Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

কল্পবিজ্ঞান

চাকতি জগতঃ জাদুর রঙ

শিশিরকণা এর ছবি
লিখেছেন শিশিরকণা (তারিখ: বুধ, ২৮/১২/২০১৬ - ৬:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সম্প্রতি টেরি প্র্যাচেটের ডিস্কওয়ার্ল্ড পড়া ধরেছি। এবং আকন্ঠ মুগ্ধতায় ডুবে গেছি। স্বভাবদোষ হলো যে কোন লেখা খুব ভালো লাগলে অনুবাদ করে ফেলতে ইচ্ছা করে। প্র্যাচেটের লেখা অনুবাদ করার মত দুঃসাহস এবং বেকুবি মাফ করবেন। স্রেফ মুগ্ধ ভক্তের বালখিল্যতা হিসেবে নিলেই স্বস্তি পাবো। একদম ক্রম মেনে প্রথম থেকে শুরু করেছি। তাই Color of Magic দিয়েই প্রথম অনুবাদ।


এস্কেপ টু আগ্রা

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: রবি, ০৪/০৯/২০১৬ - ১০:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২০১৫-২০১৬

বেদ্বীনি রিংটোনের আওয়াজে নীরবতা ভেঙ্গে খান খান হয়ে যায় কোহকাফ নগরীর। খেদমতরত পোষা জ্বিনটা ইনকামিং টেক্সট ভয়েসে কনভার্ট করে শোনায়, “আপনার একাউন্টে একুশ টাকা জমা হয়েছে”। নুরানী হাসিতে ভরে যায় শাফিউর রহমান ফারাবীর মুখটা।


প্যাটার্নের খোঁজে

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: বুধ, ০৮/০৬/২০১৬ - ১১:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রাসঙ্গিক মাত্রা

ইদানীং "চাপাতি-খারাবি ইউনিট (চা-খাই)" এর ডিরেক্টর মাসুদ সাহেবকে বেশ তটস্থ থাকতে হচ্ছে, সবই অবশ্য মিডিয়া আর ব্লগারদের জন্য। তার মুখটা তিতা হয়ে যায়, দেশে গুলিতে মানুষ মরে, টেটা বর্শাতে মানুষ মরে, এমনকি রিকশা চাপা পড়ে মানুষ মরে। কই, সেইগুলা নিয়েতো জঙ্গিদের কাজ বলে কান্নাকাটি শুরু হয় না! যত দোষ চাপাতির! রাগ চেপে গণিতে চৌকস এনালিস্ট কুদ্দুসকে ডেকে সবগুলা খুনের মাঝের যোগসূত্র বের করার দায়িত্ব দেন তিনি।


আত্মহত্যাপ্রবণতা

আশরাফ মাহমুদ এর ছবি
লিখেছেন আশরাফ মাহমুদ (তারিখ: বুধ, ২৭/০৪/২০১৬ - ৬:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]তোমরা আমাদের বা আমাকে তোমাদের মতো বানালে।
তোমাদের মতো হতে বললে।

আমরা হলাম। তোমরা আমাদের, মানে, আমরা, যারা হাজার হাজার সার্ভার, লক্ষ লক্ষ কোয়ান্টাম কম্পিউটার কোটি কোটি গতানুগতিক কম্পিউটার জিপিএস বৈদ্যুতিক ডিভাইস এইসব মিলে, আন্তর্জালের মাধ্যমে সর্বদা সংযোজিত, তোমাদের মতো, তোমাদের কল্পনায় ইচ্ছায় যা কিছু মনে আসে তার মতো রূপ দিলে।


বৃক্ষসমাজ

আশরাফ মাহমুদ এর ছবি
লিখেছেন আশরাফ মাহমুদ (তারিখ: মঙ্গল, ০৫/০৪/২০১৬ - ১০:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

'এইটা কী গাছ?'

