি, ৩১/০৩/২০১৯ - ৮:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[মুখপাঠ: এটি চট্টগ্রামের ইতিহাস বিষয়ক একটি প্রশ্নবোধক পোস্ট। চট্টগ্রামের ইতিহাসটা বাংলার মূল ইতিহাস থেকে একটু আলাদা এবং গোলমেলে। আদিকাল থেকেই চট্টগ্রাম বাংলার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্নভাবে শাসিত হয়েছে বিভিন্ন পরদেশী শাসকদের হাতে। হাজার বছরের ইতিহাসে চট্টগ্রাম বহুবার শাসিত/দলিত/মথিত হয়েছে আরাকান, ত্রিপুরা, সুলতান, পাঠান, মোগল ইংরেজ ইত্যাদি নানান শক্তির হাতে। গত ৫০০ বছরের শাসনকালের মধ্যে ষোড়শ শতকের প্রায় পুরোটা চট্টগ্রাম নিয়ে ত্রিমুখী কাড়াকাড়িটা এত বাড়াবাড়ি ছিল যে এই অঞ্চলটা কখন কার দখলে কতদিন ছিল কেউ শতভাগ নিশ্চিত করতে পারেননি। এর মধ্যে সবচেয়ে অস্পষ্ট সময়কালটা হলো ১৫৪০-১৫৮৬। এই সময়টাতে বারবার হাতবদল হয়েছে চট্টগ্রাম। একের পর এক আরাকান, পাঠান ও ত্রিপুরার মধ্যে যে বিচিত্র রকমের যুদ্ধ বিগ্রহ হয়েছে সেই ইতিহাসের সত্যিকারের চেহারাটা খুঁজে বের করা পাঠকের জন্য দুরূহ কাজ। শুধু পাঠকই নন গবেষকরা ও বিভ্রান্ত। উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদদের দেয়া তথ্যের মধ্যেও প্রচুর ফারাক দেখা যায়। তাই এই সময়কালকে অস্পষ্ট বা বিভ্রান্তিকর সময় মনে হয়েছে আমার। তবে আমার বিশ্বাস এখানে কেউ না কেউ এই বিপুলায়তনের প্রশ্নবোধক লেখাটি পড়ে কোথাও কোথাও আলোর নিশানা দিতে পারবেন। লেখার মধ্যে তথ্য বিভ্রাট থাকলে সেটি শোধরানোর পরামর্শ দিতে পারেন। তাহলে তা হবে পোস্টের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।]


কবিতা ও বিজ্ঞান - জগদীশচন্দ্র বসু

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: সোম, ২৫/০৩/২০১৯ - ৭:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অন্তর্জাল ঘাঁটতে ঘাঁটতে হঠাৎ করেই হোঁচট খেলাম এক পুরোনো বিজ্ঞান সাময়িকীতে। কলকাতায় ১৯৪৮ সালে গঠিত হয়েছিলো বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ নামে এক বিজ্ঞান সচেতনতা প্রচার ও প্রসার বিষয়ক সংগঠন। প্রতিষ্ঠাতা আচার্য সত্যেন্দ্রনাথ বসু। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক বিষয়াদি নিয়ে চমৎকার সব প্রবন্ধ রয়েছে এতে, যদিও কালের আবর্তে তথ্যগুলো এখন আর তেমন সময়োপযোগী নয়। কিন্তু বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর এই ছোট্ট পুনঃপ্রকাশিত লেখাটা এখনো তাঁর আবেদন হারায়নি বলেই আমার বিশ্বাস। কবি এবং বিজ্ঞানীর দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গীর মধ্যে তিনি যে সামঞ্জস্যতা দেখাতে চেয়েছেন তা আমার মনে হয় সবার কাছেই খুবি চমৎকার একটা পর্যবেক্ষন হিসেবে পরিগণিত হবে। সেই সাথে এই দুই ধারাকে সবসময় আলাদা করে দেখার যে সংস্কৃতি আছে সেটাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় বৈকি। চলুন পড়ে দেখা যাক -

কবিতা ও বিজ্ঞান
- জগদীশচন্দ্র বসু (জ্ঞান ও বিজ্ঞান । ৩২ তম বর্ষ। পঞ্চম সংখ্যা। মেঃ ১৯৭৯)

