Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ইতিহাস

এলিসের জন্য

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৭/১০/২০২২ - ২:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অস্ট্রিয়ান সংগীতজ্ঞ লুডউইগ ভন বেটোভেনের কালজয়ী সৃষ্টি - “Für Elise”, ইংরেজিতে যাকে বলে “For Elise”, বাংলায় বলা যেতে পারে “এলিসের জন্য”।Für Elise এর সুর যেমন রোমান্টিক আর রহস্যময়, ঠিক তেমনি এর ইতিহাসও প্রেম আর রহস্যে আচ্ছাদিত। মজার ব্যাপার হচ্ছে Für Elise এর মত এরকম একটা মাস্টারপিস বেটোভেন তাঁর জীবদ্দশায় কখনও প্রকাশই করেননি। এই বাগাটেলটা প্রকাশিত হয় ১৮৬৭ সালে আর তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ১৮২৭ সালে। তাঁর মৃত্যুর ২০ বছর পরে বিখ্যাত জার্মান সঙ্গীতজ্ঞ লুডউইগ নোহ্‌ল এই বাগাটেলটা প্রকাশ করেন। কিন্তু এলিসের জন্য লেখা এই বাগাটেলটা কাকে উদ্দেশ্য করে উৎসর্গ করা তা আজও অজানা।Für Elise এর কতটা উঁচু দরের সঙ্গীত এ বিষয়ে অনেক অনেক লেখা, গবেষণা আর বিশ্লেষণ আছে। সেসব নিয়ে আলোচনা করাই বাহুল্য। এই প্রবন্ধে Für Elise এর এলিস্ ব্যাক্তিটা কে তা জানার চেষ্টা করা হবে।


বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডঃ নানা প্রসঙ্গ

নুরুজ্জামান মানিক এর ছবি
লিখেছেন নুরুজ্জামান মানিক (তারিখ: রবি, ১৪/০৮/২০২২ - ৮:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাঙালি জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পাখি ডাকা ভোরে। বাংলাদেশের স্থপতি ও রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের সকল সদস্যকে সেদিন পৈশাচিক উন্মত্ততায় হত্যা করা হয়েছিল। ঘটনাক্রমে বঙ্গবন্ধুর দুই আত্মজা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের ঐতিহাসিক বাসভবনটিতে অবস্থানরত বঙ্গবন্ধুর পরিবারের যেস


সুন্দরবন নিয়ে রেইনি সাহেবের মতলব

সাবিহ ওমর এর ছবি
লিখেছেন সাবিহ ওমর [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১৮/০৪/২০২২ - ৯:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৮৯১ সালে জন রাড্‌ রেইনি নামের এক ব্রিটিশ ভদ্রলোক রয়্যাল জিওগ্রাফিক্যাল সোসাইটির মাসিক পত্রিকায় সুন্দরবন নিয়ে একটা প্রবন্ধ ছেপেছিলেন (https://doi.org/10.2307/1800883)। সুন্দরবনের ভূ-প্রকৃতি, জীবজন্তু, পরিত্যক্ত দালানকোঠা, স্থানীয় লোকজনের পেশা, কেচ্ছাকাহিনী-- সবকিছু নিয়ে মোটামুটি সুখপাঠ্য লেখা। স্থানীয় ভাষা-সংস্কৃতিতে তার বেশ দখল, স্থান বা মানুষের নামের ইংরেজি করেছেন বেশ অবিকৃত ভাবে, ডেক্কা-মেক্কা-


বানানই কি সব?

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০২/০৩/২০২২ - ৭:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আলামিন ভাতের হোটেল পারে পানের দোকানে
চাবাইতেছিনু পান। তখন অকস্মাৎ
পাঠাও চাপিয়া এসে উপস্থিত হাউমাউ ক্রন্দনরত গেনী বন্ধু ইছহাক
চন্দ্র বিদ্যাসাগর। পাঠাওয়ের ইয়ামহা চালকটি পরম আদরে
মুছাইয়া দিল গেনী ইছহাকের অশ্রু একটি বাতিল রুমালে। আমা পানে
ইছহাককে আলিঙ্গন বাগাইয়া আগাইতে দেখিয়া সে করিল হুশিয়ার, ভাই এট্টু দেইহেন।
তারপর চলে গেল ভো ভো করে কুথা পানে যেন।


