Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

চিন্তাভাবনা

প্রতিবর্ণীকরণ সমস্যা

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৫/১০/২০১৮ - ১২:২৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সম্প্রতি যে প্রসঙ্গটি গণমাধ্যমকে কয়েক সপ্তাহ ধরে আচ্ছন্ন করে রেখেছে, সেটি ইস্তাম্বুলে সৌদি দূতাবাসে সৌদি রাজপুরুষদের হাতে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগজির হত্যাকাণ্ড। আমার এ লেখাটি হত্যাকাণ্ড নয়, বরং জামাল খাশোগজির নামটি আমরা গণমাধ্যমে কীভাবে লিখছি, তার লেজ ধরে আরো দু'তিনটি প্রসঙ্গ নিয়ে।


পরাবাস্তব

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি
লিখেছেন এস এম মাহবুব মুর্শেদ (তারিখ: সোম, ০৮/১০/২০১৮ - ১০:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সিয়াটল বিমানবন্দরে নেমেই ব্যাগ উদ্ধারের জন্য ছুটছি ট্রেনের দিকে। আমার পর পর হন্তদন্ত হয়ে উঠলেন এক মা আর তার ১১ থেকে ১৩ বছর বয়সী ছেলে। দেখে বোঝা গেলো ছেলেটার অটিজম আছে। মা ট্রেনে হ্যান্ডেলবারের সাথে ছেলেটার হাত চেপে রাখলেন।

ট্রেন চলা শুরু করতে ছেলেটা ট্রেনের দুলুনির সাথে তাল মিলিয়ে দোলা শুরু করল। মা লজ্জ্বায় কাঁচুমাচু হয়ে ছেলেটাকে থামানোর চেষ্ঠা করতে লাগলেন।


সমন্বয়বাদের গান : গঙ্গা আমার মা পদ্মা আমার মা, বিশ্বকবি এবং বিদ্রোহী কবি

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: রবি, ৩০/০৯/২০১৮ - ১২:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এপার ওপার কোন পারে জানি না
ওহ আমি সবখানেই আছি...
দুজন মানুষ আসলে দুই পারের মতো। মাঝখানে নদী বইছে। দূরত্বের নদী। মতের। চিন্তার। ধর্মের। দেশের। ভাষার। আদর্শের। কত যে নদী। আমরা নিজের পাড় ধরে হেঁটে যাই। ঐ পাড়কে মনে হয় আমাদের শত্রু। ধর্মের নামে। মতের নামে। দেশের নামে। ভাষার নামে। রঙের নামে। এমন এমন আমাদের মধ্যে হাজারো নদী বয়ে চলেছে বয়ে চলেছে। আমরা আমাদের প্রতিপক্ষ হয়ে উঠছি।


বিবর্তন ৯: পাখি না ডাইনোসর?

সজীব ওসমান এর ছবি
লিখেছেন সজীব ওসমান (তারিখ: বুধ, ২৯/০৮/২০১৮ - ৯:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অসাধারণ বৈচিত্রপূর্ণভাবে বিকশিত প্রাণীদের কথা চিন্তা করলে প্রথমেই আমার মাথায় আসে পাখির কথা। বহু বছরের বিবর্তনিক চাপে এরা বিভিন্ন কাজের জন্য এতো সুন্দরভাবে অভিযোজিত যেটা শুধু তাদের ঠোঁট বিশ্লেষণ করলেই বোঝা সম্ভব। আসলে ডারউইনের বিবর্তনতত্ত্বে পৌঁছানোটা ত্বরান্বিত করেছিলো একধরনের পাখির ঠোঁট। বিভিন্ন কাজের জন্য অভিযোজিত পাখির ঠোঁটগুলি দেখে নিন।


টুকরো টুকরো লেখা ৩১

সুমন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুমন চৌধুরী (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৮/২০১৮ - ৯:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কেন এ্যাতোকাল লিখি নাই,কী মনে করে আজকে লিখতে বসলাম,কেন সচলে লেখা প্রকাশের গতি অতিবৃদ্ধ জলহস্তির থেকেও শ্লথ ইত্যকার জাতীয় সহজ প্রশ্নের জবাব দিব না। আৎখা ঠাডা পড়ার মতো লিখতে মনে চাইল তাই লিখলাম। কথা এইখানেই শেষ।

এক


প্রধানমন্ত্রীকে বন্ধুর চিঠি:

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: রবি, ০৫/০৮/২০১৮ - ৩:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এমন বোকামী করে কেউ?
আপনিতো লেখক। বই পড়েন। আপনিতো মূর্খ নন।
মানছি ক্ষমতায় থাকলে দেখার জানালাগুলো বন্ধ হয়ে যায়।
মানছি ইতিহাসের শিক্ষা, ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না।
কিন্তু আপনিতো ইতিহাসবীদ সালাহউদ্দীন আহমেদের সান্নিধ্য পেয়েছেন। আপনিতো বেগম সুফিয়া কামালের স্নেহ পেয়েছেন।
ক্ষমতায় গিয়ে আপনি কেন অন্ধ হবেন?
আপনি আপনার বাবাকে দেখেছেন।
আপনি রাজপথে ছিলেন।


