[justify]বন্যেরা বনে সুন্দর আর টাইগাররা খুলনায়- বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছিলো জোর গুজব। সত্যতা আছে কথায়। খুলনার মাঠে দাপুটে দুই ম্যাচ জিতে আসা বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ঢাকায় এসে একটু পালটে গেলো বোধহয়। দুটো ম্যাচেই জেতা সম্ভব ছিলো। একটা বাঁধা হয়ে দাঁড়ালেন অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরির পর স্টিভ ওয়াহর স্যালুট রুপে তার লাল রুমাল জিতে নেয়া মারলন স্যামুয়েলস, ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পর্বে এসে নিজেকে যিনি বারবার চেনাচ্ছেন নতুন
বক্তব্য খুব সংক্ষিপ্ত।
এনামুল হক মণিকে বাদ দিতে হবে।
কার কাছে আবেদন করতে হবে জানি না।
হয়তো আইসিসি করবে, হয়তো বিসিবি'রও ভূমিকা থাকবে।
তবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাপোর্টার হিসাবে আবেদন জানাই - এনামুল হক মণিকে বাদ দেয়া হোক।
অন্য দলের ম্যাচে কী হবে জানি না। বাংলাদেশ দলের ম্যাচে তো নয়ই---
গতকালও বাংলাদেশের বিপক্ষে ভুল সিদ্ধান্ত দিয়েছে।
আজ শেষ মুহূর্তে রাজ্জাককে ভুল এলবিডব্লিউ দিয়েছে।
খুলনার মানুষ হিসেবে একটু অতিরিক্ত ভালোলাগায় আচ্ছন্ন হলাম যখন বাংলাদেশ দল সফরকারী ওয়েষ্ট ইন্ডিজ দলকে ওডিআই সিরিজের প্রথম দুটো ম্যাচ বেশ বড়ো ব্যবধানে হারিয়ে দিলো এবং দ্বিতীয় ম্যাচটির ফলাফলের ব্যবধান এযাবতকালের মধ্যে বাংলাদেশের জেতা ম্যাচগুলোর মধ্যে সবথেকে বড়ো। সাবাস টাইগার্স, কিপ ইট আপ।
প্রথম আলোর প্রতিনিয়ত এই পাকিমেহনের ক্রমবর্ধমাণ ধারা নিয়ে সচলায়তন ও অন্যান্য ব্লগে নানা সময় বিচ্ছিন্নভাবে লেখা এসেছে। কিন্তু সেই ব্যাপারটাই একটু গোছানোভাবে একত্রিত করার জন্য আর এই পাকিপ্রেমের বিষবৃক্ষের প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আজ থেকে একটি নতুন সিরিজ চালু হলোঃ "আলুর আজকের পাকিমেহন" শিরোনামে। আগ্রহী যে কেউ এই শিরোনামে প্রথম আলোর পাকিমেহনের খবরগুলো নিয়ে কন্ট্রিবিউট করতে পারেন। সচল-পাঠক সবাই এতে অংশ নিয়ে এই সিরিজটি বেগবান-সমৃদ্ধ করার অনুরোধ রইলো। এখন থেকে যিনিই লিখুন, যে শিরোনামেই লিখুন, "আলুর পাকিমেহন" এই ট্যাগ দিয়ে লিখুন। তাহলে সবগুলো লেখা একসাথে পাওয়া যাবে।
এক - তামিম ইকবাল, জুলাই ২০০৯
দুই - জাভেদ ওমর বেলিম গুল্লু, আগস্ট ২০০৩
তিন - হাবিবুল বাশার, নভেম্বর ২০০১
স্যারের ১০০০তম লিগ ম্যাচ আজকে। আরব্য রজনী ১০০০ রাত পরে শেষ হয়ে গিয়েছিলো কিন্তু এক হাজার রাতের প্রিমিয়ার লীগ ম্যাচের পরেও স্যার এখনো সমান উৎসাহে তার ম্যানেজারিয়াল ক্যারিয়ার চালিয়ে যাচ্ছেন, যাবেন। রূপকথার এই রাতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের প্রতিপক্ষ সাউদাম্পটন। আসুন কি হলো এই রূপকথার রাতে তা পড়তে থাকি. . .
কপালফেরে রাণীর রাজ্যে আমার বর্তমান নিবাস। তবে যেখানে থাকি সেখান থেকে লন্ডন বেশ খানিকটা দূরে বলে অলিম্পিকের উত্তাপ এখানে ওভাবে আসেনি। তবে অলিম্পিক আসছে- এমন একটা শোরগোল চলছে অনেকদিন ধরেই। এপ্রিল যখন শেষবার লন্ডন গিয়েছিলাম তখন অলিম্পিক ভেন্যুগুলো দেখে এসেছিলাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখার পর সেটার একটা রিভিউ লিখতে বসে গেলাম।