অতিথি লেখক এর ব্লগ

শৈশবের জাদুবাস্তবতাঃ প্রাইমারী স্কুলের দিনগুলি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০১/০৭/২০২০ - ১১:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের স্কুল ছিলো এক আজব মজার জায়গা। শিক্ষকদের মাঝে বৈচিত্রপূর্ণ চরিত্রের যেমন অভাব ছিল না। ছাত্ররাও ছিল তেমনি রঙিন বাহারের। তাদের মেধাদীপ্ত কর্মকান্ড লিখতে গেলে সপ্তকান্ড রামায়ণের প্রায় সমান হয়ে যাবে। তাই বিস্তারিত প্রসঙ্গ থাক। আজ শুধু মোটাদাগে স্কুলের কিছু বিষয়ের টুকিটাকি।

স্কুলভবনের সারল্য


মহাবিশ্বের সব উপাদান কি দানবীয় কিছু দিয়ে সংযুক্ত? গবেষণা তাই বলছে।

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৩/০৬/২০২০ - ৩:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


হ্রদ লেমানের মুক্তা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২০/০৬/২০২০ - ৬:৩০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লেবানিজ রেস্তোরাঁটা থেকে বেরিয়ে হ্রদ লেমানের তীরের দিকে হাঁটছি আমরা। হাঁটছি আর দেখছি চনচন করা রোদে জৌলুশ ছড়াচ্ছে জেনিভা শহর। তীরে পৌঁছে জায়গা খুঁজে নিয়ে বসলাম। জিরিয়ে নেব।

শুকনো পাতার ঝিরঝির শব্দের মতো শব্দ পাচ্ছি লেমানের জলে আর বাতাসে। তবে শহরে বেশ শোরগোল। ঝকঝকে দিন। তাই মনেহয় এতো ভিড়। ভাবলাম, এর থেকে বেরিয়ে বরং লেমানের জলে ফেরি ভ্রমনটাই করি।


এফ-৩৫ ভার্সেস সু-৫৭ : কোনটি সেরা পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার জেট?

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২০/০৬/২০২০ - ২:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিশ্ব এখন আকাশযুদ্ধে চতুর্থ প্রজন্ম পেরিয়ে পঞ্চম প্রজন্মে পা দিয়েছে। আর এজন্য অত্যাধুনিক ফাইটার জেট নির্মাণে পরাশক্তিগুলোর মধ্যে রীতিমত প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। আমেরিকার পঞ্চম প্রজন্মের ফাইটার প্লেন এফ-৩৫ এরই মধ্যে প্রাথমিক ঝুট-ঝামেলা পেরিয়ে পুরোদমে উৎপাদন-ব্যবস্থায় প্রবেশ করেছে। শুধু তাই নয়, তারা প্রয়োজনীয় সংখ্যক এয়ারক্র্যাফটের প্রস্তুতিমূলক অপারেশন সম্পন্ন করে এখন সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে ব্যবহ


"রমজান মিয়া নিজেও পজিটিভ ছিলেন!"

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১০/০৬/২০২০ - ১২:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জাল সার্টিফিকেট দালাল রমজান মিয়া নীলক্ষেতের বিরাট ব্যবসায়ী। কম্পিউটার নামক যন্ত্রটি আসার পর আর তথ্য প্রযুক্তির অবাধ বিস্তারে তার ব্যবসা আরো ফুলে ফেঁপে উঠেছে। আগে শুধু জাল সার্টিফিকেট বানাতেন; আজকাল মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি থিসিস, রিপোর্ট, এসাইনমেন্ট নিয়ে কারবার আরো জমজমাট। রমজান মিয়ার সার্টিফিকেটে কত মানুষের যে চাকরি হলো তার কোন পরিসংখ্যান নাই। তাই রমজান মিয়া বেশ খানিকটা আত্মতৃপ্তিতে ভোগেন। তবে স


