[justify]আসলে সেখানে কোন অন্ধকার নেই, কোন জায়গা নেই। সিংগুলারিটির চারদিকে কোন কিছু বেষ্টন করে নেই। কোন স্থান নেই যেখানটা এটা দখল করে রয়েছে। কোন জমি এর জন্য বরাদ্দ নেই। এমনকি আমরা জিজ্ঞাসা করতে পারবো না যে কত সময় ধরে সেটা ওখানে ছিল, বা এটা কি কিছু সময় পার হবার পর হঠাৎ করে অস্তিত্ব লাভ করেছে, অথবা এটা কি সেখানে অনন্তকাল ধরে সঠিক সময়ের অপেক্ষায় ছিল। সময়ের অস্তিত্ব ছিল না। কোন অতীত ছিল না যেটা
এ দেশটাকে ফুলের দেশ বললে তা মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না। যদিও আয়তনের দিক থেকে ঢাকার সাত ভাগের এক ভাগের চেয়েও কম তারপরেও আপনি প্রায় সব বাড়ির সামনেই বেশ জায়গা নিয়ে করা বাগান দেখতে পাবেন। শুধু বাসা বাড়ির সামনেই নয় পার্কে, বনে-বাদাড়ে দেখা মিলবে হাজারো ফুলের মেলা। বোধকরি ফুলের প্রতি এই ভালবাসাই এ দেশের অধিবাসীদের করেছে কোমল মনের আর সদাহাস্যময়।
১. গত ১৭বছরের ইতিহাসে বারমুডায় খতরনাক খরা মৌসুম চলছে। বৃষ্টির দেখা নেই। অভিমানে মেঘ উড়ে উড়ে চলে যায়, বৃষ্টি হয়ে নামে না। উঁচু স্থানে বসবাসকারীদের সকলের পানির ট্যাংক প্রায় শূন্য। চাহিদা মেটাতে পারছেনা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ। গরম অসহ্য। হঠাৎ চারিদিক অন্ধকার করে নেমে এলো বহু প্রতীক্ষিত সেই বৃষ্টি! এক নিমিষে সমস্ত গ্লানি, খেদ সব তাড়িয়ে নিয়ে চলে গেল অতলান্তিক সাগরের গভীরে।
সকালে উঠেই ফেসবুকে ঢু মারি। চারিদিকে সুখী আমেজ। জি.দাসের পেজে 'লাইক' দেয়া আছে। উৎকৃষ্ট কোটেশন গুলা তুলে নিয়ে আসে। চট করে পড়ে নিয়ে আরেকবার দায়সারা 'লাইক' দেই। বন্ধুবান্ধবদের কারও মন খারাপ, কেউ চমৎকার সব ছবি তুলে সবার সাথে ভাগ করে নিচ্ছে, ভেতরে একটু হিংসা ভাব চাড়া দিয়ে উঠলেও তা দমিয়ে লাইক বোতাম খুঁজি দ্রুত।