Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

দেশচিন্তা

থাবা বাবা আর আমি

ইয়ামেন এর ছবি
লিখেছেন ইয়ামেন [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ৩০/১২/২০১৫ - ১০:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাজীব হায়দারকে ব্যক্তিগতভাবে চিনতাম না। এমনকি তার কোন লেখাও আমার কখনও পড়া হয়নি তার মৃত্যুর আগে। কিন্তু একটা অপরিচিত মানুষ কারো জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে, তার সবচেয়ে বড় উদহারন আমার কাছে এই রাজীব হায়দার।


প্রধানমন্ত্রী, দেয়ালের লেখা পড়ুন!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১৮/১২/২০১৫ - ৭:০৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত ৪১ বছরে পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক বাংলাদেশের জন্যে ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই বয়ে আনেনি। পাকিস্তান বাংলাদেশের অস্তিত্ব মনে প্রাণে অস্বীকার ক’রে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে কেবলমাত্র এদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র কার্যক্রম চালিয়ে যাবার সহায়তার প্রয়োজনে। তার বহুবিধ প্রমাণ ৭৫ থেকে আজ অবধি আমরা দেখেছি।


বিজয় দিবসের পিকনিক, স্বাধীনতা দিবসের ওয়াজ মাহফিল

আনু-আল হক এর ছবি
লিখেছেন আনু-আল হক [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৬/১২/২০১৫ - ৩:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে যেসব দেশের পথচলা শুরু, সেসব দেশের মানুষের কাছে স্বাধীনতা এবং বিজয় দিবস ভিন্ন অনুরণন নিয়ে আসে, প্রতিবছর। এটাও হয়ত সত্য যে সবাই সেসব উদযাপন করেন না, বা করলেও ভিন্নভাবে করেন, বা উদযাপন না করার পেছনে ব্যক্তিগত (ইমার্জেন্সি) কারণ থাকে। কিন্তু নিজে(রা) উদযাপন না করলেও বাকিদের উদযাপনে বাধা হয়ে দাঁড়ান বলে মনে হয় না। আমাদের দেশে জেনে না-জেনে আমরা সেটাই করি, খুব সুক্ষ্মভাবে।


খেলার সঙ্গে রাজনীতি মেশানো বিষয়ক

নজরুল ইসলাম এর ছবি
লিখেছেন নজরুল ইসলাম (তারিখ: মঙ্গল, ০৮/১২/২০১৫ - ৯:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সম্প্রতি সবাই যে দাবী তুলছেন পাকিস্তানের সঙ্গে সবরকম কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার। জাতীয় দৈনিকেও লেখালেখি হচ্ছে, মিটিং সেমিনারে আলোচনা হচ্ছে। সেই দাবী আমরা করে আসছি আরো অনেক আগে থেকে। দুই বছর আগে এই দাবী তুলে ব্লগ লিখেছিলাম। কোনো কাজ হয় নাই।


আট বছর পরে আজ

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি
লিখেছেন শাহেনশাহ সিমন (তারিখ: রবি, ২২/১১/২০১৫ - ১:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আট বছর আগে একদিন হুট করেই একটা কাজ শুরু করেছিলাম। দ্রুতই তিন ধরনের তিন চাকুরি, সময়ের প্রয়োজনে নিজেকে ভিন্নভিন্নভাবে তৈরী করা, অনভ্যস্থতা, ভুল করা, বিরক্তি- সে সময়ের এক মাত্র ‘বিনোদন’ ছিল রাতভর বিভিন্ন ব্লগে কমেন্ট। রাতভর কীবোর্ডে ঝড় তুলে তারপর সকালে ঘুম ঘুম চোখে অফিস, সেখানে কফির পর কফি পান সটান থাকার জন্য। সেই অনুভূতিকে আরেকটু বাড়ানো গেলো রাস্তায় স্টিকার লাগিয়ে। সচলের কয়েকজন মিলে চাঁদা তুলে স্টিক


সাম্প্রদায়িক বিভাজন ও বামাতী প্রোপাগান্ডার স্বরুপ।

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৩/১১/২০১৫ - ১১:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যারা বলছে বিভেদ তৈরির দায়ভার প্রগতিশীলদের উপরে তারা মূলত বামাতী। এই বামাতীরা প্রতিটা হত্যাকাণ্ডের পরে প্রথম যে প্রশ্নটি প্রচার করে "মুসলিম জঙ্গিরা যে খুন করেছে তা আপনি কিভাবে বুঝলেন?


