http://www.kalerkantho.com/index.php?view=details&type=gold&data=news&pu...
স্বার্থের সমান পৃথিবীতে আর কিছু আছে?
বন্ধুর সংজ্ঞাতো সকলেই জানি
ঘুড়ির আকাশ কখনো অসীম নয়
বারবার বলা কথা তবুও বক্তব্য পাল্টায়
আড়ালে আবডালে
প্রাণ খুলে যে-কথা কোকিল বলে গেলো
কতজন কাক তার গূঢ়ার্থ বোঝে?
সৌজন্যবোধের শেকলে বাঁধা পড়ে থাকে ভদ্রসাধুজন
বাক্য-প্যাঁচ পিছলে বেরোয় বন্ধু-উকিলেরা
তোমার গলায় জড়ানো কী দারুণ ফাঁস!
তুমি বোঝো ব্যথা - দিকহারা সমস্ত কম্পাস।
বার্তা আসে
আসে সংকেত প্রবাহ
আমিও কুঠার হাতে
অরণ্যের গহীন ধাঁধায়
কথা ছিলো যাবো - যাইনি সেখানে
উড়ালের স্বপ্নে বিভোর বিস্তর ডানা
গুটিয়ে নিয়েছি দেহের ভেতর
পাখা ঝাপটানোর আকাশ থেকে
দিনান্তের অবশেষে...
তবুও তো পালকেরা উড়ে চলে
সূর্যের রশ্মি ঠোঁটে বয়ে
ঢলে পড়া কোন দিগন্তের খোঁজে
মেঘ..মেঘান্তরে..
স্বপ্ন-সে অদ্ভূত অক্লান্ত অসীম এক পাখি পৃথিবীর
নতুন চরের খোঁজে তবুও সে বসে থাকে
আকাশের কিনারে প্রতিদিন -
নতুন ভোরের খোঁজে, প্রতিরাতে, অন্ধকারে
এক. প্রশ্নবোধক
সব কিছু বলে দিতে হয়!
বোঝ না?
এত চিৎকার এত প্রতিধ্বনি
কিছু কি শোন না?
রাজনীতি শিখে গ্যাছো, তাই না?
বাতাস বলে, আমি বইতে চাই
পাল বলে, বইতে দেবোনা, এই ফুলে দাঁড়ালাম
এ হেন দ্বন্দ্বে মাঝি বড়ই আহ্লাদিত!
পৃষ্ঠা ওল্টাচ্ছে, বাতাস বদলানোর দিনের নিরিখে
টের পাই বদলাচ্ছে লোডশেডিংয়ের রাত
জোয়ার-ভাটার প্রহর গণনা, বীজ-বোনা তিথির তারিখ
কাপড় পাল্টাই, চিরুনীর ফলা চাষ করে নতুন ফ্যাশন
কাঁপে বটের শেকড় কনকনে শীতের কুয়াশা
দ্রুত ধূলি ঝড়ে চাপা পড়ে যাচ্ছে সব দিনলিপি
আমাদের দাঁড়ভাঙা নাওয়ের পরিণতি, এদিকে
পাড়ার শিশুরা বড় হচ্ছে লাল নীল বেলুনের দিনে
অলি গলি তোলপাড় করে বখাটে হাওয়া, লক্ষ করি
শাহবাগে জ্বলছে আগুন আকাশ ছোঁয়া
লক্ষ মানুষ লক্ষ প্রাণে মত্ত হাওয়া
রাজাকারের ফাঁসীর দাবি, মানতে হবে
ঝড় উঠেছে লক্ষ কণ্ঠে কলোরবে
গনগণে এই লাভার স্রোতে দেশটা ভাসে
আগুন দ্যাখো বসন্তের এই লাল পলাশে
আগুন দ্যাখো চতুর্দিকে বিশ্ব জোড়া
আসছে ধেয়ে মেঘের মতো বজ্র-ঘোড়া
মানতে হবে-রাজাকারের ফাঁসীর দাবি
আল-বদর আর আল-শামসরা কই পালাবি?
শুনতে কি পাস্ এই আগুনের পদধ্বনি?
রক্ত রাঙা মাটি তোদের পাপের খনি
জাকার্তায় স্বপ্নে বিভোর এক ভ্রমণ শেষ হলো। ১৮ অক্টোবর সকালে এসেছি। ১০ দিনের ভ্রমণ। খুব একটা কম সময়ও নয়। এর মধ্যে বালি আর লম্বকও যাবো। জাকার্তা শহরের আবহাওয়া অনেকটা ঢাকার মতোই। তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রী। স্থানীয় সময় সকাল আটটা চল্লিশে আমাদের বহনকারী সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের বিশাল বিমানটি জাকার্তার সুকর্ণ-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলো। বন্ধু মামুনুর রশীদকে সাথে নিয়ে প্লেন থেকে নেমে এলাম। ঝলমলে রোদ
এই রক্ত ক্ষরণের দিনে
বলার শক্তিও রুদ্ধ হয়ে আসে
চোখের দৃষ্টি সবার মতো আমারও ঝাপসা এখন
যখন ষ্পষ্ট ছিলো তখনও
তোমাকে দেখতে শুয়োরের চেয়ে বেশি সুন্দর লাগেনি
তুমি দারুণ বাক ভঙ্গিমায় যখন
বেশ্যাকে মায়ের কাতারে তোলো
কী দারুণ শব্দমালা!
এবং মাকে যখন বেশ্যার কাতারে নামাও?
তোমার দক্ষতা সর্বত্র সমান!
তুমি আমাদের পথের দিশারী
শব্দের আতসবাজিতে জনসভা পুড়িয়ে করো খাক
আমাদের চোখে ঠুলি পরাও
‘আমরা ভাতের কাঙাল
মোড়লের ভাগ্য নিয়ে আসিনি
লাঙল কাঁধে নিয়ে সবুজের রাখালগিরি করি
খরা-মঙ্গার দুনিয়ায় আমরাও মাজরা পোকার মতো
কুরে কুরে খাই মাটি...’
আমি তাকে টেনে বসালাম, বললাম -
শ্রাবনের মুষল-বৃষ্টি ধরিত্রী ভাসমান, মাটির কসম,
কসম এই বিদ্যুৎ চমকের
আমাদের এই কলমের ফলা, যা চষে শব্দ-বীজ
আর ফলায় শিল্পের খোড়াক, এ সবই আপনার দেয়া...
এই মাটি থেকে পাওয়া...
প্রতিদান কিছু দেইনি আমরা - চিরঋণী