হার্ড ইমিউনিটি – আশঙ্কার নীতি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০৬/০৫/২০২০ - ৪:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে হার্ড ইমিউনিটি নিয়ে বেশকিছু কথাবার্তা হচ্ছে – এবং এর অধিকাংশই অত্যন্ত আশঙ্কাজনক, সেই সাথে হতাশাজনক তো বটেই। হার্ড ইমিউনিটির পক্ষের যে যুক্তিগুলো সেগুলি বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে এখানে অর্থনীতি, বাণিজ্য, সমাজ ব্যবস্থা, মানুষের বিহেভারিয়াল ব্যাপর গুলি আলোচিত হলেও, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যপারটিই কিন্তু একেবারে পুরোপুরি উপেক্ষিত হয়েছে । আর সেটা হচ্ছে ‘জীবন’ । এবং এটি কে


দেশ থেকে দেশে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ০২/০৫/২০২০ - ১২:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই দেশ ছেড়ে যাচ্ছি। সিদ্ধান্তটা একরকম হুট করেই নেয়া। আট বছর এক দেশে থাকার পর কোনো প্রস্তুতি ছাড়া আরেক দেশে যাওয়াটা ঝামেলার ব্যাপার। এখন যাচ্ছি অনেক উত্তরে। প্রথম কয়েক দিন তেমন কিছু টের পাই নি, এখন বেশ খারাপ লাগছে। এই আট বছরে কত স্মৃতি, কত মানুষের সাথে পরিচয়, কত সুখ দুঃখের ঘটনা। আমার এই এক সমস্যা, কোনো কিছু একবার ব্যবহার করলে তার প্রতি মায়া জন্মে যায়। যেকোনো কিছু একবার ব্যবহার করলে তার প্র


লকডাউনের ভবিষ্যৎ এবং হার্ড ইমিউনিটি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৫/০৪/২০২০ - ১১:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কোভিড-১৯ মহামারি শুরু হবার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ একে একে লকডাউন ঘোষণা করছে। দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব, চিকিৎসা ব্যবস্থা, অর্থনীতি, সাধারণ মানুষের সচেতনতা, নেতৃত্ব ইত্যাদি অনেক বিষয়ের উপর ভিত্তি করে লকডাউন কতটা কঠোর হবে সেটা নির্ধারিত হচ্ছে। লকডাউনের কারনে অনেক দেশ খুব কম সময়ে ভাল ফলাফল পেয়েছে আবার কোন কোন দেশে সেটা দীর্ঘায়িত হচ্ছে। লকডাউনের কারনে অর্থনীতি সাঙ্ঘাতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হ


একটি গিরগিটি ডিম দেয় এবং জীবন্ত বাচ্চা জন্ম দেয়। আমরা মনে করি এটি একটি গুরুতর বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১০/০৪/২০২০ - ১১:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের প্রথম দিকের মেরুদণ্ডী পূর্বপুরুষেরা ডিমের মাধ্যমে বংশধারা বজায় রাখতো, তবে লক্ষ-লক্ষ বছরের বিবর্তনে কিছু প্রজাতি জীবিত বাচ্চা জন্ম দিতে শুরু করে।


এক লুকোনো স্বর্গের কথা, যেথা সাগর পাহাড় বন একসাথে গাঁথা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০৮/০৪/২০২০ - ২:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৭ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি কোন এক সময় ছিল তখন। একদিন এলেন ফোন দিয়ে বলল, ‘ঘুরতে যাবে?’ আমি সাথে সাথে রাজি আর কিছু জিজ্ঞেস না করেই বললাম চল যাই। তাই পরদিন সকাল সকাল বাসে করে চললাম Cavite নামের এক জায়গায়। ওখানে এলেনের সাথে দেখা করেই রওনা দিয়ে দিলাম গন্তব্যে । যাওয়ার পথে ও বলছিল যেখানে যাচ্ছি সেটা একধরনের Cove.