আজ থেকে ২০ বছর আগেও আমরা জানতাম না যে সূর্য ছাড়া আর কোন তারার গ্রহ রয়েছে। গত শতকের নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তথাকথিত বহির্জাগতিক গ্রহ বা বহির্গ্রহ আবিষ্কৃত হতে শুরু করে। সম্প্রতি কেপলার পৃথিবীর সমান বা তার চেয়ে কিছুটা বড় গ্রহও আবিষ্কার করতে পারছে। আজকের হিসাব অনুযায়ী: আবিষ্কৃত মোট বহির্গ্রহের সংখ্যা ৭২৩। গ্রহ আবিষ্কারের সবচেয়ে কার্যকর এবং তথাপি জনপ্রিয় পদ্ধতি দুটি হচ্ছে অরীয় বেগ (radial vel
সেই ২০০৯ সালের জুলাইয়ে সচলে "আরেকটি পৃথিবী" নামে একটি ধারাবাহিক রচনা শুরু করেছিলাম। আজকে সেটা ঘাঁটতে গিয়ে মনে হল কতদিন পার হয়ে গেছে। যাহোক, দেরি করে হলেও সেই প্রাচীন ধারাবাহিক আবার শুরু করলাম এই লেখার মাধ্যমে। কারণ গতকাল যা ঘটেছে তার পরে সেটি শুরু না করলে অপরাধ হবে। গতকাল নাসা-র এইমস গবেষণা কেন্দ্র পৃথিবীতুল্য আকারের দুটি বহির্গ্রহ আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে। বাসযোগ্য না হলেও এই ঘটনায় যথেষ্ট উৎফুল্ল
সিলেটের "বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী কাউন্সিল" এর সদস্যদের মত নিবেদিত প্রাণ মানুষ আমি খুব কমই দেখেছি। সীমিত সুযোগের মাঝেও তারা যা করছেন সেটা রীতিমত বিস্ময়কর। সমাজে নাস্তিক, সংশয়বাদী, অজ্ঞেয়বাদী, নির্ধর্মী রা আছে এবং তাদেরকে নিজেদের পরিচয়ে প্রকাশ্যেই থাকতে হবে, লুকিয়ে থাকলে কিংবা নিজের চিন্তাধারা লুকিয়ে রাখলে কোন লাভ হবে না- যুক্তিবাদী কাউন্সিলের মাঝে এই চেতনা আছে। হয়তোবা অদূর বা স...
আরেকটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ নেমে এসেছে আমাদের ওপর। ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হাইতির রাজধানী পোর্ট আউ প্রিন্স ও আশপাশের এলাকা। ধারণা করা হচ্ছে লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। মৃতের সংখ্যা ৫ লক্ষ পর্যন্তও হতে পারে, নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। ৩০ লক্ষাধিক মানুষ এখনও ডেঞ্জার জোনে দিনাতিপাত করছে।
এ জীবনে হাইতিকে কখনও হাসতে দেখি নি। অন্য সব অনুন্নত দেশগুলোর মতোই ঈশ্বরের (উ...
আমাদের চেয়েও উন্নত কোন বহির্জাগতিক সভ্যতার সাথে যোগাযোগ হলে তাদের করা প্রথম প্রশ্নটিই হতে পারে, "তোমাদের কিভাবে জন্ম হয়েছে সেটা কি বের করতে পেরেছ?" আর ২০০ বছর আগে হলেও এই প্রশ্ন শুনে আমাদের লজ্জায় পড়ে যেতে হতো। ডারউইন এসে আমাদেরকে রক্ষা করলেন আর কি! ডারউইন-এর আগেও যে অনেকে বিবর্তন নিয়ে তত্ত্ব দেয়ার চেষ্টা করেন নি তা না। কিন্তু তত্ত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে পরিমাণ তথ্য-উপ...
