ইতিহাস

রমনা কালী মন্দির:ঢাকার ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/১১/২০১৪ - ৫:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


১৯৬৭ সালে তোলা মন্দিরের একটি রঙ্গিন ছবিঃ বাংলাদেশ ওল্ড ফটো আর্কাইভ নামক ফেসবুক গ্রুপ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে


গরু ও মানবসমাজ

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ১০/১১/২০১৪ - ৩:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

31naslrVL1L._SY344_BO1,204,203,200_


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খসড়া সংবিধান

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: শনি, ০৮/১১/২০১৪ - ১২:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এটা মূলত: ডকুমেন্টেশনের জন্য। আমাদের সংবিধান প্রণয়ন করা হয় ১৯৭২ সালে। একটি সর্বদলীয় কমিটি এটির খসড়া প্রণয়ন করে। এক পর্যায়ে জনমত যাচাইয়ের জন্য এটি ১৯৭২ সালের অক্টোবর মাসের ১৩ তারিখে দৈনিক পত্রিকাগুলোতে ছাপানো হয়। এর বাইরে সংসদেও আলোচনা চলে। এর মাধ্যমে কিছু সংশোধনও হয়। আমি এই পত্রিকায় ছাপানো খসড়াটি এখানে রাখলাম।

এতে কি লাভ হবে?


তাজউদ্দীনদের জন্য অশ্রুজল

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: শুক্র, ৩১/১০/২০১৪ - ৩:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সামনে তো ৩রা নভেম্বর আসছে। ১৯৭৫ সালের এইদিনে আমাদের জাতীয় চার নেতাকে জেলের মধ্যে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছিল। আমাদের গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ সংবাদপত্রগুলোর সম্পাদকীয়তে এ নিয়ে তারপরের কয়েকদিনে কী প্রতিক্রিয়া ছিল?

৪ থেকে ৬ই নভেম্বর পর্যন্ত পত্রিকাগুলো দেখলে জানা যায় মাত্র একবার একটি পত্রিকায় সুশীল টাইপ একটি সম্পাদকীয় এসেছিল। ৭ই নভেম্বর থেকে যেহেতু আবার দেশের পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয় সেদিন বা এর পরে যদি না এসে সেটা না হয় মাফ করা যায়। কিন্তু তার আগে যে বড় বড় পত্রিকার সম্পাদকরা এটি নিয়ে টুঁ শব্দটিও করলেন না এটি তো দেশের সাংবাদিকতা চর্চার ইতিহাসে একটি বড় কলংক। আজকে যখন প্রথম আলোর মতিউর রহমান বা ডেইলী স্টারের মাহফুজ আনামের দ্বিচারিতা আমরা দেখি তখন কি খুব বেশি অবাক হওয়া উচিৎ? তারা যে উত্তরাধিকার বহন করছেন সেটি কী খুব গৌরবজনক?

নিচে নিউজক্লিপগুলোতে আমি সম্পাদকীয়গুলো দিলাম। যেসব পত্রিকার কথা বলা হচ্ছে তাদের সম্পাদকরা ছিলেন নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী (দৈনিক বাংলা), আনোয়ার হোসেন (ইত্তেফাক), ওবায়দুল হক (অবজারভার) ও এনায়েতউল্লাহ খান (বাংলাদেশ টাইমস)।

৪ঠা নভেম্বর, ১৯৭৫

এদিন কোন পত্রিকার সম্পাদকীয়তেই জেল হত্যাকাণ্ড নিয়ে কিছু বলা হয় নি। সেদিন অবশ্য সংবাদ হিসেবেও এটি পত্রিকাগুলোতে আসেনি।


ধর্মের কল বাতাসে নড়ে, আসুন ফুঁ দেই ঘরে ঘরে!

