Archive

May 25th, 2017

লোকটা চলে গেল--

অনিকেত এর ছবি
লিখেছেন অনিকেত (তারিখ: বুধ, ২৪/০৫/২০১৭ - ৯:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই বার লোকটা সত্যিই নির্বাসনে গেল
এই বার লোকটা এত দূরেই চলে গেল যে
তোমাদের কারো কোন ডাক আর তার কাছে পৌঁছাবে না
তোমাদের আর কোন আকুল প্রার্থনায়,
অথবা কোন কঠোর তপস্যায়
সে আর মুখ ফেরাবে না ।
এতদিন হয়ত অভিমান করেছিল,
চোখের পাপড়িতে তুষারের মত জমে ছিল অনন্ত বিষাদ
আজ সে কপাল থেকে
এলোমেলো চুলের মতন সরিয়ে দিয়েছে তোমাদের নাম
আমাদের নাম
দেশ ছেড়ে এসেছিল অনেক আগে


May 21st

আত্মপ্রশ্ন

মূর্তালা রামাত এর ছবি
লিখেছেন মূর্তালা রামাত (তারিখ: রবি, ২১/০৫/২০১৭ - ১২:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বলো তুমি কেমন মানুষ?

ভেতরে কি পাহাড়, নদী
তার পাশে পথ; পথিক চাইলে হাঁটতে পারে?

আছে আকাশ? মেঘলা দুপুর—
গাছের ছায়ায় রাখালরা কি মনের সুখে বাঁশী বাজায়?

জানলা আছে? চুল ওড়ানো ফুলের বাতাস?
রোজ বিকেলে চিঠির আশায় কেউ কি বলো
দাঁড়িয়ে থাকে?

মানুষটা কি এমন তুমি?

পাল তোলা এক মনের মাঝে ‘বউ কথা কও’ পাখি পোষো,
যত্ন করে ছড়িয়ে রাখো সোনালী ধান উঠোন জুড়ে—


May 18th

তিনটি মেয়ের গল্প

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৮/০৫/২০১৭ - ৪:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এইটা আসলে অনেক অনেক দিন আগে, যখন একটা বিশেষ নারী সপ্তাহ পালন হচ্ছিল, সেই সময়ে লেখার কথা ছিল । কিন্তু তখন নানা কারণে লেখাটা দেওয়া হয়ে ওঠে নি ।

এ কাহিনি তিন প্রজন্মের । শিশুবালা বনলতা মণিদীপার গল্প । দিদিমা মা মেয়ের এই তিন প্রজন্মের গল্প যেন একটা ছোট্টো আয়না, পরনির্ভরশীল পুরুষশাসিত সমাজের মধ্যে মেয়েদের স্থান কী, সুখ কী দুঃখ কী আর কালের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে অবস্থার বদল হয়েছে সেই গল্প ।


May 16th

পরিণীতা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৫/০৫/২০১৭ - ৯:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পরিণীতা

--- রাজিব মাহমুদ


May 14th

বিচিত্র একক

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: রবি, ১৪/০৫/২০১৭ - ১:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে বসে বারবার অানমনা হয়ে পড়ছিলেন দিলদরাজ সোনাচৌধুরী, রেপন জুয়েলার্সের প্রতাপশালী মালিক।


May 13th

ধূম সওদাগর - প্রথম পর্ব

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: শনি, ১৩/০৫/২০১৭ - ৮:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মার্কিন ক্যাপ্টেন স্যামুয়েল হর্নক্লিফ গম্ভীর স্বরে বললেন, হাঁ যা ঘটেছে তা অতি দুঃখজনক। আটারলি ডিস্যাপয়েন্টিং অ্যান্ড কোয়াইট আনফরচুনেট ইন্ডিড। এই ভারতীয় ছেলেটি চমৎকার রাঁধে, সে যে আচমকা ঢিল ছুঁড়ে মানুষ মেরে ফেলবে তা ভাবা যায়নি।

পাশে দাঁড়ানো লম্বা জামা পরিহিত চীনে প্রশাসক চাওলুং সরু চোখে তাকিয়ে রইলেন, কিছু বললেন না। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে হর্নক্লিফ বললেন, আমরা আমেরিকান। স্থানীয় আইনের প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল। এই ছেলের বিচার কি করবেন আপনারাই স্থির করুন।

লালুর মুখ এতক্ষণ বাঁধা ছিল। চাওলুং এর চোখের ইশারায় পাশে দাঁড়ানো চীনে পেয়াদা মুখের কাপড় খুলে শক্ত করে তার হাত পিছমোড়া করে পেঁচিয়ে ধরল, আর সেই ফাঁকে গলা ফাটিয়ে লালু বিশুদ্ধ ইংরেজীতে বলল আই অ্যাম ইনোসেন্ট। আমি কিছু করিনি। আই ওয়াজ নট ইভেন অন ডেক, আমি তো নিচে ফেটে যাওয়া আফিমের বাক্স সারাই করছিলাম।

ক্যাপ্টেন হর্নক্লিফ আর তার মার্কিন সহ অফিসারগণ কিঞ্চিৎ থতমত খেয়ে গেলেন। এই ভারতীয় চাকর বেশ ইংরেজী বলতে পারে দেখছি। অল্প কিছুক্ষণ নীরবতা, তারপর চাওলুং হর্নক্লিফের দিকে তাকিয়ে ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে সন্দিগ্ধ স্বরে বললেন, হি সে ওপিয়াম? য়ু হ্যাভ ওপিয়াম?


লাকী আখন্দকে নিয়ে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১২/০৫/২০১৭ - ১১:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত ২১শে এপ্রিল, সারা বাংলাদেশকে অঝোরও ধারায় কাঁদিয়ে খসে পড়লো একটি নক্ষত্র, লাকী আখন্দ। লাকী আখন্দ, কে উনি? একজন সুরকার? গায়ক? যন্ত্রী? মুক্তিযোদ্ধা? নাকি একজন কিংবদন্তী…আসলেই কে উনি?


May 12th

ভদ্রঘরের পোলা

মৃদুল আহমেদ এর ছবি
লিখেছেন মৃদুল আহমেদ (তারিখ: শুক্র, ১২/০৫/২০১৭ - ২:০৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আর ইউ ওকে টু টক?
সামনে বসা পুলিশ অফিসারের প্রশ্ন। গলায় অঢেল কোমলতা। ধবধবে সাদা চামড়া। নীল চোখ। রিয়েল অ্যামেরিকান পুলিশ।
বাড়াকাত মোটেই ওকে না। ওকে থাকার কথাও না। পশ্চাৎদেশের ব্যথা কঠিন ব্যথা। কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে, কভু আশীবিষে দংশে নি যারে!
বাড়াকাতের মনে হচ্ছিল অন্য কথা। এই ব্যথার চেয়ে আশীবিষের কামড় ভালো ছিল। হায় রে সাপ! তুই কামড় দিলি না, কামড় দিল অভিশাপ!


May 11th

রুদাই (৩)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১০/০৫/২০১৭ - ১১:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বৃত্ত ভাঙা নিয়ে ভাববার খুব একটা অবকাশ পাচ্ছিনা। এখানে এখন রুদেলান্তির সময়, ঈশ্বরের অনুগ্রহ হাত ভরে নেবার কাল। সোনালি স্রোতের যেন কোন শেষ নেই, শেষ নেই ছাঁকনদারদের ব্যাস্ততার, তারচেয়েও ব্যাস্ত বাদামিরা। এরই ফাঁকে আমাদের তল্লাটে বেশ কিছু পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। বৃত্ত গুলো এখন আরও বড়, আরও উষ্ণ। আর্দ্রতা কমে এসে অমৃতের স্বাদটাকে কেমন যেন পাল্টে দিয়েছে। তবে নিজেকে দারুণ শক্তপোক্ত আর চনমনে লাগে আজকাল, বাকি একুশ জনের দিকে তাকিয়ে টের পাই কলেবরে বেশ বেড়েছি আমি।


May 10th

ইচ্ছেঘুড়ি (পর্ব-৬)

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৯/০৫/২০১৭ - ৮:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঘটনাটা অনির যতবার মনে পড়ছে ততবার মজা লাগছে। কাঁথার ওম উপভোগ করতে করতে অনি মাঝে মাঝে আজমাইনের চেহারাটা মনে করে হাসছে। অনির আজ আনন্দের সীমা নেই। আজমাইন আজ বেশ একটা শিক্ষা পেয়েছে। অবশ্য এটার পুরো কৃতিত্ব সেই মেয়েটার। তবে রুমন যদি আজ সেই মেয়েটার কাছে আজমাইনকে দিয়ে মাফ না চাওয়াতো তাহলে আজ নির্ঘাত বিষয়টা মা-বাবা অবধি গড়াতো। আজমাইনের সবকিছুতেই সবজান্তা ভাব। অথচ রুমন কত কি জানে, গাদি গাদি বই পড়ে ও। অথচ রু