small


ভ্রমর বাংলাদেশ

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শনি, ২৩/০৩/২০১৯ - ৭:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলাদেশে স্বাধীনতার পরপর প্রতিষ্ঠানের নামকরণে সদ্যস্বাধীন গর্বিত মানুষের উদ্যোগের ছাপটা দেখা গিয়েছিলো। জাতীয় বিমান পরিষেবার নাম "বিমান বাংলাদেশ", বেতার পরিষেবার নাম "বাংলাদেশ বেতার", ...। এ ধারা খুব বেশিদিন থাকেনি। বাংলাদেশের শিক্ষিত মানুষ প্রাণপণে বাকিদের জানাতে চান যে তারা ইংরেজিতে দক্ষ, প্রশাসনিক স্তরে এটা আরেক দাগ চড়ে। তারপরও হঠাৎ-পাহাড়ি-পথে-মোড়-ঘুরে-দেখা-পাওয়া ঝর্ণার মতো বাংলা নাম মেলে। আন্তনগর ট্রেনগুলোর নাম যেমন, পাহাড়িকা, জয়ন্তিকা, পারাবত, তূর্ণা নিশীথা...। কোন আমলা সহকর্মীদের ভ্রুকুঞ্চন সয়ে এ নামগুলো রেখেছেন, জানি না, ধন্যবাদ জানাতে চাই তাকে। কিন্তু নিরীহ ট্রেন পর্যন্তই হয়তো আমাদের সামষ্টিক দৌড়। যেখানেই একটু ভারি যন্ত্রপাতি থাকে, কিংবা উর্দি থাকে, সেখানে কেন যেন আমরা হন্যে হয়ে ইংরেজি খুঁজি। আমাদের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি কিংবা বিশেষায়িত জনপাল বাহিনী র‍্যাব, সংক্ষিপ্ত সুন্দর কোনো বাংলা খোঁজার প্রয়োজনই সংশ্লিষ্ট হর্তাকর্তারা কেউ বোধ করেননি। সুদূরবিগত ইংরেজ সাম্রাজ্য এখানে তার পাখনাটা আলগোছে মেলে রেখেছে। বাঙালি হয়তো এখনও বাংলানামধারী কোনো সত্তার চোখরাঙানি সইতে রাজি না; ইংরেজিতে ধমক-লাথি-গুলি খেতে তার খুব একটা আপত্তি নেই।

এমন ঘোর ইঙ্গরৈতিক (anglonormative) আবহাওয়ায় সন্তর্পণে একটি নতুন বিশেষায়িত পরিষেবার আবদার জানাতে চাই।


ফাইনম্যানের টালমাটাল পিরিচ

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৭/০৩/২০১৯ - ৩:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মনে হয় সব মানুষের জীবনেই একটা সময় আসে যখন, যে কাজ তার ধ্যান-জ্ঞান, নেশার মতো । যা নিয়ে দিনরাত পড়ে থাকলেও উৎসাহের কোন ঘাটতি হয় না, সেই ভালোলাগার ক্ষেত্রতেও বিতৃষ্ণা ভর করে। তাৎপর্যহীন জীবনে যে কর্মক্ষেত্রকে আলিঙ্গন করে নিজের জীবনকে অর্থবহ করে তোলার চেষ্টা করা হয়, সে ক্ষেত্রটাই হয়ে ওঠে অসহনীয়। এরকম অবস্থা থেকে কি ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব ? কিভাবে ফিরে পাওয়া যায় সেই পুরোনো ভালো লাগার অনুভূতিটাকে ?

রিচার্ড ফাইনম্যান। আইনেস্টাইনের পরপরি যাঁকে এই দুনিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন পদার্থবিদ বলে ধারণা করা হয়। জীবনের একটা পর্যায় এসে তিনিও বিতৃষ্ণ হয়ে গিয়েছিলেন পদার্থবিদ্যার গবেষনায়। আশ্চর্য হলেও সত্যি যে, একটা টলমলে পিরিচ তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিল তার প্রায় হারাতে বসা কর্মজীবন। কি হয়েছিলো আসলে ? তাঁর রেখে যাওয়া জীবনালেখ্য থেকে জানা যাক ঘটনাটা -


ছবিঃ পিরিচের টালমাটাল অবস্থার ডায়াগ্রাম । বৃত্তগুলো দিয়ে কক্ষপথ বোঝানো হয়েছে। কালো বিন্দুগুলো টালমাটাল কক্ষপথের ছেদ। (সূত্রঃ [১])


বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি নিয়ে কিছু কথা — প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ২৩/০২/২০১৯ - ৪:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(এই লেখাটির শুরু সচল এস এম মাহবুব মুর্শেদ-এর পোস্ট ‘বড় বনাম ছোট প্রতিষ্ঠান: একটি সাবজেক্টিভ তুলনা’-তে করা আমার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে। আমার মন্তব্য শুধুমাত্র বাংলাদেশের বেসরকারি চাকুরি নিয়ে বিধায় সেটি নিয়ে বর্ধিত আলোচনা ঐ পোস্টে দেবার পরিবর্তে একটি ভিন্ন পোস্ট হিসাবে দিলাম। এতে কোন প্রকার বিধি লঙ্ঘিত হলে তা জানানোর জন্য পাঠকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকলো। বিধি লঙ্ঘনের আপত্তি উত্থাপিত হলে পোস্টটি অনতিবিলম্বে মুছে ফেলা হবে।)