Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

রান্নাবান্না

কামারু-সংক্রান্তি কাব্য

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৪/০৪/২০১৫ - ১২:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যদি আজকেই প্রকাশিত হয় তাহলে চৈত্র সংক্রান্তির শুভেচ্ছা দেঁতো হাসি

আর নইলে একটি কামারুজ্জামানমুক্ত নতুন বছরের শুভেচ্ছা শয়তানী হাসি


বাঙালির চা-পান

দিগন্ত চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন দিগন্ত চৌধুরী [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৫/০১/২০১৫ - ৬:৩২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চা : পুরাণ থেকে ইতিহাসে


চিরকুমারদের জন্য রান্নাবান্না ১০১

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: সোম, ১৮/০৮/২০১৪ - ৪:২২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চিরকুমারদের বা চিরকুমারীদের যে হাতের কাজটি শিখতেই হয়, তা হচ্ছে রান্নাবান্না। এইটা না শিখলে, সুরাঁধুনী কেউ এসে আপনার কুমারত্ব বা কুমারীত্ব হরণ করে নিতে পারে। সেই পরিণতি এড়াতেই এই টিউটোরিয়াল।


রেসিপি - রোটিসেরি চিকেন ভাজি

সাফি এর ছবি
লিখেছেন সাফি (তারিখ: বুধ, ১৪/০৫/২০১৪ - ১:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমেরিকার বড় বড় সুপারমার্কেটগুলোর দোকানে লোক টানার একটা জনপ্রিয় আইটেম হলো রোটিসেরি চিকেন। জিনিসটা আর কিছুইনা আমাদের দেশের মুরগীর গ্রিল। মার্কেটের ডেলি অংশে গেলে বড় বাক্সের মধ্যে যদি মুরগীকে শিঁকে গাঁথা অবস্থায় ঘুরতে দেখেন, তাহলেই বুঝলেন আপনি পাইলেন তাহাকে পাইলেন। এদের সবখানেই পাওয়া যায়, ওয়ালমার্ট হোক, ক্রোগার হোক কিংবা কস্টকো/স্যাম্স ক্লাব। দোকানে লোক আনার বঁড়শি হিসেবে এই জিনিস অতুলনীয় কারণ, এরকম (


আনাড়ির সসেজপেঁয়াজা

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি
লিখেছেন যাযাবর ব্যাকপ্যাকার (তারিখ: মঙ্গল, ১৩/০৫/২০১৪ - ১:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পেমের কোবতে অনুবাদ করে বেলাইনে চলে গিয়েছিলাম, লাইনে আসার জন্যে খুন-জখম গল্প অনুবাদ করছিলাম অ্যাজ প্রমিজড। কিন্তু ক্ষুধা লাগলে আমার আর মাথা কাজ করে না, ফ্রিজ খুলে দেখি ভাত আছে, কিন্তু সাথে আর কিছু নাই, কিছু পুরানো সসেজ ছাড়া। তাই আনাড়ি এখন সসেজ রান্না করে ঠাইসসা ভাত খায়। খুন-জখম পড়বার আগে পেট ভরে সবাই ভাত খান। আর সেই জন্যে আনাড়ি রাঁধুনিদের উপযোগী সসেজপেঁয়াজা রন্ধন প্রণালী পোস্ট দেই। আনাড়িদের জন্যে আশ্বাসের কথা হলো, এইখানে খুবই কম উপকরণ ব্যবহৃত হয়েছে। এবং পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আধা ঘণ্টাও লাগে নাই।


সচিত্র ভাপা পিঠা রহস্য

ধুসর গোধূলি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর গোধূলি (তারিখ: মঙ্গল, ১৮/০২/২০১৪ - ২:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অ্যাবস্ট্রাক্টঃ স্বদেশ ছেড়ে মরার দেশে পড়ে থাকা পোড়া কপাইল্যা বলে একটা বিশেষ যে প্রজাতি আছে, তাদের মধ্যে অমাবস্যা-পূণ্যিমায় তথা চান্দে চান্দে বিবিধ ফান্দে পতনের কথা ছন্দে ছন্দে মাথার নানান রন্ধ্রে রন্ধ্রে জানান দিয়া থাকে। এমনতর শত শত ফান্দোপাদানের মাঝে শ্রদ্ধেয় শ্রীমতি ভাপা পিঠা অন্যতম। বিগত দশটি বৎসর যাবত এই শ্রীমতির ভাজ খুলে, আনন্দ দেখে, প্রেমের তর্জমা করার নিমিত্তে বহু দিনমানরজনী অতবাহিত হয়েছে। অবশেষে হপ্তাব্যাপি যথেষ্ট হাদুমপাদুম প্রদর্শনের পর বিগত শেষ রজনীতে তন্দ্রাযোগে পাওয়া সিস্টেমে শ্রীমতি ভাপা পিঠার চুনরি ম্যায় দাগ লাগানোর উপায় খুঁজে পেয়েছি। তার চোলি কে পিছে ক্যায়া হ্যায়, সে রহস্য উদ্ঘাটনে সক্ষম হয়েছি। তারই মহিমান্বিত বয়ান হবে আজকের মাহফিলে। সবাই বলেন আমিন।


