টিউলিপ এর ব্লগ

পক্ষীপুরাণ

টিউলিপ এর ছবি
লিখেছেন টিউলিপ [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০৫/১৫/২০১১ - ৪:৫৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সকাল থেকেই কিচিরমিচির কিচিরমিচিরে কান ঝালাপালা। পা টিপে টিপে লিভিং রুমে গিয়েই দেখলাম পুরোদস্তুর সার্কাস চলছে। একটা পাখি আসে, এসে প্রথমে রেলিংএ বসে, ইতিউতি চায়, ঝুপ করে ঝোলানো বার্ড ফিডারে গিয়ে ঠোঁটে বিচি তুলে নেয় একটা। তারপর উড়ে গিয়ে মাচায় বসে খুব দ্রুত ঠুকঠুক করে বিচিটা ভেঙে খেয়েই উড়ে পালায়। আবার একটু পরে এসে একই কান্ড করে। মাঝে মাঝে বার্ড ফিডারের মাঝে রাখা বাটির পানিতে একটু ঠোঁট ভিজিয়ে নেয়।


একটি রেসিপি প্রস্তুতপ্রণালীঃ স্পাইসি এন্ড সাওয়ার গার্লিক শ্রিম্প

টিউলিপ এর ছবি
লিখেছেন টিউলিপ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৪/২১/২০১১ - ১০:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার বাইরে পড়তে আসার সময় বাবা মার সবচেয়ে বড় চিন্তা ছিলো তাদের মেয়ে খাবে কী? কারণ মেয়ে রান্নাঘরে ঢোকে নি জীবনেও। ছোটবেলায় মা ঢুকতে দিতো না, সেটাই অভ্যেস হয়ে গিয়েছিলো। ভিসা হয়ে যাওয়ার পরে একটু আধটু শেখানোর চেষ্টা চললেও ব্যস্ততার কারণে তাই রান্না বিষয়ে প্রায় শুন্য জ্ঞান নিয়েই চলে আসলাম। ঝুলিতে আছে খালি ভাইয়ার কাছে দেখা একটু বেসিক, আর তাঁর উপদেশ “রান্না হলো কেমিস্ট্রি, যা করছো সেটা কেন করছো চিন্তা করে দেখবে।”


যুক্তি (পর্ব ৩)

টিউলিপ এর ছবি
লিখেছেন টিউলিপ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৪/০৫/২০১১ - ১২:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মূলঃ আইজাক আজিমভ

ডনোভান চমকে পাওয়েলের দিকে তাকালো, “বাজি ধরে বলতে পারি এই মাথানষ্ট লোহার জঞ্জালটা এনার্জি কনভার্টারের কথা বলছে।”
পাওয়েল হাসি সামলাতে পারলো না, “সত্যি নাকি, কিউ টি?”
“আমি প্রভুর কথা বলছি”, শান্ত, তীক্ষ্ণ উত্তর এলো।


যুক্তি (পর্ব ২)

টিউলিপ এর ছবি
লিখেছেন টিউলিপ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৩/২৯/২০১১ - ১১:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মূলঃ আইজাক আজিমভ
পর্ব ১

পাওয়েলের চেহারায় এবার খুশির আভাস ফুটে উঠল।

“বাকিটা তো খুব সোজা। এই স্পেস স্টেশনগুলো প্রথমে তৈরি হয়েছিল ছোট বিন্দু, মানে গ্রহগুলোর শক্তির চাহিদা মেটাতে। তখন মানুষ এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিল। কিন্তু প্রখর তাপ, তেজস্ক্রিয়তা আর ইলেকট্রন ঝড়ের কারণে এখানে কাজ করা যে কোন মানুষের জন্য বিপদজনক। তাই মানুষের জায়গায় রোবোট দিয়ে কাজ চালানোর কথা চিন্তা করা হয়। মাত্র দুজন মানুষ এখন এই পুরো স্টেশনটার তদারকি করছে, বাকি সব কাজ রোবট দিয়ে হচ্ছে। কিন্তু আমরা চাচ্ছি এই দুজন মানুষও যেন দরকার না হয়। এজন্যই তোমার মতো রোবট প্রোটোটাইপ, যে কি না যুক্তি বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তৈরি করা হয়েছে। তুমি যদি এই স্টেশন একা সামলাতে পারো, তাহলে মাঝে মধ্যে মেরামতের জন্য কিছু জিনিস আনা ছাড়া মানুষের আর এখানে আসার দরকার পড়বে না।”


