Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ভ্রমণ

যেদিন আমি ডুবে যাচ্ছিলাম ইয়কাগেনি নদীতে

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: মঙ্গল, ২৫/০৯/২০১৮ - ১১:০৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"কিপ রোয়িং ফরওয়ার্ড!" পেছন থেকে চাক চেঁচিয়ে উঠলো। ডানে বসে থাকা লীও অস্ফুটস্বরে চিনা ভাষায় কি জানি বলে উঠলো, মনে হয় "ইয়াল্লা" জাতীয় কিছু। ভেলার ঠিক সামনে বসে বৈঠা বাইছি আমি। আমার ঠিক পেছনে বামে ফিল , আর ডানে লীও। সবার পেছেন হাল ধরে চাক। চোখের সামনে ফেনিল জলরাশি, তার ভেতর জেগে আছে বিশাল বিশাল ভয়ালদর্শন পাথর, সেই সাথে কানে তালা লেগে যাওয়া পানির গর্জন। পানির গতি বেড়ে চলেছে। কারন সামনেই নদী কয়েক ফিট


আদিবাসী আমেরিকানদের সাথে একদিন

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: বিষ্যুদ, ৩০/০৮/২০১৮ - ১০:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগস্টের ২৪ তারিখ, সকাল নয়টা। পশ্চিম ভার্জিনিয়ার উত্তর সীমারেখার কাছ ঘেঁষে থাকা ছোট্ট শহর মরগানটাউন। ঘুম ভাঙ্গতেই বুঝতে পারলাম গত রাতের কনসার্টে মাতামাতির ধকল এখনো রয়ে গেছে শরীরে। ভদকা উইদ রেডবুল গিলতে গিলতে পিঙ্ক ফ্লয়েডের সুরের মূর্ছনায় রাতটা কেটে গেছে অনেকটা স্বপ্নঘোরের মত করে। কোনোমতে রেডি হয়ে গাড়িটা নিয়ে ছুট দিলাম পাশের শহর কোর এর দিকে । বেশী দুর না। মাত্র মিনিট পঁচিশের পথ। উদ্দেশ্য মেসন ডিক্সন


ভূতের বাড়ি

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/০২/২০১৮ - ৯:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]তিনি এখনও সেখানে ঘুরে বেড়ান। সাদা রঙের দুই পিস জামা সাথে বিভারের টুপি পরে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে বিচরণ করেন নিঃশব্দে।

কখনো তাকে দেখা যায় একটা আবছায়া হয়ে ভেসে বেড়াতে, কখনো ধোঁয়াশা, আবার কখনো কখনো সুস্পষ্ট দেখা যায় নিঝুম বিশাল হলওয়ে ধরে যেন শতাব্দী প্রাচীন গীর্জায় কোনো এক ধর্মসেবী ঈশ্বরের স্তুতি গাইতে গাইতে হাঁটছেন।

তার পদচারণা প্রায়শই ধীর স্থির শান্ত, মাঝে মাঝে মনে হয় একাকী বিষন্ন কেউ চলে যাচ্ছে সামনে দিয়ে।

তার নাম গ্রেস কিপারলী। শতবছর আগেই দেহ ত্যাগ করলেও আজো এমন শত শত মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে যারা বিশ্বাস করে তিনি আছেন। দেখা দেন মাঝে মাঝে। কখনও ছেড়ে যাননি ডিয়ারলেকের পাশে ‘ফেয়ারএকরস’ এ তার বিশাল প্রাসাদ ‘কিপারলী ম্যানসন’, হালের ‘বার্ণাবী আর্ট গ্যালারি’।


গালিবের হাভেলির সন্ধানে (২)

রেজওয়ান এর ছবি
লিখেছেন রেজওয়ান (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/১২/২০১৭ - ৮:০৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গালিবের হাভেলির প্রবেশ পথ।

(প্রথম পর্ব এখানে)

সমাজমুখী ছিলেন না উর্দু মহাকবি মির্জা গালিব, কাব্যের উপজীব্য ছিল তার নিজের জীবনের সুখ দুঃখ, প্রেম- ভালবাসা, ভাগ্যের উত্থান পতন। ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর ব্রিটিশরা দিল্লির রেড ফোর্ট আর জামে মসজিদ দখল করে এ দুইয়ের মধ্যকার প্রচুর পুরোনো বিল্ডিং এবং বাজার ধ্বংস করে বিশাল অংশ খালি করে ফেলে। গালিব চোখের সামনে দেখেছেন দিল্লির খাস বাজার, উর্দু বাজার, খরম-কা বাজার মিলিয়ে যেতে।

আমি এবং দিল্লির বন্ধু অমিত যাচ্ছি বর্তমান যুগের গলি কাসিমজান খুঁজতে, যেখানে তার হাভেলি আছে।


