না, এইটারে ব্যক্তিবাদ বলে। কারণ কিছু ব্যক্তি নিজেরে পার্লামেন্ট ভাবার কোশেশ করতেছে (এবং আরেকজন ব্যক্তির ফালতু-আলাপকে পার্লামেন্টারি প্রসিডিংসে ঢুকাইছে - সেইটা বাদ্দিলাম)। ঞলিবারল ব্যক্তিবাদের চশমা খুললে পরেই না বুঝা যাবে পার্লামেন্ট বহুব্যক্তির ক্ষমতার সংরক্ষণাগার, অন্যকিছু না। এই সংজ্ঞার ব্যত্যয় ঘটলে এইটা পার্লামেন্টারি সুপ্রিমিসির ধারণাগত সমস্যা না, বরং কতিপয় ব্যক্তির বিভ্রান্তি এর জন্য দায়ী। অশিক্ষিত সাংসদদের আলুকিত কর্তে হপে।
পার্লামেন্ট কেবলই বহুব্যক্তির ক্ষমতার সংরক্ষণাগার না, অন্যকিছুও। যে কারণে সাংসদরা সংবিধানকে সমুন্নত রাখার শপথ নেয়, যে সংবিধানে একক "ব্যক্তির" চিন্তা ও বিবেকের এবং বাক-প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলা আছে, যার সাথে বহু ব্যক্তির বা তার ক্ষমতার মূলত কোনো সম্পর্ক নেই। রাষ্ট্রবাদের চশমা চোখে থাকলে সেটাকে বড়জোর মশার গণতন্ত্র চর্চা মনে হতে পারে। আলুকিত না, শপথ রক্ষা করলেই চলপে।
ফাইজলামোর একটা সীমা থাকা দরকার।