ছবি ব্লগ : কলোরাডো পিঠা উৎসব

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি
লিখেছেন প্রকৃতিপ্রেমিক (তারিখ: সোম, ২৩/১২/২০১৩ - ৯:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ডিসেম্বর ২২, ২০১৩

কলোরাডো বাংলাদেশী কমিউনিটিতে হয়ে গেল পিঠা উৎসব। জেবীন ভাবীর আয়োজনে তাঁর বাসায় অনুষ্ঠিত পিঠা উৎসবে পরিবেশিত হয় হরেক রকমের বাংলাদেশী পিঠা। এ নিয়ে আজকের ছবি ব্লগ। আমি ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাই সেসব ভাবীদের যাঁরা তাঁদের শ্রম, মেধা ও সময় ব্যয় করে এ আয়োজনকে সফল করেছেন। উল্লেখ্য যে পিঠার বাইরেও আরো অসংখ্য পদের খাবারের আয়োজন ছিল। পিঠা উৎসবকে ফোকাসে রাখতে সেগুলোর ছবি দেয়া হলো না।


সরল রেসিপি পোস্ট – তাউক হাসলামা

কৌস্তুভ এর ছবি
লিখেছেন কৌস্তুভ (তারিখ: রবি, ০১/০৯/২০১৩ - ৭:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


আমাদের ল্যাবের টার্কিশ খুকির থেকে একটি সরল কিন্তু উপাদেয় চিকেন স্যুপের রেসিপি জোগাড় করেছি।


চলুন ঘুরে আসি মেরকাদো দেল পুয়ের্তো

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৮/০৮/২০১৩ - ১০:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


বাংলা অনুবাদে ‘বন্দরের বাজার’ বললেই তো মনটা উল্লসিত হয়ে ঊঠে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের অনেক নৌবন্দরে ভুরিভোজের আনন্দময় অভিজ্ঞতা আছে। গোয়ালন্দ ঘাটের সেই ঝুপড়ি হোটেলে মধ্যরাতে ইলিশ মাছের ঝোলে মাখা মোটা চালের ভাত আর মাওয়া ঘাটের টমেটো মেশানো কাতল মাছের পেটি খাওয়ার সুখস্মৃতি দুই দশক পেরিয়ে গেলেও তো ভুলতে পারিনি আজও। মাছেভাতে এক বাঙালির জন্মভুমি থেকে সাত সমুদ্র আর তের নদী পেরিয়ে সুদূর মন্তেভিদেওতে গ্রীষ্মের এক মধ্যাহ্নভোজের অভিজ্ঞতা নিয়েই আজকের এই আয়োজন।
Mercado del Puerto মানে পোর্ট মার্কেট। অবস্থান একেবারে উরুগুয়ের রাজধানী মন্তেভিদেওর নৌবন্দরের মূল ফটকের উল্টোদিকে। কলোনিয়াল স্থাপত্যশৈলীর এই ভবনটি স্প্যানিশরা প্রায় দুই শতক আগে বানিয়েছিল প্রাতাহিক বাজার হিসেবেই। মাছ, মাংস, ফল, সবজি সবই কেনাবাচা হত সেইসময়। কালের বিবর্তনে এই ভবন আজ রূপান্তরিত হয়েছে নিরামিষীদের নরকে! ১০০% মেছো বাঙ্গালীও খুব একটা সুবিধা করতে পারবে না এখানে গিয়ে! এই দুই শ্রেণীর বাইরে যারা আছে তারা সাদরে আমন্ত্রিত সপ্তাহের প্রতিটি দিন মধ্যাহ্নভোজের স্বর্গীয় সুখের অন্বেষণে!