সুমাদ্রী এর ব্লগ

ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: শুক্র, ১৫/০৮/২০১৪ - ২:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিশ্রী একটা অনুভূতির বোঝা হঠাৎ চেপে বসে যখন ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি শহরটাকে ভিজিয়ে দেয় বিকেলের খানিক পর। মানুষগুলো তখন অসম্ভব ধন্দে পড়ে যায় আর একটু একটু করে রাস্তাগুলোয় জমে উঠে জঘণ্য কালো কাদা। এই ষোল তলা দালান থেকে দেখা যায় অদূরে ঝাপসা আরেকটা শহর। আসলে ঠিক অন্য শহর নয়, এ শহরেরই উপকন্ঠ। ক্লাসের দিকে এগুবো বলে যেই নীচে নেমে এসেছি, খেয়াল হল আমার বাদামী-সাদা প্যান্ট। সুতরাং পুরোটা এলিফ্যান্ট রোড আমি হেঁটে


সবুজের বুকে সূর্য্যটা পেতে চেয়েছিলাম

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: সোম, ১৬/১২/২০১৩ - ৯:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চাঁদ কিংবা তারা চাইনি, চেয়েছিলাম সূর্যটাকে
যার আলোয় সারা পৃথিবীটা রঙে ভরে উঠে
প্রতিদিনই আসে যে সমস্ত আঁধারের বাধাকে তুড়িতে উড়িয়ে দিয়ে
চেয়েছিলাম সূর্যটাকেই কেননা তার আলোর ঔজ্জ্বল্যে
নিভে যায় সমস্ত চন্দ্র-তারা দিকবিদিক।
যে কোমল সবুজটা
গায়ে মেখে রাখে ঘাস, ক্ষেত, পুকুরের জল, অনিঃশেষ বনানী
তার মাঝখানেই সূর্যটা জ্বলজ্বল করুক,
চেয়েছি সবুজটা জেগে থাকুক ঊজ্জ্বল রৌদ্রে


সায়র

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: রবি, ১৫/১২/২০১৩ - ৪:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দরজা খুলল সুচরিতা, জয়ন্তের আগেই আজ বাসায় এসে পৌঁছেছে সে। দু’জনের কাছেই দু’টো চাবি থাকে, যদিও বাড়িওয়ালা তাদের একটিই চাবি দিয়েছিল বাসা ভাড়া নেয়ার সময়। তখন অবশ্য সুচরিতার চাকরীটা হয়নি। প্রথম দিকে চাবি একটা থাকায় বেশ অসুবিধা হত সুচরিতার, জয়ন্ত’র আগেই কখনও কখনও অফিস শেষ করে তিনতলা ভেঙ্গে বাসায় এসে সিঁড়ির উপর বসে থাকতে হত ওকে। জয়ন্ত না আসা পর্যন্ত কারও বাসায় গিয়ে যে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে আসবে সে ইচ্ছেটুকু


অধমের আমেরিকা ভ্রমণঃ ৩ ( ভাতৃত্বের ভালবাসার শহর ফিলাডেলফিয়া)

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: সোম, ১১/১১/২০১৩ - ১২:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

DSC_1255 (3)


অধমের আমেরিকা ভ্রমণঃ ২( ক্যাসিনোর শহর)

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: রবি, ০৩/১১/২০১৩ - ৮:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

DSC_1114


অধমের আমেরিকা ভ্রমণঃ ১ ( প্রাক-কথন)

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: বুধ, ৩০/১০/২০১৩ - ৬:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার জন্ম-শহরের একপাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সুন্দর নদীটির নাম কর্ণফুলি। নদীটির উপর আমার কৈশোরবেলায় দু’টি সেতু ছিল। বোয়ালখালি যেতে হলে পেরোতে হত দূর পথে ঘুরে ‘কালুরঘাট’ আর ‘পটিয়া’ বা ‘আনোয়ারা’ যেতে চাইলে কাছের ‘শাহ আমানত সেতু’। দ্বিতীয় সেতুটা একবার ভয়ংকর একটা ঝড়ের রাতে ভেঙ্গে দু’ভাগ হয়ে যাওয়ার পর মানুষ নদীর ঐ অংশটা নৌকায় পার হত। আমরা বিকেল হলেই তখন পাথরঘাটা থেকে হাঁটতে হাঁটতে চাক্তাইয়ের শুটকী পট্টির ভেতর


নক্ষত্রের মৃত্যু হয়, আলো থেকে যায়...

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: শুক্র, ২৫/১০/২০১৩ - ২:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মৃত্যু হলেও মানুষ বেঁচে থাকে,
সাদা কাগজে
পেন্সিলে লেখা শব্দ ইরেজারে মুছলেও যেমন সে থেকে যায়।
অনেক দিন পর বাড়ি ফিরে গেলে দেখি কুপিবাতি নেই আর
আলো নিভে গেছে তার কোন বাতাসে
তবু দেয়ালে সে রেখে গেছে কালো দাগ।
মানুষের মৃত্যু ঘটে গেলেও গান রয়ে যায় হৃদয়ে
বহুদিন পর মরুভূমিতে বৃষ্টি হলে মনে হয়
পৃথিবীতে বর্ষা কোনদিন ফুরোয় না।


স্মৃতিকাতর হলে

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: রবি, ১৩/১০/২০১৩ - ৯:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্মৃতিকাতর হলেও খুব যে অসুখী আমি এমন নয়,
যে শহরের গন্ধ বিশ বছর গায়ে মেখেছি,
যে বড় নদীটাকে ক্রমশঃ সরু হয়ে যেতে দেখেছি
যে ভোরগুলো হাজার শব্দ নিয়ে জেগে উঠে
অলিগলিগলিসন্ধির ভেতর হারিয়ে গিয়ে দুপুর বিকেল রাত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ত
যে বন্ধুদের ডাক হৃদয়ের গোপন দরজার চাবির মত কাজ করত
আজকাল তাদের আর আশেপাশে দেখিনা বলে খুব যে অসুখ করে আমার এমন নয়,
যে শহরের আকাশে শুধু কাক আর চিল ওড়ে সেখানে থাকি না বলে


ঘুড়ি

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: রবি, ২২/০৯/২০১৩ - ১১:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এখনও নদী নীল তবে নির্জন নয়,
ব্রীজে সারাদিন ছিপ ফেলে দাঁড়িয়ে থাকে সূর্যচশমা পড়া মানুষগুলো,
দেখি বনের ভেতরে হেঁটে যায় চুপিসারে পাখিশিকারীর দল,
এখনও হত্যা অবসরের নির্দোষ ক্রীড়া,
রক্ত রক্তে এখনও অফুরান আনন্দ নিয়ে আসে।
আকাশে চীনা জাপানি ঊচ্ছ্বল ঘুড়ি উড়ে বিচিত্র ড্রাগনের সাজে,
আমার একরঙা ঘুড়ি তাদের ভীড়ে হারিয়ে যায়, গোত্তা খায় ঘুরে ঘুরে,
ক্লান্ত হয়ে এলে আমরা দুজন