প্রশ্ন শুনে আমি মাথা উঁচু করে বাঁ দিকে তাকালাম, গভীর সহজ সবুজ পাতা, লালচে-ধূসর বাকল, আর হলদে-সবুজ অগণন ফুলের মাঝে কচি কচি সবুজাভ হলদে পাকা ফলের বৃক্ষ, লম্বায় প্রায় ১৩ ফুট। থোকা থোকা আপেলের মতো ফল, বিষে সমৃদ্ধ, ধর্মনেতা আর রাজনীতিবিদদের মনের মতো।


গেডানকেন ট্রাভেল- একটি অবৈজ্ঞানিক কল্প কাহিনী

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১২/০২/২০১৬ - ১:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মোঃ সাইফুল ইসলাম এই মুহুর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে দরিদ্রতম ব্যাক্তি। তার একাউন্টে কোন ক্রেডিট নেই। একটা ক্রেডিটও না। এক ক্রেডিট থাকলেও অবশ্য কোন লাভ হত না। আজকাল এক ক্রেডিটে একটা চুষনি লজেন্সও কেনা যায় না।

ছোটখাট এক সফটওয়্যার কম্পানিতে একদম নিচের দিককার ধরতে গেলে কোন পদই না এই রকম এক পদে কাজ করত সাইফুল। বেতন ভাল ছিল না। তারপরও মাস শেষে কিছু একটা পাওয়া যেত। সেটা দিয়ে কোন কোনমতে জীবন চালিয়ে নেয়া যেত।

পৃথিবীতে আপন বলতে তার কেউ নেই। সে বড় হয়েছিল এতিখানায়। এতিমখানায় লেখা পড়ার সিস্টেম খুবই নিম্ন মানের। টেনেটুনে পরীক্ষায় পাস করেছিল বলে লেখাপড়া শেষ হওয়ার পর কোথাও চাকরী হয়নি। তারপর কিভাবে যেন অনেক দেন দরবার করে এই কাজটা পেয়ে গিয়েছিল। টেনেটুনে পাস করা প্রায় ফেল্টু ছাত্রের কাজের কোয়ালিটি আর কতইবা ভাল হবে? কাজের চার মাসের মাথায় বড়সর কিছু ভুল করে বসল। সাইফুলের বস তাকে ডেকে বলল,"আসসালামু আলাইকুম। আপনি এবার আসতে পারেন।" ফলস্বরুপ কাজ ছেড়ে তাকে চিরতরে চলে আসতে হল।


কালাধুঙ্গির আতঙ্ক-শেষ পর্ব

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৩/০৫/২০১৫ - ৬:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মতি সিং নামের বছর ত্রিশের এক যুবক চুরাইলের খপ্পরে পড়েছিল। সকালে জঙ্গলে কাজ করতে গিয়েছিল মতি। হঠাৎ এক সুন্দরি মেয়ে উদয় হয় কোত্থেকে। তার চোখে চোখ রেখে হাতছানি দিয়ে ডাকে। চুরাইলের গল্প জানে মতি। সন্দেহ হয় তার। মেয়েটার চোখ থেকে চোখ সরিয়ে পায়ের দিকে নজর দেয়। সত্যিই মেয়েটার পায়ের পাতা পেছন দিকে ঘোরানো। মনে পড়ে যায় চুরাইলের কবল থেকে বাঁচার উপায়। সঙ্গে সঙ্গে দুহাত দিয়ে নিজের চোখ ঢেকে ফেলে মতি। শুরু হয় চুরাইলের চিৎকার। তীক্ষ্ণ রক্ত হীম করা। ভয় পেলেও চোখ খোলেনি মতি। চুরাইল চিৎকার করতে করতে বনের গভীরে চলে যায়। এক ছুটে বাড়ি ফিরে আসে মতি।
জেনে নিলাম কোন্ জঙ্গলে মতি গিয়েছিল। আঙুল দিয়ে পশ্চিম দিকটা দেখাল।