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ৩০/১০/২০১৪ - ৭:২০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খন্দকার ঘাঁটতে ঘাঁটতে হয়রান হয়ে গেছি। তাই একটু বেতালের ব্লগর-ব্লগর। সামনে হরতালের ছুটি আছে, তখন নাহয় বকেয়া আদায় করে দেব। আজকে সুকুমার রায়ের জন্মদিবসে একটু গুরুভক্তি দেখাব ভাবছিলাম। কিন্তু আল-বদর প্রধান নিজামী’র রায়ের আনন্দে সব হ-য-ব-র-ল হয়ে গেল। তাই এই আবোল-তাবোল লেখা। এটি একান্তই ব্যাক্তিগত স্মৃতিচারণ। স্মৃতির সাথে বিজ্ঞান কিংবা ইতিহাস মেশাতে আসবেন না। বেশি মেশামেশির অভ্যাস থাকলে ব্লেন্ডারে আবেগের সঙ্গে যুক্তি মেশান।


নিজামীর জন্য জামাই আদর : ২৭শে মে, ১৯৯১ সাল

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: বুধ, ২৯/১০/২০১৪ - ৩:৫১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৯৯১ সালের ২৭শে মে যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর মনিরুজ্জামান মিঞার আমন্ত্রণে ক্যাম্পাসে গিয়ে ধোলাই খেয়েছিল। ভাবলাম সেদিনের নিউজ ক্লিপগুলো দিয়ে রাখি।

দৈনিক বাংলা


নোবেল শান্তি পুরস্কারঃ প্রেক্ষিত এবং বিতর্কঃ পর্ব ২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৭/১০/২০১৪ - ১:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নোবেল শান্তি পুরস্কারঃ প্রেক্ষিত এবং বিতর্ক (পর্ব ১)

প্রথম পর্বে আমরা দেখেছি নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রেক্ষাপট, আলফ্রেড নোবেল প্রদত্ত শর্তাবলী, এবং এর ব্যাখ্যা। নোবেল শান্তি পুরস্কার কমিটির গঠন, এবং এই পুরস্কারের রাজনীতিকিকরণ এবং বানিজ্যিকিকরণ নিয়ে Heffermehl-এর আলোচনার সারাংশ হবে এই পর্বের বিষয়বস্তু।


ইতিহাসের পায়জামা: দিমু নাকি টান?

আনু-আল হক এর ছবি
লিখেছেন আনু-আল হক [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২৫/১০/২০১৪ - ৫:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফেসবুকের কল্যাণে যত বালছাল সব ছেলিব্রেটি; মুশকিল হইতেসে অ-বালছাল ছেলিব্রেটিও আছেন। ফলে, ছেলিব্রেটি মাত্রই বালছাল এইটা নিশ্চয় করে বলা যাইতেসে না। সম্ভবত, এই বিষয়টারে অত্যন্ত নাজুক করে ছাড়বে প্রকৃত বালছালগুলা। পরে, ভালো লুকজন এইটা ছাইড়া যাবে, এবং প্রকৃত বালছালগুলার জয় হইবে, যেমন হইছে আমাদের দেশের রাজনীতি, সিনেমা, সাহিত্যসহ প্রায় সকল মাধ্যমে।


"বুদ্ধিবেশ্যা" শব্দটি যেভাবে মিথ্যাজীবিদের ভিত নাড়িয়ে দিলো

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি
লিখেছেন অছ্যুৎ বলাই (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৩/১০/২০১৪ - ৪:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথম আলোর বান্ধা কলামিস্ট সোহরাব হাসান আজ "সিপি গ্যাং, গং এবং ‘নিষিদ্ধ শহীদ মিনার’" শিরোনামে একটি কলাম লিখেছে। তার লেখার বিষয়বস্তু টকশোজীবি পিয়াস করিমের মরদেহ শহীদ মিনারে নেয়ার প্রতিবাদ ও তদরূপ ভাবধারার টকশোজীবিদেরকে প্রতিহত করার আহবান - এর সমালোচনা।