Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

মুক্তিযুদ্ধ

মা

ঈয়াসীন এর ছবি
লিখেছেন ঈয়াসীন [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৮/০২/২০১৬ - ৩:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


সিরাজুর রহমানের মিথ্যাচার এবং ‘তিন লাখ/মিলিয়ন ভ্রান্তি’ প্রপাগান্ডা

তানভীর এর ছবি
লিখেছেন তানভীর (তারিখ: সোম, ১৮/০১/২০১৬ - ৮:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে একটা প্রচলিত প্রপাগান্ডা হলো- "শেখ মুজিব ডেভিড ফ্রস্টকে তিন লক্ষ শহীদের জায়গায় বিভ্রান্ত হয়ে তিন মিলিয়ন বলে ফেলেছিলেন, সেই থেকে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা তিন মিলিয়ন বা ত্রিশ লক্ষ চালু হয়েছে"। বঙ্গবন্ধু মুখ দিয়ে ‘তিন মিলিয়ন’ উচ্চারণ করার আগেই যে সংখ্যাটা বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্টে এসেছিলো, তা সচলায়তনে শেহাবের লেখায়


তাক থেকে নামিয়ে - ০১

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৬/০১/২০১৬ - ৯:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাতাসের হিমে তিরিশ লক্ষ শহিদের করতল
জনপদ জুড়ে হাওয়ার কোরাসে আহ্বান অবিচল,
আমাদের বুকে রৌদ্র লিখেছে নিহতজনের নাম-
গণহত্যার বিচার করবো, প্রতিজ্ঞা করলাম...


রিকশাচিত্র: ক্যানভাসে মুক্তিযুদ্ধের গল্প

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১৯/১২/২০১৫ - ৮:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রিকশার পেছনে টিনের ঝুলবোর্ডএ যে চিত্র আঁকা হয়, তাই রিকশাচিত্র হিসেবে চিহ্নিত। বিশ শতকের প্রথমভাগে, মূলত ত্রিশের দশকে, ঢাকাসহ বাংলাদেশের আরো কয়েকটি জায়গায় রিকশার প্রচলন ঘটে। তবে সেসময়কার অর্থাৎ ত্রিশ ও চল্লিশের দশকে বাংলাদেশের রিকশাচিত্র সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য জানা না গেলেও পঞ্চাশ ও ষাটের দশক থেকে এর ধারাবাহিক ইতিহাস জানা যায়। এই দীর্ঘ সময়ে অসংখ্য মোটিফ এঁকেছেন শিল্পীরা। অনেক বিবর্তনের পথ ধরে এগিয়ে


অহংকারের গান

ফাহিম হাসান এর ছবি
লিখেছেন ফাহিম হাসান (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৭/১২/২০১৫ - ৫:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মানুষের নানারকম বাতিক থাকে, আমার যেমন আছে চট করে কিছু একটা কেনার অভ্যাস। আমি ধৈর্য ধরে, যাচাই-বাছাই করে কোন কিছু কিনতে পারি না। এজন্য দেখা যায় আমি হয়ত একটা জিনিস দাম দিয়ে কিনলাম, আশেপাশের কেউ একজন সেই জিনিসটাই আস্তে-ধীরে, অপেক্ষা করে অর্ধেক দাম দিয়ে কিনে ফেলবে। তবে কিছু জিনিস আছে যেগুলো চট করে কিনতে চাইলেও অনেক সময় হয়ে উঠে না, বিশেষ করে পুরানো বই-পত্রিকা, গানের রেকর্ড ইত্যাদি।


বিজয় দিবসের পিকনিক, স্বাধীনতা দিবসের ওয়াজ মাহফিল

আনু-আল হক এর ছবি
লিখেছেন আনু-আল হক [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৬/১২/২০১৫ - ৩:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে যেসব দেশের পথচলা শুরু, সেসব দেশের মানুষের কাছে স্বাধীনতা এবং বিজয় দিবস ভিন্ন অনুরণন নিয়ে আসে, প্রতিবছর। এটাও হয়ত সত্য যে সবাই সেসব উদযাপন করেন না, বা করলেও ভিন্নভাবে করেন, বা উদযাপন না করার পেছনে ব্যক্তিগত (ইমার্জেন্সি) কারণ থাকে। কিন্তু নিজে(রা) উদযাপন না করলেও বাকিদের উদযাপনে বাধা হয়ে দাঁড়ান বলে মনে হয় না। আমাদের দেশে জেনে না-জেনে আমরা সেটাই করি, খুব সুক্ষ্মভাবে।


জনযুদ্ধের গণযোদ্ধাদের গল্প

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৬/১২/২০১৫ - ১:০৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শ্রীমঙ্গলের চারদিকে বিস্তীর্ণ কালেঙ্গা অরণ্য - আমাদের গেরিলাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। মাঝে মধ্যে ভুল করে পা মাড়ালেও মুক্তিবাহিনীর এমব্যুশে ফিরে যেতে বাধ্য হয় পাকিস্তানীদের। ২৪ শে সেপ্টেম্বর ১৯৭১; বড় একটি পাকিস্তানী কলাম এগিয়ে আসছে বুনো পথ ধরে। পথ দেখিয়ে আনছে রাজাকার নাম্নী ২০/২৫ জনের এদেশীয় কিছু প্রভুভক্ত কুকুর।


আমরা তোমাদের ভুলে গেছি: অদম্য এক সংশপ্তক 'হোসেন ফরিদ'

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: শনি, ১২/১২/২০১৫ - ১০:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে একবার রক্ষা পেয়ে আবারও যাঁরা সেই মৃত্যুগুহায় ফিরে যাবার জন্য বারংবার জেদ করতে পারে এবং মৃত্যুকে নির্দ্বিধায় আলিঙ্গন করতে পারে, তেমন লোককে উন্মাদ বা আত্মঘাতী বলা যায়, কিন্তু ১৯৭১ তাঁদের বলেছে সংশপ্তক। সেই দুর্লভ সংশপ্তকদের রক্ত দিয়ে তৈরী বাংলাদেশের পতাকার লাল বৃত্তটি। তাঁদের যা দেবার তাঁরা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে দিয়েছেন। যা কিছু পাবার, যা কিছু লাভের, লোভের, উপভোগের সব আমাদের জন্য রেখে গেছেন। আমরা তাঁদের দেয়া বিজয় নিয়ে উল্লাস করি, দম্ভ করি, গর্ব করি, দখলবাজি করি, এমনকি তাঁদের দেয়া বিজয়ের ফুলফল নির্বিচারে বিনাশও করি। অথচ বিনিময়ে আমরা তাঁদের মর্মভেদী আত্মত্যাগের ভুলে যেতে কার্পণ্য করিনা। সেরকম একজন হোসেন ফরিদের গল্প পড়বো আজ।