Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

প্রকৃতি

ধোপাছড়ির অবাক ক্যানিয়ন

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ১১/০৪/২০১৬ - ৪:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

IMG_6822


একজন জেনেটিক-পরিবেশ বিজ্ঞানী আর ম্যামথের ক্লোন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৮/০৩/২০১৬ - ১১:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাঝে মাঝে ভাবি- আমাদের সন্তানেরা যখন পেশাজীবি হবে, আজ থেকে বিশ-ত্রিশ বছর পর, তখন তাদের কর্মক্ষেত্রটা কেমন হতে পারে; কেমন হতে পারে তাদের পদবীগুলো। হলফ করে বলতে পারি যে ত্রিশ বছর আগে আমাদের বাপ-মা’রা কখোনো ভাবতে পারেননি তাদের ছেলেমেয়েরা কেউ কেউ হবে সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার, আইটি (IT) স্পেশালিষ্ট, মেমস (Microelectromechanical systems) প্রসেস ইন্টিগ্রেসন ইঞ্জিনিয়ার, মাইক্রোবায়োলজিষ্ট, গ্রাফিক র


বনপলাশীর পদাবলী-১, বারৈইয়ারঢালা

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৩/০৩/২০১৬ - ১১:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

2
৩ মার্চ, ২০১৬, বিকেল ৪টা-


২৯ ফেব্রুয়ারির সকাল

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বুধ, ০২/০৩/২০১৬ - ১১:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লাওয়াছড়ার বনের এক সরু ঝিরির দুই ধারে নিরব বসে আছি আমরা, আমরা বলতে মানবসঙ্গী কেবল বন্ধু সায়েম চৌধুরী যে ৪০ গজ দূরে ঝিরিটি যেখানে বাক নিয়ে বনের গহনে সেধিয়ে গেছে সেই কোণে বসে অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষা করছে এক বিরল পাখির, যার নাম লম্বাঠোঁট-দামা। অত্যন্ত লাজুক আমাদের এই পালকওয়ালা বন্ধুটি, টানা কয়েক ঘণ্টা মূর্তির মত নট নড়নচড়ন অবস্থা থাকলে হয়ত আমাদের কৃপা করে সে বেরোতেও পারে ঝিরির জলের আশেপাশে খাবারের সন্ধান


কীর্তনখোলার বাঁকে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৪/০২/২০১৬ - ৩:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“কীর্তনখোলায় পূর্ণিমা দেখবেন নাকি স্যার? জোস লাগে কিন্তু।“


সবুজ পাহাড়, সাদা মেঘ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ৩১/০১/২০১৬ - ১১:১৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যে বান্দরবন দেখে নি, সে বাংলাদেশটাই দেখে নি।


ঘুম নগরীর ঘুম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৬/১২/২০১৫ - ১১:০৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এখন সে কতো রাত;
এখন অনেক লোক দেশ-মহাদেশের সব নগরীর গুঞ্জরণ হ'তে
ঘুমের ভিতরে গিয়ে ছুটি চায়।
পরস্পরের পাশে নগরীর ঘ্রাণের মতন
নগরী ছড়ায়ে আছে।
কোনো ঘুম নিঃসাড় মৃত্যুর নামান্তর।
অনেকেরই ঘুম
জেগে থাকা।
নগরীর রাত্রি কোনো হৃদয়ের প্রেয়সীর মতো হ'তে গিয়ে
নটীরও মতন তবু নয়;-
প্রেম নেই- প্রেমব্যসনেরও দিন শেষ হ'য়ে গেছে;


শামখোলের আস্তানায়

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২৯/১১/২০১৫ - ৪:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

IMG_2010
শীতের সকালের জমাট কুয়াশা ভেদ করে রোদ ঝলমল করতে দশটা বেজে যায়। সুতরাং আমাদেরও বেরুতে হলো বেশ বেলা করেই। ইছামতীর আঁকাবাঁকা গতিপথকে অনুসরণ করে বয়ে গেছে প্রশস্ত মেঠোপথ। খালাতো ভাইকে সাথে নিয়ে চলেছি মাঠপানে, পাখির খোঁজে। মাঝপথে এক চাষি ভাই শামখোলের খবর দিলেন। শামুকভাঙার দলটি নাকি আস্তানা গেঁড়েছে ইছামতীর তীরে। আমাদের এলাকায় শামখোলকে মানুষ শামুকভাঙা বলে। ছোটবেলায় দূর আকাশে উড়ন্ত শামুকভাঙা দেখেছি বহুবার। গ্রামের বিলে নাকি শামুকভাঙা থাকে। অতদূরের রাস্তা ভেঙে দেখতে যাওয়া আর হয়ে ওঠেনি। তাই সামন-সামনি দেখার সুযোগ পাইনি। এতদিনে পেলাম।। এসময় ইছামতীর পানি হাঁটুর নিচে নেমে যায়। তাই ওদের পর্যপ্ত খাবার মিলবে।