ঢাকা

মানচিত্রের সন্ধানে ২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২২/০৭/২০১৫ - ২:২৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রেনেল পুনরায় কাজ শুরু করলেন। ৬৭-র গোড়ায় সুখবর এলো,কোম্পানি সার্ভেয়র জেনারেল অব বেঙ্গল পদ সৃষ্টি করে তাঁকে নিযুক্তি দিয়েছে। রেনেলের বয়েস তখন পঁচিশ। মাইনে বাড়লো,তার সঙ্গে পাওয়া গেল চারজন সহকারী সার্ভেয়ার। ভগ্নস্বাস্থ্যের দরুন অসুবিধা হচ্ছিল,ডায়েরি থেকে দেখা যায়,পরিশ্রমসাধ্য কাজগুলির জন্য তিনি সহকারী রিচার্ডসের ওপর ক্রমশ বেশি ভরসা করছেন। ১৭৭১-এ ফিল্ডসার্ভে শেষ হলো,হাজার হাজার স্কেচম্যাপ নিয়ে রেনেল ঢা


ট্রাফিক আইনঃ না মানলে যা ঘটে...

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ৩০/০৬/২০১৫ - ৬:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অফিসে যাওয়া আসার জন্য প্রতিদিন আমাকে কয়েক ঘণ্টার মতো রাস্তায় সময় কাটাতে হয়। মানে রাস্তা কিংবা ফুটপাথ দিয়ে হাঁটতে হয়, রাস্তা পার হতে হয়, ওভারব্রিজে উঠতে হয়, বাসে বসে থাকতে হয়। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সবসময় চেষ্টা করি, যেখানে ওভারব্রিজ আছে সেখানে ব্রিজ দিয়েই রাস্তা পার হতে; ব্রিজ না থাকলে ট্র্যাফিক পুলিশ গাড়ী থামানোর পর রাস্তা পার হতে। আর রাস্তায় নেমে অসচেতন নাগরিকদের কারণে অনেক সময়ই দেখেছি ভয়ংকর ক


নগরী ঢাকা -১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৬/০৬/২০১৫ - ২:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লুই কান বলেছিলেন, “শহর সবসময় অপরিকল্পিত ভাবেই গড়ে ওঠে – তবে আমরা একটা শহরকে নগরে রূপান্তরিত করতে পারি।” এর মানে কিন্তু এই নয় যে অপরিকল্পিতভাবে নগর গড়ে ওঠে না। অপরিকল্পিতভাবেও নগর গড়ে উঠতে পারে। তবে তা শেষ পর্যন্ত ঠিক কতটা বাসযোগ্য থাকে সেটাই প্রশ্ন।


আমার ওড়াউড়ি এবং বৃষ্টি বিলাস!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৫/০৬/২০১৫ - ৬:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি কিন্তু উড়তে পারি!


যাদুর শহর ঢাকা

রিসালাত বারী এর ছবি
লিখেছেন রিসালাত বারী [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৮/০৪/২০১৫ - ৮:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গতকাল সন্ধ্যায় ট্রাস্ট পরিবহনের বাসে মিরপুর যাচ্ছিলাম। এয়ারপোর্ট রোড এবং কচুক্ষেত রোডের সংযোগস্থলে বাসগুলো সুযোগ পেলেই ইউটার্ণ নিয়ে অনেক খানি রাস্তা কমিয়ে ফেলে। নয়তো বনানী ১১ থেকে বাঁক নিয়ে সেই মহাখালি ফ্লাই-ওভারের নিচ থেকে ঘুরে এসে কচুক্ষেতের রাস্তায় ঢুকতে হয়। নিয়ম অনুযায়ী সেটাই করার কথা। গতকাল বাসটা সুযোগ পাওয়ার পরেও যখন ট্রাফিক আইন না ভেঙ্গে সেই মহাখালি দিয়ে ঘুরিয়ে আনতে গেল তখন বাসের প্রতিটা যাত্রী ক্ষেপে উঠলো। এই পরিস্থিতিতে প্রথম আক্রমন করা হয় বাস ড্রাইভার আর কন্ডাক্টরকে। বাংলা ভাষায় সর্বনামের তিনটি রূপ থাকায় মানুষের জন্য রাগ বা ঘৃণা প্রকাশের কাজটি বেশ সহজ। প্রথমে আমরা বাস ড্রাইভারকে আপনি আর কন্ডাক্টরকে তুমি দিয়ে শুরু করি এবং এক সময় রাগ আর ক্ষোভের মাত্রা বাড়াতে দুজন'কেই তুই বলা শুরু করি।


