অতিথি লেখক এর ব্লগ

ওলিয়োগ্রাফে শুন্য মুহূর্ত, মৃত্যুর চেয়ে আশ্চর্য কিছু

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০২/০৫/২০১৬ - ১:০৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জানালার নীল পর্দা জানে,
আজগুবিতে পাওয়া আপনার সাথে আমার যে সংসার
সেখানে গাঁয়ের পানাপুকুর
সন্ধ্যায় সহজ পোশাক
সেখানে কিছুটা তরল আকুতি, ভারসাম্যহীনতায় নুনের অনুবাদ

পাহাড়তলির বৃষ্টির মতন জলজ কাতানে নামহীন রাত্রির কোরাস নামলে... বুনো নিঃসঙ্গ যাপনের চুম্বকত্ব অপ্রবল হয় ধীরে আর কখনো কখনো সূর্যের অস্ত এবং ’দয় অনুচ্চারিত ঘুম নামক পলাতক মৃত্যুতে...

সেখানে আমাদের পীত সবুজের ঘর


ও আমার দেশের মাটি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০১/০৫/২০১৬ - ১২:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নিউইয়র্ক টাইমসে পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী সাংবাদিক সিডনি শনবার্গ লিখেছিলেন: হিন্দুদের মধ্যে কেউ কেউ জীবন বাঁচানোর জন্য ধর্মান্তরিত হতে চেয়েছিল। লাভ হয়নি, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে গুলিতে ওদের মৃত্যু হয়েছে। শুনতে পেলাম এপ্রিল মাসে ফরিদপুরে দুজনের গলা কাটার পর তাদের শরীর কেরোসিন তেলে ডুবিয়ে আগুনে পোড়ানো হয়। দুইজনই হিন্দু সম্প্রদায়ের।...১৯৭১ সালের ২২ এপ্রিল পাকিস্তানি সেনারা ফরিদপুরের বদিডাঙ্গিতে ৩০০


টিনক্যানভাসের এক বিস্মৃতপ্রায় শিল্পী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৮/০৪/২০১৬ - ৩:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেক দিনই হলো রিকশার ছবি আঁকা ছেড়ে দিয়েছেন রোবু। রোবু আর্টের রোবু যার পুরো নাম রবিউল ইসলাম। রোবু বানানটাও অবশ্য রোবু নিজে লিখতেন রবু, উচ্চারনের ধরন অনুসরন করেই রোবু লিখছি। রোবুর কথা প্রথম জেনেছিলাম জোয়ানা কার্কপ্যাট্রিকের লেখা থেকেই। অথচ আমার শহরেই ছিল রোবুর ছবি আঁকার দোকান রোবু আর্ট। এক সময় নাকি লাইন দিয়ে রিকশায় ছবি আঁকাতে লোক দাঁড়িয়ে থাকতো। সে সময় রিকশার ছবি নিয়ে অনুসন্ধানে বিশেষ মন ছিলনা বলেই হ


সরোদ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৭/০৪/২০১৬ - ২:৪৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।

ঃ তর পুতেরে দিয়ালা। হুদাই জিদ করতাসস। একখান গ্যালে আরও তিনখান অইব, এইলায় আমার টাইন থাওক।
ঃ আফনে কেলা? আমারে রান্দা কারতাসুইন ক্যান?
ঃ আমি কেলা জাইন্যা তর কাম নাই। লইতাম আইসি, দিয়ালা। জামাইরে কইস হিয়ালে লইসে।
ঃ দিতাম না। আমারে ছাইরা দেন।
ঃ আইজ তাইলে উডিরে কইন্যা। কাইল আবার আইবাম, তর পুতেরে দিয়ালাইস। ও কইন্যা, পুতের কফালো এইতান কী লাগাইসোস?


কান উৎসবে ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার! তৌকিরের সিনেমা 'অজ্ঞাতনামা' কে থাম্বস আপ!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৪/২০১৬ - ১:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বেশ ভাল হত যদি বাকী জীবনটা একটা ঘরে বসে কাটিয়ে দিতে পারতাম।

কেউ যদি প্রতিদিন সামান্য খাবার দিয়ে যেত। আর বই। বই পড়ে পড়ে কাটিয়ে দিতাম। টু হেল উইথ হিউম্যানকাইন্ড এন্ড অল দেয়ার শিট! মানবজাতি থাকতো পড়ে তাদের আটারলি ইনকম্প্রিহেনসিব্‌ল এন্ড . . . এন্ড ইনেভিটেব্‌ল কাপ-ঝাপ নিয়ে। ওসব আর গায়ে লাগানো লাগতো না। কেবল পড়তাম আর পড়তাম। এটারনাল সন্তুষ্টির ইনফিনিট ভাণ্ডার। কিন্তু-


আউটলেট চাই, আউটলেট

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২৪/০৪/২০১৬ - ১২:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সাপ্তাহিক ছুটির সকালে একরকম নিয়ম করেই দেশের চ্যানেলগুলো দেখি। দুনিয়ার অন্যপ্রান্তে থাকায় ঐ সময়টাতে সব চ্যানেলেই খালি খবর আর খবর। তাই দেখি বসে বসে। রাজনীতির খবর, খেলার খবর, খারাপ খবর, সবই দেখি। খারাপ খবর দেখতে দেখতে হার্ট শক্ত হয়ে গেছে। টিভির রিপোর্টাররাও বোধহয় বুঝতে পারে কতটুকু 'নিতে' পারবে এই শক্ত হার্টের দর্শকেরা। তাই অবলীলায় তারা খুনের লাশের ছবি ঝাপসা করে দেখায়। ঝাপসা ছবির প্রান্ত দিয়ে লাল রক্ত


বিষাদের ডাকনাম অরণ্য

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৩/০৪/২০১৬ - ৪:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সবুজ পাতার নাম ধরে ডাকতেই
একটা ঘন অরণ্য চুপচাপ সামনে এসে দাঁড়ালো,
তার কাছেই চেয়ে নিয়েছি আকন্দের বীজ
শিকড় কুড়িয়ে নেয়ার সময়
করতলে উঠে এসেছিলো বিষাদের মতিচূর

তখনও আমার নয়ের ঘরের নামতা পাঠের কৈশোর
জেনেছিলাম, এ ঘন অরণ্য আমার মা হারানো দুধভাই
এ অরণ্য বিষাদের ডাকনাম

এই যে ঝাপুরঝুপুর গহন অরণ্য
চাঁদের আলোয় অমরাবতী এক রাত্রিপুর,
এখানে দলবেধে শেয়ালের ডাক
এখানে হাওয়ায় হাততালি


হোয়াট শর্ট অব আর্ট ইজ রিকশা আর্ট ?

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১৬ - ৭:২৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


আমার বাংলা বই

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৪/২০১৬ - ১০:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার ঠাকুদা একাত্তরে শহীদ হয়েছিলেন। সাদা শাড়ির ঠাকুমার বাকি জীবনটা কেটেছে গাছের সাথে। প্রতিটা গাছ ছিল তাঁর ভালোবাসা!


“অর্ধেক পরোটার পুরোটা”

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১৫/০৪/২০১৬ - ১০:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৫ই বৈশাখ সন্ধ্যা। আগের বছরের মত এবারও বেশীরভাগ মেয়ে শাড়ি পরে এসেছে। সারাদিন কাজ করে সবাই অল্প স্বল্প ক্লান্ত। এসি রুমও টানা কাজ করার ক্লান্তি কমাতে পারে না। জানালা দিয়ে ঠিকই দেখা যায়, বাইরে ঢাকা শহর পুড়ছে।