পল রোবসনের আত্মজীবনী 'Here I stand'

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ১৬/০৮/২০২১ - ২:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‘আমি নিগ্রো। যে-বাড়িটায় থাকি তা হার্লেমে- শহরের ভেতরে আর একটা, আমেরিকান নিগ্রো মহানগরীতে।‘- এভাবেই লেখক শুরু করেন তাঁর গল্প। লেখক মানে বিশ্বখ্যাত মনিষী, নব জাগরণের সঙ্গীতের পথিকৃৎ, অভিনেতা, মানবাধিকার কর্মী, হার্লেম রেনেসাঁর অন্যতম পুরোধা পল রোবসন।


শত বছর আগে পাবনার বন্যপ্রাণী

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: রবি, ২৭/০৬/২০২১ - ৭:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৮৭৭ সালে স্ট্যাটিসটিক্যাল একাউন্ট অফ বেঙ্গলে লেখা হয়েছিল - পাবনা জেলার বড় প্রাণীদের মধ্যে মহিষ এবং হরিণ বিরল তবে বাঘ, চিতাবাঘ এবং বুনো শুয়োর সবখানে প্রচুর পরিমাণে আছে। পাবনা অঞ্চলের বুনো শুয়োরেরা সংখ্যায় অনেক বেশি এবং আকারে বড় ছিল যে কারণে এখানে বসবাসকারী এবং ঘুরতে আসা ইউরোপিয়ানদের মাঝে শুয়োর শিকার অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।


১০০ বছর আগে ফরিদপুরের বন্যপ্রাণী

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: শুক্র, ২১/০৫/২০২১ - ১০:৩৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বর্তমান ফরিদপুরের একটা বিশাল অংশকে রেনেলের মানচিত্র অগম্য কাদাময় জলা হিসেবে দেখানো হয়েছে, এবং ব্রিটিশ শাসনের প্রথম দিকে নিশ্চিত ভাবে জানা যায় যে জেলার পূর্বদিকে গহন সব বন ছিল যেখানে বাঘ এবং বুনো মহিষেরা থাকতো। ১৭৯২ সালে মাদারীপুরে দশটি বাঘ হত্যার জন্য পুরস্কার দেয়া হয়েছিল, এবং অনেক পরেও এমনকি ১৮৭৫ সালেও স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যাকাউন্ট অফ বেঙ্গলে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায় শীতকালে বুনো মহিষদের ভালই


১১০ বছর আগে নোয়াখালীর বন্যপ্রাণী

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: মঙ্গল, ১৮/০৫/২০২১ - ৫:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বন্যপ্রাণী-
বড় আকারের শিকারি প্রাণীরা এখন অত্যন্ত বিরল কিন্তু মাঝে মাঝে ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড় থেকে বাঘ এবং চিতাবাঘেরা নেমে আসে, জেলার পূর্ব সীমান্তের গ্রামগুলোতে আক্রমন করে তারা গরু এবং ছাগল ধরে নিয়ে যায়। চিত্রল হরিণ এবং হগ ডিয়ার (Hog Deer) একই এলাকার শস্যক্ষেত্রে ব্যাপক বিচরণ করে।


ভিয়েনা সার্কেল: বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দর্শনের বিকাশে অগ্নিশিখা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৩/০৪/২০২১ - ৪:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিশ শতকের শুরুর দিকে, ১৯০৫ সালে, জুরিখ-এর প্যাটেন্ট অফিসে কর্মরত একজন তরুণ গবেষক চারটি বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ প্রকাশ করে ইউরোপের বিজ্ঞানী মহলে বেশ সারা জাগিয়ে ফেলেন । আলোক রশ্মির শক্তি ও তেজস্ক্রিয়তা, পরমাণুর আয়তন ও গতি-প্রক্রিয়া আর অভিকর্ষ সম্পর্কিত আইনস্টাইনের এই প্রবন্ধগুলো নিউটন, ফ্যারাডে এবং ম্যাক্স ওয়েল এর উদ্ভাবিত এবং দুশো বছর ধরে বিরাজমান ধ্রুপদী পদার্থ বিজ্ঞানের মৌলিক ধারনাগুলোর ভিত্তিমূলে প্