অতিথি লেখক এর ব্লগ

সুতরাং, তুর্কি= ইসরায়েলি= বাংলাদেশি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৫/০৭/২০১৪ - ১১:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার কি তাতে? তাতে আমার কি আসে যায়? এ দুইটা লাইন মনে রাখেন। লেখাটা পড়তে সুবিধা হবে।
-আপনি লিখলে, আমার কি তাতে? এরকম করে প্রতিবার আমার এই লেখার প্রায় প্রতিটি লাইনকে উড়িয়ে দেয়া সম্ভব।


নিরপেক্ষতার মুখোশ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৫/০৭/২০১৪ - ৫:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছোটকালে নিরপেক্ষতার ভূত আমার ও ছিলো। তারপর দেখলাম ছাত্রলীগ খুন করে দেখে ওরা শিবিরের রাজাকার রক্ষার হিংস্র তান্ডবকে নিরপেক্ষতার মুখোশ পরায়; শাহবাগ ৩০ লক্ষ হত্যার বিচার চায় দেখে ওরা হেফাজতের মত সুবিধাবাদী ধর্মান্ধদের জন্য চোখের জল ফেলে; আমি ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিচার এক্ষুনি চাই দেখে, স্বচ্ছ নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক গ্রহনযোগ্য সংস্থার দাবি তুলে।


কড়ই বৃক্ষে থাকেন যিনি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৪/০৭/২০১৪ - ৯:৩২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হাটখোলা বাজার থেকে উত্তর দিকের মাটির সড়ক ধরে আধা ক্রোশ দূরে মন্ডল বাড়ি। সড়ক এখানে অনেকটা ইংরেজী বর্ণ 'এস' এর মতন এঁকে বেঁকে ছিলিমপুরের দিকে চলে গেছে। সড়কের বাঁকে বাঁশ ঝাড়। তার পাশেই বিশাল এক কড়ই গাছ। কড়ই গাছের পাতায় বাতাসের বাড়ি লেগে যখন ছর ছর শব্দ উঠে তখন মনে হয় এক জায়গায় দাঁড়িয়ে উদ্দাম নৃত্য করছে অজানা কোন দানব। দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে জোড়ে বাতাস বইছে। মেঘে ঢাকা অন্ধকার আকাশে এক ফোঁটা চাঁদও নেই। কড়ই গাছের মাথা থেকে কিছু একটা ঝুলে ছিল। দূরে মন্ডল বাড়ির লাইটের আলোয় আবছা দেখা গেল এক জোড়া অস্বাভাবিক লম্বা পা ফেলে বসে আছে কেউ।


ঝাঁঝের রানি সরিষার তেল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৩/০৭/২০১৪ - ৪:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটা বিজ্ঞাপন করার সুযোগ পেলাম। সরিষার তেলের বিজ্ঞাপন। মূল বিজ্ঞাপনের একদম শেষ অংশের ক্লিপ। এক সেকেন্ডের উপস্থিতি। তবে গুরুত্বপূর্ণ। হাতে সরিষার তেলের বোতল হাতে আমরা চার অভিনেতা দাড়িয়ে থাকব। সবার পড়নে পাঞ্জাবি পায়জামা। যার যার পাঞ্জাবি ঠিক করা আছে। আমার পড়েছে সবুজ কালার, হালকা কলাপাতা কালারের, সাথে সাদা পায়জামা। নতুন ঝকঝকে কাপড়। এই বিজ্ঞাপনের জন্যই কেনা হয়েছে। শুটিং শেষে সবাইকে দিয়ে দেয়া হবে। উপহার। অভিনেতাও হয়ে গেলাম উপহারও পেলাম।


এক একদিন প্রতিদিন-৬

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২২/০৭/২০১৪ - ২:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।

সেদিনের সোনা রোদে চমৎকার ড্রাইভ শেষে অফিসে পৌঁছে যার যাথে পরিচয়, তার নামটি পড়তেই আমার মন ভালো হয়ে গিয়েছিল।

