Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

শিশু

ফ্রিন্ডল-Frindle

সচল জাহিদ এর ছবি
লিখেছেন সচল জাহিদ (তারিখ: রবি, ২৭/১১/২০১৬ - ১:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নির্ঝর মোটামুটি বইয়ের পোকা, আমরাও সানন্দে ওকে ওর পছন্দের বই কিনে দেই। ইদানিং অফিস সেরে বাসায় আসার পরে বাসায় খুব বেশি কিছু করার থাকেনা, ভাবলাম ওর বইগুলো পড়া শুরু করি। ওকেই জিজ্ঞেস করলাম,

-“কোন বইটা দিয়ে আমার পড়া শুরু করা উচিৎ?”

-“ফ্রিন্ডল পড়, নভেলটা দারুন, তোমার পছন্দ হবে”, নির্ঝরের ঝটপট উত্তর।

আমি পড়া শুরু করলাম। প্রথম চ্যাপটারটা পড়ে সেরকম কিছু মনে হলোনা, কিছুটা হলেও আগ্রহ কমে গেল। সেদিন নির্ঝর আমার পাশে শুয়ে বই পড়ছিল, আর আমি অনলাইনে দাবা খেলছিলাম। সে আমাকে জিজ্ঞেস করল,

-“তুমি কি ফ্রিন্ডল এর তিন নাম্বার চ্যাপ্টারটা পড়েছ? ঐটা আমার সবচেয়ে পছন্দের”


শৈশব

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৭/১১/২০১৬ - ২:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“বাবা ওটা কী ছিল?”
"কোনটা অমিয়?”
“ওই যে যেটা আমি দেখলাম”
“কী দেখেছ অমিয় সোনা”
“ওই যে যেটা চলে গেলো!”

অমিয়র তখন আড়াই বছর। সারাদিন তুরতুর করে কথা বলে। এটা সেটা, কত কথা, কত জিজ্ঞাসা! আর বলেও খুব পরিষ্কার, আধো আধো বুলি ওর মুখে শুনিনি কোন দিন। কথা শেখার সময় ছেলেটা আমার কাছে ছিলোনা। ওর যখন চোদ্দ মাস, আমার স্ত্রী একদিন বলল,


গুরুত্বপূর্ণঃ স্তন ক্যান্সার ও সচেতনতা

স্বপ্নহারা এর ছবি
লিখেছেন স্বপ্নহারা (তারিখ: শনি, ২২/১০/২০১৬ - ৩:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অক্টোবর স্তন ক্যান্সার সচেতনতার মাস। গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় দেখলাম "সূত্র: ইন্টারনেট" থেকে যে যা পারছে তুলে দিচ্ছে, এবং স্তন ক্যান্সার নিয়ে বাংলায় একটি অশ্লীল সুড়সুড়িপূর্ণ নিম্নরুচির বিজ্ঞাপনও দেখলাম (সেই বিজ্ঞাপনটি নিয়ে বেশি কথা বলতে চাই না, স্তন ক্যান্সারের মত একটি অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় নিয়ে কেউ এরকম ইতরামি করতে পারে সেটা বিশ্বাস করতে খুবই কষ্ট হচ্ছিলো।) এবং অনেক জায়গায় দেখলাম নিজে নিজে স


এফ ওয়ার্ড

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৬/০৩/২০১৬ - ১০:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"বাবা তুমি এফ ওয়ার্ড জানো?"

মাত্র খেতে বসেছিল আনজাম। অহনা আজ গরুর মাংশ রান্না করেছে। আকাশ পাতাল ঝাল, কয় চামচ শুকনা মরিচ দিয়েছে কে জানে! প্রথম লোকমা মুখে দিয়েই কাঁপতে কাঁপতে পানির গ্লাসের দিকে হাত বাড়িয়েছে অমনি এই অপ্রত্যাশিত প্রশ্ন। হাত রয়ে গেল হাতের জায়গায়, মুখ থেকে দুই ইঞ্চি দুরে। পানি ভর্তি গ্লাস ততক্ষণে মাটিতে, প্রশ্নের ধাক্কায় খসে পড়েছে হাত থেকে।


রোগ /অপরাধ/রোগী/ অপরাধী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০৭/০৩/২০১৬ - ১০:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সকালে ঘুম ভেঙ্গেই বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ি, যেন ফাইনালে উঠা বাংলাদেশকে নিয়ে চিৎকার করতে পারি। টেলিভিশন ছেড়ে ,ওমা একি, বৃষ্টির কারণে ম্যাচ প্যাচে পড়ে আছে। টেলিভিশন চালু রেখে ভাবলাম, খেলার খবর দেখার ফাঁকে রান্নাটা সেরে ফেলি। কিছুক্ষণ পর দেখি আমার ছেলে চ্যানেল ঘুরিয়ে দিয়েছে। আমি রান্না ঘর থেকে এসে আবার খেলার চ্যানেল নিয়ে আসি। আর আমার ছেলে "শেইপ" বলে বলে নাঁকা কান্না করছে। কি করি?


শিশুদের গড়া শহীদমিনার

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২৮/০২/২০১৬ - ৮:১৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের কৌশল: খসড়া বনাম আনুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি (দ্বিতীয় পর্ব)

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: রবি, ০৭/০২/২০১৬ - ৪:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের কৌশল: খসড়া বনাম আনুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি (প্রথম পর্ব)

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: বুধ, ২০/০১/২০১৬ - ১০:০২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্কুলে প্রথম দিন

পুতুল এর ছবি
লিখেছেন পুতুল (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৭/০১/২০১৬ - ৩:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্কুল শুরু হলে দীর্ঘ সময়ের জন্য আর দেশে যাওয়া যাবে না। কারণ এ দেশে স্কুলে যাওয়া বাধ্যতামূলক। বাধ্যতামূলক মানে যেতেই হবে, অন্ততঃ আঠারো বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত। স্কুলে না গেলে অভিভাবকের শাস্তি অবধারিত। কিন্তু দেশে গিয়ে স্কুলে ভর্তির শারীরিক এবং মানসিক পরীক্ষার ধার্যদিন পার করে এসেছে আঁচল। জার্মানে ফিরে পরীক্ষার জন্য নতুন দিন-ক্ষণ নিলাম। আঁচল পাশ করলো।


আমার রূপকথা আজও আছে :)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ৩০/১২/২০১৫ - ৬:৪২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.

কাপড়ে বাঁধাই করা ঠাকু'মার ঝুলির এই মিত্র এবং ঘোষ পাবলিশার্সের সংস্করণ কখনোই আমার ছিল না। আমার সম্পত্তি ঠাকুরমার ঝুলি ছিল অন্যকোনো ব্যক্তি সম্পাদিত, অন্য কিছু গল্প নিয়ে। যেটা সম্ভবত এই সংস্করণে আখ্যা দেয়া "অনুকরণগ্রন্থের" কাতারে পরে। যাক, সে বইয়ের কথা অন্য দিন বলবো। আজ এটার কথা বলি। 'গল্প বলা' ক্লাসে আমার স্কুলের মেয়েরা যার যার সম্পত্তি সমুদয় বই দেখাতে নিয়ে আসতো তাদের কারুরই এই বই ছিল বলে মনে পড়ে না। তবে গল্পগুলো ছিল এবং আছে। আমার কাছে এসেছিল মৌখিক ভাবে, পত্রিকার পাতায় বা অন্য কোনো ছোটদের গল্প সংকলনের মাধ্যমে।