Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

অভিজ্ঞতা

আবু শাহেদ ইমনের 'জালালের গল্প'

কনফুসিয়াস এর ছবি
লিখেছেন কনফুসিয়াস (তারিখ: সোম, ১৯/১০/২০১৫ - ১০:১৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সর্বশেষ ইমনের করা কাজ দেখেছিলাম আমাদের বসার ঘরের টিভিতে, সেটা ছিল আরএময়াইটি-র ফিল্ম কোর্সের জন্যে ওর বানানো একটা শর্ট ফিল্ম। ইমন আর তন্বীর মেলবোর্নে থাকাকালীন একটা বছর আমাদের জন্যে উল্লেখযোগ্য একটা সময় হয়ে থাকবে আজীবন, সেটা নিয়ে লিখেছি আগে এখানেই, নাম ছিল ‘গগন আজ দেশে ফিরছে”। সে দিন সকাল বেলা আমাদের বাসায় বসে দুইজনে ব্যাগ গোছাচ্ছে, আর পাশের ঘরে বসে আমি ভীষণ মন খারাপ করে লিখে চলেছি সেই ব্লগ, অতঃপর রাতে যখন ওদের প্লেনে তুলে দিয়ে আসলাম, মনে আছে তারপরের অনেকগুলো দিন আমার আর তিথি-র চারপাশ জুড়ে ছিল একটা অদ্ভুত শূন্যতা।

সেই প্লেন উড়ে চলে যাবার বছর চারেক বাদেই যে আমি আবু শাহেদ ইমনের পরিচালিত সিনেমা বড় পর্দায় দেখার জন্যে এই মেলবোর্নেরই এক সিনেমা হলের টিকেটের লাইনে দাঁড়াবো, সত্যি বলছি, এই কথা সেদিন ঘুর্নাক্ষরেও ভাবিনি!


ভ্রমনে বিভ্রাট ৫

ঈয়াসীন এর ছবি
লিখেছেন ঈয়াসীন [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২২/০৮/২০১৩ - ৯:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভ্রান্তি সংক্রান্ত

247


ছোট্ট একটি পাখি

ঈয়াসীন এর ছবি
লিখেছেন ঈয়াসীন [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৮/০৮/২০১৩ - ৫:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

R402820_13


বড় শখ ছিল সাংবাদিক হব!-২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১০/০৯/২০১০ - ১১:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খবিশ খানের সাথে সাক্ষাতঃ

অবশেষে সেই বহুল প্রতীক্ষিত সাক্ষাতের দিন আসলো। তো গেলাম খবিশ স্যারের সাথে দেখা করতে। খবিশ স্যার যথেষ্ট ভদ্র ব্যবহার করলেন। জার্নালিজম এর কী কী জিনিশ আমার মেজর কাভার করে, কতদিন বাকী পড়া শেষ হওয়ার, আমার কোন অ্যাপ্লিকেশন লাগবে কিনা, বা ওনাকে সুপারভাইসার হিসেবে কী কী করতে হবে এইগুলা নিয়ে কথা বললেন। উনি কিন্তু ছবি চাইলো না, সিভিও চাইলো না। এইখানে একটু বলে র ...


বড় শখ ছিল সাংবাদিক হব!-১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০২/০৯/২০১০ - ২:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ক্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ইংরেজীতে চান্স পাওয়ার পর একটা কারনেই খুব খুশি ছিলাম যে আব্বুর স্বপ্ন আরেকবার ধুলিসাৎ করতে পারসি খাইছে (প্রথম বারেরটা ডাক্তার হওয়ার ছিল)। কত করে বললাম, বি.ই.ওয়াই.এ ইউনিভার্সিটিতে ম্যাস কমিউনিকেশনে পড়ি। আমাকে বলে, কি!! সাংবাদিক হইতে চাও! চুপচাপ ক্র্যাকে বিজনেসে পড়। কিন্তু আব্বুর সেই আশা আর পূরণ হল না। তো যাই হোক, ক্র্যাকে ক্লাস শুরু হয়। যেয়ে দেখি লিটারেচারের সব ...


দেশের মাটিতে দেশের অপমান সহ্য করার শাস্তি কি?

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৯/০৭/২০১০ - ১০:৫৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি ব্রিটিশ টেলিকমে কাজ করি। বেডরুম অফিস করি। বাংলাদেশের সবচেয়ে কাছাকাছি আমাদের অফিস ইন্ডিয়াতে। তাই মাঝে মাঝেই ব্যাঙ্গালরে গিয়ে ইন্ডিয়ান এঞ্জিনিয়ারদেরকে জ্ঞ্যান বিতরণ করে আসতে হয়। ঢাকায় ফিরতে আকাশ পথে প্রায় ১০ ঘন্টার মত ভ্রমন। ব্রিটেন যেতে ১২ ঘন্টার মত লাগে, তাই বলাই বাহুল্য আমার জন্য এটা যথেষ্টই ক্লান্তিকর। ভোর ৩টায় উঠে ঢাকায় আসার প্রস্তুতি নিতে হয়। অন্য বিম ...


শনির দশা!

স্বপ্নহারা এর ছবি
লিখেছেন স্বপ্নহারা (তারিখ: শনি, ১৫/০৮/২০০৯ - ৪:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কয়দিন ধইরা বড় বিপদে আছি! মুরুব্বিগো কাছে শুনছিলাম, শনির দশা হইলে এমন হয়; রাহুর দশায় মানুষ মরতেও পারে, তয় শনির দশায় না মরলেও ভোগান্তির শেষ থাকেনা। যাউগগা, পুরা ঘটনা খুইলা কই!

।।

গত শুক্রবার ব্যাংক ডাকাতি দেখলাম! গেছিলাম একটা চেক জমা দিতে; আমার ইউনিভার্সিটির পাশের মলে টিডি ক্যানাডা ট্রাস্ট ব্যাংকে। লাইনে খাড়াইয়া আছি- আমার সামনে দুই বালক-বালিকা প্রেম করতাছিল, আর তিনখান চাইনিজ বাচ্...


কোমলমতি!!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৯/০৭/২০০৯ - ৩:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিশুদের কথা যেখানেই পড়ি বা দেখি- তাদের সম্বোধন করা হয় কোমলমতি, নিষ্পাপ ইত্যাদি নানা বিশেষণ সহযোগে! ব্যাপারটা আমার কাছে বড়ই অবাক লাগে। শিশুদের ত্বক-কেশ ইত্যাদি বড়ই কোমল তা মানি; দেখতে হয়ত নিষ্পাপ মনে হয়- তাও মানি, কিন্তু তাদের মন/মতি আদৌ কোমল কিনা তা নিয়ে আমার সন্দেহ সামান্য জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই! আর তাদের মন/মতি যে মোটেও কোমল নয় বরং ভীষণ কঠিন (হীরক-কঠিন না হলেও টাইটেনিয়াম-কঠিন তো বটেই...


আমার দ্বিতীয় অফিসের কাহিনী

অদৃশ্য ভগবান এর ছবি
লিখেছেন অদৃশ্য ভগবান (তারিখ: শুক্র, ০৯/১১/২০০৭ - ১২:৫৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লোকের সাধারনত প্রথম অফিসের কথা বেশি করে মনে থাকে । আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু অন্যরকম । নানা কারনে আমার দ্বিতীয় অফিস আমার মনে দাগ কেটেছে ।

আমার প্রথম চাকরি একাশি দিনের মাথায় ছেড়ে দেবার পর বাড়িতে প্রায় নিষ্কর্মাই বসে ছিলাম । ...