তারাপ কোয়াস এর ব্লগ

চৈতন্যের মহাসমুদ্র

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৯/২০১৭ - ১:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আফগানিস্তান এর গুহা কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের মাদ্রাসা থেকে নতুন ধর্ম উঠে আসার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তারবদলে এগুলা উঠে আসবে গবেষণাগার থেকে।


চৌম্বক মানব!

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ৩১/১২/২০১৩ - ১০:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটি অনলাইন পত্রিকার এই খবরটি পড়তে যেয়ে একটু থমকে যেয়ে হেসে ফেললাম। তাঁদের 'আন্তর্জাতিক ডেস্ক' এর জনাব কবির হোসেন এর সম্পাদনায় প্রকাশিত সংবাদে একজন 'ম্যাগনেটিক ম্যান' এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে, যিনি ৫৩টি ধাতব চামচ নিজের শরীরের সাথে 'ধারণ' করে নিজের গড়া রেকর্ড ভেঙ্গে নিজেই নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়ছেন। খবরটিতে আপাত দোষের কিছু দেখি না। কিন্তু প্রথম লাইন পড়ে হাসি থামাতে পারলেও শেষের দুই লাইন পড়ে আর হাসি থামাতে পারলাম না!


রাইজ অফ দি ফিনিক্স

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৪/০৮/২০১২ - ৩:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নির্দিষ্ট সময়ের কিছুক্ষণ আগেই সেলফোনে টুংটুং শব্দ। ক্ষুদে বার্তার আগমন। ও জানে কি আছে সেখানে। তাই আর কষ্ট করে পকেট বন্ধী বার্তা দেখার কোন আগ্রহ দেখা যায় না ওর ভেতর। দেরী না করে বাইকের চাবি ঘুরিয়ে গন্তব্য স্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যায়। অনেকদিন থেকেই অপেক্ষা করছে এই দিনটির জন্য।


সৌরজগতে স্বাগতম

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৯/০১/২০১২ - ৯:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজকাল জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা চমকপ্রদ সব কাজ করতে পারেন। ধরুন কেউ যদি চাঁদে যেয়েও ম্যাচের কাঠি জ্বালায়, সেই আলোক শিখাও তারা নির্ণয় করতে পারবেন। অনেক দূরের নক্ষত্রদের সামান্যতম চঞ্চলতা আর টলোমলো গতিবিধি থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তাদের আকৃতি, প্রকৃতি এমনকি আমাদের দৃষ্টিসীমার বাইরে বহুদূরে অবস্থিত গ্রহেরও সম্ভাব্য বসবাস যোগ্যতা নির্ণয় করতে পারেন। এই গ্রহগুলা এতই দুরে যে সেখানে যেতে নভোযানে করে আমাদের ৫ লক্ষ বছর লেগে যাবে। রেডিও টেলিস্কোপের সাহায্যে তারা এত অসম্ভব রকমের মৃদু বিকিরণ গুচ্ছ ধরতে পারেন যে সেই প্রথম থেকে শুরু থেকে(১৯৫১ সাল থেকে) এ পর্যন্ত যত বর্হিঃ সৌরজগতীয় শক্তি তারা সংগ্রহ করেছেন তার মোট পরিমাণ কার্ল সেগান এর ভাষায় "একটা তুষার কণা যে শক্তিতে মাটিতে আঘাত করে তার থেকেও কম"।


কিভাবে একটি মহাবিশ্ব তৈরি করবেন (শেষাংশ)

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৬/১২/২০১১ - ৭:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে সবথেকে বিস্ময়কর হচ্ছে যে শেষ পর্যন্ত সবকিছু কতটা ঠিকঠাক ভাবে ঘটেছে আমাদের জন্য। ধরুন মহাবিশ্ব যখন গঠিত হচ্ছিলো তখন যদি সামান্য একটু অন্যভাবে ঘটতো যেমন অভিকর্ষ যদি ভগ্নাংশ পরিমাণ শক্তিশালী বা দুর্বল হতো, যদি মহাবিশ্বের প্রসারণ সামান্য একটু দ্রুত বা ধীরগতিতে ঘটতো তাহলে হয়তো আপনাকে আমাকে বা আমরা যার উপর দাড়িয়ে আছি তা তৈরির জন্য যে স্থায়ী উপাদান(স্টেবল এলিমেণ্টস) দরকার তাই থাকতো না। অভিকর্ষ যদি কানাকড়ি পরিমাণও শক্তিশালী হতো তাহলে আমাদের এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ড হয়তো চুপসে যেত অনেকটা ভুল ভাবে টাঙ্গানো তাঁবুর মত, নির্ভুল মানের অভাবে যার সঠিক মাত্রা,ঘনত্ব আর গঠনের উপাদানগুলি হতো না। যদি সামান্য দুর্বল হতো, তবে কোনকিছুই সংযুক্ত হতো না, তখন আজীবনের জন্য মহাবিশ্ব হতো নিষ্প্রভ, ইতস্তত ছড়ানো শূন্যতা।


