আমেরিকা-আমেরিকা-আমেরিকা। আমার এবং আমার চারপাশের অনেকের জীবনেই আমেরিকা এমন একটা স্থান দখল করে নিয়ে আছে যার প্রভাব উপেক্ষা করা যায়না। একবার এক বন্ধু বলছিল দেশে থাকতেও আমরা ভারতের দিকে মুখ করে থাকতাম, আর বিদেশে (কানাডায়) এসেও সেই একই অবস্থা; ভারতের বদলে কেবল আমেরিকা। বন্ধুটি সম্ভবত দূরদর্শন থেকে শুরু করে কোরবানীর ভারতীয় গরুর প্রতি ইঙ্গিত দিয়েছিল। অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে কেবল সময়ের স্কেলে-- নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক কিছুর জন্য অনেকেই এখানে আমেরিকার উপর নির্ভরশীল। চার লিটার দুধ এপারে সাড়ে পাঁচ ডলার আর ওপারে আড়াই ডলার। অবিশ্বাস্য, কিন্তু সত্যি। তাই বন্ধুটি প্রায়ই দুধ আর গ্রোসারি থেকে শুরু করে বাক্স-বাক্স চিকেন কিনে আনে আমেরিকা থেকে। ওখানে সবকিছুই নাকি সস্তা।
ডিসক্লেইমার: আজ লিখি, কাল লিখি করে সচলে লেখাই হয়ে উঠেনি, তাই এইটা সচলে প্রথম লেখা। কিছুদিন আগে কানাডায় স্টাডি পারমিটের জন্য ছোটাছুটি করছিলাম। সেইসময় আমি যেসকল সমস্যায় পড়েছিলাম বা মনে হয়েছিল যে সকল তথ্য পেলে সুবিধা হত তা জানাতেই লিখতে বসা। আজকাল সব কাজেই অস্থিরতা বাড়ছে, আগের মত সময় নিয়ে বসে লিখতে মুঞ্চায় না, কেন মুঞ্চায় না সেইটার ও কারন খুজে পাই না। তবে আমার নিজের উচ্চশিক্ষার জন্য বিভিন্ন তথ
[justify]এই গ্রীষ্মে - ক্যালগেরির পথে ।। ক্যালগেরি পৌছলাম। ক্যালগেরির সময় অনুযায়ী তখন প্রায় সাড়ে বারোটা। আগেই বলেছি, আমাদের এই ট্যুরের থীম ছিল, 'সময়ের সর্বোচ্চ সদ্ব্যাবহার', তাই আমরা কোন হোটেল টোটেলের ঝামেলায় যাইনি। আমরা দরিদ্র গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট; টাকা পয়সা বেঁচে যাওয়াও যে এর অন্যতম কারণ ছিল না, এটা অবশ্য আমি বলছি না। যাই হোক, আমা
[justify]কানাডায় সামারটা হুটহাট, আর তারচেয়েও হুটহাট করে শুরু করলাম আমি। উইন্টার টু সেশানের শেষ পরীক্ষা ছিল ছাব্বিশে এপ্রিল, আর আমার দেশে যাওয়ার টিকেটও ছিল ওইদিন রাতেই। পরীক্ষার আগে তাই পড়াশোনা গোছানোর চেয়ে ব্যাগ গোছানোর তারা ছিল বেশী, পরীক্ষা থেকে এসে গোসল করেই ছুটতে হবে এয়ারপোর্টে। তো যাই হোক দেশে যাওয়ার গল্প নাহয় অন্যদিন করা যাবে। দেশ থেকে ফিরে এসে কি করলাম আজকে নাহয় সেই গল্প করা যাক।
দেশ থেকে কানাডায় আসার পরে অনেক কিছুর সাথে আরো একটা জিনিস খুব মিস করতাম, সেটা হচ্ছে মানুষের ভীড়। বাংলাদেশে থাকতে মাঝেমাঝেই বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানে যেতাম। সেখানে দেখা যেত মানুষের মিছিল। কানাডায় আসার পরে প্রথম এক বছরে তেমন মানুষের মিছিল দেখিনি। কিন্তু ভ্যাঙ্কুভারে আসার পরে বুঝলাম, না কানাডায়ও মানুষ থাকে।
এখানে প্রথম মানুষের ভীড় দেখলাম থার্টি ফার্স্টের নাইটে। এরপরেতো শীতকাল ...
একাডেমিক কাজে গতকাল প্রায় ১৩ ঘন্টা ড্রাইভ করে কুইবেক এসেছি। সারাদিন লেগেছে অন্টারিও পার হতে। আমার প্রফেসর ড্রাইভ করেছে, কিন্তু বারোটা বেজেছে আমার। কুইবেক-এর লাভাল ইউনিভার্সিটি (Université Laval)-এর রেজিডেন্সে উঠেছি। এত সুন্দর ব্যবস্থা আর শহরের বর্ণনা নিয়েই একটা ভ্রমণ কাহিনী লেখা যাবে। এখন সেটা করার সময় নেই। তাই শুধু ছবি নিয়ে আজকের ব্লগ। পরে একটা লেখা দেয়ার ইচ্ছা আছে। অবশ্...
লন্ডন থেকে নায়াগ্রা খুব কাছে, মাত্র আড়াই ঘন্টার পথ। এই লন্ডন কিন্তু ইংল্যান্ডের লন্ডন নয়। কিছুদিন আগে ফেসবুকে কয়েকজন জিজ্ঞেস করেছে, আমি কানাডা ছেড়ে লন্ডনে কি করি…। যাই হোক, যাবো যাবো করে নানান ঝামেলায় আর নায়াগ্রা যাওয়া হয়ে উঠছিল না। এই সপ্তাহে লং উইকেন্ড থাকাতে আমি আর আমার সুপারভাইজারের আরেক ছাত্র মিলে ঠিক করলাম রবিবার নায়াগ্রা ঘুরে আসবো। এখান থেকে নায়াগ্রা যাবার সবচেয়ে সস্ত...
যখনই ঘোষণাটা পোস্ট করতে চাই তখনই দেখি সচলে কোন না কোন উপলক্ষে লেখা চলছে। গত দুই সপ্তাহে নিজের লেখা, এর পর বাবা দিবসের লেখা-- এসবের ভীরে গুরুত্বহীন-অথচ-আকর্ষণীয় এই খবর দিতে মন চাইছিলনা। আচ্ছা, কথা না বাড়িয়ে সংক্ষেপে বলে যাই। না সংক্ষেপে বলা যাবেনা, একটু ভূমিকা করতে হবে:
-আমি শিমুল 
এইটুকুই ছিল আনোয়ার সাদাত শিমুলের প্রথম ইমেইল (মে ১৭, ২০০৯)। এর পরে জিমেইলের ঐ থ্রেডে ৪৩টা মেইল চালাচ...