এদেশে প্যানসি নামে একটা ফুল ফোটে, স্প্রিং থেকে ফোটা শুরু করে এরা নানা বর্ণে। সামার, ফল শেষ করে শীত এলেও এরা ফুটতেই থাকে। এদের ঠাণ্ডা সহ্য করার অসীম ক্ষমতার জন্য এখানে রোড আইল্যান্ডে গুলোতে বা অফিস এবং বাগান গুলোর সৌন্দর্য বাড়াতে এরা ব্যবহৃত হয় ব্যাপক ভাবে। এদের শুধু মাত্র নিয়মিত জল দেয়া ছাড়া আর তেমন কোন যত্নআত্তিও লাগে না।


দুগাভা নদীর তীরে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২১/০৭/২০১৪ - ১:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]


ছবি। রোমান্টিক রিগা


অরগ্যানিক ইলেক্ট্রনিক্সঃ ভবিষ্যতের পরশ পাথর (পর্ব-৬, শেষ পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২০/০৭/২০১৪ - ৯:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শেষ পর্ব নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হতে অনেক দেরী করে ফেললাম; নিত্যদিনের যান্ত্রিকতা তো আছেই, তার উপর গেল বিশ্বকাপ। কি করি বলুন! আশাকরছি এই লেখাটা পড়ে অপেক্ষা করে থাকার ক্ষোভটা বেমালুম ভুলে যাবেন।

পিছনের পর্বগুলো এখানে সাজানো পাবেন চমৎকার ভাবে, ধন্যবাদ সচলায়তনকে।

শেষের শুরুটা তাহলে শেষ করে ফেলা গেল, আসুন তাহলে শেষের শেষটা নিয়ে লেগে পরি।


মুমিনের জিহাদ যাত্রা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১৮/০৭/২০১৪ - ১:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বৈশাখ মাসে যেমন সুর্যের তেজ বেশি থাকে,
মাঘ মাসে যেমন শীতের তেজ বেশি থাকে,
তেমনি রমজান মাসে মুমিনের ইমানী তেজটা একটু বেশিই থাকে ।

বাংলার মুমিনদের জিহাদী জোশ ব্যপারটা অনেকটা ১২ মেসে বাতের মতই । সাথে থাকে সারা বছরই, তবে বাত যেমন শীতের মাসে একটু বেশী চাগিয়ে উঠে , প্রতি রমজানেই আমাদের মুমিন ভাইদের জিহাদের জোশটাও আর ৮/১০ টা মাসের চেয়ে একটু বেশিই পীড়া দেয় । তবে গত কয়েকটা বছর বেশ পানসে রমজান মাস কাটাতে হয়েছে তাদের । মনের মত কোন জিহাদের ভেন্যু না পাওয়ায় ফেসবুকে ডিজিটাল জিহাদ করেই কাটিয়ে দিতে হয়েছে অগুনিত মুমিনকে ।


এক একদিন প্রতিদিন-৫

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৭/০৭/২০১৪ - ৩:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কাক ভোরে ঘুম ভাঙলেও অনেকক্ষণ দুই চোখ বুজে শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। কান পাততে ইচ্ছে করে নৈশব্দের গহীন কুহরে, কোন অনুদ্দেশের পাড় থেকে সেখানে ভেসে আসে নিলীয়মান কিছু ভৈরবী সুর...।

হয়তো কোন বোষ্টমী বাড়ীর পেছনের সরু পথ দিয়ে যেতে যেতে তার ছোট্ট একতারায় প্রভাতী সুরে ঘুম ভাঙানিয়া গায়,

"প্রভাত সময়ে
শচীর আঙিনার মাঝে
গৌর চাঁদ নাচিয়া বেড়ায় রে।
জাগ নি গো শচী মতো
গৌর আইল প্রেম দাতা


কার্ল স্যাগানের Pale Blue Dot এর বাংলা অনুবাদ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৭/০৭/২০১৪ - ৩:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]১৯৯০ সাল। ততদিনে কার্ল স্যাগান একজন জীবন্ত কিংবদন্তী। ভয়েজার-১ যখন আমাদের সৌরজগত ছেড়ে আরো বাইরে চলে যাচ্ছিলো, তখন স্যাগান নাসাকে অনুরোধ করলেন, যাতে যাওয়ার আগে পৃথিবীর একটা ছবি তোলা হয় ঐ দূরত্ব থেকে।