Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ছবি

ব্লেডের গল্প

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৫/১১/২০১৭ - ১১:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ডং … ডং … ডং … । অনেক দুর থেকে ভেসে আসা ঘন্টার শব্দ । গোধুলির আলো-আঁধারের আবছায়ার ঘন্টার শব্দটা যেন লেকের টলটলে জলে ভেসে আসছে । হঠাৎ করেই চিন্তাটা এলো মাথায় । সেই ডুবে যাওয়া ঘন্টাটার আওয়াজ নয় তো !! সত্যি তো, ঘন্টার শব্দটা কেমন যেন জলের অতল তল থেকে উঠে এসে লেকের জলের ঢেউয়ে ভর করে ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে ।


১০১টা ছবির গল্প - ১২, ক্যাথিড্রাল গ্রোভ

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: মঙ্গল, ২৩/০৮/২০১৬ - ৯:৩০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify] I urge you to travel, as far and as much as possible. Work ridiculous shifts to save your money. Go without the latest iPhone. Throw yourself out of your comfort zone. Find out how other people live and realize that the world is a much bigger place than the town you live in. And when you come home, home may still be the same, and yes, you may go back to the same old job, but something in your mind will have shifted.
And trust me that change everything.


ভূমিকম্পের পরিসংখ্যান ও চিত্র

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৪/০৫/২০১৫ - ৩:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঢাকায় বসে ছোট ভাই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছে এখন নাকি ভূমিকম্পের দোলাতে আর ভয় লাগেনা, গত কয়েকদিন ধরে এত বেশি দোলা খাচ্ছে ঢাকা শহর ভয় যেন কেটে গেছে। তার এই স্ট্যাটাসে কোন লাইক দিতে বা কমেন্ট করতে পারিনি। খুবই ভয় লাগে যদি ভাবি ঢাকা শহরে ভূমিকম্পের কথা। আমার ধারনা যে কোন মাঝারি মানের ভূমিকম্পের জন্য ঢাকার চেয়ে অন্য কোন ঝুঁকিপূর্ন শহর পৃথিবীর অন্য একটি নেই। এখন সেই ঢাকাই হচ্ছে অন্যতম একটি ভূমিকম্পপ্রবণ


পাহাড়-দ্বীপ সার্দিনিয়া ও ইতালি বীর গারিবাল্ডির খামারবাড়ি

তীরন্দাজ এর ছবি
লিখেছেন তীরন্দাজ (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৪/১১/২০১৩ - ৩:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


অলভিয়া বন্দরে ভিড়ছে জাহাজ।

মিউনিখ থেকে রওয়ানা হয়ে বোডেন লেক পেরিয়ে সুইজারল্যান্ড। সেখান থেকে আরও চারশো কিলোমিটার দক্ষিণে ইতালির সমুদ্রবন্দর জেনোয়া। গাড়িপথে বাড়ি থেকে সর্বসাকুল্যে ৬৩০ কিলোমিটার।


মেঘ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৬/০৫/২০১২ - ৩:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

megh-2


ছবি ব্লগঃ এডিনবরা ফেস্টিভ্যাল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৩/০১/২০১২ - ১০:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সচলায়তন এর পাঠক আমি অনেকদিন ধরে। লেখার ইচ্ছা যে হয় না তা নয় কিন্তু আলসেমি আর ঠিক

সচলায়তন এর পাঠক আমি অনেকদিন ধরে। লেখার ইচ্ছা যে হয় না তা নয় কিন্তু আলসেমি আর ঠিক


সূত্রধর! রঙে হোক শিল্পীর জয়!!

তানিম এহসান এর ছবি
লিখেছেন তানিম এহসান [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৫/০৭/২০১১ - ১২:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সূত্রধর!

ওহে নিরালা মানুষ, ঘরের আঁচলে খুদকুটো জমেছে যা,
তার সব নৈবদ্য জ্ঞানে পূজা করলেই দেখবে পূজারী মন
বেহালায় সংগত; সেইসাথে আলাপ জুড়ে দিতে একটা
মিঠেকাড়া মন্দিরা দূরাগত বাঁশীটাকে টেনে নেবে যখন -

তখন তুমি চাইলে একটা হারমোনিকা খঞ্জনির বোলে
যে গাইবেনা তার দিব্যি তোমাকে কে দিয়েছে কবে?
বাজো! গ্রহন লাগা ঘনঘোর নিশ্চিত জলের দেখা পাবে,
তারপর সাধিত গলায় জটাধর বিবাগী তুমি গেয়ে উঠলে -


| নওশা...| দুই-মেগাপিক্সেল |

রণদীপম বসু এর ছবি
লিখেছেন রণদীপম বসু (তারিখ: শুক্র, ১৫/০৭/২০১১ - ১:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেকদিন লিখা হয়না কিছুই। মনে হলো একটা ছবির গল্প লিখি ! শুরু করেই ফের মনে হলো, এ গল্প তো আমার একার লিখার কথা নয় !
অতএব, সব সচলকে আমন্ত্রণ জানাই, আসুন সবাই মিলে এ গল্পটা এগিয়ে নেই ! গল্পের সূত্র এই ছবিটা।


পায়ের তলায় বিপদ

শামীম এর ছবি
লিখেছেন শামীম (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০/০১/২০১১ - ৭:০৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার দাদাবাড়ির উঠানে একটা ইন্দিরা বা কূঁয়া ছিল। সেই ইন্দিরার বাঁধানো পাড়ে পা পিছলে আছাড় খাওয়ার অভিজ্ঞতাও আছে। শীতের সকালে কূঁয়ার পানি থাকতো কুসুম গরম। এদিকে কেচ্ছা কাহিনী শুনতাম যে রাজার বাড়ির কূঁয়ার ভেতর দিয়ে সুড়ঙ্গ থাকতো, যা দিয়ে নদীপথে নৌকায় করে পলায়ন করা যেত আক্রমনের শিকার হলে শেষ উপায় হিসেবে। আমাদের দেশে নাকি মাটির নিচে পানির অভাব নাই, পানির উপর দেশ ভাসতেছে। হাকলবেরি ফিনের গল্পেও আমাজান নদীতে ভাসমান দ্বীপের কথা পড়েছিলাম। দুইয়ে দুইয়ে চাইর মিলাতে সময় লাগে নাই ... ... নির্ঘাৎ আমাদের কূঁয়ার পানিও নদীর সাথে সংযুক্ত, নাইলে এ্যাত পানি আসে কোত্থেকে।


পর্নো ছবির রঙ

ফাহিম হাসান এর ছবি
লিখেছেন ফাহিম হাসান (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৬/০১/২০১১ - ৮:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভণিতা

আসেন, একটা খেলা খেলি। আমি একটা শব্দ বলব। আপনি সাথে সাথে একটা রঙের নাম বলবেন। যা মনে আসে তাই। এই খেলা কিছুক্ষণ খেললে মোটামুটি একটা প্যাটার্ণ পাওয়া যায়।

যেমন- গাছ বললে বেশীরভাগ মানুষ বলবে সবুজ।

এরকমই একবার খেলতে খেলতে এক বন্ধুকে বললাম “পর্নো”। ভাবলাম সে বলবে নীল। খুব বেশী এলেমদার হলে বলবে গোলাপী। আমাকে চমকে দিয়ে সে বলল সবুজ।

সেই রাতে এই পাপী বান্দা Green Porno লিখে Google এ দিল গুঁতা। ফলাফল যা পেল তা নিয়ে এই পোস্ট।

মূল কথা