Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

অনুবাদ

পাবলো নেরুদার ভালবাসার সনেট - ৬১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১৪/০৯/২০১৪ - ১১:২৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভালবাসা তার লম্বা লাঙ্গুলে
একরাশ অদম্য, কর্কশ কাঁটার রেখাপথ রেখে যায়,
আর আমরা দু'জন চোখ মুদে পার হই এ বেভুল পথ,
যেন কোনো জখম আমাদের চিরে ফেলতে না পারে দু'খণ্ডে।

অপরাধী কোরো না তোমার জলভরা চোখ,
তোমার হাত তো বিদ্ধ করেনি তরবারি,
তোমার পদতল খোঁজেনি এ পথ,
এক ঘট শ্যামল বিষণ্ণ মধু, নিজেই এসে ভরেছে হৃদয় তোমার।

যখন বিপুল ঢেউ-তোলা প্রেম, আমাদের লুফে
আছড়ে ফেলে বিশালকায় পাথরের গায়, সে আঘাতে


অনুবাদ প্রচেষ্টা-১

সুবোধ অবোধ এর ছবি
লিখেছেন সুবোধ অবোধ (তারিখ: সোম, ০৮/০৯/২০১৪ - ৮:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খামারবাড়ির দেয়ালের উপর শরৎকালে সার বেঁধে কিছু পরিযায়ী পাখি বসে থাকত। যদিও তারা নিজেদের মধ্যে কিচিরমিচির করে নানারকম গল্পগুজব করত, কিন্তু সবসময় গ্রীষ্ম, দক্ষিণের দেশ, চলমান শরৎকাল আর উত্তুরে হাওয়া কবে শুরু হবে সেটাই ছিল তাদের মূল ভাবনার বিষয়। একদিন ঠিক ঠিক তারা উধাও হয়ে গেল এবং খামারের সব হাঁস-মুরগীরা এই সব পরিযায়ী পাখিদের নিয়ে আলোচনায় মেতে উঠল।

এসব দেখে একদিন খামারের একটি মুরগী ঘোষণা করল -“আগামী শীতে আমিও দক্ষিণের দেশে যাব।”


পাবলো নেরুদার ভালবাসার সনেট - ৩৮

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৯/০৮/২০১৪ - ৮:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তোমার বাড়িটা দুপুরের রেলগাড়ির মত,
মৌমাছির ব্যস্ত গুঞ্জন, ডেকচির বাষ্পীয় শিস
শিশিরের কীর্তিকলাপ প্রপাতের স্বর হয়ে ঝরে,
তোমার গলায় বেজে ওঠে তালগাছের উৎফুল্লতা।

হালকা নীল দেয়ালটি, গ্রামীণ ডাকপিওনের মত
গেয়ে-ওঠা টেলিগ্রাম হাতে, পাথরের ওপর ঝুঁকে কথা বলে,
আর ওই ওখানে, দুটো ডুমুর গাছের সবুজ ধ্বনিময়তার মাঝখানে,
নিঃশব্দে হেঁটে যান হোমার।

এখানে নেই নাগরিক ধ্বনি, নেই কান্না,


পাবলো নেরুদার ভালবাসার সনেট - ৪২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৪/০৮/২০১৪ - ১১:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সমুদ্রের নোনা ঢেউয়ে ঝলকায় মুহূর্ত,
হলদে আকরিকের তীব্রতায়, মধুর সোনালী জৌলুসে,
ঝঞ্ঝার বিক্ষোভ যার বরফি পাথুরে কেলাসকে
ভাঙতে পারেনি এতটুকু

সূর্যালোক, আগুনের শব্দে বেজে ওঠে চড়চড়,
মৌমাছির মত গুনগুন করে,
ব্যস্ত রাখে নিপুণ আঙুল, সবুজ পাতায় ঢেকে নেয় মুখ,
গাছের তামাম উচ্চতায় শিস দেয় ঝিলমিলে, ফিসফিসে রূপকথা।

আগুনের ক্ষুধা আর আঁচ নিয়ে, সামান্য পাতায়,


পাবলো নেরুদার ভালবাসার সনেট - ৩১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৮/২০১৪ - ৪:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার অস্থি যে তোমার, প্রিয়তমা,
মহিষী আমার; তোমার মাথায় দখিনা বনের পাতা,
সুগন্ধী ঘাস-মুকুট পরাই; মাটির বোনা দোপাটি ফুল,
সবুজ সম্মান, তোমারই প্রাপ্য।

তোমাকে যে ভালবাসে, সে পুরুষের মত, তুমিও এসেছ
বনভূমি-আপরিসর থেকে। যে মাটি এনেছি আমরা দুজন,
তার ঘ্রাণ আমাদের রক্তে। আমরা দুটি লোকজ মানুষ
নগরে পথ হাঁটি বিভ্রান্ত ধাঁধায়, পৌঁছনোর আগেই বন্ধ না হয় যেন হাট।


পাবলো নেরুদার ভালবাসার সনেট - ২২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৩/০৮/২০১৪ - ১:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভালোবেসেছি তোমায় বহুবার, দেখার আগেই,
মনে পড়েনি তবু একবারও, চিনিনি তো চাহনি তোমার,
কে বা খোঁজে নীলকণ্ঠ ফুল ঝাঁ ঝাঁ দুপুরের রোদে?
গমের সুগন্ধের মত অধরা প্রেম ছিলে তাই।

অথবা আবছায়া ছিলে যেন জুনের ভরা জোছনায়
সুদূর আঙ্গলে, ধরে ছিলে পানপাত্র ঠোঁটের কোনায়,


কার্ল স্যাগানের Pale Blue Dot এর বাংলা অনুবাদ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৭/০৭/২০১৪ - ৩:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]১৯৯০ সাল। ততদিনে কার্ল স্যাগান একজন জীবন্ত কিংবদন্তী। ভয়েজার-১ যখন আমাদের সৌরজগত ছেড়ে আরো বাইরে চলে যাচ্ছিলো, তখন স্যাগান নাসাকে অনুরোধ করলেন, যাতে যাওয়ার আগে পৃথিবীর একটা ছবি তোলা হয় ঐ দূরত্ব থেকে।


ঈশপের গল্প (১১১ - ১১৫)

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৯/০৭/২০১৪ - ৭:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে রচিত ভিনদেশী এই গল্পগুলি স্থান-কালের সীমানা পেরিয়ে আজো আমাদের চেনা জগতের কথা বলে যায়।


অণুসংলাপরম্য - ১

মন মাঝি এর ছবি
লিখেছেন মন মাঝি [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২১/০৬/২০১৪ - ৫:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

- আচ্ছা, এই বাসটা কি ফার্ম গেটে থামে?

- থামে।

- এখান থেকে অনেক দূরে?

- আমার দিকে লক্ষ্য রাখুন। আমাকে যে বাসস্টপে নামতে দেখবেন, তার আগের স্টপে নামলেই হবে।


নোম চমস্কির সাক্ষাৎকার : রাজনীতি

পৃথ্বী এর ছবি
লিখেছেন পৃথ্বী [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৯/০৬/২০১৪ - ১০:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি: