Archive

July 22nd, 2017

চক্রধামাঃ মায়ারাগ (চলছে...) পর্ব-৪

শিশিরকণা এর ছবি
লিখেছেন শিশিরকণা (তারিখ: শনি, ২২/০৭/২০১৭ - ৩:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অভীক আর নকুল এবার ভালো করে তাকালো ছায়ামূর্তির দিকে, এক পা ঘোড়ার রেকাবে আটকানো, অপর পা রাস্তা ধরে লাফাতে লাফাতে এগোচ্ছে।
"অগ্নিমূর্তি, হ্যাহ!?", অবশেষে মন্তব্য করলো অভীক।
" না।" বললো ফুরফুরা, "মানে, আসলে কি বলবো। এ হলো এমন লোক যে ঠাডা পড়া কি সেই কৌতুহল মেটাতে, ঝড় বৃষ্টির রাতে মাথায় তামার শিরোস্ত্রাণ চাপিয়ে কোন পাহাড়ের মাথায় খোদাতালাকে গালি গালাজ করতে রওনা হবে। ইয়ে, তোমাদের কাছে কোন খাবার হবে?"

" মুরগি আছে একটু।" বললো নকুল, "যদি তোমাদের কাহিনী খুলে বলো।"


July 21st

উইপোকা

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২১/০৭/২০১৭ - ১২:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সকালে ঘুম থেকে উঠে ইশতিয়াক দেখল তার এক জোড়া পাখা গজিয়েছে। কুচকুচে কালো রেশম নরম পালক। নিজের পালকে হাত বুলাতে বুলাতে ইশতিয়াকের মনে হল স্নেহা'র দীর্ঘ কালো চুলগুলো বোধহয় এমনই তুলতুলে হবে।

নিজের পাখায় হাত বুলাতে বুলাতে ইশতিয়াক দাঁত ব্রাশ করল। মুখ ধুলো। নাস্তা করল। চা খেয়ে একটা বেনসন ধরাল। তার সদ্য গজানো পাখা সম্পর্কে মেসের কেউ একটা প্রশ্নও করল না। যেন মানুষের পাখা গজানো তেমন একটা ব্যাপার না। এমনটি অহরহই হচ্ছে।


July 20th

তুমি স্পেশাল!

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০/০৭/২০১৭ - ৮:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অযুত-নিযুত গ্যালাক্সি পেরিয়ে একাকী এক সৃষ্টিস্তম্ভ (Pillar of Creation)। তার গর্ভ থেকে বেরিয়ে আসা তারারা নিমেষেই বাষ্পীভূত হয়ে অস্তিত্বহীনতায় বিলিয়ে যায়। কোটি কোটি বছর পেরিয়ে গেলে এক দিন কার্যত বন্ধ্যা এই সৃষ্টিস্তম্ভের গর্ভের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায় একটি তারা।


July 19th

বইপড়াকথা: মহাবিপদ সংকেত

নজরুল ইসলাম এর ছবি
লিখেছেন নজরুল ইসলাম (তারিখ: বুধ, ১৯/০৭/২০১৭ - ৫:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের সামরিক ঘটনাগুলো নিয়ে সকলের আগ্রহ। অনেক রহস্যে আবৃত থাকলেও এ সম্পর্কে তবু কিছুটা লেখালেখি হয়েছে। অনেকের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ, গবেষণার মাধ্যমে সময়টাকে এখন অনেকটা বোধের নাগালে আনা গেছে। চরিত্রগুলোকে চেনা গেছে।


July 17th

One day in the life of Ivan Denisovich (আইভান ডেনিসোভিচের জীবনের একদিন) - পর্ব - ৭ : A novel by Alexander Solzhensitsyn

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৭/০৭/২০১৭ - ৪:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পর্ব = ৭

(পূর্ববর্তী পর্বের লিঙ্ক গল্পের শেষে)

ওরা লম্বা একটা তারের টুকরো ভেঙ্গে নিয়ে এক কোনায় লুকিয়ে রাখলো। সূখোভ কয়েকটা তক্তা পেরেক ঠুকে জুড়ে দিয়ে একটা মই বানিয়ে গপচিককে পাঠালো স্টোভের পাইপটা ঝুলিয়ে দেয়ার জন্য। ছোকড়াটা একেবারে কাঠবেড়ালির মত চটপটে, তরতর করে খাম্বা বেয়ে উঠে দু-একটা পেরেক ঠুকে তার মধ্যে তার জড়িয়ে সেটা পাইপের তলা দিয়ে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে নিল। সে নিজ থেকেই পাইপটার প্রান্তের কাছটায় আবার বেঁকিয়ে দিলো, ছেলেটার উৎসাহ দেখে সূখোভ আর কিছু বললো না। আজকের বাতাসের গতি খুব বেশী না হলেও কাল যে হবে না সেটাতো আর বলা যায় না, আর এই বাঁকানোটা ধোঁয়া বেরুনো রোধ করবে। ভুলে যাওয়া যাবে না যে স্টোভটা সারানো হচ্ছে ওদের সবার নিজেদের স্বার্থেই।


July 15th

রাজপুত্র-কোটালপুত্র সিনড্রোম

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ১৫/০৭/২০১৭ - ১:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]এই গল্পটার মূল উৎস আমার জানা নেই। গল্পটি প্রথম পড়েছিলাম ‘ঠাকুরমার ঝুলি’ নামের একটা রূপকথার গল্প সংকলনে। বইটি মোটেও দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের বিখ্যাত সংকলনটি নয়, বরং দেশ-বিদেশের খান পঞ্চাশেক রূপকথাকে স্থানীয় পটভূমিতে পুনর্লিখন করে অজ্ঞাত কোন সংকলকের করা একটি বই। পরবর্তীতে গল্পটির একটু ঊনিশ-বিশ ভার্সান আরও কয়েক জায়গায় পড়েছি, কিন্তু কোথাও এর মূল উৎস উল্লেখ করা ছিল না। শৈশবে একই প্রকার গল্


জায়ফল

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: শনি, ১৫/০৭/২০১৭ - ৪:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মনে করেন বহুদিন আগের কথা। বিকাল। কালিকট বন্দরে এক কেজি রোমান্টিক মন নিয়ে বসে আছেন আপনি। সাথে আপনার ভালোবাসা। মিছে আশা। মৃদুমন্দ বাতাস। সাগরের কুলুকুলু সঙ্গীত। ঝাল লবণ সহকারে বাদাম। কতনা সুন্দর দিনটি।

এমন সময় জনৈক পর্তুগীজ ভাস্কো দা গামা হুমহাম আওয়াজ করে নানাবিধ জাহাজ নিয়ে কোথা থেকে বন্দরে উপস্থিত। আপনি তো হতবাক। সাথে হতবাক আপনার পাশে বসে বসে ঝাল বাদাম খাওয়া কতিপয় তিউনিসীয় সওদাগর। ভারতে তাদের আনাগোনা বহুদিন। তারা গামা মামার ভাষাও কিঞ্চিৎ জানে। তারা শুকনা মুখে কইবে, ওহে গামা। কী চাই হে, এই দূর ভারতীয় বন্দরে তোমাদের চাওয়া পাওয়া কী?

তার উত্তরে গামা অ্যান্ড কোম্পানি বললঃ “আমাদের চাওয়া পাওয়া সহজ। আমরা এসেছি খ্রিস্টান আর মশলার খোঁজে।”

খ্রিস্টান আর মশলা?


টু কিল এ মকিংবার্ড - হারপার লী: ২য় কিস্তি

দুষ্ট বালিকা এর ছবি
লিখেছেন দুষ্ট বালিকা (তারিখ: শুক্র, ১৪/০৭/২০১৭ - ৭:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথম পর্ব

একদিন সকালে জেমের সাথে খেলা শুরু করেছি আমাদের উঠোনে, তখন আমি পাশের বাড়ির মিস র‍্যাচেল হ্যাভারফোর্ডের সবজি বাগান থেকে একটা শব্দ শুনলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম ছোট কুকুর ছানার শব্দ, মিস র‍্যাচেলের টেরিয়ার কুকুরটার বাচ্চা হবার কথা ছিলো, কিন্তু তারের বেড়ার পাশে গিয়ে দেখি একটা ছোট ছেলে বসে আমাদের দিকে ড্যাবড্যাব করে চেয়ে আছে। ছেলেটা এতো ছোট যে ও বসে থাকা অবস্থায় সবজী আর ওকে আলাদা করাই যাচ্ছে না।


July 14th

রসগোল্লা চাই, বীচি চাইনা

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: শুক্র, ১৪/০৭/২০১৭ - ১:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেই দুষ্টু শিশুটির গল্প জানা আছে নিশ্চয়ই। অসুখ হয়েছে কিন্তু কিছুতেই সে তেতো ট্যাবলেট খাবে না। তার পছন্দের খাওয়া রসগোল্লা। মা পরে চালাকি করে এক হাড়ি রসগোল্লা কিনে তার সবগুলোর ভেতর একটা করে ট্যাবলেট ঢুকিয়ে রাখল। দুষ্টু শিশু প্রতিদিন দুটো করে রসগোল্লা খায়। সে মহা খুশী, সাথে তার মা ও খুশী। পরে অসুখ ভালো হচ্ছেনা দেখে একদিন পুত্রকে জিজ্ঞেস করেন, বাবা রসগোল্লা খেয়েছ? ছেলে ফোকলা দাতে ফিচেল হাসি দিয়ে বলে, রসগোল্লা খেয়েছি কিন্তু রসগোল্লার ভেতরের বীচি ফেলে দিয়েছি। যে দেশের বুড়ো বুদ্ধিজীবীরা দেশের প্রথম সারির পত্রিকায় 'বিজ্ঞান চাই, বিজ্ঞানবাদিতা চাইনা' ঘরানার বিষ্ঠা প্রসব করেন সেই দেশের শিশুরা খালি রসগোল্লা চাইবে, তার বীচি চাইবে না এটাই তো স্বাভাবিক।


July 12th

মরার বাড়ি - মৃত্যু নিয়ে কিছু আদিম বিশ্বাস : শেষ পর্ব

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১২/০৭/২০১৭ - ৪:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হত্যার প্রতিশোধের মতই মৃতের জন্য শোক প্রকাশ করাটাও আদিবাসীরা খুব জরুরি বলে মনে করে। অসুস্থ হবার সময় থেকে শুরু করে মৃত্যুর পর তার জন্য যথেষ্ট শোক প্রকাশ করা না হলে মৃতের আত্মা ভাবে তার আত্মীয় স্বজন তাকে যথেষ্ট ভালোবাসতোনা সুতরাং ক্ষুব্ধ আত্মা তখন তার জীবিত আত্মীয়-স্বজনদের জীবনে নানান ধরণের দুর্বিপাকের সৃষ্টি করে। অসুখ বিসুখে শিশুরা মারা যায়, পর্যাপ্ত শিকার মেলেনা, মাছধরায় ভাগ্য মন্দ যায়। সুতরাং কার