
কথা ছিলো বৈশাখের চিড়বিড়ে গরমে সচলেরা তাদের ছেলেবেলার হারিয়ে যাওয়া, বিলুপ্তপ্রায় জ্বীন-ভূতেদের পুনরুজ্জীবিত করবেন বৈশাখ ১৪১৯-এর সচলায়তন ই-বুকের জন্যে। তা সে কথা, কথাই রয়ে যাচ্ছিলো প্রায়, বাস্তবে আর রূপ মিলছিল না। বৈশাখের ১ তারিখ পেরুল, ৭ পেরুল, ১৪ পেরুল... বই তো দূরে থাক, লেখা কই?!!
ই-বই বাহিনীর কর্মীবৃন্দ প্রতিদিন ই-বই মেইল-বক্স চেক করেন, আর ইন-বক্সে জমা হওয়া গুটিকয় লেখা নিয়ে চক্ষু-চড়কগাছ করে বসে থাকেন। শুনলাম আধি-ভৌতিক ব্যস্ততায় সচল-হাচল-ইবই বাহিনী সব্বাই জর্জরিত!
মাঝে রাগ করে মনে হলো লেখা পাঠাবার ইমেইল অ্যাড্রেসটা ‘লেখকের মৃত্যু এট জিমেইল' টাইপ কিছু দিলে ভালো হতো!
তারিখ: রবি, ০৪/০২/২০১২ - ০৯:১৫ অপরাহ্ন (হালনাগাদকৃত)
বৈশাখ ১৪১৯ এর ই-বই এর জন্যে লেখা আহ্বানঃ
বিষয়ঃ জ্বীনওভূততত্ত্ব (মানে ভূত-পেত্নী, ভয়খাওয়া, ভয়দেখানো নিয়ে আপনার মাথায় যা কিছু গল্প-ছড়া-ফটো-আঁকাআঁকি আসে আরকি!)
লেখা পাঠাবার শেষ তারিখঃ ৩১ মার্চ, ২০১২ ৭ এপ্রিল, ২০১২
রেড ড্রাগন
আমাদের ছোটবেলায় খুব বেশি রেস্টুরেন্ট-টেন্ট ছিল না, আর মানুষের মাঝে বাইরে খেতে যাবার মানে যাকে বলে eating বা dining out এই প্রবণতাটা ছিল দুর্লভ। এখন যেমন অনেকেই রুচি বদল করতে বা ছোটখাটো উদযাপনে রেস্তোরাঁয় যান মাঝেমাঝেই, পনের-কুড়ি বছর আগে সেরকম চিন্তাভাবনা মধ্যবিত্তের মাঝে বেশ কম দেখা যেত। একটা কারণ মনে হয় সে সময়ে সাধ্যের মাঝে ভালো ভালো খাবার জায়গা ছিল কম, স্কয়ার ফিট মাপা অ্যাপার্টমেন্ট বাড়িও ছিল কম, কাজেই বাড়িতে দাওয়াত দিলে অতিথিদের স্থান সঙ্কুলানের সমস্যা হবে এমনটা কেউ ভাবতে পারতো না। ছোটখাটো অনুষ্ঠান তো বটেই, বিশালাকার বৈবাহিক যজ্ঞও সকলে নিজের বাড়িতেই সুসম্পন্ন করতেন।
উইকিমতে আমাদের দেশের এ মূহুর্তে সম্প্রচাররত টিভি চ্যানেল মোট ২০টি ১। আমার জানামতে আরও বেশ অনেকগুলো চ্যানেল সম্প্রচার শুরু করবার বিভিন্ন পর্যায়ে আছে। নানান স্বাদের নাটক, বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান ছাড়াও এই টিভি চ্যানেলগুলোর বিশেষ আকর্ষণ সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে প্রচারিত সংবাদ আর টক-শো। টক-শো বা সংবাদ-প্রচারের সর্বোচ্চ টাইম-স্লটের দিক থেকে বিবেচনায় আমাদের ব্রডকাস্ট মিডিয়া একেবারে
