বাংলাদেশের এই ফাটাফাটি বিজয়ের দিনে খুশিতে কী করব বুঝে উঠতে পারছি না। খুশির চোটে বিনা কাপড়ে ঘরের মাঝে এক পাক নেচে নিলাম (আহেম!)। কিন্তু তাতে কী আর এমন উস্তুম-কুস্তুম আনন্দের অবসান হয়?!!
মিশন ইম্পসিবল মুভির থিম সং নিয়ে বেশ আগে একটা কাজ করেছিলাম। সেইটা আমার সাউণ্ড সিষ্টেমে সজোরে চাপিয়ে দিলাম।
এখন পুলিশ না আসা পর্যন্ত এইটাই বাজতে থাকবে আমার ঘরে--সোল্লাসে, সজোরে---
চট্টগ্রামের বিখ্যাত কবিয়াল রমেশ শীলের কথা অনেকেই হয়ত জানেন। আঠেরোশ শতকে জন্ম নেয়া এই স্বভাব-কবি অজস্র গানের জন্ম দিয়েছেন। মাইজভান্ডারির গান তার হাত ধরে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। শুধু কি তাই? তদানিন্তন সমাজ-ব্যবস্থা, গ্রাম-বাংলার রূপ-বৈচিত্র্য, অর্থনৈতিক সঙ্কট হতে শুরু করে স্বদেশী আন্দোলন, আমাদের ভাষা আন্দোলন সবকিছুই তার কাব্যে গানে স্থান পেয়েছিল।
বহুদিন পর একটা গান নিয়ে হাজির হলাম।
এইটা একটা রবীন্দ্রসঙ্গীত। পূজা পর্যায়ের গান।
সবারই খুব চেনা গান---'আমার হৃদয় তোমার হাতের দোলে'।
সবার চেনা গান গাইবার বিপদ অনেক।
এত বিখ্যাতজন এই গান এত ভাল করে গেয়েছেন যে নতুন করে এই গানে তেমন কিছুই করা সম্ভব নয়।
তারপরও গাওয়া।
সংবিধিবদ্ধ সর্তকীকরণঃ বিশা-আ-আ-আল পোষ্ট। নষ্ট করার মত প্রচুর সময় থাকলে, নিজ দায়িত্বে অগ্রসর হউন।
<><><><><><><><><><><><><><><><><><><><><><><><><><><><><>
দু'সপ্তাহের বেশি হতে চলল এই নতুন বছরের।
শৈশব আমার কাছে খুব প্রিয় একটি বিষয়।
কারণ আমার শৈশবে আমি ছিলাম এক রূপকথার রাজ্যের মানুষ---
সাধারণ কোন হেঁজিপেজি মানুষ নয়---আমি ছিলাম এক রাজকুমার!
এই লোকটার সাথে আমার পরিচয় হয়েছিল আশির দশকের শেষের দিকে।
সেই দশকটা ছিল আমার কৈশোরের দশক।
যে মানুষ ব্যর্থতার স্বাদ কখনো পায় নি---সে এক অপূর্ণাঙ্গ মানুষ
পথ চলতে গিয়ে আছড়ে পড়েনি যে
সে কী করে বুঝবে ধুলো ঝেড়ে ফেলে আবার উঠে দাঁড়ানোর মাহাত্ম্য--
নজরুল তার সৃষ্টিশীল পর্যায়ে প্রায় তিনহাজারের মত গান লিখেছিলেন।
নানান ভাবের, নানান রসের।
অসাম্প্রদায়িকতার জন্যে যে লোকটি তার জীবনপাত করেছিলেন--উত্তরকালে সেই নজরুলের সাহিত্যকর্ম ভাগাভাগি হয়ে গেল হিন্দু-মুসলিমের মাঝে। হিন্দু-মুসলমানের 'গালাগালি'-কে তিনি 'গলাগলি'-তে রূপান্তরিত করতে চেয়েছিলেন। নজরুলের নিজের ভাষায়ঃ
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ দী-ঈ-ঈ-ঈর্ঘ পোষ্ট!
আমার ছোটবেলাটা কেটেছিল এই পৃথিবীর সবচাইতে সুন্দর বাড়িটায়!
সিলেটের এম সি কলেজের প্রিন্সিপালের বাংলো আমার দেখা এই পৃথিবীর সবচাইতে চমৎকার বাড়ি।
আমার বন্ধু-ভাগ্য খুব ভাল।
কোথা থেকে না জানি চমৎকার চমৎকার সব বন্ধু জুটে যায়।
আমার বন্ধু ভাগ্য আবার খুব খারাপও।
কেমন করে জানি সেইসব চমৎকার বন্ধুরা এক সময় হাওয়ায় উবে যায়।
সাধারণ মানুষের চাইতে আমি মনে হয় একটু বেশি স্বার্থপর। তাই হয়ত বন্ধুগুলো এক সময় আমার পাশে আর থাকতে চায় না। আমি দুই হাত ভরে ওদের কাছ থেকে নিয়েই চলি। ফিরিয়ে দেবার কথা মনেও হয়না।
কে থাকবে এমন একজন লোকের সাথে? আমি নি ...