ইতোমধ্যে প্রায় সকলেই জেনে গেছেন সুখবরটি.....
যারা জানেন না তাঁদের জন্যে সংক্ষেপে জানিয়ে দিই--- বহু আরাধ্য হিগস কণিকার দেখা খুব সম্ভবত আমরা পেতে যাচ্ছি। আজ মাত্র কয়েক ঘন্টা আগে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত এই পৃথিবীর অন্যতম প্রধান কণা-ত্বরণায়ক (Particle accelerator) LHC এর বিজ্ঞানীরা এক আনুষ্ঠানিক ঘোষনায় জানিয়েছেন--তাঁরা হিগস বোসনের মত 'একটা কিছু'র দেখা পেয়েছেন। এবং তাঁরা বেশ ভাল রকম নিশ্চিত তাঁদের এই আবিষ্কারের ব্যাপারে। সাদা কথায় এই হল গিয়ে খবর। এই বার খবরের পেছনের খবর আর সঙ্গে রয়েছে কিছু তাফসীর ও (ক্ষেত্রবিশেষে) তর্জমা।
আগের পর্বে বলেছিলাম আমাদের ঝাকড়াচুলো আইনস্টাইনের রিলেটিভিটির সাথে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সমন্বয় ঘটানোর জন্যে এই 'স্ট্রিং থিওরী' ব্যাটার আবির্ভাব ঘটেছে।
এখন আসুন দেখি জেনারেল রিলেটিভিটি একটি ঘটনাকে কিভাবে ব্যাখ্যা করে। আপনাদের মনে আছে নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রের কথা?
চিন্তা করার কিছু নেই, আমার এ লেখায় যে সুতো নিয়ে টানাটানি করার কথা বলছি সেটি জামা-কাপড় সেলাই করার সুতো নয়।
এটি হলো স্ট্রিং থিওরীর সুতো! বিশ্বাস করুন এই সুতো নিয়ে টানাটানি করার ইচ্ছা আমার বিন্দুমাত্রও ছিলোনা। কসমোলোজি, রিলেটিভিটি আর ডার্ক-ম্যাটার নিয়ে আমার দিন ভালোই কেটে যাচ্ছিল।
মনে করুন আপনার চেনা জগতের পাশাপাশি এমন একটি জগৎ রয়েছে, যেখানে ঠিক আপনার মতই ঠিক আরেকজন রয়েছে? ১ অথবা এমন কি হতে পারে যে আমাদের এই পৃথিবীর মতই আরেকটি পৃথিবীর অস্তিত্ব আছে? ঠিক ধরেছেন, আমি প্যারালাল ইউনিভার্সের কথাই বলছি।
কিছুদিন ধরেই সময় পরিভ্রমন, আপেক্ষিক তত্ত্ব এসব নিয়ে লিখার বেশ ইচ্ছা করছিলো। কোন সমীকরন না ব্যবহার করে, চাঁপার জ়োরে এগুলো নিয়ে বকবক করা যে কতটা কষ্টকর, সেটা লিখতে গিয়ে টের পেলাম।
মাসদুয়েক আগের কথা। সকালবেলা ফেসবুক খুলে আমার চোখদু'টি ছানাবড়া হয়েগেলো!!! ছানাবড়া হবার কারন আর কিছুই নয়, সেটি ছিলো ফেসবুকে শেয়ার করা একটি খবর, যেটার মূল কথাটি ছিলো- "আলোর চেয়ে বেশি গতিসম্পন্ন কণা আবিস্কার। নিউট্রিনো আলোক কণার চেয়ে বেশি বেগে ছুটতে পারে!!!"
[justify]চতুর্থ অধ্যায়: বিকল্প ইতিহাসসমূহ (Alternative Histories)
[justify]তৃতীয় অধ্যায়: বাস্তবতা কী? (What Is Reality)
[justify]১

====================================
অধ্যায় ২: সূত্রের নিয়মনীতি (The Rule of Law)
[justify]মূল বই: The Grand Design (মহিমান্বিত নকশা)
মূল লেখক: লিওনার্ড ম্লোডিনো এবং স্টিফেন হকিং
=============================
প্রথম অধ্যায়: অস্তিত্বরহস্য (The Mystery of Being)
================================
আমাদের প্রত্যেকেই খুব অল্প সময়ের জন্য বেঁচে থাকি, এবং এই স্বল্প সময়ের মাঝে এই সমগ্র মহাবিশ্বের অল্প অংশই আমাদের পক্ষে দেখা বা অনুসন্ধান করা সম্ভব হয়ে ওঠে। কিন্তু মানব প্রজাতি খুবই কৌতূহলী। আমরা বিস্মিত হই, আমরা উত্তর খুঁজি। এই কোমল-কঠোর পৃথিবীতে বেঁচে থেকে এবং উপরের সুবিশালতার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে মানুষ বরাবরই নানা রকমের প্রশ্ন করে গেছে: আমরা যে পৃথিবীতে বেঁচে আছি সেটাকে কীভাবে বোঝা যাবে? এই মহাবিশ্বের মতিগতিই বা কেমন? বাস্তবতার প্রকৃতি কেমন? সবকিছু কোথায় থেকে এলো? মহাবিশ্ব সৃষ্টিতে কি কোনো সৃষ্টিকর্তার প্রয়োজন ছিলো? আমরা সকলেই এইসব প্রশ্নাবলি নিয়ে সারাক্ষণ চিন্তা করি না, তবে প্রায় প্রত্যেকই কখনো না কখনো এইসব নিয়ে মাথা ঘামাই।
গতানুগতিকভাবে এইসব প্রশ্ন দর্শনশাস্ত্রের পাঠ-এখতিয়ারে ছিলো, কিন্তু দর্শনশাস্ত্রের মৃত্যু হয়েছে।