ইদানীং একজন গুরুত্বপূর্ণ যাযাবর ব্যাকপ্যাকার হিসেবে দুদ্দাড় বেড়াবার পোস্ট দেই না। বেড়াই না এইটা বলা ঠিক না, ঐটা টুকটাক হয়েই যায়। ঈদের ছুটিতে অবশ্য দূরে যাবার কথা ছিল, সৈয়দপুর, দিনাজপুর দিয়ে একটা মিনি ট্যুর... বাতিল করতে হলো। ফ্লু-তে না ভুগলে আরেকটু ভালো ঈদ কাটানো যেত, কিন্তু কপালে নাই আরকি। হয়না হয়না করেও আজকে ব্যাপক টো-টো করে ফেললাম।
[পুরাতন ছবি, পুরাতন লেখা। ছবি তোলা হয়েছে LG Cookie ফোনের 3MP ক্যামেরা দিয়ে, শেডের ঘষামাজা Picasa দিয়ে]
সেদিন সকালে গুলশান ১ এর KFC-র পাশের গলিতে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে নিখুঁত মেয়েটার পাশ কাটালাম।
[বয়স ট্যাগ করতে গিয়েও করছি না কারণ পাঠকের পড়বার ব্যাপারে লেখক হিসেবে নাক গলাতে ইচ্ছা করছে না। বরং সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ দেয়া যায় যে, হৃদরোগ থাকলে বা অসুস্থ হলে এটা পড়া থেকে বিরত থাকতে পারেন, সৎকার সংক্রান্ত বর্ণনা আছে।]
মাঝবয়সী তুলকু একমনে নিজের কাজ করে যাচ্ছিল। তেঞ্চো ঘন্টাখানেক আগে নিচ থেকে আরেকটা দলকে উঠতে দেখেছে, তারা পৌঁছে যাবে আর কিছুক্ষণের মাঝেই। খানিক দূরে উবু হয়ে বসে একমনে তার কাজ দেখছিল প্রায় দেড়শ মাইল দূরের সিচুয়ানের গ্রাম থেকে আসা তরুণ আর তার বছর দশেকের ছেলেটা।
ফিনানশিয়াল টাইমস-এ মুড়নো একটা প্যাকেট বগলদাবা করে মুখে একটা কাতর ভাব ধরে সাশা স্মিরনভ, মায়ের সবেধন নীলমণি একমাত্র পুত্র, ডাঃ কশেলকভের চেম্বারে ঢুকে পড়ে।
ডাক্তার সাহেব আন্তরিকভাবে বলে ওঠেন, “আরে বাছা, এখন আছো কেমন? খবরাখবর সব ভালো তো?”
আমি যখন ছোট ছিলাম, স্কুলে পড়ি, তখন একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম, চোর ধরার স্বপ্ন। আমরা চিরকাল বেশ বড় বড় বাড়িতে বড় হয়েছি, গাছপালা বাগানআলা বাড়ি ছিল বেশিরভাগ সময়েই। তার মধ্যে যে বাড়িতে সবচেয়ে দীর্ঘদিন থেকেছি সেই বাড়িটা ছিল বিশাল, আর আশেপাশে তখন অন্যান্য বাড়িঘর কম ছিল, রাস্তাটা মেইন রোড হলেও ট্রাফিক অনেক কম ছিল, আর ছিল চোরের উপদ্রব। দেখা গেল পেছনের পাঁচিল টপকে ঢুকে বাগানে টাঙানো ধোয়া কাপড় টেনে নিয়ে সটান মেইন গেইট খুলে বের হয়ে গেল কেউ, মূহুর্তের মাঝে, “এই, এই, কে রে!” বলে তেড়ে যাবো কি, বুঝে উঠবার আগেই! সে এক অবস্থা!