সীমান্তরেখা-৭

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৫/০৩/২০১৫ - ৭:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সপ্তম অধ্যায়
ফাগুন মাসে প্রকৃতি সাজে সবুজের গয়নায়। আমগাছে থোকা থোকা মুকুল, বাতাবি গাছের শাখায় কচি পাতা আর সাদা ফুলের মেলা। মন পাগল করা গন্ধ সে ফুলের। পিটালি গাছে এসেছে ছোট ছোট গুটি। কুল গাছে টসটসে পাকা কুল। কাঠ বিড়ালি আর পাখিদের আনাগোনা। বসন্তের স্বচ্ছ বাতাস ধোয়া শুভদিনে সবেদ আলির ঘর আলো করে এল ফুটফুটে এক ছেলে সন্তান। বংশের প্রদীপ। বেড়ে গেছে হুরমতির কদর। ছমিরন বিবি ভয়ে ভয়ে থাকে কখন কোন অপরাধ ধরা পড়ে।
সদ্যজাত বংশধরকে নিয়েও আহ্লাদের অন্ত নেই সবেদ আর হুরমতির। ছেলেটা একটু চোখ ফুলিয়ে কাঁদতে আরম্ভ করলে ব্যস্ত হয়ে পড়ে সমিরন। পিঁপড়েয় কামড়াল, মাছিতে জ্বালাতন করছেথ-- ছমিরনকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হয়। পাখা দিয়ে বাতাস করতে হয়। সামান্য শব্দে কেঁপে ওঠে ছোট্ট বুকটা-- সেদিকেও খেয়াল রাখতে হয় ছমিরনকে, ঠোঁট ফোলানোর আগেই বুকে থাবা দিয়ে নিবৃত করতে হয়।


এই টিএসসি, হায় টিএসসি!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৮/০২/২০১৫ - ৪:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গতকাল রাতে রকমারিতে বিভিন্ন লেখকদের বইয়ের তালিকা ঘাঁটছিলাম আর ঠিক করছিলাম যে কী কী বই কেনা যায় বইমেলা থেকে। কিন্তু লেখক বাছাই করতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছিলাম কারণ বাংলাদেশে আমার প্রিয় লেখকদের তালিকাটা খুব বেশী বড় না। আর তাঁদের বই আগেই কেনা হয়ে গেছে। হঠাৎ মনে এল একজনের নাম। তার একটা বই আমি বড় ভাইকে দিয়ে কিনিয়েছিলাম বইমেলা থেকে বছর ছয়েক আগে। বইয়ের নাম “বিবর্তনের পথ ধরে”। লেখিকার নাম বন্যা আহমেদ। বাং


রিভিউ: চিৎকারের চিৎকার

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি
লিখেছেন এস এম মাহবুব মুর্শেদ (তারিখ: শুক্র, ২০/০২/২০১৫ - ১২:২০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সচলায়তনে সুবোধ অবোধ নামের আড়ালে লেখে রাব্বি নামের ছেলেটা। সেই সাথে একটা ব্যান্ডের সাথে গিটারিস্ট হিসেবে গিটার বাজায়। গত ডিসেম্বর বাংলাদেশ যাবার পর দেখা করবে জানালো। ঢাকার বাইরের এক হাসপাতালে ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে রোগী দেখে ফেরার পথে একদিন আমার বাসার কাছে চলে আসলো। একটা খাবার দোকানে বসে ওদের নতুন গান গুলো শোনালো। ওদের তিনটে গান আগেই শোনা ছিলো। আরো কিছু নতুন গান শুনলাম সেদিন। ওদের গানগুলোর ভক্ত আমি শুরু থেকেই।


আমাদের ক্লাসের সবচেয়ে নির্বিরোধী ছেলেটির নাম ইয়াসির

রকিবুল ইসলাম কমল এর ছবি
লিখেছেন রকিবুল ইসলাম কমল [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৫/০১/২০১৫ - ১:০৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]১।
বাসায় ফিরে রাতে অনলাইনে পত্রিকা পড়ছিলাম। আমার এখানে রাত হলেও দেশে এখন ভোর সকাল। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পত্রিকায় এত বেশি নৃশংসতা যে, দেশটাকে ইদানিং যুদ্ধক্ষেত্র মনে হয়। অমানুষের দল আজকে আবার একটি বাসে পেট্রল বোমা মেরেছে। এবারের ঘটনা যাত্রাবাড়ীতে। সে বোমায় ২৮ জন আগুনে পুড়ে গেছে। তাদের মুখ, শরীরের চামড়া, শ্বাসনালী ঝলসে গেছে। পত্রিকার পাতায় বীভৎস ছবি গুলোর বিভিন্ন জায়গা ঝাপসা করে দেয়া আছে। তবু ছবি গুলোর দিকে তাকাতে পাড়ি না। আগুনে পুড়িয়ে দেয়া মানুষের ছবি দেখার মত সাহস আমার নেই। তাই ছবি গুলো এড়িয়ে কোন রকমে খবরটা শুধু পড়ি। যাত্রাবাড়ী নামটা শুনে বুকটা দুরুদুরু করে কাঁপছিলো। এখানে আমার ভাই-বোন-বন্ধু-আত্মীয়-স্বজনরা থাকে। এই এলাকার রাস্তা দিয়ে তাদের প্রতিদিন আসা যাওয়া.....


"হত্যাযজ্ঞের পেছনে সিআইএ'র অশুভ হাত?" - দৈনিক বাংলা, জানুয়ারী ২, ১৯৭২

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: বিষ্যুদ, ২২/০১/২০১৫ - ৭:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই খবরটি দৈনিক বাংলায় এসেছিল ১৯৭২ সালের দোসরা জানুয়ারী। বিজয়ের পরপর জেনারেল রাও ফরমান আলীর ডেস্ক ডায়রী সরকারের লোকজনের হাতে আসে। রাও ফরমান আলী হল সেই পাকিস্তানী সামরিক কর্মকর্তা যে শহীদ বুদ্ধিজীবি হত্যার পরিকল্পনা সাজিয়েছিল। বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পনা যে সাময়িকভাবে কিছুটা সফল হয়েছে তার প্রমাণ হল দেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক প্রথম আলোর [url=http://www.prothom-alo.com/opinion/article/4294