নক্ষত্রলোকে কিছুক্ষণ

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৭/১২/২০১১ - ৯:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাতের আকাশে একটি মাত্র তারকা মণ্ডলকেই চিনতে পারি, কালপুরুষ। বাকি সব মণ্ডল আক্ষরিক অর্থেই মাথার উপর দিয়ে যায়।প্রাচীন পূর্বপুরুষদের কল্পনাশক্তির কথা ভাবি, আকাশের দিকে তাকিয়ে কত ধরনের জীব জন্তু , হাবি জাবি কল্পনা করে সে অনুযায়ী তাদের নামকরণ করে গেছে, নমস্য। তাদের জানা ছিল না আসলে আমরা সবাই ওই তারা থেকেই এসেছি। আক্ষরিক অর্থেই আমরা তারা'র সন্তান। দুর্মুখরা অবশ্য বলে তারার উচ্ছিষ্ট!!


কিভাবে একটি মহাবিশ্ব তৈরি করবেন (ক্রমশ)

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১২/১২/২০১১ - ৯:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অবশ্য এখনো অনেক কিছুই আমরা জানি না এবং অনেক কিছুই যা আমরা জানি বা জানতে পেরেছি তা জানতাম না দীর্ঘ সময় ধরে। এমনকি বিগ ব্যাং এর ধারণাটিও বেশ হাল আমলের। ১৯২০ এর দশকে এই ধারণাটি আলোচনায় আসে যখন এর প্রথম নিরীক্ষামূলক প্রস্তাব করেন এক বেলজিয়াম পণ্ডিত-পাদ্রী জর্জ লেমিত্রার, কিন্তু এটি কসমোলজিতে স্থায়ী আসন পায় ১৯৬০ দশকের মাঝামাঝিতে যখন দুইজন তরুণ রেডিও অ্যাস্ট্রোনোমার, অভূতপূর্ব এবং অনিচ্ছাকৃত এক আবিষ্কার করেন।


কিভাবে একটি মহাবিশ্ব তৈরি করবেন

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/১২/২০১১ - ৫:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আসলে সেখানে কোন অন্ধকার নেই, কোন জায়গা নেই। সিংগুলারিটির চারদিকে কোন কিছু বেষ্টন করে নেই। কোন স্থান নেই যেখানটা এটা দখল করে রয়েছে। কোন জমি এর জন্য বরাদ্দ নেই। এমনকি আমরা জিজ্ঞাসা করতে পারবো না যে কত সময় ধরে সেটা ওখানে ছিল, বা এটা কি কিছু সময় পার হবার পর হঠাৎ করে অস্তিত্ব লাভ করেছে, অথবা এটা কি সেখানে অনন্তকাল ধরে সঠিক সময়ের অপেক্ষায় ছিল। সময়ের অস্তিত্ব ছিল না। কোন অতীত ছিল না যেটা


প্রায় সব কিছুর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০২/১২/২০১১ - ৫:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিগত ৩.৮ বিলিয়ন বছর ধরে আপনি অপ্রীতিকর ভাবে অক্সিজেন ত্যাগ করেছেন আবার নির্বোধের মত এতে আসক্ত হয়েছেন। আপনার পাখনা এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ গজিয়েছে, স্ফূর্তিবাজের মতন ঘুরে বেড়িয়েছেন, ডিম পেড়েছেন, চেরা জিভ দিয়ে বাতাসে ঝাঁকুনি দিয়েছেন, চকচকে এবং নরম হয়েছেন, লোমযুক্ত হয়েছেন, মাটির নিচে বাস করেছেন, গাছে বাস করেছেন, হরিণের মত বড় আবার ইঁদুরের মত ছোট আকৃতির হয়েছেন এবং আরও মিলিওন সংখ্যক জিনিসে পরিবর্তিত হয়েছেন । এ সব বিবর্তনের সময় সামান্যতম বিচ্যুতি ঘটলে হয়তো বর্তমানে আপনি কোন গুহার দেওয়ালে শেওলা চেটে খেতেন অথবা সিন্ধুঘোটকের মত কোন পাথুরে সমুদ্রতীরে অলস ভাবে শুয়ে থাকতেন কিংবা মাথার উপর ছিদ্র দিয়ে হাওয়া ছেড়ে ৬০ ফুট গভীর পানিতে ঝাপ দিতেন কিছু স্যাণ্ডওয়ার্ম খাওয়ার জন্য।


ফুলের সাথে কথোপকথন

তারাপ কোয়াস এর ছবি
লিখেছেন তারাপ কোয়াস [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৮/১১/২০১১ - ১২:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এ দেশটাকে ফুলের দেশ বললে তা মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না। যদিও আয়তনের দিক থেকে ঢাকার সাত ভাগের এক ভাগের চেয়েও কম তারপরেও আপনি প্রায় সব বাড়ির সামনেই বেশ জায়গা নিয়ে করা বাগান দেখতে পাবেন। শুধু বাসা বাড়ির সামনেই নয় পার্কে, বনে-বাদাড়ে দেখা মিলবে হাজারো ফুলের মেলা। বোধকরি ফুলের প্রতি এই ভালবাসাই এ দেশের অধিবাসীদের করেছে কোমল মনের আর সদাহাস্যময়।