ধুসর জলছবি এর ব্লগ

নারী নারীর শত্রু” নাকি পুরুষ-তন্ত্রের হাতিয়ার

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৮/০৫/২০১৫ - ৩:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের সমাজে নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের অভাব নাই। এই ধরনের আচরণের প্রবক্তা পুরুষেরা হলেও কম বেশি পুরুষ নারী সবাই এটাকে চালু রাখতে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের প্রতি নিজ নিজ কর্তব্য পালন করে নিষ্ঠার সাথে। খুব প্রচলিত একটা কথা, ধারনা যেটা আমার জীবদ্দশায় বোধকরি সবচেয়ে বেশিরভাগ শুনা প্রবচনগুলোর একটা তা হল “নারীরাই নারীর শত্রু”। আমার কাছে এই প্রবচনটাকেও ভয়াবহ রকমের পুরুষতান্ত্রিক স্টেরিওটাইপিং মনে হয়। এই এ


পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ সাক্ষী ছিল শিরস্ত্রাণ

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১১/০৩/২০১৫ - ৯:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার সবচেয়ে প্রিয় জিনিস বই আর পড়ার বিষয়বস্তুর মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় হল গল্প আর ইতিহাস আরও নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে বলতে হবে ইতিহাসের গল্প। আর বাংলাদেশের ইতিহাসের গল্প নিজের বলেই সেটা অনুভূতিতে ভাসায় সবচেয়ে বেশি। “সাক্ষী ছিল শিরস্ত্রাণ” ঠিক তাই, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বর্ণিল, উত্তাল, গর্বের সময়ের গল্প, হতাশা আর আশা পাশাপাশি হাত ধরাধরি করে হাটার সময়ের গল্প। এদেশ ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময়ের সংগ্রাম , নতুন দে


ডিজিটাল কাচ্চা-বাচ্চা

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২৭/০৮/২০১৪ - ৪:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
এক সহকর্মীর ছেলের গল্প শুনি মাঝে মধ্যেই। তার বয়স দুই বছর। সে একদিন তার বাবার মোবাইল চার্জার নিয়ে তার পেনিসের মাথায় ঢুকানোর চেস্টায় ব্যাস্ত। বাসার লোকজন তো সব অবাক।

কি করছ তুমি?
কেন, আমি তো তার্জ( চার্জ ) দেই।

২.
দুই আত্মীয় পিচ্চিকে নিয়ে খাচ্ছি। একজনের বয়স ১৮, অপরজন সাড়ে তিন । হটাৎ পিচ্চিটা খাওয়া থামিয়ে বড় কাজিনকে বলছে


পড়ুয়ার বই প্রেম

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/১২/২০১৩ - ৭:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বই পড়ুয়া শুনলেই সবাই ভাবে খুব বোদ্ধা কেউ, মানে অনেক ভাল ভাল বই পড়বে, অনেক জ্ঞানী গুনি হবে, চট করে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিবে। তাই নিজেকে বই পড়ুয়া দাবি করতে একটু ভয়ই লাগে, কে আবার কি প্রশ্ন করে বসে আর আমি হা করে তাকিয়ে থেকে নিজের সম্মান খোয়াই। আর ফেসবুকের বই পড়ুয়া গ্রুপের কল্যাণে এখন কেন যেন নিজেকে বই পড়ুয়া দাবি করার সাহসই হয় না ( মানুষ এত বইও পড়তে নাকি পারে!


কিছু টুকরো স্মৃতি

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৯/০৯/২০১৩ - ১০:৫৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
সার্জারি ওয়ার্ড এ ইন্টার্ন করছি। এক মুরুব্বী রোগী ভর্তি , সত্তরের উপরে বয়স, যার কাছে ফলো-আপ দিতে গেলেই সকাল বিকাল সবাইকে উপদেশ শুনতে হচ্ছে। তো এক সন্ধ্যায় আমি গেলাম তার খবরাখবর নিতে। ফলো-আপের মাঝে সে আমাকে নানা প্রশ্ন করছে,
তোমাদের বাড়ি কই?
ঢাকা।
তুমি কি পাস দিয়ে ডাক্তার হয়ে গেছ না এখনও পড় ?
ডাক্তার হয়ে গেছি।
আলহামদুলিল্লাহ, তোমার বাবা মা কি করে ?
চাকরি করে।


দুঃখিত, হে ধর্মান্ধের দল, নারীকে ঘরে আটকে রাখার দিন এদেশে আর নেই, কোনদিন আর আসবেও না

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১০/০৪/২০১৩ - ১:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেকদিন ধরে অনেক কিছু দেখলাম, জামাতকে লাই দিয়ে মাথায় উঠাতে উঠাতে এখন এমন পর্যায়ে নিয়ে গেছে যে ওরা এখন আর শুধু চুল টানা আর চর থাপ্পড়ে সীমাবদ্ধ থাকছে না, পুরো মাথা কেটে ফেলার আবদার করা শুরু হয়েছে। আমাদের মহামান্য প্রধানমন্ত্রী এবং তার মন্ত্রী মহোদয়গণ আবার বলছেন তাদের সেই দাবী তারা বিবেচনা করেও দেখবেন। হেফাজতে ইসলামের লোকজন এবং কতিপয় কপট ধার্মিক, ধর্ম প্রেম যাদের কাছে নিউ মডেলের জুতো কেনার মত


হারিয়ে যাওয়া রূপকথা -২

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/০১/২০১৩ - ১:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্কুল ও বন্ধুরা


হারিয়ে যাওয়া রূপকথা -১

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৪/১২/২০১২ - ২:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার ভাই, শৈশবের প্রথম স্মৃতি যাকে ঘিরেই।


অনুবাদ প্রচেষ্টা -২

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২৮/১১/২০১২ - ৫:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিবেক

যুদ্ধ শুরু হতেই লুইজি নামে এক ব্যক্তি এসে তাতে যোগ দিতে চাইল।
সকলেই তখন তার অনেক প্রশংসা করল । অস্ত্র বিতরণের জায়গায় গিয়ে সে একটা অস্ত্র চেয়ে নিয়ে ঘোষণা দিল “ আমি এখন অ্যালবার্তো নামে এক লোক গিয়ে কে খুন করব”
সবাই জানতে চাইল অ্যালবার্তো টা কে?
সে উত্তরে বলল “ আমার শত্রু”


অনুবাদ প্রচেষ্টা -১

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৩/১১/২০১২ - ২:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রশ্ন

সূচির ছোটো ভাইটার জন্ম নেয়ার পর থেকেই , সে তার বাবা মায়ের কাছে অনবরত আবদার করছে বাবুটার সাথে সে কিছুক্ষণ একা থাকতে চায়। তার বাবা মা ধরে নিলো অন্য আর সব চার বছরের বাচ্চাদের মতই সেও ছোটো ভাইটাকে নিয়ে ঈর্ষান্বিত এবং একা পেলেই সে হয়ত উল্টাপাল্টা কিছু করবে। তাই তারা প্রথমে রাজি হল না।