Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ডাকাত

ডাকাতের আক্রমনে এক রাত ও সংখ্যালঘু

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৯/০১/২০১৪ - ৩:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত রোজার ঈদের ছুটিতে সকল আত্মীয় স্বজনরা তখন গ্রামের বাড়িতে। আমার অনেকগুলো চাচা থাকায় চাচাত ভাইবোনের সংখ্যাও প্রায় দুই ডজনের মত। তাই ঈদের সময় আমাদের গ্রামের বাড়ি একটা বিয়ে বাড়ির মতই রূপ নেয়। মজা করার সকল আইডিয়াগুলাতেও আমরা বড় ছোট সবাইকে সাথে রাখি। সব বয়সীরাই এক হয়ে যায় আমাদের গ্রামের বাড়ি ঈদগুলোতে। গত ঈদ আগস্ট মাসে হওয়ায় চারদিকে তখন বর্ষার নতুন পানি। এখন এ পানিতে নেমে গোসল করতে ইচ্ছা না করলেও নৌকা ভ্রমন করতে নিশ্চয় কারো কোন সমস্যা নেই। প্রস্তাব করার সাথে সাথে বুড়ো থেকে বাচ্চা সবাই এক কথায় রাজি হয়ে গেল। শুধু বাকি রইল যাত্রা করার!


অসুন্দরের সুন্দরবন-২

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: সোম, ১৯/১২/২০১১ - ৪:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগের পর্ব, অসুন্দরের সুন্দরবন

৪.
আমি রাজু ডাকাতের সাথে হাত মেলালাম। লম্বা, শক্ত, কড় পড়া হাত, ধরে থাকলাম কিছুক্ষণ। পুরো ঘরটায় কবরের অদ্ভুত নীরবতা কিছু সময়ের জন্য। নিরবতা ভেঙে ডানা ঝাপটিয়ে একটা পেঁচা উড়ে গেলো উপর দিয়ে, ঘরের পেছনে কাঠের মাচায় টহল দেয়া ডাকাতদের কারো হেঁটে যাবার মচমচ শব্দ শোনা গেলো, একই সময় কোনো কারণে ভয় পাওয়া একপাল হরিণের ছুটে চলার শব্দ বাম দিক থেকে এসে ডানে মিলিয়ে যেতেই রাজু ডাকাতের সহকারী কথা বলে উঠে “আপনার কেমন লাগছে?” তার দিকে তাকালাম, রাজস্থানি পাগড়িতে দারুণ দেখাচ্ছে, তাকে দেখে ছোটবেলায় দেখা নওয়াব সলিমুল্লার ছবির কথা মনে পড়ে গেলো, ডাকাত দলের ভেতরেও তাহলে রাজা প্রজার ভেদাভেদ থাকে, মানসিক শক্তির অভাব থাকলে পোশাকের মাধ্যমে নিজের তফাৎটা অন্যদের বুঝিয়ে দেয়। হাসি পেলো আমার, ওর কথার সরাসরি জবাব না দিয়ে পরিস্থিতি আমার অনুকূলে রাখার জন্য উলটা প্রশ্ন ছুড়ে দিলাম “হঠাৎ করে বাইরের জগতের কারো সাথে পরিচিত হয়ে আপনাদের কেমন লাগছে?”


অসুন্দরের সুন্দরবন

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: রবি, ১১/১২/২০১১ - ৩:৩৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.
দুই তিনটা বৈঠা মেরেই থেমে গেলো ওরা, বাকি পথটুকু চলে এসেছি স্রোতের টানে, আমি যে ট্রলারে ছিলাম সেখান থেকে ঘাটে বাঁধা ট্রলারগুলো হাত পঞ্চাশেক দূরে। অতটুকু পেরুতে সময় লাগেনা। বসেছিলাম নৌকার পেছনে, ঘাটে ট্রলারের গায়ে নৌকা লাগতেই চালকদের একজন বললো- “সাবধানে উঠে আসেন, আপনাকে সামনের ফরেস্টের ট্রলারের উপর দিয়ে যেয়ে ঐ ট্রলারে নামতে হবে, সেখান থেকে ঘাটে উঠবেন। মাথা ঝাঁকিয়ে পেছন থেকে উঠে ফরেস্টের ট্রলারের ছাদ পেরিয়ে এপাশে চলে এলাম, নীচে যখন নামছি কেবিনের দরজা খুলে ওদের অফিসার মুখ বের করে ফিস্‌ফিসিয়ে বললেন যান, ভয় পাবেন না, আপনি যতক্ষণ থাকবেন আমার ট্রলার এখানেই এদের ট্রলারের সাথে লাগানো থাকবে।“ আমি কোন কথা না বলে বনবিভাগের ভাড়া করা ট্রলার থেকে নীচের ট্রলারে পা রাখলাম।
নিকষ কালো আলকাতরা মাখা ছাদবিহীন সেই ট্রলার লম্বায় চল্লিশ ফুটের মতন, মাঝের অর্ধেক ত্রিপল দিয়ে ঢাকা, এর নীচে শুয়ে থাকা মানুষের অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়, ত্রিপলের ঢাকনার বাইরে দু’পাশেই বস্তা ফেলে বাংকারের মতন বানানো, ট্রলারের মাথায় সোলার প্যানেল আর একটা ছোট এন্টেনা। আমি নীচে নামতেই বাংকার থেকে কালো গেঞ্জি আর হাফপ্যান্ট পড়া বন্দুক হাতে একজন উঠে সালাম দিয়ে আমার হাত ধরে বললো “ডাকাতের নৌকায় স্বাগতম”।


মহাজ্ঞানী পণ্ডিতগণ, চালাও তোমরা শিক্ষাঙ্গন... আমরা গেলাম সুন্দরবনে।

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২২/০৭/২০১১ - ১০:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেক আক্রোশ নিয়ে লিখতে বসেছি। কি লেখা বেরুবে জানি না। তবে সবাইকে জানানো দরকার। ঢাবির প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের এক ছাত্রকে পুলিশ ডাকাত বানিয়ে, মেরে হাত ভেঙ্গে, পায়ের টেন্ডন ছিঁড়ে দিয়ে, সারা শরীর থেঁতলে দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছে। কিন্তু আমাদের বিখ্যাত শিক্ষকগণ বারবার অনুরোধের পরও একটা ফোন পর্যন্ত করতে পারেননি থানায়।