Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ঢাকা

শহর তোকে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/০১/২০১৩ - ১:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই কংক্রিটের ঢিপিগুলোতে নিজেকে অস্তিত্বহীন মনে হয়। যেই না পথে পা বাড়ানো হয়, একটা অনুভূতি হয়। পথটা বুক পেতে দিয়েছে। দালানগুলো শোষক শ্রেণী; নিষ্ঠুর রাজা। আর পথগুলো প্রজা। খানাখন্দে জল নিয়ে যেন মলিন কাপড়ে দাঁড়িয়ে আছে শত শত গলি। মনটা বরাবরের মতই ধুলোমাখা কিন্তু সরল সোজা। কপট রাজার সাথে প্রজার এটাই পার্থক্য।


ব্যাগ

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: বিষ্যুদ, ২২/১১/২০১২ - ৯:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


হে' নিয়ে যত হাউকাউ

রেজওয়ান এর ছবি
লিখেছেন রেজওয়ান (তারিখ: সোম, ১৯/১১/২০১২ - ২:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হে' কি ও কেন?

বিলেতি ফেস্টিভ্যাল ডিরেক্টর পিটার ফ্লোরেন্স তার বাবা নর্মান ফ্লোরেন্সকে নিয়ে ১৯৮৮ সালে প্রথম হে' ফেস্টিভ্যাল শুরু করেন ওয়েলশ এর হে অন ওয়েই শহরে যা বইয়ের শহর নামে পরিচিত। এই ছোট শহরে ত্রিশটিরও বেশী বইয়ের দোকান আছে যাতে নতুন ও পুরোনো বই বিক্রি হয়। হে' ফেস্টিভ্যাল নামক সাহিত্য উৎসব জুন মাসে দশদিন ধরে চলে এবং বর্তমানে দ্যা ডেইলি টেলিগ্রাফের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিবছর প্রায় ৮০০০০ লোকের সমাগম হয় এই উৎসবে। পিটার আরও বহু শহরে এই উৎসবকে নিয়ে গেছেন যার মধ্যে নাইরোবি, ইস্তাম্বুল, বুদাপেস্ট, থিরুভানান্থাপুরাম, বেলফাস্ট ও ঢাকা উল্লেখযোগ্য।


প্রোগ্রামারের ডায়েরীঃ বৃষ্টিবন্দী

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৪/১১/২০১২ - ১১:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বৃষ্টি পড়তে পড়তে পড়তে পড়তে বিলের পানি বাড়ির পেছনের টিন ছুঁয়েছে। বৃষ্টির অবিরত ফোঁটায় বাঁকা টিনের গায়ে নাচছে পানি। আমার পাঁচ বছর বয়সী বুবু খুব হিসাবনিকাশ করে অ্যালুমিনিয়ামের খেলনা হাড়িপাতিলগুলো ছুঁড়ে মারছে পানিতে। দুলতে দুলতে হাড়িগুলো সারি বেঁধে চলে যাচ্ছে অজানার দিকে। আমি মুগ্ধ দৃষ্টিতে একবার বুবুকে দেখছি একবার খেলনা গুলোকে।


এই মৃত পাখি কীট -প্রজাপতি রাঙা মেঘ -সাপের আঁধার মুখে ফড়িঙের জোনাকির নীড়

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৯/০৯/২০১২ - ১০:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মন ভালো লাগছেনা।
কত কিছু যে আসছে মনে। ভাসছে মনে। অবশ্য এই ভাসন্ত কথাগুলির একটাও ভালো কথা না। নাহয় নিশ্চয়ই লিখতাম না যে মন ভালো নেই!

আমি সামনে শুধুই অনিশ্চয়তা দেখছি। ভাবছো তোমার নিশ্চয়তায় ভরসা রাখছিনা কেন।রাখছি, আর রাখছি বলেই যেসব অনিশ্চয়তায় বর্তমানে বসবাস করছি তা নিয়ে শুধু 'মন খারাপ লাগছে' বলার মত বিলাসী শব্দ ব্যবহার করতে পারছি।


আ স্ট্রেনজার ইন মাই ওন কান্ট্রি ইস্ট পাকিস্তান, ১৯৬৯-১৯৭১ মেজর জেনারেল (অবঃ) খাদিম হুসেইন রাজা -- ৪র্থ পর্ব

মূর্তালা রামাত এর ছবি
লিখেছেন মূর্তালা রামাত (তারিখ: বুধ, ২৯/০৮/২০১২ - ১০:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৪র্থ পর্ব
৭০ এর নির্বাচনের ভূমিকা

১৯৬৯ সালের অক্টোবর মাসের মাঝামাঝিতে আমি মেজর জেনারেল মুজাফফরউদ্দীন এর স্থলাভিষিক্ত হবার জন্য ঢাকায় রওনা হলাম। আমার এই নতুন পদের সাথে আমাকে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান অঞ্চলের দায়িত্বও গ্রহণ করতে হবে।


ঢাকা এখন ফাঁকা

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ এর ছবি
লিখেছেন প্রোফেসর হিজিবিজবিজ [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৮/০৮/২০১২ - ১২:৪৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার ছোটছেলেটা (বয়স ৪ মাস) ক্লাবফুটেড (এর বাংলা জানিনা)। চিকিৎসা চলছে। প্রতি শুক্রবার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রীনরোডে নিয়ে যাই। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের কথা জানি না, শুক্রবারের সকালে বোধহয় রাস্তাঘাট একটু ফাঁকা থাকে। সকাল ৯টা- সোয়া ৯টার দিকে রওনা দিলে মোটামুটি ৪৫ মিনিটে পৌঁছে যাই। গুলশান গোল চত্বর, সাতরাস্তা, সোনারগাঁও এর মোড় আর পান্থপথ-গ্রীনরোড মোড় ছাড়া জ্যাম পাই না সাধারনত:।


সাইকেল কাহিনী-৩

নীলকান্ত এর ছবি
লিখেছেন নীলকান্ত (তারিখ: বুধ, ২৫/০৭/২০১২ - ৪:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সাইকেল চালাতে চালাতে অনেক কিছু মাথায় আসে। দুনিয়ার সবকিছু মনে হয়...অনেক বেশি ...

"উল্টোপুরাণ

প্রমোশন হয়েছে।আগের তিন বারের মত এবারও হলো।

কাজ করবার পরিবেশ ভাল। সবাই সবসময় সহায়তা করে। বিধবা হিসেবে সবাই অন্য চোখে দেখে না।
উর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রতিদিন প্রশংসা করেন, উৎসাহ দেয়।
আমার আত্মহত্যা করবার ইচ্ছা হয় না। জীবন যখন এত ভাল, কারই বা ইচ্ছা হয় বলুন?