Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

প্রকৃতি

শামখোলের আস্তানায়

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৯/১১/২০১৫ - ৪:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

IMG_2010
শীতের সকালের জমাট কুয়াশা ভেদ করে রোদ ঝলমল করতে দশটা বেজে যায়। সুতরাং আমাদেরও বেরুতে হলো বেশ বেলা করেই। ইছামতীর আঁকাবাঁকা গতিপথকে অনুসরণ করে বয়ে গেছে প্রশস্ত মেঠোপথ। খালাতো ভাইকে সাথে নিয়ে চলেছি মাঠপানে, পাখির খোঁজে। মাঝপথে এক চাষি ভাই শামখোলের খবর দিলেন। শামুকভাঙার দলটি নাকি আস্তানা গেঁড়েছে ইছামতীর তীরে। আমাদের এলাকায় শামখোলকে মানুষ শামুকভাঙা বলে। ছোটবেলায় দূর আকাশে উড়ন্ত শামুকভাঙা দেখেছি বহুবার। গ্রামের বিলে নাকি শামুকভাঙা থাকে। অতদূরের রাস্তা ভেঙে দেখতে যাওয়া আর হয়ে ওঠেনি। তাই সামন-সামনি দেখার সুযোগ পাইনি। এতদিনে পেলাম।। এসময় ইছামতীর পানি হাঁটুর নিচে নেমে যায়। তাই ওদের পর্যপ্ত খাবার মিলবে।


পাটের ফুল

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ৩০/১০/২০১৫ - ৬:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

IMG_4574
পাট দেখেননি কিংবা পাটগাছ চেনেন না এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। পাটের ফল দেখেছেন, এমন মানুষের সংখ্যা শতকরা ১০ ভাগেরও কম। আর পাটের ফুল দেখেছেন কিনা, এ প্রশ্ন করলে সংখ্যা নির্ঘাত আরও কমবে।
এবার ভাগ্যক্রমে পাটের ফুল ও ফল পেয়ে গেলাম। বহুদিন এ দুটো জিনিস দেখা হয় না। আসলে মৌসুমে যে পাটের চাষ করা হয়, সেই পাট অনেক বড় হয়্। ৮-১০ ফুটের মতো। কিন্তু আঁশের মৌসুমে পাটের ফুল-ফল হয় না। কেন হয় না তা জানা নেই। তাহলে পাটের বীজ আসে কোথা থেকে?


মেঘনা ডাকাতিয়া'র মোহনায়

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৯/১০/২০১৫ - ১:৩৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


“মোহনা কাকে বলে জানিস?”
“স্যার, আমার খালাত বোনের নাম মোহনা। খুব ভাল ছাত্রী। সারা রাত জেগে পড়াশোনা করে দেখে আম্মা আমাকে ঝাড়ি দেয় কেন তাঁর মত রাত জেগে পড়াশোনা করি না।“
“চুপ থাক ফাজিল কোথাকার। আমি কি এই মোহনার কথা জানতে চেয়েছি?”


হিমছড়ি’র ভয়ংকর

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ২৫/১০/২০১৫ - ৮:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


চন্দ্রিমা উদ্যানে ভোরের পাখি

আব্দুল্লাহ এ.এম. এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল্লাহ এ.এম. [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৫/১০/২০১৫ - ৬:৫২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হবেন নাকি সকাল বেলার পাখি? সবার আগে কুসুম বাগে ডেকে উঠবেন?