মানুষের পৃথিবীতে মানুষের জয় হোক

মাসুদ সজীব এর ছবি
লিখেছেন মাসুদ সজীব [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০১/১১/২০১৫ - ৫:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কেমন আছে বাংলাদেশ এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এখন খুব কঠিন কিছু না। চারিদিক থেকে ঘনিয়ে আসা অন্ধকার ক্রমশ ঘিরে আসছে বাংলাদেশে এ কথা আমরা সবাই জানি। না ভুল বললাম, সবাই জানি না, ধর্মান্ধতা আর জঙ্গিবাদের বিস্তারের চেয়ে ও উন্নয়ন যাদের কাছে বড় কথা, জিডিপি আর চ্যাম্পিয়ান অব আর্থ পুরষ্কার পাওয়াটা বড় অর্জন মনে করে যারা, তাদের কাছে বাংলাদেশ ভালো আছে, ভীষন ভালো আছে। শুধু রাজনীতি বিশ্বাসে দলান্ধ মানুষ না, মূল ধার


ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ঠেকাতে চেয়ে পাল্টা ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি করা আওয়ামী লীগের একটি ঐতিহাসিক ভুল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০১/১১/২০১৫ - ২:০৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রগতিশীলদের মধ্যে আমরা যারা সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সাথে যুক্ত নই, বা কখনও মাঠ পর্যায়ের রাজনীতি করিনি তাদেরও কিন্তু একটা রাজনৈতিক চেতনা আছে। এই চেতনা কখনও আওয়ামী লীগের অনেক উদ্যোগকে সমর্থন করে, কখনও বাম উদ্যোগকে সমর্থন করে। আবার এই দুই পক্ষেরই নানা কাজের সমালোচনাও করে। কিন্তু একটা ব্যাপারে আমাদের সবার মিল এখানে যে, আমরা ধর্মান্ধতা, অন্ধকারের বিরুদ্ধে কথা বলি, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও চাই। পার্টিজান অবস্


"...নামটা ভুলে গেছি"

ইয়ামেন এর ছবি
লিখেছেন ইয়ামেন [অতিথি] (তারিখ: শনি, ৩১/১০/২০১৫ - ১০:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সকালে ঘুম থেকে উঠতেই ফেবুতে দেখলাম খবরটা। হতবিহবলভাবে টিভি খুললাম, চ্যানেল ঘুরিয়ে সময় টিভিতে গেলাম। দেখলাম একটা টক শো শুরু হচ্ছে, গুরুগম্ভীর মধ্যবয়স্ক সঞ্চালক বসে আছেন তিনজন একইরকম গম্ভীর অতিথিকে নিয়ে। পিছনের স্ক্রিনে এখন পর্যন্ত মৃত সব ব্লগারদের ছবি। বুঝলাম আজকের হামলা নিয়ে আলোচনা হবে।


২০০১ সালের দুর্গাপূজা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২১/১০/২০১৫ - ৫:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুর্গাপূজা বাঙ্গালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব।

২০০১ সালেও দুর্গাপূজা এসেছিল এই জনপদে। সেবার মহালয়া ছিল অক্টোবরের ১৭ তারিখ, সোমবার। ২২ তারিখ ষষ্ঠী পূজার মাধ্যমে পূজা শুরু আর ২৬ অক্টোবর শুক্রবারে বিসর্জনের মাধ্যমে পূজা শেষ।