বিবর্তন ৮: কিভাবে উঁচু ভুরু হারালাম

সজীব ওসমান এর ছবি
লিখেছেন সজীব ওসমান (তারিখ: শুক্র, ০৩/০৮/২০১৮ - ২:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভুরু বা কোদণ্ড, যাই বলুন না কেন, মানুষের চেহারার এক অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো চোখের ওপরে ভেসে থাকা এই মিহি লোমের রেখাদুটি। আমাদের মনের বিভিন্ন ভাব মুখাবয়বের বিভিন্ন অংশ দিয়ে প্রকাশ করার সময় ভুরুও একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন, আপনি কারও উপর বিরক্তি প্রকাশ করতে ভুরু কুঁচকালেন, অথবা ভয়ের ভিডিও দেখে বা কারও কথায় অবাক হয়ে চোখ বড় করতে গিয়ে ভুরুকেও উপরে তুলে ধরলেন, অথবা, পাশের বাসার রহিম সাহেবের বে


শাহাদুজ্জামানের ' একজন কমলালেবু'-

কনফুসিয়াস এর ছবি
লিখেছেন কনফুসিয়াস (তারিখ: বিষ্যুদ, ১২/০৭/২০১৮ - ১২:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিছু বিষাদ হলো পাখি। সম্ভবত প্রতিটি বাঙালি কিশোরের প্রথম ঈশ্বর দর্শন হয় জীবনানন্দের কবিতা পড়ে।
বছর কুড়ি বা তারও বেশি আগে, কোন এক মেঘলা মফস্বলের চুপচাপ দুপুরে, প্রায় হঠাতই হাতে আসা নিউজপ্রিন্টের দুর্বল কাগজে ছাপা একটা বইয়ের ভেতর আমি প্রথম চোখ মেলে দেখি, সেখানে অলস গেঁয়োর মত এক টুকরো ভোরের রোদ মাথা পেতে শুয়ে আছে ধানের উপরে। একটা ইগনরেন্ট দানবের মত অবহেলাভরে সেই যে জীবনানন্দ আমাকে ছুঁয়ে দিলেন, সেই ঘোর আমার আজও কাটেনি, মনে প্রাণে চাই, কখনও যেন না কাটে।


বিশ্বাসযোগ্য ফিজিক্স

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৮/০৬/২০১৮ - ৮:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বুয়েটের পাঁচ বছর মোটামুটি ঘোলাটে একটা সময়। কখন কী করেছি তার প্রায় কিছুই মনে নাই। তবে ফোর্থ ইয়ারে এসে মনে হয় আমাদের কম্পিউটার গ্রাফিক্স কোর্স নিতে হলো। সেইখানে গ্রুপ প্রজেক্ট দেয়া হলো আমাদের ক্লাসরুমকে ভেন্যু হিসাবে রেখে কলম খেলার একটা গেইম বানানো। সারভাইভাল টেকনিক হিসাবে আমি বরাবরই ভালো কাজ পারে এমন ছেলেপুলেদের গ্রুপে জুটে যেতাম। এবারো বাপ্পি আর অভির সাথে গ্রুপ করে ফেললাম।

আমি ততদিনে দুনিয়াবি সকল বিষয়ে নির্বাণ লাভ করে ফেলেছি। গ্রেড, প্রজেক্ট কমপ্লিশন, ভালো প্রজেক্ট করে প্রচুর "বস!" শোনার লোভ (লাইকপূর্ব যুগে এটা একটা বড় কারেন্সি ছিলো) ইত্যাদি কোন বিষয়েই বিন্দুমাত্র আগ্রহ না দেখিয়ে গায়ে বাতাস লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। আমাকে দিয়ে কিছু হবে না এই উপলব্ধি আর সাথে কম্পিউটার গ্রাফিক্স দিয়ে ম্যাজিক ঘটানোর উৎসাহে দুই গ্রুপমেটই আমাকে একদিন বললো, "তোর কিছু করা লাগবে না, আমরা দুই জন মিলে পুরা প্রজেক্ট নামায় দিবো।" ফেরেশতার মত দুই গ্রুপমেটের কথায় আমি একবারে আপ্লুত হয়ে রুমে ফিরে এসে ল্যান থেকে পাওয়া বাংলা নাটক দেখা শুরু করলাম।


“মায়ের দোয়া”র শিকড় সন্ধানে : দ্বিতীয় পর্ব

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২০/০৫/২০১৮ - ১২:৩৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মায়েরদোয়া সংক্রান্ত এই বিশ্বাসটির জন্ম ঠিক কবে, কিভাবে?