যুক্তি - পর্ব ১

টিউলিপ এর ছবি
লিখেছেন টিউলিপ [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৩/২৩/২০১১ - ৯:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মূল - আইজাক আজিমভ


পঙ্খিরাজ

টিউলিপ এর ছবি
লিখেছেন টিউলিপ [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১০/২৭/২০১০ - ১১:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

 দম ফেলার সময় নেই। আজকে বিকাল পাঁচটার মাঝে একটা প্রপোজাল জমা দিতে হবে। অ্যাডভাইজরের সাথে গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত মেইল চালাচালি হয়েছে। এখনো খুঁটিনাটি অনেক কিছু গোছানো বাকি। এই সময় ফোনটা বেজে উঠলো। ভ্রু কুঁচকে ফোনটা হাতে নিলাম। ডিসপ্লেতে নাম্বারটা আমার বড় বোনের। একটা হার্টবিট স্কিপ করলো, 'সে' কি কথা বলতে চায়? বলবে কি একটু কথা?
 
 
ফোন কানে ধরে হ্যালো বলামাত্র আমার মুখে আস ...


বাচ্চা ভয়ংকর কাচ্চা ভয়ংকর ১

টিউলিপ এর ছবি
লিখেছেন টিউলিপ [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৪/২৮/২০১০ - ৭:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিশুদের সম্পর্কে আমার একটা পর্যবেক্ষণ আছে। সেটা হলো প্রতি প্রজন্মে শিশুদের বিটলামি জ্যামিতিক হারে বাড়ে। আমাদের বাবা-মার কাছে আমরা নিয়মিতই শুনেছি আমাদের তুলনায় তারা কত শান্ত ছিল (যদিও পরে আমার মায়ের কিছু কীর্তিকলাপ শুনে সেগুলো মেনে নিতে আমার যথেষ্ট আপত্তি আছে), কিন্তু আমার বড় বোনের শিশুপ্রীতির সুবাদে বেশ কয়েক প্রজন্মের বাচ্চাকাচ্চা দেখে আমার এই বিশ্বাস বেশ পোক্ত হয়ে...


আমার প্রতিভা

টিউলিপ এর ছবি
লিখেছেন টিউলিপ [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৩/২০/২০১০ - ১২:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি যে এক বিশাল প্রতিভাবান ব্যক্তি তাতে আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। এমন কি আমার প্রতিভা আছে এই কথাটাই যে কেউ বিশ্বাস করে না, সেটাই তো আমার প্রতিভার এক মস্ত পরিচয়। যুগে যুগে প্রতিভাবানদের কথা তাদের সমসাময়িক কে বিশ্বাস করেছে? গ্যালিলিও, ব্রুনো, ভ্যান গঁগ - কেউই তাদের জীবদ্দশায় সাধারন লোকের কাছে পাত্তা পান নি।

যাই হোক, অন্য লোকের কথা না তুলে নিজের যুগান্তকারী প্রতিভার কিছু উদ...


ভুলে যাওয়া গল্প

টিউলিপ এর ছবি
লিখেছেন টিউলিপ [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০২/২০/২০১০ - ১:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাঝে মাঝে কেন যেন কিছুতেই কাজে মন বসে না। এখন ল্যাবে বসে আছি, আজকের দিনের মাঝে দুইটা write up শেষ করতে হবে, অথচ মন চলে যাচ্ছে সেই ছোটবেলায়।

পড়তে শেখার পর থেকে সেটাকে কাজে লাগাতে কার্পণ্য করি নি। এক নিজের পাঠ্যবই ছাড়া যে কোন লিখিত জিনিস পেলেই সেটা পড়া নিজের পবিত্র কর্তব্য মনে করে এসেছি। কিন্তু ছোটবেলায় বড় হওয়ার খুব ইচ্ছে থেকেই মনে হয় রূপকথা পড়তে ভাল লাগত না তত, যতটা এখন লাগে।

...