Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

উপন্যাস

ইচ্ছেঘুড়ি (পর্ব-৫)

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৬/০১/২০১৭ - ৫:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পাঁচ

রন্টু ভাইকে অনি যত দেখে তত ভালো লাগে। রন্টু ভাইয়ের গিটারটা আরো বেশি ভালো লাগে। অনির ভালোলাগা আর আগ্রহের দৃষ্টি পরিমাপ করে রন্টু অনিকে ডাক দেয়,
-অতো দূরে বসেছিস কেন? কাছে আয়। ধরবি গিটার? তোকে তো বলেছি ধীরে ধীরে সব শিখিয়ে দিবো। সপ্তাহে একদিন সময় ম্যানেজ করে চলে আসলেই হবে।


ইচ্ছেঘুড়ি (পর্ব-৪)

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৫/১১/২০১৬ - ৫:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুপুরের জলখাবার বাড়িতে সারার কারো সময় নেই এখন। অনির বাবা সকালে সাথে করে খাবার নিয়ে যায়। অনির বাবার অফিস কাছেই, এস.এস.রোড। মিনিট দশেকের রাস্তা। চাইলে বাড়িতে এসেই খেয়ে যাওয়া যায়। আগে শংকরসহ অনেক অফিসার খাবারের সময় দুপুরে বাড়িতে এসে চটজলদি খেয়ে অফিস ছুটতেন। কিন্তু নতুন ব্রাঞ্চ ম্যানেজারের কানে কেউ খবরটা দিতেই বিপত্তি ঘটেছে। লাঞ্চ আওয়ার পেরোতে না পেরোতেই তিনি চেয়ারের মাথা গুনতে আসেন। মোহনা অবশ্য সকালে


ফসল বিলাসী হাওয়া (প্রথম পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৫/০৮/২০১৬ - ১০:৩৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক।।

ঃ বুঝলে আহমেদ, আমরা ছিলাম এগারো ভাই। আমি সবার ছোটো। বড় ভাইয়ের সাথে আমার আঠারো বছরের তফাৎ। কেনিয়া তে এটা অবশ্য তেমন কোন ব্যাপারই না। বিশেষ করে আমরা যে গ্রামে থাকতাম সেখানে।
ঃ তোমাদের গ্রামের নাম কি হামফ্রে?
ঃ নাম জেনে কী করবে? উচ্চারণ করতে পারবেনা। ধরে নাও সোহালি।
ঃ এ নামটাও মন্দ নয়। বাংলাদেশে কাছাকাছি নামের একটা গ্রাম রয়েছে।
ঃ তাই নাকি? কী নাম সে গ্রামের?


ইচ্ছেঘুড়ি (পর্ব-৩)

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৬/০৭/২০১৬ - ১২:২৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৩.অনির ভীষণ জল ভীতি আছে। কিন্তু অনি দেখেছে পৃথিবীর বেশির ভাগ কাজকর্ম জল ছাড়া হয় না। জল ভীতির সাথে অবশ্যম্ভাবীভাবে জড়িয়ে থাকে স্নান ভীতি। ছোটবেলা থেকে অনিকে স্নানে নিতে মাকে কম ঝক্কি পোহাতে হয়নি। বিশেষ করে শীতকালে মা আর অনির মধ্যে এই স্নান করা নিয়ে কম লুকোচুরি খেলা হয়নি। মায়ের আঁচলে সেই সব দিনের অনেক গল্প আছে। খাওয়ার টেবিলে মাঝে মাঝে মা অনির ছেলেবেলার গল্প করে আর হাসে। বাবার স্টকেও অনি-তোড়ার ছেলেবে


শুশুক (৪, আসলে এটি তিন হওয়া উচিৎ ছিল)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৪/২০১৬ - ২:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগের পর্ব গুলোর লিংকঃ
তৃতীয় পর্বঃ http://www.sachalayatan.com/guest_writer/55738
দ্বিতীয় পর্বঃ http://www.sachalayatan.com/guest_writer/55688
প্রথম পর্বঃ http://www.sachalayatan.com/guest_writer/55630

তানবুর


শুশুক (৩)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৯/০৩/২০১৬ - ৫:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দ্বিতীয় পর্বের লিংকঃ
http://www.sachalayatan.com/guest_writer/55688

জিপসি বুড়ি ইয়ালেল্লে

রণ শেখের গল্প ধীরজা পেরিয়ে এতদূর যাবে কে জানতো? শম্ভুনাথ তো চেয়েছিল কেবল হুন্দামুড়ির পেছনে লুকিয়ে থাকা আজব একটা দেশে যেতে, যে দেশের কথা সোনাপুর গঞ্জের হাটুরেদের মুখে মুখে ফেরে। অথচ নিয়তির কী খেলা দেখুন, তার জীবনটা জড়িয়ে গেলো বাগদাসারের সাথে।


শুশুক (২)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৮/০৩/২০১৬ - ৯:৫৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(মোখলেস হোসেন)
প্রথম পর্বের লিঙ্ক
http://www.sachalayatan.com/guest_writer/55630

আহুরামাযদার গেদাল


শুশুক (১)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১৯/০২/২০১৬ - ৫:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেকদিন আগে এইদেশে একটি নদী ছিল। সে নদী প্রমত্তা, এ পারে দাঁড়িয়ে ওপার দেখতে পাবেননা - এমন তার বিস্তার। আমার দাদা-পরদাদারা গয়না নৌকায় নদী পার হয়ে গঞ্জে যেতেন, সোনাপুর গঞ্জ তখন অনেক দুরের পথ, যেতে আসতে পাক্কা দুই দিন। গয়না নৌকা দেখেননি তো? বিশাল সে নৌকা, এই যে মান্দার গাছটা দেখছেন - তা ধরেন নৌকার হালটাই হবে অত বড়, দুইজন মাল্লা লাগে সে হাল নাড়াতে। নৌকার মাঝখানে বেশ বড়সড় একটা ঘর, সে ঘরে দরজা আছে, জানালা আছে, আছে মাথার উপর খড়ের ছাউনি। ছাউনি থেকেই বোধকরি নাম হয়েছে ছই।


কড়ি দিয়ে কিনলাম – বিমল মিত্রের 'রামায়ণ' উপাখ্যান

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৯/০১/২০১৬ - ৭:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.

দোকানদার প্রথমেই একটা বেড়ে প্রশ্ন করে বসল ...

“আসল বই কিইন্যা কী করবেন?”

আমি তার দিকে খানিকটা সরু চোখে তাকিয়ে রইলাম। ব্যাটার মতিগতি ঠিক বুঝা যাচ্ছে না।

সে তার মত করে গম্ভীরভাবে বলতে থাকলো, “ইন্ডিয়ান বাংলার যত বই আছে, তার মধ্যে কেবল আনন্দ পাবলিশার্সের বাঁধাই-ই সবচেয়ে ভালো। অন্যগুলো অত টেকসই না। দু-তিনদিনেই ছিঁড়ে যায়, এমন অবস্থা।”