কোন ক্লাস এর বইয়ে যেন আর্মস্ট্রং-অলড্রিন-কলিন্স এর চন্দ্রাভিযানের বর্ণনা পড়েছিলাম। সেখানেই প্রথম "শান্তির সাগর" নামটার সাথে পরিচয়। অ্যাপোলো ১১ চাঁদে "শান্তির সাগর" নামে একটা জায়গায় অবতরণ করেছিল। প্রথমবার পড়ার পর অন্য অনেকের মত আমিও ভেবে বসেছিলাম, এটা বোধহয় পৃথিবীর মত কোন সাগর। কিছুতেই মাথায় ঢুকছিল না, মাটি বাদ দিয়ে নভোযান কেন সমুদ্রের মাঝখানে অবতরণ করবে। সেসব কনফিউশন এর কথা ম...
আজ থেকে চল্লিশ লক্ষ বছর আগে আমাদের পূর্বপুরুষ অস্ট্রালোপিথেকাস অ্যাফারেনসিসরা সূর্যগ্রহণ দেখে অন্য সব পশুপাখির মত ছুটাছুটি শুরু করতো। আজকের বিবর্তিত দিনের ঘটনা সেরকম হবে না। আজ সকালে নীড় থেকে খাবারের সন্ধানে বের হওয়া পাখিগুলো খাবার পেতে না পেতেই আবার নীড়ে ফিরতে বাধ্য হবে। সংশয়ী পাখিরা হয়ত এই আকস্মিক অপচ্ছায়া দেখে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগবে, ছুটোছুটি করতে থাকবে। কিন্তু আমরা স...
এটাকে আসলে "আরেকটি পৃথিবী" সিরিজের দ্বিতীয় পর্ব বলা যায়। তবে প্রথম পর্ব না পড়লেও এটা পড়তে কোন সমস্যা হবে না। অনেক দেরি হয়ে গেছে বিধায় একটা স্বাধীন নাম দিলাম। প্রথম পর্বে বহির্গ্রহ আবিষ্কারের কাহিনী বলেছিলাম। এতে থাকছে বহির্গ্রহ আবিষ্কারের পদ্ধতি। সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতিটার কথা লিখব, এছাড়া আরও অনেক পদ্ধতি আছে।
ছোটবেলায় সাধারণ জ্ঞানের বইয়ে পড়তাম, পৃথিব...
কত বড় হয়ে গেছি। অমাবস্যার রাতে, চিত হয় শুয়ে, আকাশের দিকে মেলে ধরা চোখ দিয়ে দেখা তারাগুলো আমাকে আর বিস্মিত করে না। মাঝেমাঝে তাই খুব আফসোস হয়। আজ থেকে কয়েক সহস্র বছর আগে, যখন খুব ছোট ছিলাম, তখন আকাশ থেকে ধপ করে খসে পড়া একটা আলোকবিন্দু আমাকে বিহ্বল করতো। শতকের পর শতক বিহ্বল হয়ে থাকতাম। আর আজকে আমার বিহ্বলতা ঠাঁই নিয়েছে বুধ গ্রহের কক্ষপথে। নাহ, বুধ গ্রহের ব্যতিক্রমী আচরণ দেখেও তো আর বি...
মূল নিবন্ধ: Murchison’s Amino Acids: Tainted Evidence?
লেখক: Anne M. Rosenthal (অ্যান এম রোজেন্থাল)
অনুবাদ: শিক্ষানবিস
[অনেকদিন ধরে কিছু লেখা হয় না। পরীক্ষার কারণে নতুন কিছু লিখতেও পারছি না। কিন্তু নতুন কিছু শুরু করতে খুব ইচ্ছে করছিল। তাই অনেক আগে করা এই অনুবাদটা দিয়ে দিলাম। নিজের ব্লগে ছিল, কিন্তু আগে কোথাও প্রকাশ করা হয়নি। ভাবলাম, এ নিয়ে কিছু আলোচনা হলে ভালই হবে।]
পৃথিবীর ইতিহাসের একেবারে প্রাথমিক সময়ে এর উপর ঝ...