শতবর্ষ আগে বরিশালের (বাকেরগঞ্জ) বন্যপ্রাণী

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বুধ, ১৬/০৯/২০১৫ - ১০:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জেমস চার্লস জ্যাক ১৯১৮ সালে তৎকালীন বাকেরগঞ্জ (বর্তমান বরিশাল) জেলার বিস্তারিত বর্ননা BENGAL DISTRICT GAZETTEERS, BAKARGANJ এ লিপিবদ্ধ করেন। বাকেরগঞ্জ জেলার তৎকালীন আয়তন ছিল ৪৮৯১ বর্গমাইল। বর্তমান পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালি এবং বরিশাল জেলা তৎকালীন বাকেরগঞ্জ জেলার অংশ ছিল। এই অংশে সেই সময়কালীন বাকেরগঞ্জ জেলার যেসব প্রাণী পাওয়া যেত তার বর্ণনা অনুবাদ করা হয়েছে। -


শতবর্ষ আগের ময়মনসিংহের পশু-পাখি

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৯/২০১৫ - ৭:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(F A Sachseর তত্ত্বাবধানে ১৯১৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় ময়মনসিংহ গ্যাজেটর। সেখানের Fauna অংশটি এখানে দুর্বল বাংলায় দিলাম। এই অংশটি অনুবাদ করতে যেয়ে মূল সমস্যা হয়েছিল নাম নিয়ে, গত ১০০ বছরে প্রাণীদের বিশেষ করে পাখির জগতে নিত্যনতুন আবিষ্কারের ফলে, বিশেষত অধুনা ডি এন এ অ্যানালাইসিস করে দেখা গেছে অনেকে পাখির গোত্র এবং পরিবারের ক্ষেত্রে আমরা ভুল ভেবেছিলাম, তাই ইংরেজি নাম তো বটেই, সঙ্গত কারণেই বৈজ্ঞানিক না


ছবিব্লগ: সার্ডিনিয়া

জিপসি এর ছবি
লিখেছেন জিপসি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৯/০৯/২০১৫ - ৬:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইতালির স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশ সার্ডিনিয়া আয়তনে ভূমধ্যসাগরের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। উত্তাল সাগরের মাঝে একটি দ্বীপে গ্রীষ্মের ছুটি কাটাতে যাব বলে মানসপটে যে ছবি এঁকে রেখেছিলাম তা সার্ডিনিয়াতে পা রাখা মাত্রই বিলীন হয়ে যায়। কোথায় সেই বালুচরে ছুটে বেড়ানো কাঁকড়ার ঝাঁক? নেই মাইলের পর মাইল সৈকতের কোলঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা আকাশছোঁয়া হোটেলের সারি। এক সপ্তাহের অবকাশযাপনে সার্ডিনিয়া দ্বীপের এক দশমাংশও ঘুরে দেখতে পারিনি তারপরও ক্যামেরার মেমোরি ফুরাতে সময় লাগেনি। অপরূপা সার্ডিনিয়া তাঁর বুনো সৌন্দর্যে মাখা সাগরতীর, পাহাড়ের ঢালে ছেয়ে থাকা ক্যাকটাসের ঝোপ আর কাঁটাযুক্ত লতাগুল্ম দিয়ে আমার মানসপটে এঁকেছে নতুন এক চিত্র।


বনলতার দেশে

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৮/০৯/২০১৫ - ১২:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

IMG_2331
ঝকঝকে রোদে হেসে উঠল নাটোরের জলজ মাঠ। সবুজের উজ্জ্বলতা বাড়ল। আকাশে নীল-সাদার এক অপুর্ব সম্মিলন। নাটোরের মেঠোপথে অন্য এক অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ল তনুমনে। চারপাশে ইতিউতি করে পাখি খুঁজে চলেছি। কিন্তু আকাশে ঝাঁক ঝাঁক শামুকখোল ছাড়া অন্যপাখি তেমন চোখে পড়ল না। অবশ্য দোয়েল আর শালিকের অভাব নেই। আমাদের এলাকায় এই বর্ষাতেও হরেকরকম পাখির দেখা মেলে। এদিকে নেই, তার কারণ বোধহয় জলবদ্ধতা। ভূচর পাখিদের খাবারের অভাব। বলতে আপত্তি নেই আরও একটা জিনিস খুঁজে চলেছি-- পাখির নীড়ের মতো দুটি চোখ।