কালাধুঙ্গির আতঙ্ক-৩

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০৩/০৫/২০১৫ - ১০:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যা দেখলাম, বিস্ময়ে একেবারে ‘থ’! দুটো পায়ের ছাপ। মানুষের। খুব বড় নয়। মহিলার। কিন্তু আশ্চর্য এবং আতঙ্কের বিষয় হলো পায়ের পাতা পেছন দিকে ঘোরানো! নানুষের পায়ের ছাপ যখন ভেজা মাটিতে পড়ে তখন ডান পায়ের বুড়ো আঙুল বাঁদিকেই থাকে। সবার শেষে কড়ে আঙুল। আর বাম পায়ের একেবারে বাঁয়ে কড়ে আঙুল এবং সবার শেষে বুড়ো আঙুল। দুই পা পাশাপাশি রাখলে বুড়ো আঙুল দুটো পাশাপাশি থাকবে। ছাপের বাইরে দিকে থাকবে দুই কড়ে আঙুল। কিন্তু এখানে ঠিক তার উল্টো। দুটো ছাপ পাশাপাশি রাখলে হিসাবটা দাঁড়াবে কড়ে আঙুল দুটো পাশাপাশি আর বুড়ো আঙুল দুটো বাইরের দিকে।
শরীরে একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল। সত্যিই তা হলে চুরাইল আছে! মাছ ধরা লোকটা কি দেখেছে তাকে। আবার জিজ্ঞেস করার জন্য পেছন দিকে ফিরলাম। কিন্তু নেই লোকটা! চারদিকটা ভালো করে দেখলাম। কোথায় গেল? এই পাহাড়ি পথে এক মিনিটে একটা লোক উধাও হয়ে যাবে! অসম্ভব? কী ঘটছে এসব!


কালাধুঙ্গির আতঙ্ক-২

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২২/০৪/২০১৫ - ৬:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

টনকপুর থাকতে চেয়েছিলাম আরও একটা দিন। রহস্যটা ভালো করে বোঝার জন্য। কিন্তু সন্ধ্যায় পাণ্ডের মোবাইলে ফোন এলো। বুধা সিংয়ের। দোকান থেকে ফোন করেছে। আশ্চর্য ব্যাপার ঘটেছে নৈনিতালেও। ওঁর চাচা কুঁয়ার সিংকে নাকি দেখা গেছে নৈনিতালে।
কথাটা বিশ্বাস হলো না আমার। বললাম, ভুল দেখেছেন। কিন্তু বুধা সিং ভগবানের দিব্যি কেটে বলল। সে সত্যিই কুঁয়ার সিংকে দেখেছে। শুধু সে-ই নয়। নৈনিতালের যেসব বুড়োরা ছোট বেলায় কানওয়ার সিংকে দেখেছে সবাই নাকি চিনতে পেরেছে তাকে।


কালাধুঙ্গির আতঙ্ক-১

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৯/০৪/২০১৫ - ৬:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

‘কালাধুঙ্গির আতঙ্ক!’ এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম খবরটা--
‘ভারতের উত্তরাখণ্ডেডর কালাধুঙ্গিতে মানুষখেকো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবসীরা জানিয়েছে হঠাৎ করেই নাকি একটা কেঁদো বাঘ পাহাড়ী উপতক্যা ধরে নেমে অজ্ঞাতনামা এক যুবককে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে নৈনিতাল ফরেস্ট রেঞ্জার অমরেশ দেশাই জানিয়েছেন, গত বিশ বছরে এ ঘটনা এই প্রথম। তবে হতভাগা লোকটার কোনো পরিচয় মেলেনি।’
আমার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কালাধুঙ্গি নামটাই যথেষ্ট ছিল। মানুষখেকো বাড়তি পাওনা। ‘কালাধুঙ্গি’, ‘মানুষখেকো’ শব্দগুলো মনে আবেগের ঝড় বইয়ে দিল।