ব্লেডের গল্প

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৫/১১/২০১৭ - ১১:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ডং … ডং … ডং … । অনেক দুর থেকে ভেসে আসা ঘন্টার শব্দ । গোধুলির আলো-আঁধারের আবছায়ার ঘন্টার শব্দটা যেন লেকের টলটলে জলে ভেসে আসছে । হঠাৎ করেই চিন্তাটা এলো মাথায় । সেই ডুবে যাওয়া ঘন্টাটার আওয়াজ নয় তো !! সত্যি তো, ঘন্টার শব্দটা কেমন যেন জলের অতল তল থেকে উঠে এসে লেকের জলের ঢেউয়ে ভর করে ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে ।


গালিবের হাভেলির সন্ধানে (১)

রেজওয়ান এর ছবি
লিখেছেন রেজওয়ান (তারিখ: বুধ, ২২/১১/২০১৭ - ১০:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দিল্লির চাঁদনি চকের জ্যামে ঠাঁসা রাস্তায় ফুটপাথ লোকে লোকারণ্য। মানুষের ভিড়ে ঠিকমত হাটা যাচ্ছে না, রীতিমত লাইনে করে যেতে হচ্ছে। হঠাত করেই বাচ্চা সামলাতে কেউ দাঁড়াচ্ছে, আর লাইনটা থেমে যাচ্ছে, সাথে সাথেই পেছন থেকে ধাক্কা। চলার একটুকু জায়গার জন্যে যেন সবার মধ্যে একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা চলছে। । লাগোয়া রাস্তায় ট্রাফিক জ্যামে গাড়ি-ঠেলাগাড়ি-মোটরসাইকেলগুলো স্থবির হয়ে আছে, হঠাৎ মনে হবে যে রাস্তা জুড়ে পার্কিং করে রেখেছে । চারিদিকে লোকে লোকারণ্য এবং প্রচুর কোলাহল। আমি ছুটছি অমিতের পেছন পেছন। অমিত দিল্লির ছেলে, আইটি প্রফেশনাল আর ব্লগার। দশাসই দেহ নিয়েও কেউ এমন ছুটতে পারে তাকে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না।

আমাদের গন্তব্য পুরোন দিল্লীর বালিমারানের এক সরু গলি।


দাম তু-আ’র পথে হড়কাবান

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১২/১১/২০১৭ - ১:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আড়মোড়া ভাঙা পাহাড়ের কোলে কেবল মিঠে রোদ এসে পড়েছে। না গরম, না ঠাণ্ডা-এমন একটা সকালে শিশির ঝরা ঘাষ মাড়াতে শহরের বুকে ত্রস্ত পায়ে হেঁটে যাওয়া প্রাতঃরাশকারীদের ঢল নামে। পাহাড়ে সেসবের বালাই নেই। কেমন একটা রিল্যাক্স ভাব চারদিকে। ধীরস্থির সবাই যেন বলছে, এত তাড়া কীসের বাছা, একটু জিরো।


পোটসডামের সেসিলিয়েনহফ প্রাসাদ

জীবনযুদ্ধ এর ছবি
লিখেছেন জীবনযুদ্ধ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/০৮/২০১৭ - ১:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

২৫ সে জুলাই, ১৯৪৫


১০১টা ছবির গল্প - ১৪, রক্তের গলি

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: মঙ্গল, ০৮/০৮/২০১৭ - ৩:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify] ক’দিন যাবৎ আমাকে পুরোনো গলিতে ঘোরার নেশায় পেয়েছে। গলিতে গলিতে ঘুরি। গলির লোকজনের সাথে কথা বলি। ছবি তুলি। গন্ধ নিই। গলিতে মিশে যাই, যেতে যেতে ফিরে যাই পুঁতিগন্ধময়, অন্ধকার, সমাজ থেকে হারিয়ে যাওয়া সেসব বুড়ো গলির যৌবনকালে। তখন জীবন ফিরে পায় সে গলি। গমগম করে ওঠে আমার চারপাশ— মানুষের হাঁকডাক, ঘোড়ায় টানা গাড়ির ক্যাচক্যাচ, দৌড়ে বেড়ানো শিশুদের কোলাহল আর তাদের মায়েদের সতর্ক ডাক। এ এক বিচিত্র ভাব। মৃত্যুশয্যায় শুয়ে থাকা কোনো বৃদ্ধের পেছন ফিরে তাকানোর গল্প। সে গল্পে আবেগ আছে, ইতিহাস আছে, আনন্দ আছে, আছে স্বপ্ন মিলিয়ে যাবার হতাশা। চলুন ঘুরে আসি তেমন এক গলি। যার নাম ‘রক্তের গলি’, ইংরেজিতে Blood Alley. কীভাবে গড়ে উঠলো এ গলি? কেমন করে গড়ে উঠলো এর ইতিহাস? চোখ মুদে চলুন একটু পেছন ফিরে তাকাই।


১০১টা ছবির গল্প - ১৩, বাজারের গলি

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: শুক্র, ২৮/০৭/২০১৭ - ১২:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify] নিচে যে ছবিটি আমরা দেখবো, তার একটা গল্প আছে। শত বছরের পুরোনো সেই গল্প এতদিনে গল্প থেকে ইতিহাস হয়ে গেছে। আমি আজকে সেই গল্পটিই আপনাদের শুনাবো।